যশোর এম এম কলেজে ছাত্রদলের দুই নেতা ও এক সাধারণ শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। এ সময় কয়েকজন ছাত্রকে মারপিট করে তারা। খবর পেয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের ধাওয়া দেয়। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ, ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। শিক্ষার্থীরা জানান, সন্ত্রাসী সাগর ছাত্রলীগ নেতা পরিচয়ে পতিত সরকারের আমলে এম এম কলেজ ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পলায়নের পর সাগর আত্মগোপনে চলে যায়। সম্প্রতি আবার এলাকায় ফিরে ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় পুরনো প্রভাব প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় হয়ে ওঠে সে। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ছাত্রদলের দুই নেতা ও একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালালে ছাত্ররা একজোট হয়ে তাদের ধাওয়া করে। সাগরের অনুসারীরা প্রথমে পালিয়ে গেলেও পরে পাল্টা হামলা চালানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে যশোর জেলা যুবদল সভাপতি এম তমাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আনছারুল হক রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিদুর রহমান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোরের আহ্বায়ক রাশেদ খান ঘটনাস্থলে যান। পুলিশের একটি টিমও সেখানে যায়। সবার চেষ্টায় রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি কাজী বাবুল জানান, সন্ত্রাসী সাগরের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানার একাধিক মামলা রয়েছে। সম্প্রতি জামিনে কারাগার থেকে বের হয়ে আবার অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে। কয়েকজন ছাত্রকে মারপিট করে সন্ত্রাসী সাগর। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।