শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৫, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১২:২৯, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সংস্কারের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

এ কে এম আতিকুর রহমান
অনলাইন ভার্সন
সংস্কারের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

জানা মতে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন ও একটি সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। সংস্কারের উদ্দেশ্যে গঠিত কমিশনগুলো এরই মধ্যে তাদের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়া শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কর্তৃপক্ষ ওই সব প্রতিবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বা সুধীসমাজের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় বসবে, তাদের মতামতও নেবে। এসব প্রক্রিয়া শেষ হলে সংস্কারের প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্য নীতিমালা বা নির্দেশাবলি চূড়ান্ত করতে পারে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে উপদেষ্টামণ্ডলী।

পরবর্তী সময়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেসব নির্দেশ বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে উদ্যোগ নিতে পারে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংস্কারের ব্যাপকতা এবং বাস্তবায়নকারীদের দক্ষতা ও আন্তরিকতার ওপর নির্ভর করবে সেসব বাস্তবায়নের সময়সীমা। সামগ্রিক সংস্কারকর্ম হতে পারে একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের বিবেচনার ওপর বর্তাবে। সেই সরকারের রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনার প্রেক্ষাপটে সেসবের কিছুটা বা প্রায় সবই বদলাতে পারে।

বাংলাদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থান এবং রাজনৈতিক আচরণ পর্যবেক্ষণ করলে ন্যূনতম জ্ঞানসম্পন্ন কারো বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয় যে এ দেশে সরকারি নীতিমালা বা আইনের প্রয়োগ কতটা কঠিন এবং পক্ষপাতদুষ্ট। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভালো ভালো কথা বলার লোকের অভাব নেই, কিন্তু বাস্তবায়নের সময় সেই মানসিকতা ও সাহসী মানুষগুলোর আর দেখা পাওয়া যায় না। অনেক জনবান্ধব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, দেশের ও জনগণের কল্যাণে নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়, কিন্তু সেসব কাগজের পাতাতেই সীমাবদ্ধ থাকে, বাস্তবায়নেই দেখা যায় হাজারো বিপত্তি আর নেতিবাচক প্রবণতা। তাই সরকারকে মনে রাখতে হবে, সংস্কার নির্দেশনা প্রণয়নের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ সেসব প্রতিপালন এবং বাস্তবায়ন করা।
 
সংস্কারের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরিএদিকে রাজনীতির মাঠে সংস্কার আর নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের বক্তব্য শোনা যাচ্ছে। কেউ অত্যন্ত জরুরি ও প্রয়োজনীয় সংস্কার করেই যত দ্রুত সম্ভব সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের তাগিদ দিচ্ছেন, আবার কেউ সংস্কারকাজ সম্পন্ন করেই নির্বাচন দেওয়ার কথা বলছেন। এসব বলা হচ্ছে সংস্কারের পরিমাণ এবং ব্যপ্তি না হিসাব করেই। কারণ সংস্কারসংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো সবেমাত্র সরকারের হাতে আসা শুরু করেছে। যতটুকু আন্দাজ করা যায়, প্রতিবেদনগুলোকে চূড়ান্ত করতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর অনুমোদন সাপেক্ষে।

সে ক্ষেত্রে ওই প্রতিবেদনগুলোতে হয়তো সংযোজন বা বিয়োজন ঘটতে পারে। আর এসব করতে সরকারকে অবশ্যই সময় দিতে হবে। তারপর সেসবের বাস্তবায়নে যেতে হবে।

এখন যে প্রশ্নটি স্বাভাবিকভাবেই উত্থাপিত হতে পারে, সেটি হলো সংস্কারের জন্য গৃহীত সুপারিশমালা বাস্তবায়নের পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, নাকি সুপারিশগুলো উপদেষ্টামণ্ডলীর অনুমোদিত হওয়ার পরই নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে? অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার বাস্তবায়ন করতে গেলে যে সময় লাগবে, তা দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মত না হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। অন্যদিকে সুপারিশমালা এই সরকারের অনুমোদনের পর বাস্তবায়ন শুরু করা এবং একই সঙ্গে নির্বাচনের আয়োজন করা হতে পারে। সেটি হলে নির্বাচিত সরকার যে ওই সব সংস্কার কর্মসূচির বাস্তবায়ন চলমান রাখবে, সেই নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। এমনও হতে পারে যে নির্বাচিত সরকার কোনো সংস্কারের প্রয়োজনই মনে করল না বা আংশিক করল বা নতুন করে তাদের নিজস্ব ধারায় সংস্কারের কাজটি হাতে নিল। তবে সবই ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।          

দুই. 
অন্তর্বর্তী সরকার নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে ছয় মাস পার করেছে। এই সময়ে তারা রাষ্ট্রীয় কাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার সাধনের উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি কমিটি গঠন করেছে এবং অনেক কমিটিই তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। অর্থাৎ কাঙ্ক্ষিত সংস্কার কর্মসূচির ক্ষেত্রে সরকার অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক এবং আইন-শৃঙ্খলা ক্ষেত্রে সরকারের অর্জন কি তেমন আশা-জাগানিয়া হতে পেরেছে? শিল্প-কারখানার সামগ্রিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। স্বাভাবিক কারণেই কারখানা কর্তৃপক্ষ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি সেখানে কর্মরতরা বেকারত্বের সম্মুখীন হচ্ছেন। এতে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের, বিশেষ করে চাল, ডাল, তেল, মাছ, মাংস ইত্যাদির দাম দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত এবং দরিদ্র মানুষের ক্রয়সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে জিনিসপত্রের দাম। এদিকে মানুষের আয় বাড়ছে না, অথচ খাদ্যদ্রব্যের দাম হু হু করে বেড়েই চলেছে। নিম্ন আয়ের মানুষকে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তাদের সংসার চালানোটাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ সরকার রাজনৈতিক ইস্যুগুলোকে যেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে, সেভাবে সাধারণ মানুষের এই আর্তনাদের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছে বলে মনে হয় না। বাজার সিন্ডিকেট আর চাঁদাবাজির খপ্পর থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচানোর কি কেউ নেই? এই সিন্ডিকেট এতটাই শক্তিশালী যে সরকার উদ্যোগ নিয়েও কিছুই করতে পারছে না। তাহলে সিন্ডিকেটের হাতে শুধু জনগণই জিম্মি নয়, সরকারও কি জিম্মি হয়ে আছে? অন্যদিকে মানুষের প্রত্যাশা থাকলেও চাঁদাবাজি-কারসাজির কলাকৌশল প্রয়োগের কোনো পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না। শুধু চাঁদাবাজির হাতবদল হয়েছে। সবাই অবগত যে মূল্যস্ফীতির কারসাজিতে সিন্ডিকেটের সদস্যদের মতো এই চাঁদাবাজদের অবদানও কম নয়।  

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব মতে, জানুয়ারি মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ১০.৭২ শতাংশ হলেও গত বছরের মার্চের পর খাদ্য মূল্যস্ফীতি কখনো এক অঙ্কের ঘরে নামেনি। বলার অপেক্ষা রাখে না, খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেশি থাকায় দরিদ্র ও সীমিত আয়ের মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে খুবই কষ্টে দিনাতিপাত করছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এসব অজানা থাকার কথা নয়। কিন্তু কথাবার্তা আর আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা ছাড়া তাদের তেমন একটা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। হয়তো এমনও হতে পারে যে বাজার নিয়ন্ত্রণ যারা করছে, তাদের সরকার কিছুই শোনাতে পারছে না।

কয়েক দিন পরেই রমজান মাস শুরু হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এ মাসের জন্য ওত পেতে বসে থাকেন। সারা বছরের মুনাফা এই এক মাসের মধ্যেই পকেটে ঢোকাতে হবে। তাঁরা মানবতা বা নৈতিকতার ধার ধারেন না। বছরে এই একবারই যে ক্রেতার পকেট কাটার সুযোগ আসে, তা হাতছাড়া করা যায় না। আমি মালয়েশিয়ায় থাকাকালে দেখেছি, রমজান মাসব্যাপী সেখানে প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির ব্যাপক হারে মূল্যছাড় দেওয়া হতো, যাতে নিম্ন আয়ের মানুষের রমজান ও ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে কোনো কষ্ট না হয়। সে দেশের ব্যবসায়ীরা মনে করেন, সারা বছরই তাঁরা মুনাফা করেছেন, রোজার মাসে না হয় মুনাফা একটু কম করলেন। আমাদের দেশে এর উল্টো চিত্রই দেখা যায়। ব্যবসায়ীরা যার কাছ থেকে যতটা দাম নেওয়া যায়, তা-ই করেন। এ ক্ষেত্রে মানবিক মূল্যবোধ বা ব্যাবসায়িক রীতিনীতি উধাও হয়ে যায়। জানি না, আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা কবে সেই মানসিকতা অর্জনে সক্ষম হবেন। শুধু ধর্মীয় দিক থেকে নয়, মানবিক দিক থেকেও কি আমরা এ রকমটি করতে পারি না? আমি বলছি না যে অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার বা রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কম গুরুত্ব দেবে, কিন্তু মূল্যস্ফীতির ফলে যে দেশের এক বিরাট অংশের মানুষের জীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে, তাদের কথাও গুরুত্বসহকারে ভাবতে হবে। ক্ষুধায় জ্বলা এই লোকগুলো সংস্কারের চেয়ে পেটের কথাই বেশি ভাবে, ভাবতে হয়।     

খাদ্য মূল্যস্ফীতির পর জনগণকে যে ইস্যুগুলোর জন্য দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, তার মধ্যে রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জনসেবা প্রদানকারী দপ্তরগুলোতে দুর্নীতির সরব উপস্থিতি। অস্বীকার করার উপায় নেই যে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যথেষ্ট অবনতি ঘটায় সর্বস্তরের মানুষই এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে। যদিও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা উত্তরোত্তর উন্নতির দিকে যাচ্ছে, কিন্তু এখনো ঘরবাড়িতে বা রাস্তাঘাটে ছিনতাই ও চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশ দায়িত্বে ফিরে এলেও বোধ হয় তাদের ভেতরকার আতঙ্কভাব এখনো সম্পূর্ণ কাটেনি, জনগণের আস্থা অর্জনে ঘাটতি রয়েছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তাদের কঠোর হতে হবে, মানসিকভাবে শক্ত অবস্থানে ফিরে আসতে হবে। একমাত্র তাদের সক্রিয় ভূমিকাই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করতে পারে।

হাটবাজারে চলমান চাঁদাবাজির মতোই জনসেবা প্রদানকারী সরকারি দপ্তরগুলোতে দুর্নীতি চলমান। গত বছর দেশের রাজনৈটিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। অন্যান্য ক্ষেত্রে যেমন পরিবর্তন জনগণ আশা করছিল, তেমনি অফিস-আদালতে ঘুষ লেনদেনেরও সমাপ্তি ঘটবে বলে তাদের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তবে কোনো ব্যতিক্রম লক্ষ করা যায়নি। সেবাপ্রত্যাশী জনগণকে যেকোনো কাজের জন্য গেলেই তা করাতে হয় অর্থের বিনিময়ে। ঘুষ না দিয়ে কোনো কাজ কেউ করিয়ে আনতে পারে কি না সন্দেহ। ঘুষখোরদের স্বভাব আর দুর্নীতির অনুশীলনের মাধ্যম বা প্রকৃতির হয়তো কিছুটা বদল ঘটেছে, কিন্তু দুর্নীতির ব্যাপ্তি কমা তো দূরের কথা, আরো ব্যাপকতা পেয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের বদল করলে কী লাভ হবে জানি না, মূলত বদল করতে হবে তাঁদের মানসিকতা ও নৈতিকতার। সততা ও মানবিকতা ধারণ করা সেবা প্রদানকারী হয়ে উঠতে না পারলে সরকারি দপ্তর থেকে দুর্নীতি কোনো দিন উচ্ছেদ করা সম্ভব হবে না, আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে দুর্নীতিবাজরা বেরিয়েই যাবে। জানি না, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এ ক্ষেত্রে কোনো কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনতে চেষ্টা করবে কি না। যা হোক, চলমান সংস্কার কর্মপ্রক্রিয়ার পাশাপাশি সরকার যেন এ দেশের সাধারণ মানুষের ভোগান্তির ক্ষেত্রগুলোতেও জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণপূর্বক তাদের কষ্ট লাঘব করতে সচেষ্ট হয়—সে প্রত্যাশাই রইল।

লেখক : সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সচিব

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৩৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা