ফরিদপুরের সালথায় সাইদুর রহমান শাওন (১৮) নামের এক কলেজছাত্রকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বালিয়াগট্টি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। একই সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাওনের পিঠে কোপ দেওয়া হয়। আহত শাওন বালিয়াগট্টি বাজার এলাকার মজনু মাতুব্বরের ছেলে ও ফরিদপুর সিটি কলেজের এইচএসসির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। শাওনের পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সাইদুর রহমান শাওন বালিয়াগট্টি বাজারে তার বাবার দোকান থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় পথে কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল যুবক তাকে হাতুড়িপেটা করে। একই সময়ে তাকে কিল-ঘুষি ও পিঠে ছোরা দিয়ে কোপানে হয়। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেলে ভর্তি করেন। শাওনের ১২ জানুয়ারি এইচএসসি ফাইনাল পরীক্ষা রয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। শাওন আহত থাকায় এখন পরীক্ষা দেওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। কলেজ শিক্ষার্থী শাওন জানান, তার সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা নেই। তাকে কী কারণে হাতুড়িপেটা করা হয়েছে বলতে পারছেন না। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সাজেদ নামের একজনকে মারধর করা হয়। তার এক দিন পর সোমবার একটি চাঁদাবাজি মামলার বাদী ফরিদা বেগমের স্বামী ছাত্তার মাতুব্বর নামের এক বৃদ্ধকে মারপিট করা হয়।
একই সঙ্গে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় চাঁদাবাজি মামলা তুলে নিতে। পরে চাঁদাবাজি মামলার বাদীর পরিবার প্রাণরক্ষার্থে সালথা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, কলেজছাত্র শাওনকে হাতুড়িপেটা করার খবর শুনে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।