শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:২৭, শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

উদ্বিগ্ন মানুষ বিব্রত সরকার

♦ পুলিশের ওপর একের পর এক হামলা ♦ কাজে আসছে না ঘুরে দাঁড়ানোর উদ্যোগ
সাখাওয়াত কাওসার
প্রিন্ট ভার্সন
উদ্বিগ্ন মানুষ বিব্রত সরকার

পুলিশকে ঘুরে দাঁড়ানোর নানা উদ্যোগও যেন কাজে আসছে না। উল্টো একটি মহল বারবার চড়াও হচ্ছে খোদ পুলিশের ওপর। নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে পুলিশকে এখনো ফ্যাসিস্ট কিংবা স্বৈরাচারের দোসর তকমা দিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, থানা কমপ্লেক্সে ঢুকে এখনো দুর্বৃত্তরা হামলে পড়ছে পুলিশ সদস্যদের ওপর। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিটি ঘটনায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা স্পষ্ট। একই সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা এখনো সমাজের সচেতন মানুষের সহায়তা নিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। এর সুযোগ নিচ্ছে দেশিবিদেশি অপশক্তি এবং দুর্বৃত্তরা।

অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুলিশকে সক্রিয় হতে না দিলে এর মাশুল দিতে হবে দেশের নাগরিকদেরই। আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতেই থাকবে। নিরাপত্তাহীনতা নিত্যসঙ্গী হবে ঘরে কিংবা বাইরে। তাই সাধারণ মানুষের উচিত হবে পুলিশকে সহায়তা করা। অন্যদিকে, পুলিশের উচিত হবে আগাম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া। গোয়েন্দা তথ্যের ব্যর্থতার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং কর্মকর্তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

গত সোমবার রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর পল্লবী থানায় ঢুকে আবদুুর রাজ্জাক ফাহিম নামে এক যুবক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলামসহ তিন পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা করেন। এক পর্যায়ে থানার অন্য পুলিশ সদস্যরা ফাহিমসহ তার সঙ্গী তিনজনকে পাকড়াও করেন। ওই ঘটনাটি পুলিশ সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন ইউনিটে ছড়িয়ে পড়লে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় পুলিশ সদস্যদের মাঝে। এর আগে ৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় তিন ছাত্র আটকের প্রতিবাদে থানায় ঢুকে পুলিশকে মারধরের ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ পুলিশ প্রশাসন।

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক আশরাফুল হুদা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময় আরও বাজে হওয়ার কথা ছিল। কারণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এমনটা হয়েছে। চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়া পুলিশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এজন্য পুলিশকে উৎসাহ দিতে হবে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের সচেতন মানুষকে পুলিশিংয়ে সম্পৃক্ত করা উচিত। একই সঙ্গে কী কী কারণে পুলিশ যথাযথভাবে সাড়া দিতে পারছে না, তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে কর্তৃপক্ষকে। তিনি আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উচিত হবে তার অধস্তনদের উজ্জীবিত করার জন্য দিনে একবার কথা বলা। মাঝে মাঝেই মাঠ পর্যায়ে গিয়ে তাদের সঙ্গে সময় দেওয়া। এটা সম্ভব না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ সামনে আরও অনেক সমস্যার উদ্ভব হতে পারে। সবকিছু মাথায় রেখেই সরকারের উচিত ব্যবস্থা নেওয়া।

গত মঙ্গলবার ধর্ষণবিরোধী পদযাত্রার ব্যানারে অংশগ্রহণকারীরা শুরুতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও করার জন্য যাত্রা করে। এক পর্যায়ে তারা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে টার্ন নিলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয় দুই পক্ষের মাঝে। এক পর্যায়ে পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা এগিয়ে যেতে থাকে। তাতেও বাধা দিলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। কর্তব্যরত এক কর্মকর্তার গায়ের পোশাক ছিঁড়ে ফেললে তিনিও আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হন। ওই ঘটনার নানা চিত্র সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পক্ষে বিপক্ষে নানা মন্তব্য আসতে থাকে। বিভিন্ন মিডিয়ায় শুরু হয় নানামুখী শোরগোল।

এদিকে সাম্প্রতিক অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়াতে নানা পরামর্শ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মুসতাসীম তানজীর। তিনি বলেন, মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ঘেরাও করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার যে ঘটনা ঘটে সেখানে আইনের দৃষ্টিতে কয়েকটি গুরুতর অপরাধ দেখা যায়। প্রথমত সেখানে দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশ হয়েছিল, যার সংজ্ঞা ও শাস্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে, পাঁচ বা ততোধিকসংখ্যক লোক যদি কোনো সাধারণ উদ্দেশ্য নিয়ে এমনভাবে মিলিত হয় যেখানে বলপ্রয়োগ বা আইন অমান্য করার উদ্দেশ্যে কাজ করা হবে, তবে সেটি বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে, যার শাস্তি সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদ ও জরিমানা। তবে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার-এর নির্বাহী পরিচালক নাসির উদ্দীন এলান বলেন, পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে পুলিশ বাহিনী একেবারে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পরে পুলিশের ভূমিকা শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ফের এ বাহিনীকে স্বাভাবিক অবস্থায় আনার চেষ্টা করছে। কিন্তু ফ্যাসিস্টদের সহযোগীরা নানাভাবে কাজে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শুরু করেছে নানা ষড়যন্ত্র। নানা সময়ই পুলিশকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে। কারণ পরাজিত শক্তির কাছে রয়েছে বিপুল অর্থ এবং দুষ্কর্ম করার লোকবল। তারা মনস্তাত্ত্বিকভাবে দুর্বল এ বাহিনীর সদস্যদের নানা ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কর্তব্যরত পুলিশের ওপর হামলা, তার পোশাক ছিঁড়ে ফেলা সত্যি অনাকাঙ্ক্ষিত। সমাজের নানা স্তরের সচেতন মানুষকে পুলিশিংয়ে সম্পৃক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে আরও তৎপর হতে হবে। আগাম তথ্য দিয়ে সরকারকে সহায়তা করতে হবে। ব্যর্থ হলে তাদেরও জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। মনে রাখতে হবে অন্তর্বর্তী সরকার যে কোনো রাজনৈতিক সরকারের চেয়েও শক্তিশালী।

তবে ভিন্ন কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ তৌহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, দাবি আদায়ের জন্য রাস্তায় নামানোর সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এজন্য রাষ্ট্রের কাঠামোগত উদ্যোগ অপরিহার্য। তার মাধ্যমে সরকার নিশ্চিত হবে কী কী পরিবর্তন, পরিমার্জন প্রয়োজন। আগাম গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ আগেই অবগত হয়ে সে অনুসারে ব্যবস্থা নেবে। তিনি আরও বলেন, গণ অভ্যুত্থানের পর পুলিশ বড় ধরনের ঝাঁকি খেয়েছে। এর পরও পুলিশ ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। কারণ পুলিশ ছাড়া তো আমাদের চলেও না। কিন্তু সাধারণ মানুষেরও আইন না মানার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যদিও অতীতে পুলিশের বিরুদ্ধে এমন অজস্র অভিযোগ ছিল। কিন্তু পুলিশের ওপর ক্রমাগত আক্রমণ হলে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হলে তা জাতির জন্যই অশনিসংকেত।

আমাদের ওপর আক্রমণ করবেন না : পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম সমাজের সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা পুলিশকে সহায়তা করুন। কাজের পরিবেশ তৈরি করুন, পুলিশকে প্রতিপক্ষ ভাববেন না। আমাদের ওপর আক্রমণ করবেন না। আইন ও সংবিধানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন। দেশ গঠনে, আমাদের দেশের সেবা করার সুযোগ দিন।

গতকাল সকালে গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২-এর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত শিল্পপুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা শেষে সাংবাদিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে শিল্পপুলিশ সদস্যদের অংশগ্রহণে বিশেষ কল্যাণ সভায় অংশ নেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজি) মো. ছিবগাত উল্লাহ। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এ কে এম আওলাদ হোসেন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল করিম খান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের ডিআইজি ইসরাইল হাওলাদার, ডিআইজি আবু কালাম সিদ্দিক, গাজীপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম, বিজিএমইএর প্রশাসক মো. আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

আইজিপি বাহারুল আলম শিল্প খাতসংশ্লিষ্ট ও শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা কোনো গুজবে কান দেবেন না। নিজ কর্মস্থলের ক্ষতি করবেন না। ভাঙচুর করে নিজেদের প্রিয় কর্মস্থলের কোনো ধরনের ক্ষতি হতে দেবেন না। আমরা দেখেছি গুজব ছড়ানোর কারণে অনিয়মতান্ত্রিক ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালানো হয়। যদি এ রকম গুজব ছড়িয়ে ভাঙচুর চালানো হয় তাহলে আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে যারা এ রকম ধ্বংস করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব। কোনোভাবেই রাস্তা অবরোধের মতো জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী কোনো কাজ করা যাবে না।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা