শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৫

আজও হয়নি অভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা

প্রফেসর মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান
প্রিন্ট ভার্সন
আজও হয়নি অভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা

‘মানুষকে শিক্ষার আলো দিতে পারলে সে নিজেই খুঁজে নেবে তাঁর বাঁচার পথ, সামনে চলার পথ, উন্নয়নের পথ’- এ কথা বিশ্বাস করতেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আর তাই তো তিনি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন শিক্ষার ওপর। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে, শিক্ষার প্রসার ও বিকাশ সাধনে শিক্ষকই যে মূল চালিকাশক্তি এই চরম সত্যটি শহীদ জিয়া ভীষণভাবে উপলব্ধি করেছিলেন আর তা করেছিলেন বলেই দেশের অধিকারবঞ্চিত ও অবহেলিত শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রদান ও মর্যাদার আসনে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। ১৯৮০ সালে তিনিই দেশের বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য সর্বপ্রথম চাকরিবিধি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেছিলেন। জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি কোষাগার থেকে বেতনের ৫০ ভাগ অর্থ প্রদান করেন।  শহীদ জিয়াই শিক্ষা ক্ষেত্রের অব্যবস্থা ও বৈষম্য দূরীকরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সেই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে গোটা শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সে সময় শহীদ জিয়ার শিক্ষককল্যাণধর্মী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় তাঁর উত্তরসূরি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষকদের অবসর সুবিধা আইন-২০০২ পাস ও বাস্তবায়ন করে এবং বেতন স্কেলের প্রারম্ভিকের শতভাগ সরকারি কোষাগার থেকে প্রদান করে শিক্ষকের অধিকার ও মর্যাদা দিয়েছেন। যা সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে গতি সঞ্চার করে। শিক্ষকের অধিকার ও মর্যাদার কথা বলতে গেলে স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের বিষয়টি সামনে আসে।

শিক্ষক মানুষ গড়ার কারিগর। শিক্ষকই মানুষকে শিক্ষিত ও দক্ষ মানবশক্তিতে রূপান্তরিত করে দেশ ও জাতি গঠনে গুরুদায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের বিষয়ে আলোকপাত করতে গেলে স্পষ্ট করে বলতে হয়, শিক্ষকতা কেবল চাকরি নয় বরং এক মহান পেশা ও ব্রত। যুগে যুগে কালে কালে তাই শিক্ষক জ্ঞানের দ্বীপশিখা জ্বেলেছেন, উজাড় করে বিলিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানের ভান্ডার। অথচ কখনো প্রশ্ন করেননি, প্রতিদানে তিনি কী পেয়েছেন?

শিক্ষার আলো জ্বেলে দেওয়ার মহতী চেতনা ও উপলব্ধি তাঁকে শিক্ষাদানের পবিত্র দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করে। তাঁর চাওয়াপাওয়া সীমিত। তিনি জানেন, তাঁর চলার পথ দুর্গম ও বিড়ম্বনাময়। তবু তিনি হৃদয়ের টানে এই সুকঠিন জীবিকার পথ বেছে নেন। এর জন্য তাঁকে সারা জীবন ত্যাগ করতে হয়, সংগ্রাম করতে হয়। তবু তিনি আদর্শচ্যুত হন না। ন্যায়নীতির প্রশ্নে তিনি কখনোই আপস করেন না। শিক্ষানিকেতন তাঁর কর্মশালা। সেখানে তিনি শিক্ষার্থীর মনন, মেধা ও প্রতিভার বিকাশ, প্রসার ও উন্নয়ন সাধনে যথার্থ ভূমিকা রাখেন। একজন আদর্শ শিক্ষক সহজ, সরল, নিরহংকার, উদার, কর্তব্যনিষ্ঠ, নিঃস্বার্থ, নির্ভীক ও প্রগতিশীল মনের অধিকারী পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব। নিজের অর্জিত জ্ঞানভান্ডারকে তিনি সমৃদ্ধতর করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করেন নিবেদিত চিত্তে। তাঁর কর্তব্যনিষ্ঠা, নিরলস পরিশ্রম, সততা ও কঠিন নিয়মশৃঙ্খলাবোধ শিক্ষার্থীদের প্রেরণার উৎস। কর্তব্যকর্ম সম্পাদনে তিনি কখনোই কোনো শৈথিল্য প্রদর্শন করেন না বা নিজের ব্যর্থতার জন্য কোনো অজুহাত সৃষ্টি করেন না। তাঁর সুদৃঢ় চারিত্রিক গ্রানাইট শিলার বেদিমূলে সস্তা জনপ্রিয়তার কোনো স্থান নেই। তাঁর পার্থিব চাহিদা সীমিত, কিন্তু জাতি গঠনে তাঁর স্বপ্ন সীমাহীন। সমাজ ও জাতির অগ্রযাত্রায়, দেশের শিক্ষা-সংস্কৃতির উন্নয়নে, দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে এবং বিশ্বের দরবারে নিজ দেশের গৌরবময় অবস্থান গড়ে তুলতে একজন আদর্শ শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। সংগত কারণেই শিক্ষকের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে তাদের অধ্যবসায়ী, পরিশ্রমী, অনুসন্ধানী ও জ্ঞানপিপাসুরূপে গড়ে তোলাই শিক্ষকদের দায়িত্ব। শিক্ষার্থীর ক্রমোন্নতির লক্ষ্যে শিক্ষক আন্তরিকতা ও একাগ্রতার মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান, অনুশীলন প্রস্তুত, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ন এবং সহপাঠক্রম পরিচালনা করেন। শিক্ষক এমন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পাঠদান করবেন যাতে শিক্ষার্থীর আর গৃহশিক্ষক বা আলাদা করে কোচিংয়ের প্রয়োজন না হয়।

মনে রাখতে হবে, শিক্ষকের নিজের আচরণ যেন তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হয়। শিক্ষককে হতে হবে গবেষণাধর্মী ও সৃষ্টিশীল। শিক্ষকের কাজের স্বাধীনতা যেন তাঁর দায়িত্ব পালনের নেতিবাচকতার নামান্তর না হয়। এখন প্রশ্ন এই মহান পেশার প্রতি দেশের শিক্ষকরা কতটা যত্নবান? কতটুকু নিষ্ঠাবান? কতটা আন্তরিক? এসব প্রশ্নের পাশাপাশি আরও প্রশ্ন আসে; যেমন শিক্ষকের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও পরিবেশ কতটুকু সহায়ক? আবার দেশের এই শ্রেষ্ঠ মানুষ-শিক্ষকরা তাঁদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা পেয়েছেন কি? পাচ্ছেন কি? পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও পরিবেশ প্রসঙ্গে নির্দ্বিধায় বলা যায়- শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে প্রচুর অসংগতি। তা ছাড়া শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ডগুলো, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্য পুস্তক বোর্ড, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি কর্তৃপক্ষের পরস্পরবিরোধী, অস্পষ্ট, জটিল ও বৈষম্যমূলক বিধিবিধান, নিয়ম নির্দেশনা ও কর্তৃপক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে প্রতিনিয়ত শিক্ষা কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তথাকথিত প্রভাবশালী, শক্তিধর ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর চাপে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অযৌক্তিক ও অন্যায় সিদ্ধান্ত দিয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশে বিঘ্ন ঘটায়। এসব ক্ষেত্রে একজন আদর্শ শিক্ষক তাঁর যথাযথ ভূমিকা পালনে কীই-বা করতে পারেন? এ কথা দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে, শিক্ষকের মান উন্নয়ন ছাড়া শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব নয়। সে জন্য প্রয়োজন প্রতিভাশালী, মেধাবী ও সৃজনশীল ব্যক্তিদের শিক্ষকতায় আকৃষ্ট করা।

শিক্ষককে জ্ঞানসমৃদ্ধ, কুশলী ও দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকতা জীবনের প্রথম থেকেই প্রয়োজনীয় শিক্ষক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষকের জন্য গবেষণাকর্মের প্রয়োজনীয় সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। তবে শিক্ষকের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্নে বলতে হয়, বিষয়টি চরমভাবে উপেক্ষিত। একটি স্বাধীন দেশের জন্য আমাদের শিক্ষকতার অবস্থা লজ্জাজনক।

এ মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা অর্জনের পর, চলমান ধারাবাহিকতায় সরকারি ও বেসরকারি দুটি ধারায় বৈষম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থা চলতে থাকে। যদিও একটি স্বাধীন দেশে কোনোক্রমেই এ ধরনের বৈষম্য থাকা উচিত নয়। তাই স্বাধীনতা লাভের পর শিক্ষক সমাজের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বৈষম্যের অবসানকল্পে শিক্ষাব্যবস্থার সব স্তর জাতীয়করণের মাধ্যমে এক ও অভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নীতিগতভাবে অঙ্গীকার করলেও আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি। অথচ শিক্ষার প্রত্যাশিত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ দূর করে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষকতা পেশা সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দাবি রাখলেও অতি দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় যে অবহেলা ও অবজ্ঞার ফলেই শিক্ষকতা পেশা ক্রমশ মেধাবীদের আকর্ষণ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। পৃথক শিক্ষা সার্ভিস কমিশন গঠন করে অভিন্ন নিয়োগ নীতিমালায় মেধাসম্পন্ন দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। আবার তেমনই সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকের বৈষম্য দূর করে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষকদের সরকারি শিক্ষকের অনুরূপ নিয়মিত বেতন-ভাতাদি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনি বা অন্য কোনো বাড়তি কাজের দ্বারা অর্থ উপার্জন করতে গিয়ে নিজ দায়িত্ব পালনে বিচ্যুত বা বাধার সম্মুখীন হতে না হয়। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় বেসরকারি শিক্ষকদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকলেও পদোন্নতির সুযোগ নেই। সৌভাগ্যবান কেউ কোনোমতে এক ধাপ এগোলেও পরবর্তী সব ধাপ বন্ধ। এর ফলে শিক্ষকদের উদ্যমহীনতায় ভুগতে হচ্ছে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার ফলে এবং কমিটি গঠনে অসংগতিপূর্ণ নীতিমালা থাকার কারণে বেসরকারি শিক্ষকের চাকরির কোনো নিরাপত্তা নেই। আবার অনেক ক্ষেত্রে পরিচালনা কমিটি রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে ‘ডোনেশনের’ নামে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে অপেক্ষাকৃত কম যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষার মান ও পরিবেশ ধ্বংসের দিকে নিয়ে চলেছে। এ প্রসঙ্গে দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটির কোনো প্রয়োজন নেই। কেননা এখন সরকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ও আংশিক ভাতা সরকারি কোষাগার থেকে প্রদান করছে। তাই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটিপ্রথা অবিলম্বে বিলুপ্ত করে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার অনুরূপ বিধিবিধান প্রবর্তন করতে হবে। শিক্ষকদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা নেই। ফলে পরিবারপরিজন নিয়ে সুন্দর মানসম্পন্ন পরিবেশে বসবাস করার বিষয়টি আজও তাদের কাছে দুঃস্বপ্ন। শিক্ষকদের নিজ কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য কোনো ব্যবস্থা আজও হয়নি এবং চিত্তবিনোদনের বিষয়টি শিক্ষকরা কল্পনাতেই আনতে পারেন না। এটা যেন তাদের জন্য বিলাসী ভাবনা! শিক্ষার উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষকের কল্যাণে শহীদ জিয়ার অবদানের জন্য তিনি এ দেশের শিক্ষক সমাজের মধ্যমণি হয়ে রয়েছেন।  তাঁর স্মৃতি অম্লান রাখতে প্রবীণ শিক্ষক নেতা, শিক্ষকবন্ধু প্রফেসর এম শরীফুল ইসলামের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০২ সালের ২৪ জানুয়ারি রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধার প্রথম চেক বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মহান নেতা শহীদ জিয়ার জন্মদিবস ১৯ জানুয়ারিকে ‘জাতীয় শিক্ষক দিবস’ পালনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। বর্ষপরিক্রমায় প্রতি বছর ১৯ জানুয়ারি জাতীয় শিক্ষক দিবস ফিরে আসে। চলে যায়। দুঃখের বিষয়, এ দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয় না। আশা করি অদূরভবিষ্যতে জাতি এই দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করবে।

লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশ অধ্যক্ষ পরিষদ এবং সাবেক ট্রেজারার, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে: দুদক চেয়ারম্যান
সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে: দুদক চেয়ারম্যান

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

মোবাইল চালাতে না দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা
মোবাইল চালাতে না দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা

১৭ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

২৪ মিনিট আগে | বাণিজ্য

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৩ এপ্রিল
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৩ এপ্রিল

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সর্ববৃহৎ সমাবেশ
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী সর্ববৃহৎ সমাবেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, আটক ২
প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৮ দিন পর আখাউড়ায় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
৮ দিন পর আখাউড়ায় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে কাজের আহ্বান উপদেষ্টার
পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে কাজের আহ্বান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে ২০ বার্মিজ গরু জব্দ
সীমান্তে বিজিবি'র অভিযানে ২০ বার্মিজ গরু জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার টোল আদায়
২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার টোল আদায়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলে ফিরতে প্রস্তুত বুমরাহ!
আইপিএলে ফিরতে প্রস্তুত বুমরাহ!

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদের লম্বা ছুটি শেষে চেনা রূপে ফিরছে রাজধানী, সড়কে যানজট
ঈদের লম্বা ছুটি শেষে চেনা রূপে ফিরছে রাজধানী, সড়কে যানজট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এফবিজেএ'র নতুন কমিটি
এফবিজেএ'র নতুন কমিটি

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সীমানা পুনর্নির্ধারণসহ নির্বাচনের সব কাজ ভালোভাবে এগোচ্ছে: সিইসি
সীমানা পুনর্নির্ধারণসহ নির্বাচনের সব কাজ ভালোভাবে এগোচ্ছে: সিইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান
দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানবপাচার রোধে বাংলাদেশ নিজ প্রতিশ্রুতিতে অটল: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
মানবপাচার রোধে বাংলাদেশ নিজ প্রতিশ্রুতিতে অটল: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় দুই কোটি ৬৬ লাখ টাকা
যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় দুই কোটি ৬৬ লাখ টাকা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সন্দেহভাজন ব্যক্তির অনুপ্রবেশের জেরে কানাডার পার্লামেন্ট লকডাউন!
সন্দেহভাজন ব্যক্তির অনুপ্রবেশের জেরে কানাডার পার্লামেন্ট লকডাউন!

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোমবার বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
সোমবার বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডায়াবেটিস রোগীদের আতঙ্ক
ডায়াবেটিস রোগীদের আতঙ্ক

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

দর্শক পেটাতে যাওয়া খুশদিলকে নিয়ে যা বলছে পিসিবি
দর্শক পেটাতে যাওয়া খুশদিলকে নিয়ে যা বলছে পিসিবি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ৩
কক্সবাজারে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাহারার প্রাচীন মমিতে মিলল ৭০০০ বছর আগের মানব ইতিহাসের সন্ধান
সাহারার প্রাচীন মমিতে মিলল ৭০০০ বছর আগের মানব ইতিহাসের সন্ধান

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

১৭ হাজার শিশুর রক্তে রঞ্জিত গাজা, অনাথ ৩৯ হাজারের বেশি
১৭ হাজার শিশুর রক্তে রঞ্জিত গাজা, অনাথ ৩৯ হাজারের বেশি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে র‌্যালি
ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে র‌্যালি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা