শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৬ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০১:৪৪, বৃহস্পতিবার, ০৬ মার্চ, ২০২৫

ট্রাম্পের ১০০ মিনিটের ভাষণ

উঠে এলো ইউক্রেন-রাশিয়া শুল্কনীতিসহ নানা বিষয়
লাবলু আনসার, যুক্তরাষ্ট্র
প্রিন্ট ভার্সন
ট্রাম্পের ১০০ মিনিটের ভাষণ

কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দীর্ঘ সময় বক্তব্যে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৪ মার্চ রাতে ক্যাপিটল হিলে ডেমোক্র্যাটদের নীরবতা আর রিপাবলিকানদের বিপুল করতালির মধ্যে টানা ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ সময় গত ৪৩ দিনে ১০০ নির্বাহী আদেশসহ ৪ শতাধিক প্রশাসনিক পদক্ষেপের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি। ইউক্রেন-রাশিয়া ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতির পাশাপাশি কানাডা, মেক্সিকো, চীন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের পণ্য আমদানিতে শুল্ক আরোপের সাফল্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি নির্মিত গাড়ি কেনার ওপর ট্যাক্স মকুফের প্রসঙ্গও উপস্থাপন করেন দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত রিপাবলিকান এ প্রেসিডেন্ট। একপর্যায়ে ডেমোক্র্যাটদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, তারা কখনো ট্রাম্পকে প্রশংসিত করতে অভ্যস্ত নন। এটা তাদের মুদ্রাদোষ কি না তা-ও জানতে চান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। অবশ্য বক্তব্যের সময় গণতান্ত্রিক রীতি অনুযায়ী টেক্সাসের ৭৭ বছর বয়সি ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান আল গ্রিন উচ্চৈঃস্বরে প্রতিবাদ জানাতে থাকলে স্পিকারের নির্দেশে সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস এসে তাঁকে বের করে দেন। এমন ঘটনা বিরল। আর এর মধ্য দিয়েই গণতান্ত্রিক রীতি লঙ্ঘনে ট্রাম্প প্রশাসনের মনোভাবের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ ঘটে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা। চেম্বারে ডেমোক্র্যাটরা ছিলেন একেবারেই নির্লিপ্ত, নীরবতায় আচ্ছন্ন, তবে চোখে মুখে ক্ষোভ ঢেকে রাখতে পারেননি। কোনো কোনো কংগ্রেসওম্যানের হাতে ছিল সেইভ মেডিকেইড, মাস্ক স্টিলস, ফলস লেখা প্ল্যাকার্ড। ট্রাম্পের মিথ্যাচার এবং বাস্তবের সঙ্গে মিল না থাকা বক্তব্যের সময় সেগুলো আরও উঁচুতে ওঠানো হয়। মিশিগানের কংগ্রেসওম্যান রাশিদা তৈয়বের হাতে ছিল সবচেয়ে বড় একটি বোর্ড। তাতে লেখা ছিল নিজের ট্যাক্স যথাযথভাবে প্রদানের পর অন্য কিছু শুরু করুন। ট্রাম্প তাঁর ব্যবসায়িক ট্যাক্স প্রদানে শুভংকরের ফাঁকিতে লিপ্ত ছিলেন, সেদিকে ইঙ্গিত করেন রাশিদা তৈয়ব। ট্রাম্পের অসংলগ্ন বক্তব্যের প্রতিবাদে ফ্লোরিডার কংগ্রেসম্যান (ডেমোক্র্যাট) ম্যাক্সওয়েল ফ্রস্ট এবং টেক্সাসের কংগ্রেসওম্যান জেসমিন ক্রকেটসহ বেশ কজন ডেমোক্র্যাট চেম্বার ত্যাগ করেন অত্যন্ত নীরবে। সিনেটে বিরোধীদলীয় নেতা সিনেটর চাক শ্যুমার এবং প্রতিনিধি পরিষদে বিরোধীদলীয় নেতা হাকিম জ্যাফরি ছিলেন ক্ষুব্ধ, তবে কোনো উচ্চবাচ্য করেননি। গতানুগতিকভাবে ট্রাম্প তাঁর বিশেষ ব্যক্তি ধনকুবের ইলন মাস্কের প্রশংসায় ছিলেন পঞ্চমুখ। বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য উদ্ঘাটনের মধ্য দিয়ে বড় অঙ্কের আর্থিক সাশ্রয় ঘটাতে সক্ষম হচ্ছেন মাস্ক, এমন অভিমতও পোষণ করেছেন ট্রাম্প। ইউএসএইডের অর্থ বন্ধের কথা বলার সময় অপ্রয়োজনে বহু দেশে বিপুল অর্থ ব্যয় বন্ধের ধারাবিবরণীতে অবশ্য এবার বাংলাদেশের সেই ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রসঙ্গ ওঠেনি। বিশ্বের অন্য সব দেশের কথা বলেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প দাবি করেন, আমরা ৪৩ দিনে যতটা অর্জনে সক্ষম হয়েছি, এর আগে কোনো প্রেসিডেন্টই তাঁর পুরো চার বছর কিংবা আট বছর মেয়াদে সক্ষম হননি। এবং এটি হচ্ছে আমাদের কেবল শুরু, উল্লেখ করেন ট্রাম্প। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনকে আর কোনো যুদ্ধসহায়তা না দেওয়ার সাময়িক সিদ্ধান্তের পরদিন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাজি হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এমনকি ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতেও সম্মত রয়েছেন জিলেনস্কি, উল্লেখ করেন ট্রাম্প। বক্তব্যের সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির একটি চিঠি পেয়েছেন তিনি আর তাতে ইউক্রেনীয় নেতা রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার টেবিলে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প ওই চিঠির লাইন উদ্ধৃত করে বলেন, দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিকটতর করতে ইউক্রেন যত দ্রুত সম্ভব আলোচনার টেবিলে ফিরতে প্রস্তুত। শান্তি ইউক্রেনীয়দের চেয়ে বেশি আর কেউ চায় না।

ট্রাম্প আরও জানান, তিনি রাশিয়ার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় আছেন আর তারা শান্তির জন্য প্রস্তুত আছে এমন জোরালো ইঙ্গিত পেয়েছেন। তিনি বলেন, এটি কি সুন্দর হবে না? এ পাগলামি বন্ধ করার সময় এখন। সময় এখন এসব হত্যাকা বন্ধ করার। সময় এখন এ অর্থহীন যুদ্ধ বন্ধ করার। যুদ্ধ বন্ধ করতে চাইলে আপনার উভয় পক্ষের সঙ্গেই কথা বলতে হবে।

 তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় এ যুদ্ধ কীভাবে শেষ করার পরিকল্পনা করেছেন তা প্রকাশ করেননি তিনি। ইউক্রেন তাদের মূল্যবান খনিজ সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। এ চুক্তিটি স্বাক্ষর করতেই শুক্রবার জেলেনস্কি ওয়াশিংটন এসেছিলেন। কিন্তু হোয়াইট হাউসের ওভাল দপ্তরে বিপর্যয়কর বৈঠকের পর খনিজ চুক্তি স্বাক্ষর করার পরিকল্পনা থমকে যায়।

এদিকে, কানাডা, মেক্সিকো এবং চীনের পণ্য আমদানিতে শুল্ক আরোপের ঘোষণার পরই অর্থাৎ নিকট ঘনিষ্ঠ মিত্র কানাডা ও মেক্সিকোর সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্টক মার্কেটে ধস নেমেছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়াও নির্মাণ প্রকল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এমনি অবস্থা সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর ভাষণে বলেছেন, আরও কটি দেশের পণ্য আমদানিতে শুল্ক আরোপের ঘটনা ঘটবে ২ এপ্রিল থেকে। কারণ, ওইসব দেশও নাকি যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানিতে বড় অঙ্কের কর ধার্য করেছে। দেশসমূহের মধ্যে ভারতও আছে বলে উল্লেখ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই যারা আমাদের পণ্য আমদানিতে চড়া শুল্ক আরোপ করেছে, তাদের পণ্যেরও শুল্ক দিতে হবে, এটা ভাইস ভারসা।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন জো বাইডেন- এমন মন্তব্য বেশ কবার করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হেনস্তার জন্য আইন-আদালত ব্যবহারেও দ্বিধা করেননি জো বাইডেন। আমি এখন তেমন অবস্থার পরিসমাপ্তি ঘটাচ্ছি। ন্যায়ের শাসনের পথে হাঁটছে তার প্রশাসন, এমন দাবিও করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দক্ষিণের সীমানা খুলে দিয়ে বিদেশিদের অবাধে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছিলেন জো বাইডেন ও কমলা প্রশাসন। এখন সেটি থামানো হয়েছে। অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারের যে অভিযান চলছে তা আরও জোরদারের জন্য কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট তাঁর বক্তব্যে। ট্রাম্প দাবি করেন, গত ৪৩ দিনে যত অবৈধকে বহিষ্কার/গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ইতঃপূর্বে আর কখনো এমন নজির নেই। ডিমের মূল্য আকাশচুম্বী হওয়ার দায়ও বর্তেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ওপর। সেই মূল্য এখন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্যহ্রাসের কোনো পরিকল্পনা তাঁর বক্তব্যে ছিল না। যদিও কানাডা, মেক্সিকো, চীনের পণ্য আমদানিতে শুল্কারোপ/শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা কার্যকর হওয়ার পরই বাজারে আগুন ধরেছে।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা