তাইওয়ানকে লক্ষ্য করে চীনের সামরিক মহড়া ওই অঞ্চলের নিরাপত্তাকে ‘ঝুঁকির’ মধ্যে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তাইওয়ানের পাশে জলপথে এবং আকাশপথে চীন তাদের সামরিক মহড়া শুরু করেছে। সেই অনুশীলনের দ্বিতীয় দিনে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তাইওয়ানের প্রতি চীনের ‘আগ্রাসী নীতি এই অঞ্চলের সুরক্ষা এবং বিশ্বের শান্তি প্রক্রিয়াতে বিঘ্ন ঘটাবে’। তাইওয়ানকে লক্ষ্য করে চীনের সামরিক মহড়া ওই অঞ্চলের নিরাপত্তাকে ‘ঝুঁকির’ মধ্যে ফেলেছে।
এই সামরিক অনুশীলনকে ‘স্ট্রেইট থান্ডার-২০২৫এ’ নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাইওয়ান প্রণালীর মধ্য ও দক্ষিণ অংশে এই অনুশীলন চলছে। প্রসঙ্গত, এই অঞ্চলটি সারা পৃথিবীর জাহাজ পথের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অন্যদিকে, চীন জানিয়েছে তাদের সামরিক মহড়ার উদ্দেশ্য তাইওয়ান দ্বীপটিকে সুরক্ষিত রাখা এবং প্রয়োজনে ঠিকভাবে প্রাত্যাঘাত করা।
তাইওয়ানের সুরক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, বুধবার সকালে তাইওয়ান প্রণালীতে ১০টির বেশি চীনা যুদ্ধজাহাজকে মহড়া করতে দেখা গেছে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় চীনের ৭৬টি যুদ্ধবিমান এবং ১৫টি যুদ্ধজাহাজকে ওই অঞ্চলে দেখা গিয়েছে।
এর আগে মার্চের মধ্য ভাগে চীন বহুসংখ্যক ড্রোন সহ জাহাজ এই দ্বীপে পাঠিয়েছিল। তাইওয়ান চীনের এই সামরিক কার্যকলাপের নিন্দা করেছে।
সূত্র : গার্ডিয়ান।
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত