শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আগা খান, জিন্নাহ ও হলিউড নায়িকা রিটা

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
আগা খান, জিন্নাহ ও হলিউড নায়িকা রিটা

আগা খান সম্পর্কে জানার সুযোগ হয় ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময়। আমাদের দুজন সহপাঠী ছিল ইসমাইলীয়। দক্ষিণ এশিয়া উপমহাদেশে যারা খোজা নামে পরিচিত। সহপাঠী দুই বন্ধুর কাছেই শুনি আগা খান তাদের আধ্যাত্মিক নেতা। ইসমাইলীয়রা শিয়া মুসলমানদের একটি ভিন্ন মতাবলম্বী শাখা। ইসলামের ইতিহাসে এই ধর্মীয় গোষ্ঠীর উৎপত্তি একটি বিতর্কিত বিষয়। খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ অধ্যাপক কে আলীর ইসলামের ইতিহাস-এ বলা হয়েছে, শিয়াদের ষষ্ঠ ইমাম জাফর সাদিক জ্যেষ্ঠ পুত্র ইসমাইলকে ইমাম মনোনীত করেন। কিন্তু তাঁর অসদাচরণের কারণে দ্বিতীয় পুত্র মুসা আল কাজিমকে উত্তরাধিকার ঘোষণা করা হয়। শিয়াদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এ পরিবর্তন মেনে নিলেও একটি দল ইসমাইলের অনুগত থাকে। তাদের বাতেনিও বলা হয়। কারণ তাদের মতে, ইসমাইল মদ্যপায়ী হলেও তাঁর আত্মিক সৌন্দর্য তাতে কোনোভাবে নষ্ট হয়নি। ইসমাইলের এই গোপন আধ্যাত্মিক শক্তিকে বাতেন বলা হয়।

ইসমাইলীয়রা পরে বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এদের একটি অংশের নাম ছিল কারামতি। হাসান কারামত যে গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা। আব্বাসীয় আমলে দলটি খুব শক্তিশালী হয়ে ওঠে। কারামতি নেতা আবু সাঈদ আল জানাবি বাহরাইন ও ধারেকাছের অনেক এলাকায় তাঁদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর পুত্র আবু তাহের আল জানাবি মক্কায় অভিযান চালিয়ে পবিত্র হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর লুট করে নিয়ে যান। হাজার হাজার হজযাত্রীকে হত্যা করেন এই পাষণ্ড। জমজম কূপে হাজিদের লাশ ফেলা হয়। ইসলামের ইতিহাসে যা একটি ট্র্যাজেডি হিসেবে বিবেচিত। বেশ কয়েক বছর পর আব্বাসীয় খলিফা বিপুল মুক্তিপণের বিনিময়ে হাজরে আসওয়াদ ফেরত আনেন।

 একসময় ইসমাইলীয়দের একাংশ উগ্রপন্থি হিসেবে শিয়া এবং সুন্নি দুই সম্প্রদায়ের কাছেই ছিল সমালোচিত। তাদের একটি শাখা নিজারি ইসমাইলিয়া নামে পরিচিত। অতীত যাই হোক, দেড় শ বছরেরও বেশি সময় তারা একটি শান্তিবাদী ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে দুনিয়াজুড়ে পরিচিত এবং প্রশংসিত। পাকিস্তান আমলে স্কুল পর্যায়ের সাধারণ জ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে পড়ানো হতো পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির নাম আগা খান। যিনি পাকিস্তানের নাগরিক। আগা খান কিন্তু কোনো ব্যক্তির নাম নয়। এটি একটি উপাধি। ইসমাইলীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের নিজারি শাখার আধ্যাত্মিক নেতা প্রিন্স করিম আল হুসেইনী বা চতুর্থ আগা খান ৪ ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে। পৃথিবীর প্রায় দেড় কোটি ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের নতুন আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন প্রিন্স রহিম আল হুসেইনী। তিনি প্রিন্স করিম আল হুসেইনীর বড় ছেলে। প্রিন্স রহিম পঞ্চম আগা খান হিসেবে অভিহিত হবেন।

প্রিন্স রহিম আগা খান যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। এবং দায়িত্ব পালন করেছেন আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের বিভিন্ন সংস্থার পরিচালনা পর্ষদে।

এ সংস্থা স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, শিক্ষা এবং গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে। ৩০টিরও বেশি দেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংস্থাটির বার্ষিক বাজেট প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার। অলাভজনক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে এ অর্থ ব্যয় হয়। প্রিন্স রহিম জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়েও বিশেষভাবে আগ্রহী।

আগা খান, জিন্নাহ ও হলিউড নায়িকা রিটাআগা খানদের পূর্বপুরুষদের বসতি পারস্য বা ইরানে। ১৮১৮ সালে পারস্যের কাজার রাজ্যের শাসক ফাতেহ আলি শাহ নিজারি ইসমাইলীয়দের ৪৬তম ইমাম হাসান আলি শাহকে সম্মানসূচক আগা খান উপাধিতে ভূষিত করেন। কারমানের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। এর দুই দশকের মধ্যে রাজপরিবারের সঙ্গে আগা খানের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ১৮৩৮ সালে কাজার রাজবংশকে উৎখাতের এক ব্যর্থ প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দেন তিনি। প্রাণ বাঁচাতে দলবলসহ ভারতে পালিয়ে আসেন আগা খান। ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। এই উপমহাদেশের ব্যবসাবাণিজ্যে আগে থেকেই ইসমাইলীয় বা খোজা সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ ছিল। ১৮৮১ সালের এপ্রিলে প্রথম আগা খান ভারতের মুম্বাইয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে তিনি জ্যেষ্ঠ পুত্র আকা আলি শাহকে উত্তরসূরি মনোনয়ন করেন। দ্বিতীয় আগা খান মাত্র চার বছর খোজা সম্প্রদায়ের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান। ১৮৮৫ সালের ১৭ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর দ্বিতীয় আগা খানকে ইরাকের কুফায় হজরত আলি (রা.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়। দ্বিতীয় আগা খান ইসমাইলি সম্প্রদায়ের পাশাপাশি ভারতবর্ষের অন্য মুসলমানদের কাছেও জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকে ভেঙে পড়েন তাঁর অনুসারীরা।

দ্বিতীয় আগা খানের মৃত্যুর পর ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের ইমাম বা তৃতীয় আগা খান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সুলতান মোহাম্মদ শাহ। তখন তাঁর বয়স মাত্র সাত বছর। তৃতীয় আগা খানের জন্ম ১৮৭৭ সালের ২ নভেম্বর সিন্ধুর করাচি নগরীতে। মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি বাবাকে হারান। ওই বয়সেই তাঁর হাতে একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক নেতার দায়িত্ব অর্পিত হয়। তাঁর মা নবাব আলিয়া শামসুল মুলক তাঁর একমাত্র পুত্রকে সুশিক্ষিত ও সুযোগ্য করে গড়ে তোলেন। তৃতীয় আগা খানের মা ছিলেন পারস্যের কাজার রাজ্যের শাহ ফতেহ আলি শাহের নাতনি। তৃতীয় আগা খান ছিলেন আধুনিকমনা এবং ক্যারিশমাটিক ব্যক্তিত্ব। তিনি শুধু ইসমাইলীয় সম্প্রদায় নয়, ভারতবর্ষের মুসলমানদের শীর্ষ নেতা হিসেবেও আবির্ভূত হন। ভারতীয় মুসলমানদের প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকায়- ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর সভাপতিত্বে। সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তৃতীয় আগা খান সুলতান স্যার মোহাম্মদ শাহ। ভারতবর্ষের সাংবিধানিক সংস্কারের ওপর ইংরেজদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আন্তর্জাতিকভাবেও তৃতীয় আগা খান ছিলেন ব্যাপক সুনামের অধিকারী। ১৯৩৭ সালে তিনি লিগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জের সভাপতি নিযুক্ত হন। স্মর্তব্য যে, জাতিসংঘের আগে লিগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জ ছিল বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংগঠন।

তৃতীয় আগা খান ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বা ইমাম হিসেবে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে যেমন ছিলেন সুশিক্ষিত, তেমন ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি নারী-পুরুষনির্বিশেষে ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের শিক্ষা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন। তৃতীয় আগা খানের নেতৃত্বগুণে তাঁর সম্প্রদায় শিক্ষাদীক্ষা ও ধনসম্পদে ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে ছিল এগিয়ে। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায়ও তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। ৭৭ বছর ধরে তিনি ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫৭ সালের ১১ জুলাই সুইজারল্যান্ডের ভার্সোইক্স শহরে তিনি মারা যান। মিসরের নীল নদের পশ্চিম তীরে আসওয়ানে তাকে দাফন করা হয়। মৃত্যুর তিন বছর আগে তিনি নিজের জন্য কবরের জায়গা ঠিক করে যান।

তৃতীয় আগা খান সুলতান স্যার মোহাম্মদ শাহ পুত্র আলি খানকে উত্তরাধিকার থেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। আলি খান ছিলেন খোলামেলা জীবনধারায় বিশ্বাসী। যা একজন ধর্মীয় নেতার জন্য একেবারে বেমানান। বিশ্বখ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী রিটা হেওয়ার্থকে বিয়ে করেন তৃতীয় আগা খানের পুত্র আলি খান। আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউটের হিসাবে রিটা সর্বকালের ১০০ জন তারকার অন্যতম। লাইফ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে পাঁচবার তিনি ঠাঁই পেয়েছেন নিজ যোগ্যতা বলে। হলিউডের অভিনেত্রী রিটা ছিলেন চতুর্থ আগা খান করিম আল হুসেইনীর সৎমা। বর্তমান আগা খান প্রিন্স রহিমের সৎদাদি।

তৃতীয় আগা খান তাঁর নিজের পুত্র আলি খানকে বাদ দিয়ে পৌত্র করিম আল-হুসেইনি শাহ (১৯৩৬-২০২৫)-কে উত্তরসূরি হিসেবে বেছে নেন। ২০ বছর বয়সি চতুর্থ আগা খান সে সময় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। প্রিন্স করিম আল-হুসেইনি আগা খান ১৯৫৭ সালের জুলাই মাসে ব্রিটিশ রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে হিজ হাইনেস উপাধি লাভ করেন। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তাঁর দাদা তৃতীয় আগা খান তাঁকে ইসমাইলি মুসলিম সম্প্রদায়ের পরবর্তী আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে ঘোষণার পর এটি ছিল তাঁর জন্য এক বিরাট সম্মান।

তৃতীয় আগা খান সুলতান স্যার সুলতান মোহাম্মদ শাহ ভারতবর্ষের শীর্ষ রাজনীতিকদের একজন বলে বিবেচিত হতেন। জাতিপুঞ্জের সভাপতি হিসেবে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়েরও নেতৃত্ব দিয়েছেন। তবে তাঁর পৌত্র চতুর্থ আগা খান রাজনৈতিক বিষয় থেকে দূরে থেকেছেন সচেতনভাবে। ইসমাইলি মুসলমানদের আধ্যাত্মিক নেতা, সমাজসেবক ও ইসলামি সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের সুরক্ষণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। মুসলমানদের সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের সেতুবন্ধন রচনায় তিনি রেখেছেন অনন্য ভূমিকা।

চতুর্থ আগা খান একসময় ছিলেন বিশ্বের সেরা ধনী। তিনি বিভিন্ন পারিবারিক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। তাঁর সম্প্রদায়ের সিংহভাগ লোকজনও ব্যবসায়ী হিসেবে সমাদৃত। তারপরও প্রশ্ন ওঠে ব্যবসার পরিসর খুব বড় না হলেও আগা খান বিশ্বের সেরা ধনীদের একজন বিবেচিত হন কীভাবে? এর কারণ ইসমাইলীয় মুসলমানরা তাদের আয়ের সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত আগা খান ফান্ডে দান করেন। এটিকে তারা ধর্মীয় কর্তব্য বলে ভাবেন। দুনিয়াজুড়ে চিকিৎসা, শিক্ষা, সমাজসেবায় আগা খান যে বিপুল অর্থ ব্যয় করেন, তার উৎস অনুসারীদের দেওয়া অর্থ।

পাদটীকা : উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জন্মসূত্রে একজন ইসমাইলীয়। জিন্নাহর পূর্বপুরুষরা ছিলেন ভারতের গুজরাটের অধিবাসী। জাতিতে সনাতন ধর্মাবলম্বী। সাধারণভাবে যাদের হিন্দু বলা হয়। জিন্নাহর দাদা মাছ ব্যবসায়ে নামেন। ট্রলারে করে সমুদ্র থেকে ধরা হতো মাছ। এ ব্যবসায় তাঁরা বিপুল সম্পদের মালিক হন। কুলীন হিন্দুরা নিরামিষভোজী সম্প্রদায়ের কোনো সদস্য মাছ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়বেন, এটি ভালো চোখে দেখেনি। তারা তাদের সমাজচ্যুত করে। জিন্নাহর বাপ-দাদা ইসমাইলীয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। গুজরাট থেকে তাঁরা চলে আসেন করাচিতে। জিন্নাহ অবশ্য ব্যক্তিজীবনে ধর্মের ধার ধারতেন না। কংগ্রেস থেকে তিনি মুসলিম লীগে যোগ দেন মহাত্মা গান্ধীর ওপর বিরক্ত হয়ে। স্বনামধন্য এই আইনজীবীর নেতৃত্বে ভারত ভেঙে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ সালে। মুসলমানদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি পাকিস্তান আন্দোলনের নেতৃত্ব দিলেও জিন্নাহ কখনো গোঁড়ামিতে বিশ্বাস করতেন না।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

৫২ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?
কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি
ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল
সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?
ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস
কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬
গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টিকটককে আরো ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প
টিকটককে আরো ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রীষ্মকালে খাবার গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা
গ্রীষ্মকালে খাবার গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা