আগামীকাল ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটে শুরু হচ্ছে জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের ৪৩তম বার্ষিক অধিবেশন ও তিন দিনব্যাপী সম্মেলন। ‘এই কথাটা ধরে রাখিস-মুক্তি তোরে পেতেই হবে’ বোধন সংগীতের মধ্য দিয়ে বিকাল ৪টায় ছায়ানট মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন সংগীতগুণী ফাহমিদা খাতুন। এবারের সম্মেলনে প্রধান অতিথি বরেণ্য শিল্পী রফিকুন নবী। উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতায় পাপিয়া সারোয়ারকে (মরণোত্তর) প্রদান করা হবে রবীন্দ্রপদক ২০২৫। এবারের আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন দেশের নানা অঞ্চলের ৫ শতাধিক শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও সংগঠক। তিন দিনের আয়োজনের প্রতিদিনের সান্ধ্য-অধিবেশনে থাকছে গুণিজনের সুবচন রবিরশ্মি, গীতি আলেখ্য, আবৃত্তি, পাঠ, নৃত্য ও গান।
অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন বিকাল ৪টায় থাকছে সেমিনার। সেমিনারের এবারের বিষয় ‘বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথ ও রবীন্দ্রনাথের বাংলাদেশ’। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন অধ্যাপক ফকরুল আলম। আলোচক থাকবেন আলম খোরশেদ ও হামীম কামরুল হক। সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সহসভাপতি মফিদুল হক। শনিবার শেষ হবে তিন দিনের এ সম্মেলন। সমাপনী আসরে বিকাল সাড়ে ৩টায় থাকছে শ্যামলীর এসওএস শিশুপল্লীতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বার্ষিক অধিবেশন উপলক্ষে প্রকাশিত হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির নানা দিক নিয়ে বিশিষ্টজনদের লেখা প্রবন্ধের সংকলন ‘সংগীত সংস্কৃতি’। প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মী জাহিদুর রহিমের স্মৃতি ধরে রাখার উদ্দেশ্যে এবারের আয়োজনে থাকছে ‘জাহিদুর রহিম স্মৃতি পুরস্কার’ প্রতিযোগিতা। গতকাল ছায়ানট মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সংশ্লিষ্টরা। এতে আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরে বক্তৃতা করেন পরিষদের সহসভাপতি ডা. সারওয়ার আলী। লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তানিয়া মান্নান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সহসভাপতি বুলবুল ইসলাম, আমিনুল হক বাবুল, লাইসা আহমদ লিসা, সম্পাদকম লীর সদস্য আবুল ফারাহ্ পলাশ, সদস্য দিলীপ দত্ত, রশীদ আল্-হেলাল, মামুনুর রশিদ প্রমুখ।