শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:১১, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫

ইউরোপীয় স্থাপত্যশিল্পে মুসলিম প্রভাব

আতাউর রহমান খসরু
অনলাইন ভার্সন
ইউরোপীয় স্থাপত্যশিল্পে মুসলিম প্রভাব

খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতক। ইংল্যান্ডের ওয়েলসের একজন নাইট ক্রুসেড থেকে দেশে ফিরেছেন। তিনি সঙ্গে নিয়ে এসেছেন একজন ফিলিস্তিনি রাজমিস্ত্রি। স্থানীয়রা তাঁকে লেলিস নামে ডাকে, যা মূলত আরবি আল আজিজের ভুল উচ্চারণ।

রাজমিস্ত্রি আজিজ বেশ কয়েকটি আশ্রম, দুর্গ ও গির্জা নির্মাণ করেন। যার মধ্যে দক্ষিণ ওয়েলসের নেথ অ্যাবে অন্যতম, যা বর্তমান ইংল্যান্ডের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রাচীন ধ্বংসপ্রাপ্ত আশ্রম। একাদশ খ্রিস্টাব্দে অপর একজন ফিলিস্তিনি রাজমিস্ত্রি আল ওমর দক্ষিণ ইংল্যান্ডের নরফোকে দৃষ্টিনন্দন ক্যাসেল একর প্রাইরি নির্মাণে সাহায্য করেছিলেন।

গবেষক ডায়ানা ডার্ক মনে করেন, ব্রিটিশ স্থাপত্যের ঐতিহ্য হয়ে ওঠা স্থাপনাগুলো নির্মাণে লেভ্যান্ট (শাম ও লেবানন) অঞ্চলের স্থপতি ও নির্মাণ প্রকৌশলীদের এই সহযোগিতা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়।

মধ্য যুগে ইউরোপের নির্মাণ ও আলংকারিক কারুশিল্পের জগৎ মুসলিমদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল। তিনি তাঁর সম্প্রতি প্রকাশিত বই ‘ইসলামিস্কো’তে এমনটিই দাবি করেছেন। তিনি তাঁর আগের বই ‘স্টিলিং ফ্রম দ্য সারাসেনস’-এ দাবি করেছিলেন ইউরোপের বহু সেরা স্থাপনা ইসলামী স্থাপত্যরীতি দ্বারা প্রভাবিত।

ডার্ক তাঁর বইয়ে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের প্রমাণ করেছেন যে মধ্য যুগে গড়ে ওঠা ‘রোমানেস্কো’ নামক স্থাপত্যরীতি ইসলামী রীতি দ্বারা উজ্জীবিত ছিল।

এখানেই শেষ নয়, বরং ইউরোপজুড়ে রোমানেস্কো রীতিতে নির্মিত সেরা স্থাপত্যকর্মের অনেকগুলোই আরব ও মুসলিমরা নির্মাণ করেছে। স্থাপত্যশিল্পের এসব নথিপত্র মধ্য যুগে সমগ্র ইউরোপে মুসলমানদের অস্তিত্বের জানান দেয়। আর এটাও প্রমাণিত হয় যে তখন ইউরোপে মুসলিমরা বসবাস করত একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে। যারা ছিল সুদক্ষ, উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন, উচ্চ বেতনভোগী এবং সমাজের সম্মানিত সদস্য। কোনো সন্দেহ নেই ইউরোপীয় সভ্যতা (মুসলিম) অভিবাসীদের উচ্চতর দক্ষতার ওপর নির্মিত হয়েছিল।

ডার্ক যুক্তির সঙ্গে বলেছেন, রোমানেস্কো খ্রিস্টীয় দশম থেকে ত্রয়োদশ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যরীতি। রোমানেস্কোই গোথিক স্থাপত্যরীতির পথ প্রশস্ত করেছিল। রোমানেস্কো যার অর্থ রোমানদের রীতিতে তাকে ইসলামিস্কো (ইসলামী রীতিতে) বললেই সহজে সত্য উপলব্ধি করা যাবে।

লেখকের মতে, খ্রিস্টান ইউরোপ যখন সম্পদশালী হয়ে উঠেছিল এবং চার্চ ও সমাজপতিরা নির্মাণ খাতে তাদের বরাদ্দ বাড়াচ্ছিল তখন ইউরোপে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন আরব কারিগর, শিল্পী, স্থপতি ও নির্মাণ প্রকৌশলীদের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছিল। এসব নির্মাণশিল্পী ও কারিগররা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে থেকে কাজ করতে পছন্দ করত। তাদের ইউরোপে আগমনের পথ ছিল মুসলিম শাসিত সিসিলি। সিসিলিতেও এমন বহুসংখ্যক মুসলিম স্থাপত্য আছে, যা নিয়ে গর্ব করা যায়। আগ বাড়িয়ে এটাও বলা চলে, ইতালির সর্বত্র ইসলামী স্থাপত্যরীতির বহু নিদর্শন আছে। ইতালির বিখ্যাত পিসার হেলানো টাওয়ারের কথাই ধরা যাক। যার অভ্যন্তরীণ জ্যামিতিক নকশা, কলাম ও অলংকরণ সব কিছুই ইসলামী স্থাপত্যরীতি ও নান্দনিকতার বৈশিষ্ট্য ধারণ করে আছে। এটাকে আরব প্রভাবের উজ্জ্বল নিদর্শনও বলা যায়। ইতালির মতো স্পেনও মুসলিম স্থাপত্যরীতি দ্বারা দারুণভাবে প্রভাবিত ছিল। স্পেনে বিদ্যমান মুসলিম স্থাপত্যগুলোর সঙ্গে মুসলিম শাসন অবসানের পরবর্তী স্থাপত্যগুলোর তুলনা করলেই বৈশিষ্ট্যগত মিল চোখে পড়বে এবং মুসলিম প্রভাবও স্পষ্ট হবে।

পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো যেমন—জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ, যেখানে মূলত কখনো ইসলামী শাসন ছিল না, সেখানেও ইসলামী স্থাপত্যরীতির প্রভাব দৃশ্যমান। যেমন—ইউরোপে টিকে থাকা মধ্য যুগের চারটি অলংকৃত কাঠের সিলিংয়ের একটি সেন্ট মাইকেল গির্জায় বিদ্যমান। গির্জাটি উত্তর জার্মানির হিল্ডেসেইমে অবস্থিত। একাধিক বৈশিষ্ট্য থেকে বোঝা যায় সিলিংটি ইসলামী স্থাপত্যরীতি দ্বারা প্রভাবিত। ইংল্যান্ডের রাজা রিচার্ড দ্য লায়নহার্ট ফ্রান্সের সাইন নদীর তীরে লেজ আন্দেলেইজ শহর নির্মাণে মুসলিম নির্মাতাদের নিয়োগ দিয়েছিলেন। যেখানে এখনো ইসলামী স্থাপত্যরীতির প্রতিধ্বনি শোনা যায়। যার মধ্যে আছে একাধিক খিলানযুক্ত ঘর, ছায়াযুক্ত পথ এবং গোপনীয়তার রক্ষার উপায়।

ফ্রান্সে ইসলামী স্থাপত্যরীতি দ্বারা প্রভাবিত আরেকটি স্থাপত্য নিদর্শন হলো লে পুই ক্যাথেড্রাল। ফরাসিরাও স্বীকার করে এটা দারুণভাবে ইসলামী রীতি দ্বারা প্রভাবিত, বিশেষ করে এর সাদা-কালো খিলান, সম্মুখ ভাগের গঠন এবং দরজায় লেখা ‘আল মুলকু লিল্লাহ’ (সার্বভৌমত্ব কেবল আল্লাহর) বাক্য অস্বীকারের সব পথ বন্ধ করে দেয়।

ইউরোপে মুসলিম স্থাপত্যরীতির প্রভাব বিস্তারে নরম্যানরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা সিসিলি, ইতালি ও স্পেন থেকে ইসলামী রীতি রপ্ত করেছিল। তারা ব্যাপক হারে মুসলিম স্থপতিদের মতো ছেদকারী খিলান, তোরণ, জ্যামিতিক প্যাটার্ন ও জিগজাগ ব্যবহার করেছিল, যা পূর্বে ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে অজানায় ছিল। ডায়ানা ডার্কের দাবি, ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের প্রতিটি নরম্যান গির্জা ও ক্যাথেড্রাল এবং অন্যান্য ভবন ও স্থাপত্য ইসলামী প্রভাবের প্রমাণ। একইভাবে নরফোকের ক্যাসল রাইজিং ইসলামী বিশ্বের অবকাশ ও শিকার কেন্দ্রের আদলে নির্মিত, উইলিয়াম দ্য কনকারর কর্তৃক নির্মিত লন্ডন টাওয়ারের খিলানগুলো ইসলামী রীতি দ্বারা প্রভাবিত, অ্যাংলো-স্যাক্সন বণিক দ্বারা নির্মিত ব্রিস্টল ক্যাথেড্রালের অভ্যন্তর ভাগে ইসলামী রীতির জিগজাগ ব্যবহার করা হয়েছে। 

ডায়ান ডার্কের গবেষণা কর্মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ, যা মধ্য যুগে ইউরোপের মুসলমানদের ভুলে যাওয়া ইতিহাস, তাদের অর্জন ও অবদানকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে; যা উগ্র ডানপন্থী ইউরোপীয় নেতাদের মুখে একটি দারুণ চপেটাঘাতও বটে। কেননা তারা ইউরোপে মুসলমানের যেকোনো উপস্থিতিকে নিন্দার দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করে এবং মুসলিম ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অবদানকে বরাবর অস্বীকার করে। ডার্ক মনে করেন, কয়েক দশক আগেও ইউরোপে মুসলিম স্থপতি, কারিগর ও প্রকৌশলীদের পরিচয় আড়াল করার প্রচেষ্টাটা এত প্রবল ছিল না, যেমনটি বর্তমানে দেখা যায়। বর্তমানে ইউরোপকে মুসলিম ঐতিহ্য থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার একটি প্রচারণা চলছে, যা ইতিহাস বিকৃতিরই অংশবিশেষ।

মিডল ইস্ট আই অবলম্বনে


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত
রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে ঈদ রবিবার
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে ঈদ রবিবার
ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো অস্ট্রেলিয়া
ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো অস্ট্রেলিয়া
আজ চাঁদ উঠলে সৌদি আরবে কাল ঈদ
আজ চাঁদ উঠলে সৌদি আরবে কাল ঈদ
মুুমিন যেভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন
মুুমিন যেভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন
রমজানের শেষ মুহূর্ত: ফিরে আসার এক সুবর্ণ সুযোগ
রমজানের শেষ মুহূর্ত: ফিরে আসার এক সুবর্ণ সুযোগ
রমজানে মুসলিম-বাঙালি সংস্কৃতি
রমজানে মুসলিম-বাঙালি সংস্কৃতি
দেশকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করতে হবে : ধর্ম উপদেষ্টা
দেশকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করতে হবে : ধর্ম উপদেষ্টা
সর্বশেষ খবর
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই
বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭
ধলেশ্বরী নদীতে সেনা অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৭

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়
চাঁদপুরে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র মোলহেডে দর্শনার্থীদের ভিড়

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩
বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০
ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি
নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার
চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই
শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা
সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!
তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার
টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা
আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা