কম দামে পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের আওতায় রমজান মাসের প্রথম ছয় দিনে রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায় ৬ কোটি টাকার গরু, খাসি, মুরগির মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রি হয়েছে। গতকাল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, রোজার প্রথম দিন থেকে গত শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে। গত শুক্রবার পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৬ কোটি টাকার ডিম, দুধ, ড্রেসড ব্রয়লার, গরুর মাংস, খাসির মাংস বিক্রি হয়। শুক্রবার পর্যন্ত রাজধানীর ৫২ হাজার ৪৫৩ জন ক্রেতা পণ্য কিনেছেন। এর মধ্যে নারী ক্রেতা ছিলেন ২৭ হাজার ৩০৮ জন। পুরুষ ক্রেতা ২৫ হাজার ১৪৫ জন।
সরকারের ‘সুলভ মূল্যে’ পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতি কেজি ড্রেসড ব্রয়লার মুরগির মাংস ২৫০ টাকা, প্রতি লিটার পাস্তুরিত দুধ ৮০ টাকা, প্রতি ডজন খামারের ডিম ১১৪ টাকা এবং প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়। রমজান উপলক্ষে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
সুলভ মূল্যে পণ্যবিক্রির কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি), বাংলাদেশ পোলট্র্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি), বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএফএ) এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য অংশীজন ও প্রান্তিক খামারিরা।
এদিকে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাব চত্বরে প্রেস ক্লাব সদস্যদের জন্য সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সাংবাদিকদের শীর্ষ এই সংগঠনের সদস্যদের জন্য এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নীলুফা আক্তার। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু সুফিয়ান ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ।