শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৮, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বেড়েছে ডাকাতি ছিনতাই খুন

অপ্রতিরোধ্য অপরাধ

নিয়ন্ত্রণে বসানো হচ্ছে আধুনিক ডিভাইস বাড়ানো হচ্ছে টহল - মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার
সাখাওয়াত কাওসার ও আলী আজম
প্রিন্ট ভার্সন
অপ্রতিরোধ্য অপরাধ

চরম নিরাপত্তা আতঙ্ক। ঘরে কিংবা বাইরে। সড়ক-মহাসড়কের পাশাপাশি বাদ থাকছে না মহল্লা-অলিগলিও। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই অসহায় মানুষের ওপর হামলে পড়ছে দুর্বৃত্তরা। অতীতে অপরাধীরা রাতে সক্রিয় হলেওৃ বর্তমানে দিনদুপুরেই তারা বেপরোয়া। সাধারণ মানুষ তাদের ভয়াল থাবা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারছে না চার দেয়ালের ভিতরে থেকেও। দুর্বৃত্তদের হামলায় ঘটছে নির্মম মৃত্যুর ঘটনা। অন্যদিকে রাস্তায় নেমে মহাসড়কে চরম নিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদ জানিয়েছেন যানবাহনের চালকেরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেশির ভাগ এলাকায় একই চেহারার অপরাধীরাই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কেবল পরিবর্তন হয়েছে তাদের পৃষ্ঠপোষক। অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে না দেখলে কোনোভাবেই অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসবে না।

গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছিনতাইয়ের দৃশ্য ভেসে বেড়াচ্ছে। ক্যাপশনে ঘটনাস্থল মগবাজার বলা হয়। বোঝা যাচ্ছিল ফ্লাইওভারের নিচে রাতের কোনো একসময়ে একটি মোটরসাইকেলে করে মাস্ক পরিহিত তিনজন যুবক এসে থামে। ঠিক কয়েক সেকেন্ড পর পেছন থেকে একটি রিকশায় করে আসছিলেন দুই যাত্রী। মুহূর্তেই তারা চাপাতি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুই যাত্রীর ওপর। প্রাণভয়ে রিকশা ফেলে দৌড় দেন চালক। যাত্রীদের কাছ থেকে সবকিছু ছিনিয়ে নিয়ে ফ্লাইওভারের নিচের ক্রসিং দিয়ে ইউটার্ন করে চলে যায় দুর্বৃত্তরা। ভাইরাল হওয়া ওই ঘটনাটির বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ঘটনাটি এক সপ্তাহ আগের ইস্কাটন জনকণ্ঠ ভবনের সামনে। এসব ঘটনা কখনোই কাম্য নয়। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। তবে অনুসন্ধান বলছে, ১৩ ফেব্রুয়ারি ইস্কাটনের দিলু রোড এলাকায় ভোর পৌনে পাঁচটার দিকের ঘটনা ছিল এটা। দুই যাত্রী রিকশায় করে কলাবাগান থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে যাচ্ছিলেন। ইতোমধ্যে সন্দেহজনক একজনকে আইনের আওতায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার মো. ইবনে মিজান।

গত সোমবার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর উত্তরায় মোটরসাইকেল ্আরোহীকে কোপানোর ঘটনার দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে সাধারণ মানুষ ভীতসস্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। নাসরিন আক্তার ইপ্তি ঢাল হয়ে মেহেবুল হাসানকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হাত থেকে বাঁচানোর দৃশ্যও অনেক প্রশংসিত হয়েছে। পরবর্তী সময়ে জানা যায়, ৭নং সেক্টরের ৯নং রোডের ১০নং বাসার সামনে কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধের প্রতিবাদ করেছিলেন মেহেবুল হাসান। বখাটে কিশোরদের বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যায় রিকশায় বাড়ি ফিরতে যাওয়া চার বছরের কিশোর ও তার বাবা-মা। যদিও পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে পরে মো. আলফাজ মিয়া ওরফে শিশির, সজীব ও মেহেদী হাসান সাইফ নামে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

এ তো গেল মাত্র দুটি ঘটনা। তবে এমন অপরাধ প্রতিনিয়ত ঘটছে রাজধানীর বাইরেও। বৃহস্পতিবার রাতে নরসিংদীর রায়পুরা নামাপাড়ায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পুলিশের ভুয়া চেকপোস্ট বসিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা দুটি মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কার ভাঙচুর এবং অস্ত্রের মুখে যাত্রী ও চালকদের জিম্মি করে মোবাইল ফোন, সোনার গয়না ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেয়। ভৈরব থানার সামনে ভুক্তভোগীদের একটি ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেন এস এম দুর্জয় নামে এক ব্যক্তি। মাত্র তিন মিনিটের ওই ভিডিওতে ডাকাতির শিকার ব্যক্তিরা তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেন। ডাকাতরা সবাই মুখোশধারী ছিল। গত বুধবার রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর আতুরার ডিপো পেঁয়াজু গলিতে মো. আকাশ নামের এক যুবককে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। ভুক্তভোগী আকাশের চিৎকারে আশপাশের দোকানদার ও পথচারীরা এগিয়ে এলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। নৃশংস এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে খবর পেয়ে পাঁচলাইশ থানার পুলিশ আসামি মো. জুলহাস ও শাহীন আলম নামের দুইজনকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ ও ঢাকার আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্ট থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ মাসে ছিনতাইকারীর হাতে নিহত হয়েছেন ১৬ জন। চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনায় কত মামলা হয়েছে তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ নিয়ে যান না। ফলে শুধু মামলার পরিসংখ্যান দিয়ে অপরাধের প্রকৃত চিত্র উঠে আসে না। গত জানুয়ারি মাসে ডিএমপির হিসাবেই উঠে এসেছে গত জানুয়ারি মাসে ৮টি ডাকাতি, ৫৪টি ছিনতাই, ৩৬টি খুন এবং ১৪৬টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। যদিও এই সংখ্যা বাস্তবের তুলনায় অনেক কম। অভিযোগ রয়েছে, ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে ভুক্তভোগীদের অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। পরবর্তী সময়ে আদালতে হাজিরা ভয়াবহ গ্লানির পর্যায়ে চলে যায়। বছরের পর বছর চলতে থাকে মামলার বিচারকাজ।

এদিকে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (অপারেশন) রেজাউল করিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর দপ্তর থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সবগুলো ইউনিটকে। বিশেষভাবে বলা হয়েছে, অপরাধীর কোনো পরিচয় বিবেচনায় না আনতে। মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনায় আমরা ইতোমধ্যে থানার ওসিকে ক্লোজড করেছি।

সোমবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ইউনিক রোড রয়েলস পরিবহনের একটি বাসে ডাকাতির ঘটনাটি বহুল আলোচিত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বাসের চালক এবং স্টাফ ডাকাতদের যোগসাজশে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। ডাকাতরা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট ছাড়াও এক নারী যাত্রীর শ্লীলতাহানি ও এক নারী যাত্রীকে বাসের পেছনের সিটে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় আদাবর থানার শেখেরটেক পিসিকালচার হাউজিংয়ের ১/১ নম্বর রোডে অস্ত্র হাতে কিশোর গ্যাংয়ের গণছিনতাইয়ের ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে মাস্ক ও গায়ে কালো পোশাক পরিহিত ৮-১০ জন কিশোরের হাতে ধারালো চাপাতিসহ দেশি অস্ত্র। তারা প্রথমেই ১ নম্বর সড়কের পাশে একটি মোটরসাইকেলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা চারজনকে টার্গেট করে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। হামলা থেকে দুজন দৌড়ে বাঁচলেও বাকি দুজনকে চাপাতির উল্টো পাশ দিয়ে মারধর করা হয়। অস্ত্রের মুখে দুজনের মোবাইল ফোন ও টাকাপয়সা কেড়ে নেওয়া হয়।

 

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপারেশন্স) এস এন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, পুলিশের নিরাপত্তা টহল নিশ্চিত করতে ডিএমপির পক্ষ থেকে অত্যাধুনিক ডিভাইস বসানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে মোটরসাইকেল টহল। অপরাধীদের বিষয়ে কোনো তদবির গ্রহণ না করতে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যাদের নাম আসছে, তাদের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক তৌহিদুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে হবে। নইলে পরিস্থিতি কখনো স্বাভাবিক হবে না। নইলে একসময় মানুষ ফ্যাসিস্টকেই ভালো বলতে শুরু করবে। শুধু চুনোপুঁটি নয়, অপরাধের নেপথ্য কুশীলবদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তবেই রাষ্ট্র-সমাজে শান্তি ফিরবে।

ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে যুবক গ্রেপ্তার : রাজধানীর পল্টনে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে মোটরসাইকেলসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তানভীর আহম্মেদ নিজাম (৩১) নামে ওই যুবকের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইলফোন জব্দ করা হয়। গতকাল বিকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব জানান। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়- তিন ছিনতাইকারী মোটরসাইকেলে করে পল্টনের ভিআইপি রোডে ছিনতাই করছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে থানার টহল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং তানভীর আহম্মেদ নিজামকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার দুই সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যান।

ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৫ : রাজধানীর পল্লবী থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশি অস্ত্র ও ককটেলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তারা হলেন- সোহেল হাওলাদার (২৯), রাজা (৩২), শাহাদাৎ হোসেন (৩৬), আবদুল মান্নান (২৯) ও সুজন (৩০)। তাদের কাছ থেকে একটি ছুরি, একটি রামদা ও চারটি ককটেল জব্দ করা হয়।

গতকাল বিকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ডাকাতি করার উদ্দেশে তারা একত্রিত হয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে পল্লবীর সেকশন-১২, ব্লক-ই, রোড-৫ এর শহীদ জিয়া কলেজের উত্তর পাশে কয়েকজন দুষ্কৃতকারী ডাকাতি করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা ৩-৪ জন দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা