শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৫৩, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫

ট্রাম্প জমানায় কী পাবে বাংলাদেশ

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
ট্রাম্প জমানায় কী পাবে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে আবার শুরু হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প জমানা। বাইডেন জমানার অবসান ঘটেছে। বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে বাইডেন ছিলেন সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট। মার্কিন মুল্লুকে কোনো প্রেসিডেন্ট দ্বিতীয় মেয়াদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামলে ভোটাররা সাধারণত তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেন না। কিন্তু জনমত জরিপে ভরাডুবির আভাস পেয়ে বাইডেন দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার অভিলাষ থেকে সরে আসেন। তাঁর বদলে ডেমোক্র্যাট দলের মনোনয়ন পান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। মার্কিন নির্বাচনে বাইডেনের কারণেই ভারতীয় বংশোূ¢ত কমলাকেও হারতে হয়েছে সুস্পষ্ট ব্যবধানে। যদিও নির্বাচনি প্রচারণায় কমলাই ছিলেন এগিয়ে। ডেমোক্র্যাট দলের সাবেক দুই প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন ও ওবামা সুন্দরী কমলাকে সমর্থন জানিয়েও জনমতকে বেশ প্রভাবিত করেন। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। আরও দুটি কারণে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন কমলা হ্যারিস। মুখে যা-ই বলুন, মার্কিনিরা একজন নারীকে তাদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মেনে নিতে নারাজ। যুক্তরাষ্ট্রে খ্রিস্টবাদী চেতনার বিকাশও কমলার পরাজয়ের জন্য দায়ী। যিশুখ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করেছে যে ইহুদিরা, তাদের প্রতি খ্রিস্টানদের মনোভাব ভালো হওয়ার কথা নয়। গাজা ও ইউক্রেন যুদ্ধ উসকে দিয়ে যুদ্ধবাজ হিসেবে বাইডেন যে দুর্নাম কিনেছেন, আমেরিকার শান্তিপ্রিয় মানুষ তা ভালোভাবে নেয়নি। বাইডেনের সব দুষ্কর্মের অংশীদার কমলাকে সমর্থন করে মার্কিনিরা বিশ্বের পাশাপাশি আমেরিকাতে বিপদে ফেলতে চায়নি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আগের চার বছরের শাসনামলে খ্যাপাটে প্রেসিডেন্ট হিসেবে অন্যরকম এক পরিচিতি গড়ে তোলেন। তবে তিনি ছিলেন জাতে পাগল তালে ঠিক। মুখে যা-ই বলুন, বিশ্বশান্তি যাতে ক্ষুণ্ন না হয় সে ব্যাপারে ট্রাম্প সতর্ক ভূমিকাই রেখেছেন। যুদ্ধ-সংঘাতে জড়াবার বদলে হুমকিধমকি দিয়ে প্রতিপক্ষকে সামাল দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়েছেন সর্বক্ষেত্রে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের আগে ব্রিটেন ছিল দুনিয়ার সেরা পরাশক্তি। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিশ্বযুদ্ধের শেষ ভাগে আমেরিকা জাপানে পারমাণবিক বোমা ফেলে জার্মান, জাপান, ইতালি অক্ষশক্তির পরাজয় নিশ্চিত করে। তবে অন্যাংশের মতে, রাশিয়ার কাছে জার্মানির পরাজয়ের পর জাপানের আত্মসমর্পণ ছিল সময়ের ব্যাপার। আমেরিকা নিজেদের শক্তি জাহির করার জন্য জাপানের দুটি সমৃদ্ধ নগরী হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আণবিক বোমা ফেলে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করে। এটি ছিল প্রকারান্তরে মার্কিনিদের শক্তি প্রদর্শনের মহড়া। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর অংশগ্রহণকারী প্রায় সব দেশ অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে পড়লেও আমেরিকা ছিল একমাত্র সচ্ছল। অর্থনৈতিক সামর্থ্যরে সুযোগ নিয়ে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর ছলে-বলে-কৌশলে তারা বিশ্বের মহাপ্রভুর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট বাইডেন ছিলেন একজন ইহুদির চেয়েও বেশি ইসরায়েলপ্রেমী। যা বিশ্বশান্তির জন্য বিড়ম্বনা বয়ে এনেছে। তাঁর কাণ্ডজ্ঞানবর্জিত ভূমিকা যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ধুলায় লুণ্ঠিত করেছে। গাজায় ভয়াবহ গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের পেছনে বাইডেন প্রশাসনের ইন্ধন ছিল বলে সন্দেহ করা হয়। ইসরায়েলকে নিরাপদ করতে লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও ইরানে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর মদত দিয়ে বাইডেন মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের ভারসাম্য নষ্ট করেছেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পেছনেও বাইডেন নামের বুড়ো ধাড়ির কালো হাত ছিল বলে ভাবা হয়।

ট্রাম্প জমানায় কী পাবে বাংলাদেশদুটি কারণে বাংলাদেশের জন্য সাক্ষাৎ যম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন বাইডেন। ২০২০ সালে তিনি যখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তখন চলছে করোনাকাল। সারা দুনিয়ার অর্থনীতি বিপর্যস্ত। সারা বিশ্বে সে সময় ব্যতিক্রম বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়ার্ল্ড স্ট্রিট জার্নাল পরামর্শ দিয়েছিল, কীভাবে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে হয় সে বিষয়ে বাইডেন যেন বাংলাদেশের কাছ থেকে পরামর্শ নেন। যুক্তরাষ্ট্র নামের বটগাছ দূর্বাঘাসের কাছে পরামর্শ নেবে এমন পরিহাস মেনে নিতে পারেনি বিশ্ব মোড়ল। বাইডেন নামের শ্যাম চাচা সম্ভবত, এই অপমানকে এক মুহূর্তের জন্য ভোলেননি। তিনি যে ইতোমধ্যে অপমানের বদলা নিতে পেরেছেন তা এক মহাসত্য। বাইডেন বাংলাদেশের আরও দুটি অপরাধের প্রতিশোধ নিতে সক্ষম হয়েছেন। পাঁচ দশক আগে শেখ মুজিব ফিলিস্তিনের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অনুমতি দিয়েছিলেন। মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট, ৮ হাজার বাংলাদেশি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়েছে ফিলিস্তিনিদের হয়ে। বন্ধু ইসরায়েলের হয়ে বাইডেন তাঁর শাসনকালেই শেখ মুজিবের সে দুঃসাহসের দাঁতভাঙা জবাব দিতে পেরেছেন এমন অভিমত ইতিহাস বিশ্লেষকদের।

ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের আগেই গাজায় যুদ্ধবিরতি অবশ্যই বিশ্ববাসীর জন্য একটি ভালো লক্ষণ। ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি ঘটাতে করণীয় সবকিছু তিনি করবেন এমন আভাসও মিলেছে। যে কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানো দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ-উত্তর যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ইরাক ও লিবিয়ার মতো দেশ আজ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে শ্যাম চাচার কারণে। অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানোর কু-অভ্যাসের পরিণতিতে বিশ্বশান্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণ কোনোভাবেই বিশ্ব মোড়লের জন্য মানানসই নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও তাদের সমমনারা মনেপ্রাণে চাচ্ছিলেন ট্রাম্প আবার জিতে আসুন। সেদিক থেকে তারা সফল হয়েছেন। ট্রাম্পের ছবি নিয়ে মিছিলও করেছেন তারা রাজধানীতে।

আমাদের দেশের রাজনৈতিক দল বা নেতারা আমেরিকার কাছ থেকে কে কী আশা করেন এটি তাদের নিজস্ব বিষয়। তবে তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, আমেরিকা সম্পর্কে দক্ষিণ ভিয়েতনামের পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট লুগুয়েন ভ্যান থিয়েওর সেই বহুল প্রচারিত উক্তিটি। যিনি বলেছিলেন, আমেরিকা যার বন্ধু তার আর শত্রুর দরকার হয় না।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় ছিল প্রকারান্তরে আমেরিকার পরাজয়। বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েও যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিশ্বস্ত শিষ্য পাকিস্তানের পরাজয় ঠেকাতে পারেনি। এই দুঃখ তাদের ৫৩ বছর ধরে তাড়িয়েছে। পাকিস্তানের বিশ্বস্ত বন্ধু হেনরি কিসিঞ্জার ম্ুিক্তযুদ্ধের পর বাংলাদেশ সম্পর্কে ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন তলাবিহীন ঝুড়ি। সে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, তা কোনো মার্কিন শাসকের পছন্দ হওয়ার কথা নয়। বাংলাদেশে সরকারকে উৎখাতের আন্দোলনে তারা যে নেপথ্যে থেকে ভূমিকা রেখেছে, তা একটি ওপেন সিক্রেট। সে বিবেচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শুধু নন, তাঁর ঝগড়াপ্রিয় কন্যা শেখ হাসিনার ওপরও প্রতিশোধ নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন বাইডেন।

বাংলাদেশে দীর্ঘকাল ধরে আমেরিকা ও তার সহযোগী ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা ছিলেন অপ্রকাশ্যে দেশ শাসনের অংশীদার। ইমাম প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে মার্কিন এক মহিলা রাষ্ট্রদূত বক্তব্য রাখছেন স্কার্ট পরে এমন ছবি পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছে সাড়ম্বরে। শেখ হাসিনার আমলে রাষ্ট্রদূতদের প্রভু সাজা রুদ্ধ হয়। তবে হাসিনা জমানায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয়েছে তা কূটনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থি। এক রাষ্ট্রদূতকে তাঁর সামনেই অভিহিত করা হয়েছিল কালা জাহাঙ্গীর নামে। তিনি যে বাংলা শিখেই বাংলাদেশে এসেছিলেন তা অনেকের জানা ছিল না। তাই সাফ সাফ বলেছিলেন আমি হ্যারি কে টমাস কালা জাহাঙ্গীর নই। আরেক রাষ্ট্রদূতকে কাজের মেয়ে বলে প্রকাশ্যে টিটকারি করতেন আওয়ামী নেতারা। ফলে শেখ হাসিনার শাসনের বিরুদ্ধে যারা আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন তাদের প্রতি যে ওয়াশিংটনের আশীর্বাদ ছিল তা অনুমান করতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভিয়েতনামের মুক্তিসংগ্রামের অনেক দিক থেকে মিল রয়েছে। মেকং নদীর দেশ ভিয়েতনাম ছিল ফ্রান্সের উপনিবেশ। সে দেশের স্বাধীনতার জন্য গড়ে ওঠে ভিয়েতনামের ওয়ার্কার্স পার্টি। যে পার্টির নেতৃত্বে ছিলেন হো চি মিন। ভিয়েতনামিরা যাঁকে সম্মান জানায় স্বাধীন সমাজতান্ত্রিক ভিয়েতনামের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর চাচা হো চি মিনের নেতৃত্বে ভিয়েতনামের উত্তর অংশ থেকে ফরাসিদের হটিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে গঠিত হয় স্বাধীন ভিয়েতনাম সরকার। ভিয়েতনামি মুক্তিযোদ্ধারা যখন দক্ষিণ অংশ মুক্ত করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছিল তখন এগিয়ে আসে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও তাদের মিত্ররা হো চি মিনের মুক্তিসেনাদের ঠেকাতে সৈন্য পাঠায় দক্ষিণ ভিয়েতনামে। মেকং নদীর দেশ ভিয়েতনাম সাম্রাজ্যবাদীদের থাবায় দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ভিয়েতনামের মানুষ স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসকদের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় নৃশংস জাপানি দখলদারদের বিরুদ্ধে লড়েছে তারা। ভিয়েতনামের উত্তর অংশকে মুক্ত করে ঠিক যখন দক্ষিণ অংশ মুক্ত করতে এগিয়ে যাচ্ছিল ভিয়েতনামি মুক্তিযোদ্ধারা। ঠিক এখন গণতন্ত্রের নামে মাঠে নামে আমেরিকা। দক্ষিণ ভিয়েতনাম চলে যায় আমেরিকার তাঁবেদারদের নিয়ন্ত্রণে। আমেরিকার মদতে ১৯৬৫ সালে সেনাপ্রধান জেনারেল নগুয়েন ভ্যান থিয়েও দক্ষিণ ভিয়েতনামের ক্ষমতা দখল করেন। নিজের দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার শর্তে গণতন্ত্রের সোলএজেন্ট ওয়াশিংটনের সমর্থন লাভ করেন। নগুয়েনের চেলাচামুণ্ডারা নিজেদের মা-বোন-কন্যাদের পাঠিয়ে দিত আমেরিকান সৈন্যদের ক্যাম্পে। যেমনটি করেছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগীরা। সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়ে তারা প্রভুভক্তির পরকাষ্ঠা দেখাত।

নগুয়েন ভ্যান থিয়েও ক্ষমতা হারান ১৯৭৫ সালে। ভিয়েতনামে আমেরিকা যখন নিশ্চিত হারার পথে তখন তারা সে দেশ ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করা হয় ভিয়েতনাম থেকে। সঙ্গে সঙ্গে তাসের ঘরের মতো ধসে পড়ে দক্ষিণ ভিয়েতনামের দালাল প্রেসিডেন্ট নগুয়েনভ্যান থিয়েওর প্রশাসন। নগুয়েন পালিয়ে যান বিদেশে। দুঃখ-ক্ষোভে বলেন আমেরিকা যার বন্ধু তার আর শত্রুর প্রয়োজন নেই। ইরানের শাহেন শাহ রেজা শাহ পাহলভি ইসলামি বিপ্লবে ক্ষমতা হারানোর পর বিদেশে পালিয়ে গিয়ে একই উক্তি করেছিলেন। বাংলাদেশে যারা ট্রাম্পের আগমনে উল্লাস প্রকাশ করছেন, তাদের জন্যও এটি এক মহা সতর্কবার্তা বললে ভুল হবে না। বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আশা করব, ট্রাম্প প্রশাসন অতীতের ভুল থেকে বেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি বিশ্বশান্তির জন্য অবদান রাখবে। গণতন্ত্রের প্রতি জর্জ ওয়াশিংটন ও আব্রাহাম লিংকনের দেশের অঙ্গীকারকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই। তবে সেটি যাতে অন্য দেশকে ঘায়েল করার অস্ত্র না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকা উচিত।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

এই মাত্র | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

৫৭ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?
কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি
ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল
সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?
ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস
কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬
গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টিকটককে আরো ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প
টিকটককে আরো ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে