শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৫৪, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা সময়ের দাবি

রোবায়েত ফেরদৌস
অনলাইন ভার্সন
নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা সময়ের দাবি

সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার ওপর সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এক দিনে তৈরি হয়নি। একসময় ছাপার অক্ষরে যা দেখত, মানুষ তা-ই বিশ্বাস করত। গ্রামে-গঞ্জে ও শহরেও দেখেছি সাংবাদিকদের মানুষ খুব বিশ্বাস করত। ভাবত যে আমার হয়ে সাংবাদিক কথাগুলো বলবে। সেই তো গরিব মানুষের কণ্ঠস্বর। গরিব মানুষ যারা কথা বলতে পারে না, লিখতে পারে না, টেলিভিশনে তাদের সুযোগ নেই, পত্রিকায়ও তাদের অ্যাকসেস নেই। কারণ আমাদের সংবাদপত্রগুলো আসলে ধনিক অভিমুখী, এলিট অভিমুখী, শহর অভিমুখী, বড়লোক অভিমুখী। এখানে গরিব প্রান্তিক সাধারণ মানুষের বক্তব্য থাকে না।

তারা ধরে রাখত, আমার এই সমস্যার কথাগুলো, কৃষক শ্রমিক মজুরের সমস্যা, বেতনের সমস্যা, গার্মেন্টসের সমস্যা সাংবাদিকরা তুলে ধরবেন। সেই কারণে একটি সম্মানবোধ ছিল এবং এখনো আছে। কিন্তু যে প্রশ্ন আসে, এই বিগত ১৫-১৬ বছরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস কনফারেন্স থেকে শুরু করে এই যে দলীয়করণ হয়েছে চূড়ান্ত; এর প্রধান জায়গাটা আমার মনে হয় সংবাদপত্রের ওপর সবচেয়ে বেশি পড়েছে। এবং এটা আওয়ামী লীগের দলদাসকেন্দ্রিক যে সাংবাদিকতা, তাঁরা প্রেস কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর স্তাবকতা, তেলবাজিকে একটা শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন আসলে।

তাঁরা সত্য প্রশ্ন করতেন না, তাঁরা কোনো চ্যালেঞ্জ করতেন না। সরকারের যেকোনো দুর্নীতি, অপকর্ম- এগুলো সাংবাদিকরা তুলে ধরবেন। সেখানে সাংবাদিকরা সাফাই গাইতেন এবং দিনের পর দিন মিথ্যা লিখতেন, মিথ্যা রিপোর্ট করতেন, প্রপাগান্ডা করতেন সাংবাদিকতার নামে। এসব দেখে দেখে সাধারণ মানুষের সাংবাদিক সম্পর্কে একটি বিতৃষ্ণা তৈরি হয়ে গেছে যে তাঁরা আসলে সাংবাদিক না, তাঁরা সাংঘাতিক। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরের সময় বিমানে চড়ে যান, হোটেলে থাকেন, খাওয়াদাওয়া করেন। নানা সুবিধা নিয়েছেন। এ কারণে সাধারণ মানুষের যৌক্তিক ক্ষোভ সাংবাদিক কমিউনিটির ওপর কিন্তু আছে। তারা সাংবাদিকদের ভয় পায় এটা যেমন সত্য, আবার সম্মান করে এটাও সত্য। সাংবাদিকদের প্রতি মিশ্র অনুভূতিও আছে।

দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরে সাংবাদিকরা তাঁদের নীতি-নৈতিকতা হারিয়ে ফেলেছেন। এ কারণে যখনই ৫ আগস্টের পর পরিবর্তন এলো, তখনো আমি দেখলাম, যারা স্বৈরাচারের দোসর, যারা ফ্যাসিবাদের দোসর, সেইসব সংবাদপত্রের মালিকানায় কিন্তু অনেক সাংবাদিক ঢুকে গেলেন। পত্রিকায় ও টেলিভিশনগুলোতে তাঁরা কিন্তু নতুন করে পুনর্বাসিত হয়ে গেলেন। বললেন, আমরা বঞ্চিত ছিলাম, গত ১৬ বছর আমরা আমাদের কাজগুলো করতে পারিনি। অথবা কোনো কোনো সাংবাদিক আছেন, বর্তমান যে অন্তর্বর্তী সরকার, তাদের পক্ষেই সাফাই গাইছেন। সাংবাদিকতা হচ্ছে না। সব টেলিভিশন, পত্রিকা দেখলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মনে হচ্ছে, এই সরকারের একটি প্রপাগান্ডা মেশিন। তাদের পক্ষে তাদের সাফাই গাইছে। নো, সাংবাদিকতার প্রথম লাইন হচ্ছে—পৃথিবীর সব সরকার মিথ্যা বলে। সাংবাদিকতা বইয়ের প্রথম লাইন হচ্ছে, পৃথিবীর সব সরকার জনগণের কাছ থেকে তথ্য লুকায়। এটা আওয়ামী লীগ লুকায়, বিএনপি লুকায় এবং অন্তর্বর্তী সরকারও লুকায়। সাংবাদিকের দায়িত্ব হচ্ছে সেই মিথ্যার জায়গায় সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা। যেটা সরকার লুকিয়ে রাখে সেটা প্রকাশ করা। 

কিন্তু আমাদের সাংবাদিকতা? বর্তমানে টেলিভিশনগুলোতে আগে আওয়ামী লীগের প্রপাগান্ডা প্রচারণা হতো, এখন মনে হয় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচারণা প্রপাগান্ডা হচ্ছে। অথবা বিএনপির প্রপাগান্ডা প্রচার করছে। কারণ ধরে নিয়েছে, হয়তো বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। কাজেই এখনো আসল সাংবাদিকতা হচ্ছে না। এটা হচ্ছে সাংবাদিকের এত দিনের চর্চার ফলে একটা সেলফ সেন্সরশিপ তৈরি হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের সময় সমালোচনা করে আমি তো জেলে গেছি। আমার তো কারাগারে যেতে হয়েছে। আমার জরিমানা হয়েছে। এবারও অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বললে আমাকে আবার মামলা দেয় কি না। হত্যা মামলা দেয় কি না। কারাগারে দেয় কি না। কিংবা বিএনপির সমালোচনা করব, বিএনপি সামনে আবার আসবে। এসে আমাকে আবার জেলে ঢোকায় কি না। কারাগারে ঢোকায় কি না। জামায়াত তো সামনে আসবে। তারা আমাকে বিপদে ফেলে কি না। কাজেই আসল সাংবাদিকতা, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এখনো হচ্ছে না বাংলাদেশে।

অন্তর্বর্তী সরকারের এবং পরবর্তী সরকারের এটা বোঝা উচিত যে সাংবাদিকরা সরকারের শত্রু না। তাঁরা সরকারের সমালোচনা করবেন, সরকারের ভুলত্রুটি দেখিয়ে দেবেন। এটি তাঁদের ট্রেনিং। এটি তাঁদের কাজ। তাঁদের শত্রু হিসেবে দেখলে চলবে না, যেটা আওয়ামী লীগ দেখত। তাহলে কী করতে হবে? যখন কোনো সাংবাদিক সরকারের কোনো ভুলত্রুটি, রাস্তার সমস্যা, এখানে দুর্নীতি হচ্ছে, ব্যাংকের টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে বলবেন, তখন সরকারের উচিত সেই জায়গাটা মেরামত করা। টাকাপাচার ঠেকানো, রাস্তা ঠিক করা। কাজেই সাংবাদিকের এই সমালোচনাগুলোকে বন্ধু হিসেবে দেখতে হবে, ভালো হিসেবে দেখতে হবে। তাঁকে শত্রু ভাবা চলবে না। এই বার্তাটা কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার জোরালোভাবে দিতে পারেনি। বিএনপির পক্ষ থেকেও জোরালোভাবে আসেনি। আমি দেখেছি দু-একজন বলেছেন, তারেক জিয়া বলেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন; কিন্তু জোরালোভাবে এই বার্তাটি আসেনি বিএনপির পক্ষ থেকেও। জেলা-উপজেলায় এখনো সাংবাদিকরা ভয়ে থাকেন, বিএনপির বিপক্ষে লিখলে আমার আওয়ামী লীগের সময় যে বিপদ হতো একই বিপদ আবার ঘটে কি না। কাজেই সত্যিকারের সাংবাদিকতা থেকে এখনো আমরা অনেক দূরে রয়ে গেছি।

গত তিন মাসে সাংবাদিকতা আমার কাছে খুব ইতিবাচক মনে হয়নি। মনে হয়েছে, এপিঠ আর ওপিঠ। আগে আওয়ামী লীগের চামচামি করত, বিএনপির চামচামি করত; এখন অন্তর্বর্তী সরকারের চামচামি করে। মানে এক মুঠ চিনি, একচিমটি গুড় আর আধালিটার পানি দিয়ে একটা ঘুঁটা, একটা ঘুঁটা—সাংবাদিকতা এখানে চলছে। সত্যিকারের যে বাইট সাংবাদিকতা, মানে ছোবল দেবে, সরকারের ভুলগুলো তুলে ধরবে, বিএনপি যে দখলটখল করছে দেশব্যাপী, তুলে ধরবে। আওয়ামী লীগ যে হত্যাগুলো চালিয়েছে, দুর্নীতি করেছে, পাচার করেছে, সেগুলো হয়তো কিছুটা তুলে ধরেছে, কিন্তু এদিকের বিএনপি কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের যে ভুলগুলো, সেগুলো কিন্তু আসছে না।

সাংবাদিকতার তিনটি বড় শর্ত হচ্ছে সততা, নির্ভুলতা, পক্ষপাতহীনতা। সততা মানে সততার সঙ্গে সব সাংবাদিকতার চর্চা করতে হবে। নির্ভুলতা মানে যে তথ্য দিচ্ছেন সেটি সঠিক হতে হবে। ন্যায্যতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পক্ষপাতমুক্ত হতে হবে। আপনি আগে আওয়ামী লীগের পক্ষপাতী ছিলেন, এখন বিএনপির পক্ষপাতে এলেন কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষপাতে এলেন, তাহলে কিন্তু ন্যায্যতা হলো না। এই তিনটি সাংবাদিকতার ফান্ডামেন্টাল প্রিন্সিপল। এই তিনটির চর্চা কিন্তু সাংবাদিকতায় ফেরত আসতে হবে। এখনো কিন্তু আসেনি। আমি শুধু সাংবাদিকতা বলব না, বাংলাদেশের গত ১৫-২০ বছরে চিকিৎসক বলেন, শিক্ষক বলেন, আইনজীবী বলেন, বিচারক বলেন, প্রতিটি পেশা আমরা নষ্ট করে ফেলেছি। কাজেই আমাদের প্রত্যেকের উচিত সেই পেশাগুলোর যে মর্যাদা, সেগুলো ফিরিয়ে আনা। মানে সেগুলো পুনরায় মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করা। এবং সাংবাদিকতা পেশাও এর বাইরে না আসলে। সমস্ত পেশাকে নষ্ট করা হয়েছে। একজন বিচারক বুক ফুলিয়ে বলতে পারবেন না, আমি এই পেশায় সম্মানিত। দুজন প্রধান বিচারপতিকে বের করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক আমি, বলতে পারছি না। কারণ নীল দল, সাদা দল দেখেছি কিভাবে দলীয় স্তাবকতা করে। ডাক্তার দেখেন- স্বাচিপ ও ড্যাপ। কিভাবে চামচামি করে। ইঞ্জিনিয়ারদের দল আপনি দেখেন। হেন জায়গা নেই, যেখানে দলীয়করণ ও দলদাস হয়নি। ফলে প্রতিটি পেশার মর্যাদা- ব্যবসায়ী বলেন, রাজনীতিবিদ বলেন- সব পেশার মর্যাদা বাংলাদেশে ভূলুণ্ঠিত হয়ে গেছে। এগুলো ফিরিয়ে আনা খুব জরুরি।

সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি- সততা, নির্ভুলতা, পক্ষপাতহীনতা বা ন্যায্যতা-এগুলো হৃদয়ে ধারণ করে যদি সাংবাদিকতা করা যায় এবং তরণদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া যায় সাংবাদিকতার নীতি নিয়ে, কী লেখা যাবে, কী লেখা যাবে না, কার ছবি দেওয়া যাবে, কার ছবি দেওয়া যাবে না, যিনি অপরাধী বা অপরাধে অভিযুক্ত তাঁর বক্তব্য যে দিতে হবে, একজন নারী ধর্ষিত হলে তার ছবি দেওয়া যাবে না, একটা শিশু আঠারোর নিচে হলে তার ছবি যে দেওয়া যাবে না—এই যে অনেক নীতি-নৈতিকতার মানদণ্ড আছে, এগুলোতে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা অনেক পিছিয়ে আছে। নৈতিক সাংবাদিকতা চর্চার ক্ষেত্রে আমাদের সাংবাদিকতা বৈশ্বিক সাংবাদিকতা থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। কাজেই আমাদের নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা এখন সময়ের দাবি।

অনেকগুলো কালো আইন আছে, যেটা সাংবাদিকতার পথগুলো রুদ্ধ করে। সাইবার নিরাপত্তা আইন বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু ১৯২৩ সালের অফিশিয়াল সিক্রেটস আইন বা দাপ্তরিক গোপনীয়তা আইন, সেটা কিন্তু এখনো বহাল আছে। ১৯৭৪ সালের স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট এখনো বহাল। আমাদের সংবিধানে এখনো যুক্তিসংগত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। সেটা কিন্তু এখনো বহাল আছে। এগুলো পরিবর্তন করতে হবে। এগুলোতে পরিবর্তন আনতে হবে।

সাংবাদিকতা পেশার যদি নিশ্চয়তা একজন সাংবাদিক পায়, মালিকের পক্ষ থেকে সে যদি নিয়মিত বেতন-ভাতা পায়, পেনশন পায়, গ্র্যাচুইটি পায়, প্রভিডেন্ট ফান্ড পায়, সরকারের পক্ষ থেকে তার যদি জেল-জরিমানা করা না হয়, গ্রেপ্তার করা না হয়, মন খুলে সে যদি লিখতে পারে, বিজ্ঞাপনদাতাদের সেন্সরশিপ বা চাপ যদি কম থাকে এবং তার নিজস্ব সেন্সরশিপ, সেটাও যদি সে কাটিয়ে উঠতে পারে, তাহলেই আমার মনে হয়, বাংলাদেশে তরুণ মেধাবী যারা সাংবাদিকতায় আসতে চায়, তাদের জন্য একটি বড় জায়গা তৈরি হতে পারে। কিন্তু খুব বেশি আশা আমি আসলে দেখি না। এটি মালিকের তরফেও না, সরকারের তরফেও না; অন্যদিক থেকেও সেটা আমি দেখছি না আসলে।

লেখক: অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অনুলিখন : মানজুর হোছাঈন মাহি।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা