শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫

আশাবাদী করে স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ

মোশাররফ হোসেন মুসা
প্রিন্ট ভার্সন
আশাবাদী করে স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধ কমান্ড কাউন্সিল স্থাপিত হয়। সেসব অফিসের সাইনবোর্ডে একটি লোগো রয়েছে। একজন মুক্তিযোদ্ধা একটি বেয়নেটধারী রাইফেল ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। নিচে লেখা রয়েছে- সদা জাগ্রত বাংলার মুক্তিবাহিনী। দুঃখজনক হলেও সত্য, শাসককুল ক্ষমতার স্বার্থে তাদের ব্যবহার করার কারণে তারা সদা জাগ্রত থাকতে পারেননি। কমান্ড কাউন্সিল শাসকদের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপশাসনের বিরুদ্ধে বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়েছে- এমন ঘটনা চোখে পড়েনি। কিন্তু নতুন প্রজন্ম একটি কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে থেমে থাকেনি। ধর্ষণের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন বিক্ষোভ করে প্রমাণ করেছে তারা সদা জাগ্রত। ৬ মার্চ মাগুরা জেলা শহরে আট বছর বয়সি আছিয়া নামে এক শিশু ভগ্নিপতির বাড়িতে বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়। মেয়েটিকে ধর্ষণ শেষে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তাকে  মরণাপন্ন অবস্থায় বর্তমানে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক মিডিয়ায় প্রচারিত হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা মধ্যরাতে রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ করতে থাকেন। তাঁদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে যুক্ত হন। আছিয়া ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উত্তাল অবস্থা বিরাজ করছে। যদিও আগে থেকেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও দেশের বিভিন্ন স্থানে মেয়েদের প্রতি যৌন নির্যাতনসহ মব জাস্টিসের ঘটনা ঘটায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ ও ১৫ দিনের মধ্যে অপরাধীকে শাস্তি দেওয়াসহ ৯ দফা দাবি পেশ করেছে। নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি বলেছে, নারীর প্রতি সহিংসতা জুলাই গণ অভ্যুত্থানবিরোধী। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আছিয়ার মা বলেছেন, অভাবের তাড়নায় তিনি তার ১৪ বছর বয়সি বড় মেয়েকে বিয়ে দিতে বাধ্য হন। আছিয়া দ্বিতীয়। বড় মেয়ে এর আগে নালিশ করেছিল, তার শ্বশুর তাকে যৌন নিপীড়ন করে। আছিয়া তার বোনের বাড়িতে যেতে চায়নি। তিনি জোর করে মেয়ের বাড়িতে আছিয়াকে পাঠিয়েছিলেন। সেজন্য তার দুঃখের শেষ নেই। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দাবি উঠেছে অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার। কেউ কেউ প্রকাশ্যে ফাঁসির দাবি তুলেছেন। এরকম ঘটনা ও শাস্তির দাবি এবারই প্রথম নয়, আধুনিক বিশ্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রয়োগ দেখা যায় না। সৌদি আরবসহ কয়েকটি কর্তৃত্ববাদী দেশে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির উদাহরণ রয়েছে। শাস্তি সাধারণত চার প্রকার; দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, প্রতিশোধমূলক শাস্তি, প্রতিরোধমূলক শাস্তি ও সংশোধনমূলক শাস্তি। বিশ্বের বিভিন্ন প্রাচীন গ্রন্থেও বিভিন্ন শাস্তির কথা বলা আছে যেমন মনু সংহিতায় চার ধরনের শাস্তির কথা বলা আছে; যথা বাক দণ্ড (উপদেশ), ধিক দণ্ড (নিন্দা), ধন দণ্ড (জরিমানা), বধ দণ্ড (মৃত্যুদণ্ড)। ইসলাম ধর্মেও অনুরূপ শাস্তির কথা বলা আছে; দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সংশোধনমূলক শাস্তি, প্রতিশোধমূলক শাস্তি ও ইনসাফভিত্তিক শাস্তি (স্থানাভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া হলো না)। যখন কোনো অপরাধ ভয়াবহভাবে ঘটতে দেখা যায়, প্রচলিত আইনে ঠেকানো সম্ভব হয় না, তখনই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রয়োগ করা হয় (দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সব সময় বহাল থাকলে প্রমাণ হয়, দেশের মানুষ সংশোধন হচ্ছে না)। প্রতিশোধমূলক শাস্তি হলো, অপরাধের সমানুপাতিক শাস্তি। জীবনের বদলে জীবন, চোখের বদলে চোখ, দাঁতের বদলে দাঁত ইত্যাদি। প্রতিরোধমূলক শাস্তির বেলায় বলা আছে, যে ব্যক্তি সমাজের জন্য বিপজ্জনক। সাজা ভোগ করার পরে মুক্তি পেলে অনুরূপ অপরাধ করতে পারে, সেরকম ব্যক্তিকে এ আইনে আটক রাখা যেতে পারে। উল্লেখ্য নরওয়ে ২০১১ সালের ২২ জুলাই এন্ডার্স বেহরিং ব্রেইভিক ৭৭ জনকে গুলি করে হত্যা করে এবং দুই শতাধিক ব্যক্তিকে আহত করে। সে দেশে মৃত্যুদণ্ড  না থাকায় তাকে এ আইনে ২১ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সংশোধনমূলক শাস্তিতে অপরাধীকে সংশোধন ও পুনর্বাসনের কথা বলা আছে। বর্তমান গণতান্ত্রিক বিশ্বে সংশোধনমূলক শাস্তির প্রয়োগ বেশি (এ দেশের কারাগারগুলোকে সংশোধনাগার নাম দেওয়া হয়েছে)। এ শাস্তির দর্শন হলো, অপরাধীকে কঠোর শাস্তি দেওয়া সমাধান নয়। রাষ্ট্রের কাজ হলো, অপরাধ করার কারণগুলো দূর করা। মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মানুষ বিভিন্ন কারণে অপরাধ করে থাকে। যেমন যখন অপরাধ করে ধরা পড়ার ঝুঁকির চেয়ে অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সুবিধা বেশি দেখে, তখন সে অপরাধ করে। যখন অপরাধের মাধ্যমে অন্যকে সুবিধা পেতে দেখে, তখন সে অপরাধ করতে উৎসাহী হয়। আবার কেউ কেউ অপরাধের জিনগত প্রস্তুতি নিয়ে জন্মায়। কারোর মস্তিষ্কে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়লে সে সহজেই আক্রমণকারী ভূমিকায় নেমে পড়ে। তা ছাড়া সমাজে অস্থিরতা বৃদ্ধি পেলে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ, সর্বোপরি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা হারালে মানুষ অপরাধপ্রবণ হয়ে পড়ে।

 

লেখক : গণতন্ত্রায়ন ও গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকারবিষয়ক গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

২১ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৩ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

৩ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে

সম্পাদকীয়

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা এখন ৩৩৫৪
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা এখন ৩৩৫৪

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে তোমাদের গল্প
ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে তোমাদের গল্প

শোবিজ

অস্টিওপোরোসিস কী ধরনের রোগ
অস্টিওপোরোসিস কী ধরনের রোগ

স্বাস্থ্য

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে

পূর্ব-পশ্চিম

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক
অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক

স্বাস্থ্য

হিককাপ অব মাইন্ড কী
হিককাপ অব মাইন্ড কী

স্বাস্থ্য

পূজার আক্ষেপ
পূজার আক্ষেপ

শোবিজ

তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান

সম্পাদকীয়

আলোচনায় আল্লু অর্জুন
আলোচনায় আল্লু অর্জুন

শোবিজ

ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম ভগ্ন হৃদয়ের কথা
ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম ভগ্ন হৃদয়ের কথা

স্বাস্থ্য

বেহাল রাস্তায় দুর্ভোগ পথচারীদের
বেহাল রাস্তায় দুর্ভোগ পথচারীদের

দেশগ্রাম

বিশ্বখ্যাত যত মসজিদের শহর
বিশ্বখ্যাত যত মসজিদের শহর

রকমারি

দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়

সম্পাদকীয়

ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্য পরিচর্যা
ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্য পরিচর্যা

স্বাস্থ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক

সম্পাদকীয়

আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ

সম্পাদকীয়

তামাক চাষে ঝোক, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
তামাক চাষে ঝোক, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

দখলে সংকটাপন্ন ৩৭ নদী
দখলে সংকটাপন্ন ৩৭ নদী

দেশগ্রাম