শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

সংলাপ না রাজপথ

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
সংলাপ না রাজপথ

চারপাশে প্রতিদিন যা ঘটে চলেছে, তার মধ্যে সুসংবাদের অংশ সামান্য। বেশির ভাগ খবরই নৈরাশ্যজনক। যানজটে নাকাল নগর ও নগর উপকণ্ঠের মানুষ। চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মবোক্র্যাসি, ধর্ষণ, মিছিল, খুনখারাবি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, আন্দোলন-সংগ্রাম ও শয়তান শিকার অভিযান চলছে যেন পাল্লা দিয়ে। অন্যদিকে জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ঐক্যের যে পাটাতন তৈরি হয়েছিল, তাতেও ফাটল ধরেছে, প্রতীয়মান হয়। কে কার কোন পারপাস সার্ভ করতে চাইছে, সে এক কঠিন ধাঁধা।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অনুসন্ধান বলছে, সারা দেশে অপরাধকর্ম সংঘটনের পেছনে কাজ করছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আরও দুয়েকটি গোপন সংগঠন। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নানা কৌশলে অপরাধীদের মাঠে নামাচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা নিজেরাও অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেও বলেছেন, দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে পতিত স্বৈরাচার বিপুল অর্থ ঢালছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এরূপ পর্যবেক্ষণ অমূলক হয়তো নয়। গণ অভ্যুত্থানের মুখে পরাজিত ও পলায়নপর শক্তি প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার চেষ্টা করতেই পারে। পাশাপাশি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে নেমে পড়তে পারে জাত অপরাধীরাও। রাজনৈতিক দল, এনজিও, সুশীল, সমন্বয়ক, ধার্মিক নানা রঙের চাদর পরে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত মতলব হাসিলের চেষ্টাও যে চলছে না, তেমনটি বলার কোনো সুযোগ নেই।

প্রশ্ন হচ্ছে সমস্যাকীর্ণ এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব কোন পথে? এই পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্ব প্রথমত ও প্রধানত অন্তর্বর্তী সরকারের। নিজেদের যাঁরা জুলাই অভ্যুত্থানের নায়ক বলে দাবি করেন এবং যাঁরা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে প্রথম থেকে নিবিড়ভাবে কাজ করে চলেছেন তাঁদেরও দায়িত্ব এ ক্ষেত্রে কম নয়। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে দেশের ছোটবড় প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের সর্বাত্মক অংশগ্রহণ থাকলেও ছাত্রদের কৃতিত্ব দিতে কখনো কোনো দল কার্পণ্য করেনি। এজন্য রাজনৈতিক দল প্রশংসার দাবিদার। কোনো কোনো পার্টি জাতীয় সরকারের কথা বললেও অন্তর্বর্তী সরকারে তারা শরিকানা চায়নি। কিন্তু আন্দোলনের পাইওনিয়াররা চেয়েছিলেন এবং তাঁরা শরিক হয়েছেন। কাজেই তাঁদের কাঁধেও সেই দায়িত্ব বর্তায়। সেই দায়িত্ব কি তাঁরা পালন করতে পারছেন! নাকি পালন করছেন! জনমনে আজ এই প্রশ্নটি প্রবল হয়ে দেখা দিতে শুরু যে করেছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। যদি তা-ই না হবে; সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের অনেকে কেন সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী- এসব বিশেষণ ব্যবহার করে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন? সাম্প্রতিক এক জরিপে ছাত্রদের দলের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে কম বলে ফল পাওয়া গেছে। সম্প্রতি দেশের চৌষট্টি জেলার ১০ হাজার ৬০০-এরও বেশি মানুষের মতামত জরিপ করেছে একটি সংস্থা। তাতে দেখা যায়, দল হিসেবে মাত্র ৫ শতাংশ মানুষ ছাত্রদের দ্বারা গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিকে সমর্থন করছে। এমন তো হওয়ার কথা ছিল না। কেন এমন হলো?

পক্ষান্তরে জরিপে উত্তরদাতাদের ৪১ শতাংশের পছন্দ বিএনপি, ৩১ শতাংশের পছন্দ জামায়াতে ইসলামী। ১৪ শতাংশ মানুষ এখনো আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে এই জরিপ ফলাফলে বলা হয়েছে।

চারপাশে প্রতিদিন যা ঘটে চলেছে, তার মধ্যে সুসংবাদের অংশ সামান্যপরিসংখ্যান বা জরিপ ফলাফলকে ধ্রুব সত্য বলে মেনে নেওয়া জরুরি নয়। মার্ক টোয়েনের সেই বিখ্যাত উক্তিটি এখনো অসার প্রমাণিত হয়নি। তিনি বলেছিলেন, মিথ্যা তিন প্রকার; ১. মিথ্যা ২. ডাহা মিথ্যা ৩. পরিসংখ্যান। এই বাণীটি মাথায় রেখেও যে কেউ স্বীকার করবেন, আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের জুলাই-আগস্টের জনপ্রিয়তা এখন আর নেই। যাঁরা ছিলেন তুঙ্গে, তাঁদের জনপ্রিয়তা আজ নিম্নগামী কেন? আত্মসমালোচনা প্রয়োজন। কবিরা তারুণ্যের জয়গান যতই গেয়ে থাকুন না কেন, দিন শেষে প্রবীণের বৈদগ্ধের শক্তি উপেক্ষা করা বাঞ্ছনীয় নয়।

১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে একদল তুখোড় তরুণ জাসদ গঠন করেছিলেন। তাঁরা মাঠে নেমেছিলেন চকচকে ধারালো সেøাগান নিয়ে। বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র, শ্রেণিসংগ্রাম, লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই। এসব সেøাগানের মধ্যে নতুনত্ব ছিল, তার চেয়ে বেশি ছিল অ্যাডভেঞ্চারিজম, তাত্ত্বিক ভিত্তিও ছিল। চে গুয়েভারাকে তখন জীবনের আইডল বানিয়ে নিয়েছিলেন বাবরি দোলানো অনেক তরুণ। সেই সময়ের তরুণদের মধ্যে দলটি বাস্তবিক পক্ষেই বেশ একটা আলোড়ন তুলতে পেরেছিল। কিন্তু ১৯৭৩ সালের জেনারেল ইলেকশনে মধুপুরে আবদুস সাত্তার ছাড়া জাসদের মশাল মার্কার আর কেউই জিততে পারেননি। অবশ্য বেশ কয়েকটি আসনে কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। সেবারের নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হিসাবে জাসদ তৃতীয় হয়েছিল। মোট ভোটের মাত্র সাড়ে ৬ শতাংশ পড়েছিল এই দলের মার্কায়।

স্বীকার্য সেই সময়ের জাসদ ও আজকের নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠনের প্রেক্ষাপট এক নয়। জাসদ ছিল কট্টর সরকারবিরোধী। পক্ষান্তরে জাতীয় নাগরিক পার্টি বর্তমান সরকারের নিকটতর। তাদের প্রতিনিধিরা সরকারে আছেন। অনেকে এই দলকে কিংস পার্টি বলছেন। তবে মিলের জায়গাটি হলো জাসদ নতুন সেøাগান দিয়েছিল, এই দলেরও নতুন সেøাগান রয়েছে। তারা চান সেকেন্ড রিপাবলিক। জাসদ চেয়েছিল বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র।

আপাত বিচারে মনে হচ্ছে, জাতীয নাগরিক পার্টি সবার আগে জাতীয় নির্বাচনপ্রত্যাশী রাজনৈতিক দল ও জনমতের বিপরীত অবস্থান গ্রহণ করেছে। বিএনপি চাইছে ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যদিও দলটি বলছে, তারা সংস্কারের বিপক্ষে নয়। সুষ্ঠু ইলেকশনের জন্য দরকারি সংস্কারগুলো করে আগে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকার গঠিত হোক। নির্বাচিত সরকার বাকি সব সংস্কার করবে। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিএনপির মিত্রদলগুলোর অভিমতও অনুরূপ। বামধারার প্রধান দলগুলোও মনে করে, সংকট উত্তরণে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নির্বাচিত সরকার। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, আমরা আশা করি, সরকার ক্ষমতা আঁকড়ে না থেকে দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে। সিপিবি এ মাসের মধ্যেই ইলেকশনের রোডম্যাপ চায়। বর্তমানে বামধারার রাজনীতি যথেষ্ট বেগবান না হলেও এ কথা অনস্বীকার্য যে এই দলগুলোর নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে সারা দেশে। নির্বাচন প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামী কৌশলী অবস্থান গ্রহণ করে চলেছে।

পক্ষান্তরে নাগরিক পার্টির প্রধান নাহিদ ইসলাম বিচার, সংস্কার ও গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি আদায়ের জন্য আবারও সম্মিলিতভাবে রাজপথে নামবেন বলে জানিয়েছেন। এই দাবির ব্যাখ্যায় দলের নেতারা বলছেন, তাঁরা সাধারণ নির্বাচন বিলম্বিত করতে চান না। এই পার্টির অন্তত একজন নেতাকে বলতে শুনেছি, জাতীয় সংসদ ও গণপরিষদ নির্বাচন একই দিনে হতে পারে। নাগরিক পার্টির একজন দিন কয়েক আগে বলেছেন, গণহত্যাকারীর বিচারের আগে দলগুলো যেন ইলেকশনের নাম মুখে না আনে। পরে অবশ্য তিনি এই বক্তব্যের ভিন্ন তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেছেন। নাগরিক পার্টির সাবেক প্ল্যাটফর্ম থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় ইলেকশনের দাবিও করা হয়েছিল। এদিকে আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে জনমত গঠনের চেষ্টাও চলছে।

সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংলাপের আয়োজন করেছিল সেন্টার ফর পলিসি অ্যানালাইসিস অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি। পর্যবেক্ষক মহলের অনেকে বলছেন, সরাসরি, খুব স্পষ্টভাবে ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান না নিলেও যেসব দাবি উঠছে তাতে জাতীয় নির্বাচন আপনাতেই পিছিয়ে যাবে। একজন ইলেকশন কমিশনারও বলেছেন, স্থানীয় সরকার ভোট আগে করতে হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিলম্বিত হবে। সাধারণ নির্বাচন বিলম্বিত করার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, কৌশলগত কিংবা সাদামনে যা যা করা ও বলা হচ্ছে তা জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার পথেও বড় কাঁটা হয়ে দেখা দিতে পারে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ঈদের আগেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ডায়ালগ শুরু করতে চায়। ৩৪টি রাজনৈতিক দলের কাছে ১৬৬টি বিষয়ে মাল্টিপল চয়েস পদ্ধতিতে মত চাওয়া হয়েছে। কমিশন আশা করেছিল, ১৩ মার্চের মধ্যে সবাই তাদের মতামত জানাবে। তবে সময় চেয়েছে কয়েকটি দল। ঐকমত্য কমিশনের উদ্দেশ্য একটি সর্বসম্মত সনদ তৈরি করা। সংশ্লিষ্ট দলসমূহের প্রতিনিধিরা ওই সনদে স্বাক্ষর করবেন। ইলেকশনের আগে বা পরে সনদ নির্দেশিত সংস্কার করা হবে। সংকট উত্তরণের নিমিত্ত জাতীয় ঐকমত্যের প্রয়োজনীয়তার প্রশ্নে কেউ দ্বিমত করবে বলে মনে হয় না। কাজেই এই উদ্যোগ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। সাধুবাদ জানাই। কিন্তু সালিশ মানি, তালগাছটা আমার এই নীতি ধরে রাজনৈতিক পক্ষগুলো সংলাপে বসলে ঐক্যের সম্ভাবনা ক্ষীণ। নাগরিক পার্টি জাতীয় নির্বাচনের আগে গণহত্যার বিচার, সংস্কার ও গণপরিষদ গঠনের দাবি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করতে চায়। বিএনপি ও তার মিত্ররাও আন্দোলনে নামবে দ্রুত জেনারেল ইলেকশনের দাবিতে। ফয়সালার জন্য যদি রাজপথই বেছে নেওয়া হয়, তাহলে সংলাপে কী ফল দেবে?

দেশে যে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তা রুখে দেওয়ার জন্য প্রয়োজন নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বসম্মত সংস্কার চাই, তা চিহ্নিত করে জাতীয় ঐক্যের সনদও দরকার। দেশের মানুষ এখন শান্তি ও স্থিতি চায়, নৈরাজ্যের অবসান চায়, রাজপথের আন্দোলন নয়। জাতীয় ঐক্য জনগণের প্রত্যাশা পূরণের পথে অন্তর্বর্তী ও ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের হাতকে শক্তিশালী করবে।

    লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১ সেকেন্ড আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

২ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

৪৩ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?
কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি
ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল
সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?
ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস
কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬
গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টিকটককে আরো ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প
টিকটককে আরো ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রীষ্মকালে খাবার গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা
গ্রীষ্মকালে খাবার গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাথাব্যথার কারণ ও প্রতিকার
মাথাব্যথার কারণ ও প্রতিকার

৩ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা