শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫

সাত কলেজ নিয়ে সাতসতেরো

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
সাত কলেজ নিয়ে সাতসতেরো

উইলিয়াম জেমস ডুরান্ট ছিলেন ১৮৮৫ সালে জন্ম নেওয়া একজন মার্কিন ইতিহাসবিদ, দার্শনিক, লেখক ও শিক্ষাবিদ। মানব সভ্যতার আদ্যোপান্ত নিয়ে দীর্ঘ ১০ বছর গবেষণার পর ১১ খণ্ডে লেখা মহাগ্রন্থ দি স্টোরি অব সিভিলাইজেশন তাঁকে অমরত্ব দান করেছে। মানুষের জীবনে শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা কিংবা শিক্ষকতা করার উদ্দেশ্য নিয়ে তাঁর বেশ কিছু চমকপ্রদ উক্তি রয়েছে। তবে কোন ধরনের শিক্ষা আমাদের অজ্ঞতা দূর করবে এবং পৃথিবীকে বদলে দেবে এ নিয়ে তর্ক আছে। কারণ আনুষ্ঠানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই অজ্ঞতা দূর ও পৃথিবীকে পাল্টে দিয়েছেন বহু গুণীজন। বর্তমান বিশ্বে সফল মানুষের তালিকায় অবধারিতভাবে উঠে আসে মাইক্রোসফটের বিল গেটস, ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ, অ্যাপলের স্টিভ জবস প্রমুখের নাম। তাঁদের কেউ কলেজ পর্যায়ে লেখাপড়া শেষ করতে পারেননি। জগৎসেরা লেখক চার্লস ডিকেন্স, মার্ক টোয়েন কিংবা আমাদের নজরুলও ছিলেন স্কুলজীবনে ঝরে পড়া ছাত্রের তালিকায়। শিল্প, সাহিত্য, ক্রীড়া, কলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেও এগিয়ে গেছেন শিক্ষার সার্টিফিকেট লাভে ব্যর্থ অনেকেই। পৃথিবীর সর্বকালের সেরা বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রথাগত বিদ্যা বিঘ্নিত হয়েছিল নানা কারণে। তিনি কোনোরকমে একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হতে পেরেছিলেন। কারণ অঙ্ক ও পদার্থবিদ্যায় অসাধারণ হলেও ভাষা শিক্ষা, রসায়ন কিংবা জীববিজ্ঞানে তিনি ভালো ফলাফল করতে পারতেন না। ফলে প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতি অনুসারে তাঁর পক্ষে উচ্চশিক্ষা লাভ করা ছিল একটি কঠিন বিষয়। তবে তাঁর সৌভাগ্য যে, অঙ্ক ও পদার্থবিজ্ঞানে অস্বাভাবিক প্রতিভা দেখে তাঁর সামনে উচ্চশিক্ষার দ্বার খুলে দিয়েছিলেন তৎকালীন কয়েকজন শিক্ষক। পরবর্তী প্রায় ১০০ বছরে হাজারো শিক্ষক ও বিজ্ঞ ব্যক্তিরা গবেষণা করে চলেছেন আইনস্টাইনের আবিষ্কার ও তাঁর দেওয়া বিজ্ঞানের সূত্র নিয়ে।

এমন সব কথা ঘুরেফিরে বারবার মনে উঁকি দেয় সপ্তাহজুড়ে শিক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নানা জটিলতাকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় চলমান সংঘাত, ধাওয়া কিংবা বক্তব্যের ঝড় দেখে, যা সাধারণ মানুষ বিশেষত পথচারীদের জীবনে যন্ত্রণার কারণ হয়ে উঠেছে। একসময় এ দেশে বেসরকারি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। পুরনো আমলে প্রতিষ্ঠিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল আশপাশের এলাকার সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলো।

১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে পূর্বে অধিভুক্ত সব কলেজকে এই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিয়ে আসা হয়। এতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অন্যান্য কলেজের বাড়তি চাপ থেকে মুক্ত হয়ে নিজস্ব শিক্ষা কার্যক্রম ও গবেষণায় মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পায়। তবে এমন চাপমুক্ত হওয়ার পরও শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে কতটা ইতিবাচক ভূমিকার রাখতে পেরেছে এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো, তা ২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থান ও বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে প্রমাণিত হয়েছে। এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করার দায় নিয়ে প্রায় সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অন্যান্য বিভাগীয় প্রধানদের মাথা নিচু করে চলা কিংবা পদত্যাগের মধ্য দিয়ে। এতে প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা শিক্ষার মান উন্নয়ন বা ছাত্রদের কল্যাণের চেয়ে নিজের সুযোগ সুবিধা ও দুর্নীতি নিয়েই বেশি ব্যস্ত ছিলেন এবং ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতেন দলীয় পরিচয়।

শিক্ষা ক্ষেত্রে নোংরা রাজনীতির এক জ্বলন্ত উদাহরণ ঢাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিদ্যাপীঠ সাতটি কলেজ। এ কলেজগুলো ২০১৭ সাল পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেই ছিল। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই উপাচার্য ২০১৭ সালে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। তাঁরা দুজনই তৎকালীন সরকারের চরম আজ্ঞাবহ ছিলেন বলে সবার জানা। এই দ্বন্দ্বের জের ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পূর্বে তাঁদের অধীনে থাকা সাতটি কলেজকে আবারও তাঁদের অভিভুক্ত করার মিশনে সফল হয়।

সাত কলেজ নিয়ে সাতসতেরোপ্রথমদিকে এ নিয়ে সাত কলেজে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ছিল। কারণ একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে বিখ্যাত ছিল। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের বাড়তি কদর ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন বা অ্যালামনাই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের জন্য একটি নির্ভরতার নাম ছিল।

কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় যে, সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হলেও তাদের শিক্ষকরা আসছেন বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার থেকে। এদিকে বিসিএস পর্যায়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার বদলে কোটা ও দলীয় পরিচিতি ছিল মূল বিবেচ্য বিষয়। ফলে সাত কলেজেই শিক্ষার মান নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল না সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের গবেষণাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি ছিল। প্রশাসনিক বিভিন্ন কারণে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হতো। কিন্তু সেখানে তারা যেন ছিল দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক। শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, ২০১৭ থেকে ২০২৪- এ সাত বছরে ৭টি কলেজের শিক্ষার্থীদের সেবা দেওয়ার জন্য পৃথকভাবে তেমন কোনো অবকাঠামো বা জনবলের সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলতে পারেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পর ছাত্রাবাস বা অনুষদ নিয়ে প্রশ্ন করলে স্বাভাবিকভাবেই তাদের কলেজের নাম চলে আসত। আর কলেজের নাম শুনলে ভ্রু কুঁচকাতো অনেক মানুষ। সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল ভর্তির কার্যক্রম, পরীক্ষার ফরম ফিলাপ এবং মূল্যায়নপত্র সংগ্রহের ক্ষেত্রে ভোগান্তি ও অবৈধভাবে টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে।

সাতটি কলেজকে ফিরিয়ে আনার এমন সিদ্ধান্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও খুশি হওয়ার কোনো কারণ ছিল না। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে একই সংখ্যক জনবল বা একই অবকাঠামো নিয়ে অতিরিক্ত সাত কলেজকে সেবা প্রদানের চেষ্টার ফলে সার্বিকভাবে সেবার মান কমে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপরও সাত কলেজের কিছু অতিরিক্ত কাজ করার দায়িত্ব অর্পিত হয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল শিক্ষার্থীরাও বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতেন।

এমন পরিস্থিতিতেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফেরত যাওয়াটাই হয়তো একটি ভালো সমাধান হতে পারত। কিন্তু নানাবিধ অভিযোগ রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকাণ্ড নিয়েও। তাই সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা কিছুতেই আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পক্ষে ছিল না। এখন তাদের দাবি সাত কলেজ নিয়ে একটি নতুন স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা। এর আগে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরাও রাজধানীর রাস্তা ও রেলপথ অবরোধ করে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, সরকার অচিরেই হয়তো এ দুটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেবে।

একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে অনেকেরই অনেক ধরনের স্বার্থ রক্ষা হয়। কিন্তু শিক্ষা বা শিক্ষার্থীরা এ ক্ষেত্রে কীভাবে উপকৃত হবেন, তার উত্তর অনেক যদি কিংবা কিন্তুর ওপর নির্ভরশীল। আবার সাত কলেজে বর্তমানে যে শিক্ষক এবং এইচএসসি পর্যায়ে যে শিক্ষার্থীরা আছে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবতে হবে। অনেক আগ থেকেই সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তাদের সন্তুষ্ট করার মতো দৃশ্যমান উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হয় সংশ্লিষ্ট মহল। ফলে আবারও ঢাকাকে অচল করে দাবি আদায়ের সংগ্রামে নামতে হয় তাদের।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, জাতিসংঘ, মধ্যপ্রাচ্যের চারটি দেশ ও বাংলাদেশের করপোরেট জগতে দীর্ঘদিন চাকরি ও বহু দেশে ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে বিনীত নিবেদন করে বলতে চাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার গৌরব ফিরে পাক। অন্তত একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের প্রথম সারির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকুক, যা নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি। বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেই আমাদের সন্তানরা শিক্ষকতা করছে। আমরা নীতিনির্ধারণ পর্যায়ে বিচক্ষণ হলে অবশ্যই তাদের ফিরিয়ে আনতে পারি অথবা তাদের সেবা গ্রহণ করতে পারি এবং তাদের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারি।

কায়মনো বাক্যে প্রার্থনা করি, শিক্ষা হোক সৎ মানুষ, উদ্যোক্তা ও দক্ষ কর্মী গড়ার হাতিয়ার।

সনদসর্বস্ব বেকারে দেশ সয়লাব হয়ে গেছে। আরও বেকার এক ভয়ংকর পরিস্থিতিতে ফেলবে এ দেশকে। প্রযুক্তির কল্যাণে কৃষি, কুটিরশিল্প, রন্ধনশিল্প, সূচি বা বুটিকশিল্প, প্রকাশনা শিল্প, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এমনকি কনটেন্ট তৈরি করেও বেকারত্ব দূর করেছে লাখো মানুষ। আর আমাদের শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করছে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে, যা তাদের একটি সনদ প্রদান করবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাই কি সব সমস্যার সমাধান? একটু উদাহরণ দিই।

২০২৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে দেখা যায়, তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ১৪৯০ জন সৃজিত শিক্ষক পদের বিপরীতে শূন্য ৪৩৫টি, ৭৯২ কর্মকর্তার পদের বিপরীতে ২০০টি, ১০৪২ সহায়ক কর্মচারী পদের বিপরীতে শূন্য ২৫১টি এবং ১৯০৯ সাধারণ কর্মচারীর বিপরীতে শূন্য ৯০৯টি। এখানে পাঁচটি বিভাগে প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ২৪ জন। ফলে একজন শিক্ষককে সাতটি কোর্সে পড়াতে হয়।

ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ আছে, শিক্ষক আছে কিন্তু শ্রেণিকক্ষ নেই। তাই দুটি ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে প্রতিবাদী শিক্ষার্থীরা। (সূত্র : প্রথম আলো ২৯ জানুয়ারি ২০২৫)। এভাবে প্রায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় পাঠদানসংক্রান্ত নানা সমস্যায় জর্জরিত। এর বাইরে আবাসিক সংকট, মাদক ও সন্ত্রাসের থাবা, খাবারের নিম্নমান ইত্যাদি প্রশাসনিক সমস্যার তালিকাও বেশ দীর্ঘ। তাই বলে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই কিন্তু পরীক্ষা গ্রহণ বা সনদ প্রদান বন্ধ করেনি। ফলে দেশে সনদধারী বেকারের সংখ্যা কেবলই বাড়ছে। অচিরেই হয়তো অচল ঢাকাকে আরও অচল করে দুটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি আদায় করে নেবে শিক্ষার্থীরা। মহানন্দে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদও হাতে পাবে। কিন্তু তারপর?

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

৪২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

৪৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?
কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি
ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল
সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?
ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস
কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬
গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টিকটককে আরো ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প
টিকটককে আরো ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রীষ্মকালে খাবার গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা
গ্রীষ্মকালে খাবার গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাথাব্যথার কারণ ও প্রতিকার
মাথাব্যথার কারণ ও প্রতিকার

৩ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা