শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ, ২০২৫

অলৌকিক ট্রেনের যাত্রী

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
অলৌকিক ট্রেনের যাত্রী

স্কুলে আমাদের ড্রয়িং টিচার ছিলেন আনোয়ার উল্লাহ। গুণী মানুষ। গান গাইতেন। ক্রিকেট খেলতেন। বার্ষিক মিলাদ মাহফিলের দিন খাওয়ানো হতো তাঁরই রান্না করা বিরিয়ানি। নিজের ইতিবাচক ব্যাপারগুলো তিনি তাঁর ছাত্রদের মধ্যে সঞ্চারণে সচেষ্ট থাকতেন। অন্যদের কথা জানি না, সুযোগ পেলে আজও বাহাদুরি দেখানোর মতলবে যে আঁকাআঁকি করি তা ওই অঙ্কনগুরু প্রদত্ত বিদ্যারই ছায়াপাত। স্টুডেন্টস কমনরুমের দেয়ালে ঝুলন্ত ফ্রেমবন্দি ছবি আর হিতকথাগুলোর অধিকাংশই তুলির ছোঁয়ায় শিল্পমণ্ডিত করেছেন আনোয়ার উল্লাহ স্যার।

দেয়ালশোভিত হিতকথার প্রায় সবই মুখস্থ করে ফেলেছিল সহপাঠী ফজলুল হাকিম। এ জন্য তার প্রতি খুবই প্রীতিভাব পোষণ করছিলেন আউস। আনোয়ারের ‘এ’+উল্লাহর ‘ইউ’+স্যারের ‘এস’। তিনে মিলে ‘আউস’ শব্দটির উদ্ভাবক ফজলুল রঙ্গ করে বলে- ‘আউস-এর মতো আর্টিস্ট হবাম/এটা আমার দীর্ঘকালের হাউস/আর্টিস্ট হইয়া আঁকুম ছবি ঢাউস ঢাউস।’

বিচ্ছুর বিচ্ছু ফজলুর রঙ্গতামাশার সংবাদ পেয়ে গেলেন আউস। নীতিনিষ্ঠ কড়ামেজাজি আনোয়ার উল্লাহ স্যার ফাজলামোর বিরুদ্ধে কুপিত হয়ে কী কী করতে পারেন, তার অলিখিত তালিকা প্রস্তুত। সম্ভাব্য হচ্ছে- পিরিয়ড শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্লাসের শেষ বেঞ্চটির ওপর ফজলুকে দাঁড় করিয়ে রাখা হবে। তা হলো না। কারুকাজখচিত পাঞ্জাবি পরা, সুবিন্যস্ত দাড়িভরা মুখে ‘মজা পেলাম’ স্টাইলের হাসি ফুটিয়ে স্যার বললেন, হয়ার ইজ মাই মিসগাইডেড হনুমান ফজলু? ভয়ার্ত ফজলু মাথা গুঁজে বসা ছিল লাস্ট বেঞ্চের আগের বেঞ্চে। শাস্তি হবে না, হলেও সেটা কঠিন হচ্ছে না, টের পেয়ে ফজলু আওয়াজ ছাড়ল ‘ইয়েস স্যার!’

সপাং সপাং বেত ঘুরিয়ে আনোয়ার উল্লাহ স্যার বলেন, তোর সিট তো সেকেন্ড রোতে। অত দূরে গিয়ে বসলি যে? ওখানে কী কড়ই গাছের ডাল ধরে ঝুলে পড়বার ফন্দি করছিস? সামনে আয়...। আয় বলছি... আজ তোর ইয়েস স্যারের তেরোটা বাজানোর আগে থামছি না।

স্যারের টেবিলের কাছে গিয়ে দাঁড়ায় আপাতত সুবোধ বালক ফজলুল হাকিম। তাকে এবং ক্লাসকে স্যার জানান, মহান পুরুষদের বাণী মুখস্থ করলে মহত্ত্ব অর্জনের অলৌকিক ট্রেনের যাত্রীসাধনবাসনা জাগ্রত হয় মনে করাটা ভুল। মুখে এক অন্তরে আরেক হওয়া তো এই ব-দ্বীপের জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য। অধিবাসী মানুষ যেখানে ঐতিহ্যচ্যুত হওয়ার প্রয়োজনবোধ করে না, সেখানে একটা হনুমান সুন্দর সুন্দর কিছু কথা উচ্চারণ করে বলে তার লেজ খসতে শুরু করেছে ধরে নেওয়াটা বিরাট আহাম্মকি।

নিজের দুই কান নিজ হাতে ধরে রেখে লাস্ট বেঞ্চে দাঁড় করিয়ে রাখার শাস্তি-পদ্ধতি পরিহার করে ড্রয়িং স্যার ‘ডান হাতে ছয়/বাম হাতে ছয়’ বেত্রাঘাত রীতি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, সমস্যা হলো ডেপুটি সুপার অব পুলিশের ছেলে ফজলু একডজন বেতের ঘা পেয়েছে, এই দুঃখজনক খবর শহরে ছড়িয়ে পড়বে। বাবা-মার কানেও খরবটা পৌঁছাবে। তাঁরা মর্মাহত হবেন। এই পরিস্থিতি এড়ানোর উপায়ও একটা আছে। ক্লাসের সবাই বলে, কী স্যার! সেটা কী!

‘মহৎ পুরুষদের যেসব বাণী মুখস্থ করেছি নিজের জীবনে সেগুলো প্রয়োগের যথাসাধ্য চেষ্টা আমি করব’- এই অঙ্গীকার ঘোষণা করবে ফজলুল হাকিম। আমরা করতালি দিলাম। সহাস্যবদন স্যারও করতালি দেন। ফজলু অঙ্গীকার করলে আবার করতালি। সঙ্গে ছিল হর্ষধ্বনি। হঠাৎ ফজলুকে টান মেরে মঞ্চে (যেখানে স্যারের টেবিল-চেয়ার) ওঠান আউস। বলেন : এখন ফজলু আমাদের সাত মহৎপ্রাণের মুখনিঃসৃত বাণী শোনাবে।

ফজলু উচ্চারিত ওসব বাণীর পাঁচটি আজও আমার মনে আছে : (১) ‘ট্রাই টু লার্ন সামথিং অ্যাবাউট এভরিথিং অ্যান্ড এভরিথিং অ্যাবাউট সামথিং।’ (২) ‘লাইফ ইজ নট ফাইন্ডিং ইয়োরসেলফ। লাইফ ইজ অ্যাবাউট ক্রিয়েটিং ইয়োরসেলফ।’ (৩) ‘নিজ দায়িত্ব পালনে ব্রতী হও, অন্যে তোমার কাছে কৈফিয়ত চাইবে না।’ (৪) ‘কর্মই বিরক্তি, পাপ ও দারিদ্র্য’- এ তিন অমঙ্গল দূর করে। (৫) ‘গৌরব ক্ষণিকের কিন্তু অখ্যাতি চিরকালের।’

কথাগুলো বলে গেছেন : (১) টমাস হেনরি হাক্সলি, (২) জর্জ বার্নার্ড শ, (৩) হজরত আলী, (৪) ভলতেয়ার ও (৫) নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।

প্রচণ্ড ধমক : একবার স্কুলে সাজ সাজ রোয়াব ওঠে। অনেক উঁচু, প্রায় পাঁচ ফুট ব্যাসের কাণ্ড দুই শিশু গাছকে দুই পাশে রেখে যে রাস্তাটি গেছে মূল ভবনের বারান্দা পর্যন্ত তার সংস্কার হলো। ফুল বাগান করা হয় পারিপাটি। স্কাউটরা যন্ত্রসুরের রেওয়াজ করছে কবি গোলাম মোস্তফা রচিত, ‘খাইবার দ্বারে তার পতাকাবাহী/মেঘনা কূলের যত বীর সিপাহী...।’ গান; সঙ্গে বাজছে ড্রাম। মিলনায়তনের মঞ্চে সমবেত কণ্ঠের ‘বরিষো ধরা মাঝে শান্তির বারি’ গানের অনুশীলন করাচ্ছেন বিখ্যাত গায়ক সত্য গোপাল নন্দী। সব আয়োজন এক ব্যক্তিকে তুষ্ট করার জন্য। তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিদ্যালয় পরিদর্শক। কিন্তু তাঁর মর্যাদা উচ্চতা ক্ষমতা আভিজাত্যের ইঙ্গিতবাহী শব্দ ‘রেন্জ ইনসপেক্টর’ আসছেন। রেন্জ ইনসপেক্টর আসছেন ধ্বনিত হচ্ছিল। নির্ধারিত দিনে তিনি এলেন।

ক্ষমতাধররা আসেন, দেখেন এবং নাকি জয় করেন। স্ফীত উদর, মোটাসোটা ফরসাদেহী মাঝারি উচ্চতায় রেন্জ ইনসপেক্টর (আর আই) এলেন, দেখলেন এবং ধমক মারলেন। প্রচণ্ড ধমক। শিক্ষকরা তাঁকে অতি বিনীত ভঙ্গিতে অভ্যর্থনা জানানোর পরপরই তিনি প্রতিটি ক্লাসে ঢুঁ মারেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপও করলেন। হোয়াটস ইয়োর নেম, হাউ ইয়োর স্কোর ইন দ্য লাস্ট একজাম, টেলমি হু ইজ দ্য প্রভিন্সিয়াল ওয়ার্কস মিনিস্টার ইত্যাদি।

পূর্তমন্ত্রী কে? প্রশ্নটি আমাকেই করা। উত্তরটা সঠিক দিতে পারায় বুক প্রসারিত হয়। কিন্তু মন করে খচখচ। শিক্ষালয় পরিদর্শক শিক্ষামন্ত্রীর নাম জানতে চাওয়া উচিত ছিল। আমি শিক্ষার্থী; আমি শিক্ষামন্ত্রী বুঝব- পূর্তমন্ত্রীর কাছে আমার কী কাম? তবে আল্লায় বাঁচাইছে। বাণিজ্য বা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম জানতে চাননি। কোনো কাম না থাকায় ওই দুজনের নাম ছিল অজানা।

এ ক্লাস, ও ক্লাস ঘুরে আর আই মহোদয়ের স্টুডেন্টস কমন রুমে প্রবেশ। স্যারদের পিছু পিছু আমরাও ওই রুমে। আর আই হেড স্যারের সঙ্গে কিছুক্ষণ পিংপং খেলার পর দেয়ালে শোভিত ছাত্রদের আঁকা বিভিন্ন ছবি দেখতে লাগলেন। দেখেন আর ফাইন! ভেরি নাইস। একসেলেন্ট বলেন। একটি ফ্রেমের সামনে এসে তিনি থমকে দাঁড়ান। প্রশ্ন করেন, ‘হু রোট দিস্?’ সামনে এগিয়ে গিয়ে আনোয়ার উল্লাহ সহাস্যে বলেন, ‘আমি স্যার।’

‘আপনি? আর ইউ ইনসেন?’ গর্জে ওঠেন আর আই, ‘নামান। এখনই নামান।’ ধমকের চোটে বিষণ্ন হয়ে গেলেন আউস। দ্রুত ফ্রেমটি নামানো হলে দেখি তাতে লেখা- ‘মৃত্যুই জীবনের অপরিহার্য পরিণাম।’ আর আই কটমট করে হেড স্যারের দিকে তাকিয়ে বলেন, “ছেলেপিলেদের হতাশা শেখানোর অধিকার কে আপনাদের দিয়েছে? চোখের সামনে বারবার ‘মৃত্যু মৃত্যু মৃত্যু’ লেখা দেখলে ওদের মনে ভয়ংকর প্রশ্ন জাগবে। ওরা তখন ভাববে- মরেই তো যাব, পড়ালেখা করে কী লাভ?”

উচিত-অনুচিত : মরণচিন্তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। যা ঘটবেই তার জন্য উদ্বিগ্ন না হওয়ার পরামর্শ দেন মনোবিদরা। সমাজহিতৈষীদের কেউ কেউ বলেন, মরণচিন্তা পুরোপুরি বর্জন অনুচিত। মরণ আসন্ন, এই বোধ নাকি মানুষের লোভলালসার নিয়ন্ত্রক। মনে আছে, সেবা সংগঠন ‘বাঁচতে শেখো’র পরিচালক অ্যাঞ্জেলা গোমেজ ২০১৮ সালে ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ প্রদত্ত সম্মাননা গ্রহণের পর দেওয়া ভাষণে আত্মকেন্দ্রিকতা পরিহার করে দুস্থের কল্যাণে নিবেদিত হওয়ার জন্য বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন।

অ্যাঞ্জেলা বলেন, ‘একটা বালিকণা পৃথিবীতে যত কোটি বছর বেঁচে থাকে তার লাখ লাখ ভাগের এক ভাগ সময়ও মানুষ বাঁচে না। তাহলে অর্থবিত্তের জন্য মানুষের কেন এত লোভ? কেন এত হাহাকার?’

সময় জীবনকে দিয়ে অনেক কিছু করিয়ে নেয়। সময়ের নির্দেশে আমরা ‘খাই খাই/দাও দাও আরও দাও’ করি। চাওয়া আর চাওয়া ছাড়া যেন আর কোনো করণীয় নেই। ওই উদগ্র বাসনায় মানুষ এতটাই তাড়িত হয় যে ধেয়ে আসা অলৌকিক ট্রেন সে দেখতে পায় না। আধুনিক এক কবিতায় আছে-“কুয়াশার ভিতর দিয়ে ছুটে আসছে অলৌকিক ট্রেন/দাঁড়িয়ে আছি প্ল্যাটফর্মে তার অপেক্ষায়/তার যাত্রী হতেই হবে আমরা নিরুপায়/‘এসে গেছি, ভেতরপানে এসো’, হাঁক দেবে নিঃশব্দ এক সাইরেন।”

গেল বছর ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে হঠাৎ কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে যায় আমার বোধ। সাইরেনের আওয়াজ পাই। নিজেকে বলি, আমায় আজই হয়তো হয়ে যেতে হবে অলৌকিক ট্রেনের যাত্রী। সহকর্মীরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে দেখি এক সহকর্মী-(যার নাম আর আমার নাম অভিন্ন) আমাকে আগলে রেখে দোয়া করছেন আর ফুঁ দিচ্ছেন। তবে কি রাব্বুল আলামিন তার প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে ট্রেনটির গতি শ্লথ করে দিলেন?

ট্রেনে ওঠার প্রস্তুতি নেওয়ার রেওয়াজ আছে পাশ্চাত্যের দেশে দেশে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কবরে ঢুকবার জন্য পছন্দসই জমি কিনে রাখা হয়। শংকর রচিত ভ্রমণকাহিনিতে আছে : গোরস্থানের এজেন্ট বলছেন, ‘স্যার এই প্লটটা নিন। চমৎকার কবর হবে। আরামে থাকবেন। মূল্য মাত্র আট হাজার ডলার।’ সম্ভাব্য ক্রেতা (বয়স ৮৫) বলেন, ‘গাছ কোথায়! ছায়া আসবে কোথা থেকে? গরমকালে সূর্যতাপ সোজা এসে আঘাত হানবে কবরে। গরমে যে সেদ্ধ হয়ে যাব। আট হাজার ডলারে আমি নিজেকে সেদ্ধ করবার জন্য ডেকচি কিনতে এসেছি ভেবেছেন?’

মহান সম্রাট জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর অলৌকিক ট্রেনে সহজে সওয়ার হওয়ার উপায় বাতলে দিয়ে বলেছেন, ‘দুনিয়া একটা সেতু। এটা পার হয়ে যেয়ো। এর উপর কোনো বাড়িঘর বানিয়ো না।’

লেখক :  সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

১৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়