শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫৪, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫

শবে মেরাজে যা কিছু দেখেছেন মহানবী (সা.)

মুফতি এ এইচ এম আবুল কালাম আযাদ
অনলাইন ভার্সন
শবে মেরাজে যা কিছু দেখেছেন মহানবী (সা.)

মেরাজ শব্দের অর্থ হলো ঊর্ধ্বগমন। শবেমেরাজ মানে ঊর্ধ্বগমনের রাত। শব শব্দটি ফারসি, যার অর্থ রাত। আরবিতে বলা হয় লাইলাতুল মেরাজ।

মেরাজের রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) দেখতে পেলেন আদম (আ.)-কে ঘিরে আছে অনেক লোক। তিনি ডানে তাকালে হাসছেন আর বাঁ তাকালে কাঁদছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) এ সম্পর্কে জানতে চাইলে, বলা হলো—এরা সবাই আদমের বংশধর। আদম (আ.) তাঁর নেক বংশধরদের দেখলে হাসতেন আর অসৎ বংশধরদের দেখলে কাঁদতেন। এরপর নবী (সা.)-কে বিস্তারিত দেখার জন্য সুযোগ করে দেওয়া হয়।
১. এক স্থানে তিনি দেখলেন কিছু লোক ফসল কাটছে, যত কাটছে ততই বাড়ছে। মহানবী (সা.) জিবরাইল (আ.)-কে প্রশ্ন করলেন—ভাই, এরা কারা? এ প্রশ্নের জবাবে জিবরাইল (আ.) বলেন, এরা আল্লাহর পথে জিহাদকারী।

২. এরপর দেখলেন কিছু লোকের মাথা পাথর মেরে চূর্ণ করা হচ্ছে।

এদের পরিচয় সম্পর্কে বলা হল এরা ওই সব লোক, যাদের অনীহা ও অসন্তোষ তাদের নামাজের জন্য উঠতে দিত না।
৩. এরপর তিনি এমন কিছু লোক দেখতে পেলেন, যাদের কাপড়ের আগে-পিছে তালি দেওয়া। আর তারা পশুর মতো ঘাস খাচ্ছে। এদের পরিচয় সম্পর্কে বলা হলো, এরা তাদের সম্পদের জাকাত আদায় করত না, দান-খয়রাতও করত না।

৪. এরপর তিনি এমন একজন লোক দেখলেন, যে ব্যক্তি কাঠ জমা করে বোঝা হিসেবে ওঠানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও আরো বেশি কাঠ তার বোঝার সঙ্গে যোগ করছে।

এই লোকটির পরিচয় জানতে চেয়ে উত্তর পেলেন, এ ব্যক্তির ওপর এত বেশি দায়িত্বের বোঝা ছিল যে সে বহন করতে পারত না। তা সত্ত্বেও বোঝা কমানোর পরিবর্তে আরো অতিরিক্ত দায়িত্বের বোঝা নিজের কাঁধে চাপিয়ে নিত।
৫. এর পরের দৃশ্যে তিনি দেখলেন, কিছু লোকের ঠোঁট ও জিহ্বা কাঁচি দিয়ে কাটা হচ্ছে। এদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে বলা হলো, এরা ছিল কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তা। মুখে যা আসত তাই বলত। এই সমাজে ফিতনা সৃষ্টি করত।

৬. তারপর এক স্থানে একটি পাথর দেখা গেল, যার মধ্যে ছিল সামান্য ফাটল। তার মধ্য থেকে একটা মোটাসোটা বলদ বেরিয়ে এলো। পরে এর মধ্যে ঢুকতে চেয়ে পারল না। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বলা হলো, এটা হলো এমন দায়িত্বহীন ব্যক্তির দৃষ্টান্ত যে ফিতনা সৃষ্টি করার মতো উক্তি করে লজ্জিত হয়ে প্রতিকার করতে চায়, কিন্তু পারে না।

৭. এক স্থানে রাসুলুল্লাহ (সা.) দেখলেন, কিছু লোক তাদের নিজেদের গোশত কেটে কেটে খাচ্ছে। তাদের পরিচয় বলা হলো, এরা অন্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা দোষারোপ ও কটূক্তি করত।

৮. তাদের পাশেই এমন কিছু লোক ছিল, যাদের হাতে নখ ছিল তামার তৈরি, তা দিয়ে তারা তাদের মুখ ও বুক আঁচড়াচ্ছিল। এদের পরিচয় সম্পর্কে বলা হলো, এরা মানুষের অসাক্ষাতে তাদের নিন্দা চর্চা করত। তাদের সম্মানে আঘাত করত।

৯. কিছু লোকের ঠোঁট দেখা গেল উঠের ঠোঁটের মতো এবং তারা আগুন খাচ্ছে। তাদের সম্পর্কে বলা হলো, এরা এতিমের সম্পদ ভক্ষণ করত।

১০. এরপর রাসুলুল্লাহ (সা.) এমন কিছু লোক দেখতে পেলেন, যাদের পেট ছিল অসম্ভব বড় এবং বিষাক্ত সাপে পরিপূর্ণ। লোকজন তাদের দলিত-মথিত করে তাদের ওপর দিয়ে যাতায়াত করছে; কিন্তু তারা কিছু করতে পারছে না। এদের পরিচয় সম্পর্কে বলা হলো এরা ছিল সুদখোর।

১১. এরপর আল্লাহর নবী এমন কিছু লোক দেখলেন, যাদের একদিকে রাখা ছিল ভালো গোশত। অন্যদিকে রাখা ছিল পচা দুর্গন্ধযুক্ত গোশত। তারা ভালো গোশত রেখে পচা গোশত খাচ্ছিল। তাদের পরিচয়ে বলা হলো, এরা ছিল এমন লোক, যারা নিজেদের হালাল স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে যৌন বাসনা চরিতার্থ করত।

১২. সেই সঙ্গে এমন কিছু স্ত্রীলোক দেখলেন যারা তাদের স্তনের সাহায্যে লটকে ছিল। তাদের সম্পর্কে বলা হলো যে এরা ছিল এমন স্ত্রীলোক, যারা তাদের স্বামীর ঔরসজাত নয়—এমন সন্তানকেও স্বামীর ঔরসজাত হিসেবে দাবি করত।

এসব দৃশ্য পর্যবেক্ষণকালে নবী (সা.)-এর সাক্ষাৎ হয় এমন এক ফেরেশতার সঙ্গে যাকে রুক্ষ ও কাটখোট্টা মেজাজের মনে হচ্ছিল। নবী (সা.) জিবরাইল (আ.)-কে জিজ্ঞেস করলেন এতক্ষণ যত ফেরেশতার সঙ্গে দেখা হলো সবাইকে তো খোশমেজাজে দেখলাম। ইনি এমন কেন? জিবরাইল (আ.) বলেন এর হাসিখুশির কোনো কারবার নেই। এ যে জাহান্নামের দারোগা। এ কথা শুনে আল্লাহর রাসুলুল্লাহ (সা.) জাহান্নাম দেখতে চাইলেন, তাত্ক্ষণিকভাবে তার দৃষ্টির পথ থেকে পর্দা উঠিয়ে দেওয়া হলো এবং জাহান্নাম তার ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হলো।

 

সপ্ত আসমান অতিক্রম করে আরশে আজিম সফর

প্রথম আসমানে আদম (আ.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। আদম (আ.) নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে সাদর অভ্যর্থনা জানান। এ সময় গোটা নভোমণ্ডল থেকে ধ্বনি ওঠে মারহাবা, মারহাবা। এ স্তর পার হয়ে তিনি দ্বিতীয় আসমানে পৌঁছলেন। এখানে পরিচয় হলো ইয়াহইয়া (আ.) ও ঈসা (আ.)-এর সঙ্গে। তৃতীয় আসমানে ইউসুফ (আ.), চতুর্থ আসমানে ইদ্রিস (আ.), পঞ্চম আসমানে হারুন (আ.), ষষ্ঠ আসমানে মুসা (আ.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো। সপ্তম আসমানে পৌঁছে একটি আজিমুশান মহল  বায়তুল মামুর দেখলেন। এখানে অসংখ্য ফেরেশতা আসছিলেন-যাচ্ছিলেন। এখানে তাঁর এমন এক মহান ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো, যাঁর সঙ্গে তাঁর সাদৃশ্য ছিল। পরিচয় জানতে পারলেন ইনি হলেন ইবরাহিম (আ.)। এরপর আরো ওপরে উঠতে শুরু করলেন। উঠতে উঠতে তিনি সিদরাতুল মুনতাহা পৌঁছে গেলেন। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সিদরাতুল মুনতাহার কাছে, যার নিকট অবস্থিত বাসোদ্যান।’ (সুরা : নাজম, আয়াত : ১৪ ও ১৫)

পরে তাঁর জন্য রফরফ চলে এলো, সেখানে আরোহণ করে আরশে আজিমে রওয়ানা হলেন একাকী। তিনি ওপরে উঠতে উঠতে এত ওপরে উঠলেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘অর্থাৎ তখন সে ঊর্ধ্ব দিগন্তে। অতঃপর সে তাঁর নিকটবর্তী হলো, অতি নিকটবর্তী। ফলে তাঁদের মধ্যে দুই ধনুকের ব্যবধান রইল অথবা তারও কম।’

(সুরা : নাজম, আয়াত : ৭, ৮, ৯)

সেখানে তিনি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে আরো অনেক কথা বলার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন। যেসব কথাবার্তা হয়েছিল আল্লাহ তাআলার সঙ্গে তার দু-একটি তুলে ধরা হলো—

১. বান্দার শিরক ছাড়া অন্য যেকোনো গুনাহ মাফ করে দেওয়ার সম্ভাবনা প্রকাশ করা হয়েছে।

২. সুরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

৩. যে ব্যক্তি নেক কাজের ইচ্ছা প্রকাশ করে, তার জন্য একটি নেকি লেখা হয়। আর যখন সে বাস্তবে আমল করে তখন ১০টি নেকি লেখা হয়; কিন্তু যে ব্যক্তি পাপ কাজ করার ইচ্ছা করে তার বিরুদ্ধে কিছু লেখা হয় না। আর যখন সে তা বাস্তবে করে তখন তার জন্য একটি মাত্র পাপ লেখা হয়।

৪. প্রতিদিন ৫০ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়, যা পরে কমিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত করা হয় এবং ঘোষণা দেওয়া হয়—‘মা ইউবাদ্দালুল কাওলু লাদায়্যা ওয়ামা আনা বিজল্লামিন লিল আবিদি’ অর্থাৎ হে নবী (সা.)! আমার মহান সত্তার পক্ষ থেকে কোনো কথা পরিবর্তন করা হয় না এবং আমি আমার বান্দাদের ওপর বেশি কষ্ট দিতে চাই না। তাই আপনি এবং আপনার উম্মতকে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে পাঁচ-এর পরিবর্তে ৫০ ওয়াক্তই লেখা হবে। যেমন—মহান আল্লাহ সুরা আনআমে এ ইরশাদ করেছেন, ‘মান জাআ বিলহাসানাতি ফালাহু আশারা আমছালিহা।’

অর্থাৎ : হে নবী! যে আমার নৈকট্যের জন্য একটি নেকের কাজ করবে তার জন্য এক নেকির পরিবর্তে ১০টি নেকি লেখা হবে। (সুবহানাল্লাহ)

আল্লাহ তাআলার সঙ্গে কথাবার্তা শেষ করে বিদায় নিয়ে চলে আসেন সিদরাতুল মুনতাহায়। সিদরাতুল মুনতাহা থেকে জিবরাইল (আ.)সহ বোরাকযোগে বাইতুল মুকাদ্দাসে এলেন। তারপর আবার বোরাকে আরোহণ করে মক্কায় চলে এলেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে মেরাজ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
সর্বশেষ খবর
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

১৬ মিনিট আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

১৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

৫৭ মিনিট আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে