শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:০৪, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মপ্রচারে মুসলিম বাণিজ্যের প্রভাব

আহমাদ আরিফুল ইসলাম
অনলাইন ভার্সন
ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মপ্রচারে মুসলিম বাণিজ্যের প্রভাব

ইসলামী সভ্যতার ইতিহাসে বাণিজ্যের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যের মাধ্যমে মুসলিম বিশ্ব একদিকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করেছে, অন্যদিকে ইসলামের শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং ভাষার প্রচারও করেছে। প্রাচীনকালে মুসলমান ব্যবসায়ীরা তাঁদের সততা, বিশ্বস্ততা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে অমুসলিম সমাজের মনোযোগ আকর্ষণ করেছিলেন। এখানে ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসার এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে মুসলিম বাণিজ্যের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হলো—
 
বাণিজ্য ও ইসলামী সভ্যতা

ইসলামী শাসনের অধীনে বাণিজ্য ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও ব্যাপক।


মুসলিম শাসকরা মুক্তবাজার ব্যবস্থা ও শুল্কমুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আন্তর্দেশীয় বাণিজ্যকে সহজতর করেছেন। মধ্যযুগে মুসলিম বণিকরা ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবসা পরিচালনা করতেন। মক্কা, বাগদাদ, কায়রো, করাচি, দিল্লি এবং সমরকন্দের মতো শহরগুলো বাণিজ্য ও জ্ঞানের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছিল।
মুসলিম ও খ্রিস্টান শাসকদের মধ্যে বহু বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, এমনকি ক্রুসেডের সময়ও মুসলিম ও ইউরোপীয় ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য চালিয়ে গেছেন।

এ ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন উভয় পক্ষের জন্য উপকারী ছিল এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সাহায্য করেছিল।
 

বাণিজ্যের মাধ্যমে আরবি ভাষার প্রসার

আরবি ভাষা শুধু ধর্মীয় কারণেই নয়, বাণিজ্যের কারণে আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বিভিন্ন অঞ্চলের বণিক ও ব্যবসায়ীরা আরব ব্যবসায়ীদের সঙ্গে লেনদেন করতে গিয়ে ধীরে ধীরে আরবি ভাষা গ্রহণ করতে শুরু করেন। ফলে বহু আরবি শব্দ বিভিন্ন ভাষায় প্রবেশ করে এবং বহু জাতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে আরবি ভাষা শিখতে আগ্রহী হয়।


মধ্যযুগীয় ভূগোলবিদ ইবন হাওকাল উল্লেখ করেন, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার বেশির ভাগ মানুষের ভাষা ফারসি হলেও সেখানে আরবি ভাষার ব্যাপক ব্যবহার ছিল। তিনি আরো জানান, পাকিস্তানের মানসুরা ও মুলতানে আরবি এবং সিন্ধি ভাষার প্রচলন ছিল, যা প্রমাণ করে যে বাণিজ্যের মাধ্যমে আরবি ভাষা দক্ষিণ এশিয়ায়ও প্রভাব ফেলেছিল। (ইবন হাওকাল, সুরত আল-আর্দ)।
দক্ষিণ এশিয়ার সিন্ধু, গুজরাট ও মালাবার উপকূলে আরবি ভাষার ব্যাপক প্রভাব দেখা যায়। ১১ শতকের ভ্রমণকারী আল-বেরুনী উল্লেখ করেছেন যে ‘সিন্ধু অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা আরবি ও সংস্কৃত ভাষায় দক্ষ ছিলেন, যাতে তাঁরা আরবদের সঙ্গে বাণিজ্য করতে পারেন।’
(আল-বেরুনী, কিতাব আল-হিন্দ)।
 
ইসলামের প্রসার ও বাণিজ্যের ভূমিকা

ইসলামের ইতিহাসে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ইসলামের প্রসারে ব্যবসায়ীদের বিশেষ অবদান রয়েছে। তাঁরা শুধু ব্যবসার উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করেননি, বরং তাঁদের নৈতিকতা, আচার-ব্যবহার এবং ব্যাবসায়িক সততার কারণে বহু মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে।

ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ ইওন মেরডিন লুইস তাঁর গবেষণায় উল্লেখ করেছেন যে বাণিজ্যের সঙ্গে ইসলামের সম্পর্কই আফ্রিকার বহু জাতির ইসলাম গ্রহণের মূল কারণ। তিনি বলেন, পশ্চিম আফ্রিকায় বারবার ব্যবসায়ীদের বিশাল কাফেলা সাহারা মরুভূমির মধ্য দিয়ে যাতায়াত করত, যা ইসলাম প্রচারে সহায়ক হয়েছিল। একইভাবে, উত্তর-পূর্ব আফ্রিকায় সোমালি যাযাবর ব্যবসায়ীরা ইসলামের বার্তা বহন করেছিলেন।

মধ্য এশিয়ায় ইসলামের বিস্তারও মূলত ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেই ঘটেছে। এখানে ব্যবসার পাশাপাশি সুফি সাধক ও দাঈরা ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন, যা বহু মানুষকে ইসলাম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়ও ইসলাম প্রধানত ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেই ছড়িয়েছে। ইওন মেরডিন লুইস উল্লেখ করেন যে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় ইসলাম প্রথমে বাণিজ্যের মাধ্যমেই প্রবেশ করেছিল এবং পরে এটি রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইসলামের বিস্তারে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে আফ্রিকায়। ব্রিটিশ নৃতাত্ত্বিক ইয়ান লুইস তাঁর গবেষণায় বলেছেন, ‘ইসলামের সঙ্গে বাণিজ্যের সংযোগই আফ্রিকার বহু জনগোষ্ঠীকে মুসলমান করেছে।’ পশ্চিম আফ্রিকার মালির সম্রাট মানসা মুসার সময়ে ব্যবসায়ীরা ইসলামের প্রচারে মূল ভূমিকা পালন করেন।

ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের দক্ষিণ অংশে ইসলামের প্রচার মূলত ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে হয়েছিল। এই অঞ্চলগুলোর মানুষ মুসলিম ব্যবসায়ীদের ন্যায়পরায়ণতা ও সততায় মুগ্ধ হয়ে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছিল। ১৩ শতকের আরবি ইতিহাসবিদ ইবনে খালদুন লিখেছেন, ‘ইন্দোনেশিয়ায় ইসলামের বিস্তার বাণিজ্যের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছিল।’ (ইবন খালদুন, মুকাদ্দিমা)

বাণিজ্যের মাধ্যমে ইসলামী সংস্কৃতির বিকাশ

জ্ঞান ও শিক্ষা প্রসার : ইসলামী সভ্যতায় ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ ছিল জ্ঞানী ও সাহিত্যিক। বিখ্যাত লেখক আল-জাহিজ লিখেছেন, ‘অনেকে মনে করেন যে ব্যবসা বিদ্যার পরিপন্থী, কিন্তু ইতিহাস বলে যে ব্যবসায়ীরাই বহু জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র তৈরি করেছেন।’ (আল-জাহিজ, রিসালাহ)। মুসলিম ব্যবসায়ীরা তাঁদের আয়ের একটি বড় অংশ মসজিদ, মাদরাসা ও গ্রন্থাগার তৈরিতে ব্যয় করতেন।

বণিকদের দান-সদকা ও জনকল্যাণমূলক কাজ : বহু মুসলিম ব্যবসায়ী জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁরা হাসপাতাল, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, সেতু ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সাহায্য করতেন। ১৪ শতকের ঐতিহাসিক আল-মাকরিজি উল্লেখ করেছেন যে ‘মিসরের ব্যবসায়ীরা অসহায়দের সাহায্যের জন্য প্রচুর অর্থ দান করতেন।’ (আল-মাকরিজি, খিতাত)

ইসলামী বাণিজ্যের বিস্তার ও প্রভাব : ইসলামী বাণিজ্যের বিস্তার এতটাই গভীর ছিল যে এটি শুধু মুসলিম বিশ্বকেই নয়, বরং ইউরোপীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলেছিল। বিখ্যাত ইতিহাসবিদ উইল ডুরান্ট তাঁর বইতে উল্লেখ করেছেন, ইসলামী বাণিজ্য চীন, ভারত, পারস্য, শাম (সিরিয়া ও নিকটবর্তী এলাকা), মিসর এবং ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলকে সংযুক্ত করেছিল। এর ফলে মুসলিম বণিকরা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, স্ক্যান্ডিনেভিয়া, জার্মানি, এমনকি ফিনল্যান্ড পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলেন।

উইল ডুরান্ট আরো বলেন, ইসলামী বাণিজ্য দশম শতকে চূড়ান্ত বিকাশ লাভ করে, যখন ইউরোপ অবনতির চরম পর্যায়ে ছিল। ইসলামী সাম্রাজ্যের ব্যবসায়ীরা ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে ব্যবসা করেছিলেন এবং সেখানে ইসলামী সংস্কৃতির প্রভাব ফেলেছিলেন। এ সময় ইসলামী অর্থনীতি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে এটি ইউরোপীয় অর্থনীতিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধ্য করেছিল।

এ ছাড়া মুসলিম ব্যবসায়ীরা দাস প্রথার বিরুদ্ধে এবং দরিদ্রদের কল্যাণে কাজ করেছিলেন। তাঁরা যুদ্ধবন্দিদের মুক্ত করতে এবং অসহায়দের সহায়তা করতে অর্থ ব্যয় করতেন। তাঁদের মানবিক গুণাবলির কারণে বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁদের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়।

মুসলিম বাণিজ্য চীন, ভারত, আফ্রিকা ও ইউরোপের মধ্যে অর্থনৈতিক সংযোগ স্থাপন করে এবং মুসলিম বিশ্বে কূটনৈতিক সম্পর্ক গঠনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

মুসলিম ব্যবসায়ীদের সততা ও ন্যায়পরায়ণতা বহু জাতিকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করেছিল। আফ্রিকা, এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলিম ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ইসলাম প্রচারিত হয়েছিল।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে
মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে
মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য
মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
সর্বশেষ খবর
বাণিজ্য বর্জন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় তুরস্কে অভিনেতাসহ গ্রেফতার ১১
বাণিজ্য বর্জন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় তুরস্কে অভিনেতাসহ গ্রেফতার ১১

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিনিসিয়ুসের পেনাল্টি মিসের রাত, রিয়ালের হার
ভিনিসিয়ুসের পেনাল্টি মিসের রাত, রিয়ালের হার

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ছাড়া নির্বাচন নয়
গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ছাড়া নির্বাচন নয়

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা

৩১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

ইউরোপজুড়ে ট্রাম্প-ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, যোগ দেন প্রবাসী মার্কিন নাগরিকরাও
ইউরোপজুড়ে ট্রাম্প-ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, যোগ দেন প্রবাসী মার্কিন নাগরিকরাও

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা তৎপরতা অব্যাহত
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা তৎপরতা অব্যাহত

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

আজ থেকে ব্যাংক লেনদেন ১০-৪টা
আজ থেকে ব্যাংক লেনদেন ১০-৪টা

৪৭ মিনিট আগে | বাণিজ্য

আরও ১১ খুনের কথা স্বীকারে প্রস্তুত সেই ‘চেসবোর্ড কিলার’
আরও ১১ খুনের কথা স্বীকারে প্রস্তুত সেই ‘চেসবোর্ড কিলার’

৪৭ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লাহোরকে শিরোপা জেতাতে চান রিশাদ
লাহোরকে শিরোপা জেতাতে চান রিশাদ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

রিয়ালের সঙ্গে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হারাল বার্সা
রিয়ালের সঙ্গে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হারাল বার্সা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অঁজিকে হারিয়ে অপরাজিত চ‍্যাম্পিয়ন পিএসজি, জয়ের নায়ক দুয়ে
অঁজিকে হারিয়ে অপরাজিত চ‍্যাম্পিয়ন পিএসজি, জয়ের নায়ক দুয়ে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেহেরপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩
মেহেরপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে বড় পতন
মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে বড় পতন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে
মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য
মুমিনজীবনের প্রকৃত সাফল্য

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম