শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৫০, বুধবার, ০৮ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৯:৫৮, বুধবার, ০৮ জানুয়ারি, ২০২৫

এইচএমপিভি নিয়ে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সতর্কতা ও কার্যকরী পদক্ষেপ

ডক্টর শাকিরুল ইসলাম খান শাকিল
অনলাইন ভার্সন
এইচএমপিভি নিয়ে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সতর্কতা ও কার্যকরী পদক্ষেপ

শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন ভাইরাস রয়েছে যা মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাইরাস হলো হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাস (এইচএমপিভি)। এইচএমপিভি প্রথম ২০০১ সালে নেদারল্যান্ডসে চিহ্নিত হলেও, গবেষণায় দেখা গেছে এটি গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষের মধ্যে সক্রিয়। এইচএমপিভি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা রেসপিরেটরি সিনসাইটিয়াল ভাইরাস (আরএসভি)-এর মতোই কাজ করে এবং মানুষের শ্বাসযন্ত্রে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এই ভাইরাসটি সব বয়সের মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে, তবে পাঁচ বছরের নিচের শিশু, বয়স্ক এবং দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের ব্যক্তিদের মধ্যে এর প্রভাব বেশি গুরুতর। এটি সাধারণ সর্দি থেকে শুরু করে নিউমোনিয়া এবং ব্রংকিওলাইটিস এর মতো বিভিন্ন ধরনের শ্বাসজনিত রোগের কারণ সহ মৃত্যু ঘটাতে পারে। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণজনিত মৃত্যুর প্রায় এক শতাংশের জন্য এইচএমপিভি কে দায়ী করা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে চীন, জাপান, মালয়েশিয়া এবং ভারতে এইচএমপিভি সংক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াতে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ এ অঞ্চলে বড় আকারের জনসংখ্যা এবং স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতা এই ভাইরাস এর দ্রুত বিস্তার ঘটাতে পারে।

এইচএমপিভি সংক্রমণ কীভাবে ছড়ায়?

এই ভাইরাস প্রধানত আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। সংক্রমিত বস্তু বা হাতের মাধ্যমে এটি সহজেই সংক্রমিত হতে পারে।

ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ:

    নবজাতক ও শিশু (বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী)
    বয়স্ক ব্যক্তি
    দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগে (যেমন অ্যাজমা বা সিওপিডি) আক্রান্ত রোগী
    দুর্বল ইমিউন সিস্টেমযুক্ত রোগী (যেমন ক্যান্সার বা অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা ব্যক্তি)

এইচএমপিভির লক্ষণসমূহ

এইচএমপিভি সংক্রমণের লক্ষণ সাধারণ সর্দি-কাশির মতো হলেও কিছু ক্ষেত্রে এটি গুরুতর শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করতে পারে।

মৃদু লক্ষণ:

    নাক দিয়ে পানি পড়া
    হালকা কাশি
    হালকা জ্বর
    গলা ব্যথা
    শিশুদের ক্ষেত্রে খাওয়ার অসুবিধা বা ঝিমিয়ে পড়া

গুরুতর লক্ষণ:

    শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
    নিউমোনিয়া
    ব্রংকিওলাইটিস
    অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া

সংক্রমনে করণীয়

মৃদু সংক্রমনে: 

    বিশ্রাম নেওয়া
    প্রচুর পানি পান করা
    জ্বর কমানোর ওষুধ খাওয়া

গুরুতর অবস্থায়:

    শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা
    হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রয়োজন হলে দেরি না করা
    অক্সিজেন সাপোর্ট বা অন্যান্য সাপোর্টিভ কেয়ার গ্রহণ করা 

এইচএমপিভি সংক্রমণ রোধে জনসাধারণের করণীয়

এখনও এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট ভ্যাকসিন বা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। তবে নিম্নলিখিত সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

    স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা: নিয়মিত হাত ধোয়া এবং হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা।
    পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: সংক্রমিত বস্তু জীবাণুমুক্ত করা।
    সমাজিক দূরত্ব বজায় রাখা: বিশেষত শীতকালে এবং সংক্রমণের সময়ে।
    ভিড় এড়িয়ে চলা: বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে।
    লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা: জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া
    স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত তথ্য সম্পর্কে সচেতনতা: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কিংবা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) নির্দেশিকা অনুসরণ করা।

এইচএমপিভি সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কায় সরকারের করণীয়

এইচএমপিভি সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কায় সরকারের নিম্নলিখিত ভূমিকা জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাখতে পারে।

১. জনসচেতনতা বৃদ্ধি
    গণমাধ্যমে (টেলিভিশন, রেডিও, পত্রিকা) এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করতে হবে।
    বিশেষত শিশু এবং বয়স্কদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই ভাইরাস সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করতে জাতীয় পর্যায়ে প্রচারণা চালানো জরুরি।
    স্কুল, কলেজ, এবং কর্মস্থলে এইচএমপিভি সম্পর্কে সচেতনতার জন্য কর্মসূচি হাতে নেওয়া যেতে পারে।

২. হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রস্তুত রাখা
    সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি রাখতে হবে।
    হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।
    প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং তাদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কর্মশালা আয়োজন করা প্রয়োজন।

৩. দ্রুত শনাক্তকরণ ও ল্যাব সুবিধা বৃদ্ধি
    এইচএমপিভি শনাক্তে প্রয়োজনীয় কীটের সহজ প্রাপ্যতা এবং ল্যাবরেটরির সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।
    প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভাইরাস শনাক্তের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
    দ্রুত শনাক্তকরণ ও রিপোর্টিং ব্যবস্থা চালু করলে সংক্রমণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

৪. ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপে নজরদারি
    পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দিতে হবে।
    কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে সক্রিয় করে গ্রামীণ পর্যায়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে হবে।
    দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ রোগীদের (যেমন ক্যান্সার বা অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা ব্যক্তি) বিশেষ নজরদারিতে রাখা প্রয়োজন।

৫. গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহ
    এইচএমপিভি নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম বাড়াতে হবে।
    সংক্রমণের প্রকৃতি, বিস্তৃতি, এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণার জন্য বিশেষ তহবিল বরাদ্দ করা জরুরি।
    সংক্রমণের ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করতে বিশেষ দল গঠন করতে হবে।

৬. আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।
    ভ্যাকসিন ও অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নিয়ে চলমান গবেষণায় অংশ নেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

৭. সংক্রমণ রোধে নিয়মিত আপডেট
    সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে আপডেট দেওয়া।
    নিয়মিত সতর্কতামূলক নির্দেশিকা জারি করা।

এইচএমপিভি নিয়ে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সতর্কতা

বাংলাদেশে এইচএমপিভি নিয়ে সচেতনতা কম থাকায় এই ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং কোভিড-১৯ এর মতো মহামারির অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে যে, অজানা ভাইরাসগুলো অবহেলা করা উচিত নয়। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এইচএমপিভি নিয়ে প্রস্তুতি বাড়ানো এখন সময়ের দাবি, কারণ এটি ব্যাপক সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এইচএমপিভি সংক্রমণ রোধে সরকারের করণীয় বিষয়গুলো পরিকল্পিত ও দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এবং গবেষণার মাধ্যমে এই ভাইরাসের প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আতঙ্কের কোনো প্রয়োজন নেই; বরং সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া গেলে জনগণকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।


লেখক: শিক্ষক ও গবেষক, রিসার্চ সেন্টার ফর গ্লোবাল এন্ড লোকাল ইনফেকসাস ডিজিজ, ঐতা ইউনিভার্সিটি, জাপান

 

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা