শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

এক শ বছর পরও প্রাসঙ্গিক

সেদিন নিষিদ্ধ বিদ্রোহী কবিতা

অলোক আচার্য
প্রিন্ট ভার্সন
সেদিন নিষিদ্ধ বিদ্রোহী কবিতা

কবিতা প্রতিবাদের ভাষা। কবির কলম প্রতিবাদের অস্ত্র। শাসকগোষ্ঠী যারা ক্ষমতায় বসে জনসাধারণকে ইশারার পুতুল মনে করেন, তাঁরা এসব কবিতা বা সাহিত্যের অন্য কোনো মাধ্যম যা তাদের ভিত কাঁপিয়ে দেয়, সেসব নিষিদ্ধ করেন। শাসকগোষ্ঠী এসব ভয় পান। জনগণকে জাগিয়ে তোলার ভয়। যুগে যুগে এটাই হয়েছে। বাংলা এবং বিশ্বসাহিত্যে এ ধরনের নিষিদ্ধ হওয়ার ইতিহাস অসংখ্য। অবশ্য এগুলো যে সব সময়ই নিষিদ্ধ থেকেছে তা নয়। নিষিদ্ধ রচনাও আবার প্রসিদ্ধ হয়েছে। ১৫৩৫ সালে রাজা প্রথম ফ্রান্সিস ক্ষমতায় এসেই বই প্রকাশ নিষিদ্ধ করেছিলেন। তিনি ডিক্রি জারি করেছিলেন তাঁর স্বাক্ষর ছাড়া কোনো বই প্রকাশিত হতে পারবে না। আমেরিকান লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ‘দ্য সান অলসো রাইজেস’ বইটিও নিষিদ্ধ করা হয়। মার্ক টোয়েন রচিত ‘হাকলবেরি ফিন’ গ্রন্থটি যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে নিষিদ্ধ করা হয়। ১৯৮৯ সালে নিষিদ্ধ করা হয় উইলিয়াম ফকনারের ‘অ্যাজ আই লে ডাইনিং’ বইটি। জেমস জয়েসের বিশ্ববিখ্যাত উপন্যাস ‘ইউলিসিস’ ১৯১৮ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ ছিল। নিষিদ্ধের তালিকায় পড়েছিল ব্রেট এস্টন এলিসের বিখ্যাত উপন্যাস আমেরিকান সাইকো। এরকম আরও অনেক বই রয়েছে। সুতরাং এসব নতুন নয়। তবে অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলো নিষিদ্ধের কারণ অন্য বইগুলোর থেকে আলাদা। কেবল ব্রিটিশ শাসকের বিরুদ্ধে যাওয়াই ছিল এর কারণ। সমাজে বিদ্রোহী বা প্রতিবাদী যুগে যুগে জন্মগ্রহণ করেন। সবার বিদ্রোহ করার বা বিরোধিতা করার পন্থা একরকম হয় না। কেউ গানে, কেউ কবিতায়, কেউ অভিনয়ে আবার কেউ স্লোগানে বিরোধিতা করেন। এসব করতে গিয়ে তাঁকে অত্যাচার সহ্য করতে হতে পারে। ব্রিটিশদের কাছ থেকে মুক্ত হতে কত শত বিদ্রোহী নর-নারীর জীবন গেছে, অত্যাচারিত হয়েছেন। আবার পাকিস্তানের শোষকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ হয়েছে, সংগ্রাম হয়েছে। ত্রিশ লাখ জীবনের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। আবার একটি সমাজের আদর্শিক বিচারে যখন একপেশে শক্তিমত্তা ভর করে তখন তার বিরুদ্ধেও বিদ্রোহ হয়। বিগত শতকের নব্বই-এ হয়েছে। সদ্যগত চব্বিশে হলো। এখানে নজরুল প্রসঙ্গ। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত হলেও তাঁর ‘বিদ্রোহ’ শব্দটি প্রকৃতপক্ষে ছিল সমাজের অসাম্যের বিরুদ্ধে। ক্ষমতাসীনরা চিরকাল সমাজটাকে কুক্ষিগত করে রাখে। কবি সমাজকে সেই অসাম্য থেকে মুক্ত করতে পারেননি ঠিকই, তবে তাঁর চেষ্টা, শব্দের বলিষ্ঠ উচ্চারণ সমাজে আজও বহমান। সেজন্যই সমকালে কাজী নজরুল ইসলামের বেশকটি গ্রন্থ নিষিদ্ধ হয়েছিল।

তাঁর প্রথম নিষিদ্ধ গ্রন্থ বিষের বাঁশি। গ্রন্থটি ইতোমধ্যে শতবর্ষ পেরিয়েছে। বিষের বাঁশি কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ‘অভিশাপ’-এ কবি লেখেন- আমি বিধির বিধান ভাঙিয়াছি, আমি এমনি শক্তিমান/ মম চরণের তলে, মরণের মার খেয়ে মরে ভগবান। গত বছর ছিল নিষিদ্ধের শতবর্ষ! আরও একটি গ্রন্থ যা শতবর্ষ পেরিয়েছে- সেটি হলো ভাঙার গান। অন্য নিষিদ্ধ গ্রন্থগুলো হলো প্রলয় শিখা, যুগবাণী ও চন্দ্রবিন্দু। এসব গ্রন্থ কেন নিষিদ্ধ হয়েছিল তা সহজেই অনুমেয়। ব্রিটিশ সরকারের রোষানলে পড়েই এসব বই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। এভাবে কালে কালে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বহু গ্রন্থ। নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতারও শতবর্ষ পেরিয়ে গেছে। শতবর্ষ পেরিয়ে গেলে কী হবে! সেসব আজও বাঙালির কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে দৃপ্তকণ্ঠে। ব্রিটিশরা এই ভয়টাই পেয়েছিল। পাঠকের জেগে ওঠার ভয়। ভয়টা সত্যি হয়েছে। ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয়েছে বহু আগেই। কিন্তু নিষিদ্ধ সেই গ্রন্থ-কবিতাগুলো আজও সপ্রাণ। নিষিদ্ধ হয়েও সেসব প্রসিদ্ধ। 

১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সে সময়ের বিজলী পত্রিকায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়। লিখেছিলেন তারও আগে। একটি কবিতার শতবর্ষ পেরিয়ে গেলেও এত আলোচনার কারণ কবিতাটির নাম ‘বিদ্রোহী’। ‘বিদ্রোহী’ শুধু একটি কবিতা নয়, একটি মামুলি শব্দ নয়, এটি একটি ইতিহাস। একটি কবিতা, যার জন্ম হয়েছে হাজার বছরের আয়ু নিয়ে। হয়তো তার চেয়েও বেশি সময় ধরে পাঠকের অন্তরের বিদ্রোহের চেতনাকে জাগিয়ে রাখবে। কখনো বিদ্রোহী কবিতার শব্দের মতো চিরদুর্দম, দুর্বিনীত হতে ইচ্ছে করে, কখনো টর্পেডো, ভাসমান মাইন আবার কখনো তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রলয় বাতাস হতে ইচ্ছে করে পাঠক মন। দেখতে দেখতে কবিতাটি শতবর্ষ পেরিয়ে গেছে। অথচ বিদ্রোহী কবিতার আবেদন কমেনি একটুও। ক্রমেই যেন এই কবিতা ক্ষেত্রবিশেষে বেশি প্রাসঙ্গিক হচ্ছে। বিদ্রোহী তুমুল জনপ্রিয় ছিল তাঁর প্রথম প্রকাশের সময় থেকেই।

জনপ্রিয় শব্দটি কেবল আক্ষরিক অর্থে ছিল না, ছিল বাস্তবিক অর্থেই। একই সময়ে প্রায় দুই লাখ লোক কবিতাটি পাঠ করেন। বিদ্রোহী কবিতা ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্রই। মানুষ থেকে মানুষে। ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়, কবিতাটি প্রকাশের সাল অর্থাৎ ১৯২২-এর তিন বছর আগে ১৯১৯ সালে কবি প্রথম বিশ^যুদ্ধ থেকে ফিরে আসেন। বসবাস করতে থাকেন কলকাতায়। কবি বুদ্ধদেব বসু বিদ্রোহী সম্পর্কে বলেন, বাংলা সাহিত্যে বিশ শতকের রবীন্দ্র প্রভাব এত সর্বগ্রাসী হয়েছিল, মনে হচ্ছিল, এর বাইরে যাওয়া যাবে না, যতক্ষণ না বিদ্রোহী কবিতার নিশান উড়িয়ে হই হই করে নজরুল এসে হাজির হলেন। সমাজ বদলের জন্য কাজী নজরুল ইসলামের মতো মানুষের সাহসী উচ্চারণের বিদ্রোহী মনোভাব খুব বেশি প্রয়োজন ছিল। তিনি শিখিয়েছেন কীভাবে শির উঁচু করে বাঁচতে হয়। মাথা তুলে দাঁড়াতে হয়। শৃঙ্খল ভাঙার সাহস তাঁর কবিতা জুগিয়ে আসছে। চেতনার বোধোদয় বলতে আমরা যা বুঝি, তা কাজী নজরুল ইসলামের কবিতায় রয়েছে। তাঁর বিদ্রোহী কবিতার লেখনী যেন এক শানিত অস্ত্র। কবিতার প্রতিটি শব্দ যেন প্রতিবাদী বারুদ। পড়লেই দপ করে ভিতরে আগুন জ¦লে ওঠে। বিশ^জুড়েই যেখানে অসাম্য, অস্থিতিশীলতা, অরাজকতা, রক্তপাত, ধর্মের দোহাই দিয়ে অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ ছড়ানোর ঘটনা- আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ছিলেন এসব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত, স্বচ্ছ। যাঁর বিদ্রোহ ছিল শাসকের বিরুদ্ধে, শৃঙ্খলের বিরুদ্ধে, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে, অসাম্য নীতির বিরুদ্ধে, বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে, জাতিগত বিভেদের বিরুদ্ধে, ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে। তবে এমন নয় যে, তাঁর ‘বিদ্রোহী’ কবিতা নিয়েও কোনো সমালোচনা হয়নি। সমালোচনা হয়েছে। অনেকেই ছিলেন সেই দলে। কিন্তু তিনি বাধা ভাঙার পথেই এগিয়েছেন।

যে বাধা আমরা আমাদের সমাজে আজও ভাঙতে পারিনি, যে কুসংস্কার আজও সমাজে প্রভেদ সৃষ্টিতে ব্যস্ত, সেই শৃঙ্খল আমরা না ভাঙতে পারলেও তিনি ভেঙেছিলেন তাঁর কবিতায়, গানে। তাঁর ভাঙার গান কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতায় লিখেছেন, কারার ঐ লৌহ কপাট/ ভেঙে ফেল কর রে লোপাট/ রক্ত জমাট/ শিকল পুজোর পাষাণ বেদী। তিনি তাঁকে বন্দি করা বা তাঁর মতো হাজার হাজার দেশপ্রেমিক রাজবন্দিকে অথবা গোটা ভারতবাসীকেই ব্রিটিশদের শিকলমুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কাজীর কবিতার প্রতিটি শব্দেরই আছে নিজস্ব আগুন। প্রতিটি শব্দই প্রতিবাদ করতে শেখায়। বই নিষিদ্ধ করে তো কবির কলম বন্ধ করা যায় না। কাজী নজরুল ইসলামকেও থামিয়ে রাখতে পারেনি ব্রিটিশদের জুলুম, সমাজের কঠোর সংস্কার, ধর্মে ধর্মে বিরোধ।

তাই তো বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণ আন্দোলন, একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে সদ্যগত চব্বিশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দৃপ্তকণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে নজরুলের কবিতা। গান। তাঁর বিদ্রোহী কবিতার বিভিন্ন চরণ। সেজন্যই প্রকাশের শতবর্ষ পেরিয়েও কাজীর ‘বিদ্রোহী’ আজও সমান সমাদৃত, প্রাসঙ্গিক।

 

এই বিভাগের আরও খবর
উৎপল
উৎপল
নারিন্দার মেয়ে
নারিন্দার মেয়ে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
গহিন কাব্য
গহিন কাব্য
অর্থময় সিসিফাস
অর্থময় সিসিফাস
ইরাবতী
ইরাবতী
নির্জন নদী
নির্জন নদী
প্রমার মুখ
প্রমার মুখ
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সর্বশেষ খবর
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

১০ মিনিট আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?
কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি
ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল
সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?
ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা