শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০২:০৩, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বিশ্বনন্দিত এক মহানায়কই আজ দেশের আলোকবর্তিকা

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্বনন্দিত এক মহানায়কই আজ দেশের আলোকবর্তিকা

বিশ্বে এ মুহূর্তে সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের মধ্যে তিনি একজন। বৈশ্বিক সব সংকটের সমাধানের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন তিনি। মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এ মানুষটি বিশ্বশান্তির দূত। তিনি একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। কিন্তু অতি সাদামাটা সাধারণ তাঁর জীবন। এ মুহূর্তে বিশ্বে সবচেয়ে বিজ্ঞজন, সবচেয়ে শান্তিবাদী মানুষ হিসেবে তিনি পরিচিত। কিন্তু তিনি সব সময় নিজেকে রাখেন সংযমী, পরিমিত। ক্লান্তিহীন মানুষটির মুখে হাসি লেগে থাকে সারাক্ষণ। বিশ্বের মানুষের আশার প্রদীপ তিনি। এ মুহূর্তে বিশ্বকে বদলে দেওয়ার জন্য যে কয়েকজন ব্যক্তির দিকে বিশ্ব তাকিয়ে থাকে তাঁদের মধ্যে তিনি একজন। তার পরও তিনি নির্মোহ। এ মানুষটি শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের গর্বের প্রতীক। তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বিশ্ব যখন হিংসা, হানাহানি, দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নানা রকম সংকটে হিমশিম খাচ্ছে, সে সময় তিনি যেন আলোর মশাল জ্বালিয়ে আছেন। তিনি বিশ্বের আলোকবর্তিকা। বাংলাদেশের এক অপার সৌভাগ্য যে, এ বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব, বিশ্বের পথপ্রদর্শক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখন বাংলাদেশের হাল ধরেছেন। ৫ আগস্ট গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। এ পতনের পরপরই ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আকাক্সক্ষার প্রতীক হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৮ আগস্ট তিনি এক সংকটময়, নাজুক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের হাল ধরেছেন। ছয় মাস তিনি বিপরীত স্রোতে সাঁতার কেটেছেন। একটি লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া দেশ তিনি টেনে তোলার নিরন্তর চেষ্টা করছেন। তাঁর সঙ্গে আছে পুরো বিশ্ব। বাংলাদেশকে গত ছয় মাসে তিনি নিয়ে গেছেন অনন্য সম্মানের মর্যাদায়। প্রভাবশালী ইকোনমিস্ট পত্রিকা বাংলাদেশকে কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করেছে তাঁর জন্যই।

বিশ্ব বদলে দেওয়ার জন্য যেসব স্বপ্নদ্রষ্টা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ড. ইউনূস অন্যতম। ড. ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁর থ্রি জিরোতত্ত্ব সারা বিশ্বকে নিরাপদ, দারিদ্র্যমুক্ত এবং ঝুঁকিমুক্ত করার জন্য এখন আলোচিত। এটাই এখন বিশ্বশান্তির কার্যকর রোল মডেল। নারীর ক্ষমতায়ন, তারুণ্যের শক্তি কাজে লাগানো, দারিদ্র্যমোচন, কর্মসংস্থান, সামাজিক ব্যবসা এবং ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্বকে বদলে দেওয়ার রূপকার তিনি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বৈশ্বিক ঝুঁকি নিরসনের আন্দোলনের তিনিই পথপ্রদর্শক। দেশে দেশে তাঁর সামাজিক ব্যবসার ধারণা প্রশংসিত হচ্ছে, হচ্ছে জনপ্রিয়। বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সামাজিক ব্যবসার তত্ত্বই এখন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হিসেবে মনে করা হচ্ছে। সামাজিক ব্যবসার সম্প্রসারণ ঘটেছে বিশ্বের দেশে দেশে। আর এ রকম একজন বিরল ব্যক্তিত্ব যে বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন তা বাংলাদেশের জন্য চরম সৌভাগ্যের ব্যাপার। ড. মুহম্মদ ইউনূসের জীবন অধ্যবসায়, জ্ঞাননির্ভর। তিনি শুধু একজন পি ত নন, তাঁর জ্ঞান এবং আবিষ্কারের ব্যবহারিক প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। তিনি সারা জীবন গবেষণা করেছেন, অনুসন্ধান করেছেন, আবিষ্কার করেছেন। তার প্রয়োগ ঘটিয়ে মানুষের ভাগ্য বদল করেছেন। মেহনতি মানুষ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নের জন্য নিজের জীবন সঁপে দিয়েছেন। এখন বাংলাদেশ তাঁর অভিজ্ঞতায় সিক্ত হচ্ছে। বিশ্বের হতদরিদ্র মানুষের যেমন তিনি আলোর দিশারি, তেমন বাংলাদেশের জন্য তিনি লাইটহাউস। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অসাধারণ এ জীবন যদি আমরা বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখব, মেধাবী, অধ্যবসায় এ মানুষটি আসলে রাজনীতি না করেও মানুষের জন্য উৎসর্গীকৃত এক প্রাণ। তাঁর বেড়ে ওঠা, বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি সবই মানুষের ভাগ্যবদলের প্রেরণায় পরিচালিত। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যখন উচ্চশিক্ষার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন, তখনো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তাঁর জায়গা থেকে কাজ করেছেন, রেখেছেন বিরল অবদান। মুক্তিযুদ্ধের পর দেশে ফিরে এসে তিনি আরাম-আয়েশের জীবন ত্যাগ করে চলে যান প্রত্যন্ত গ্রামে, সেখানে তিনি দরিদ্র মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের পথ খোঁজেন। যখন তিনি খুঁজে পান পথের দিশা সেই জোবরা গ্রামে, তখন তিনি শুরু করেন ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম। এজন্য তাঁকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে এবং নানা রকম নির্যাতন-নিপীড়ন সহ্য করতে হয়েছে। কিন্তু একজন মানুষ যদি মেধাবী হন, অধ্যবসায়ী হন এবং তার লক্ষ্য যদি সততায় ভরা থাকে তাহলে সে লক্ষ্য থেকে তাকে কেউ বিচ্যুত করতে পারে না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তিল তিল করে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক গড়েছেন। একসময় এ ব্যাংক দেশের প্রান্তিক দরিদ্র মানুষের চেহারা পাল্টে দিয়েছে। হতদরিদ্র মানুষ যাদের জীবনে কোনো স্বপ্ন ছিল না, যারা দুই বেলা দুই মুঠো খেতে পারত না, তাদের তিনি স্বাবলম্বী করেছেন, আত্মনির্ভর করেছেন। ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে তারা নিজেদের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। তাদের সন্তানসন্ততিদের লেখাপড়ার সুযোগ হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংক শুধু একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প নয়, এটি সমাজ বদলে দেওয়ার এক অসাধারণ শান্তির আন্দোলন।

এ কথা তো আমরা সবাই জানি, দারিদ্র্যের কোনো দেশ নেই। দারিদ্র্যের কোনো ভাষা নেই। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাই তাঁর গ্রামীণ ব্যাংকের চিন্তাভাবনা ছড়িয়ে দিয়েছেন সারা বিশ্বে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস থেকে শুরু করে আফ্রিকা, জাপান, ইউরোপ, এমনকি ভারতেও ক্ষুদ্রঋণের বিস্তার হয়েছে। বিশ্বদারিদ্র্য বিমোচনে গ্রামীণ ব্যাংক অনন্য অনুকরণীয় মডেল। এ ক্ষুদ্রঋণের কারণেই আজ প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য বদলে গেছে। না হলে দারিদ্র্যের শৃঙ্খল থেকে বাংলাদেশের মুক্তি হতো না। এ বিশ্বে কতগুলো দুর্ভিক্ষ হতো কে জানে। আর এ কারণেই ড. মুহম্মদ ইউনূসকে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এ পুরস্কার লাভ করেন। কিন্তু এর আগেই ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বে একজন আলোচিত, প্রশংসিত এবং দৃষ্টান্তস্থাপনকারী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্ভাবনী ধারণা বাস্তবায়নের জন্য ১৯৮৪ সালে এশিয়ার নোবেল হিসেবে পরিচিত র‌্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গ্রামীণ দরিদ্র নারীদের ক্ষমতায়নে তাঁর ক্ষুদ্রঋণ মডেলের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এখানে বলে রাখা ভালো, গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পিছিয়ে পড়া নারীদের মালিকানা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে কর্মসংস্থানে নারীর অংশগ্রহণ শুধু বাড়েনি, তাদের ক্ষমতায়ন ঘটেছে এবং বাংলাদেশে নারী জাগরণের ক্ষেত্রে এক নীরব বিপ্লব করেছে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস। গ্রামীণ ব্যাংক এ দেশে নারী জাগরণের পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৭ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অবদানকে স্বীকৃতি দেয় এবং তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়। এ স্বাধীনতা পুরস্কারের মাধ্যমে ড. ইউনূস যতটা না সম্মানিত হয়েছেন, তার চেয়ে সম্মানিত হয়েছে স্বাধীনতা পুরস্কার। কিন্তু এ দেশে ঘৃণ্য রাজনৈতিক চক্রান্তে তাঁকে অপমান-অপদস্থ করা হয়েছে। দাঁড় করানো হয়েছিল খাঁচার কাঠগড়ায়।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্ব নানাভাবে মূল্যায়ন করে। বিশ্ব মানবকল্যাণে তাঁর অবদান বহুমাত্রিক। এ মুহূর্তে বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য তিনি নেশন বিল্ডার হিসেবে ভূষিত হয়েছেন। গণ অভ্যুত্থানের পর বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি এ নেশন বিল্ডার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। গত ৭ ডিসেম্বর বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার এ উপাধি দিয়েছে। নেচারের সেরা ১০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় ৭ নম্বরে রাখা হয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে। ২০২৪ সালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিত্বদের এ খেতাব দেওয়া হয়। এ নেশন বিল্ডার খেতাব নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের অর্জন। এ ছাড়া সম্প্রতি বিশ্বের প্রভাবশালী মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে জায়গা পেয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের প্রভাব ও অবদান পর্যালোচনা করে প্রকাশিত হয় দ্য মুসলিম ৫০০ : দ্য ওয়ার্ল্ডস ৫০০ মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল মুসলিমস। এ তালিকায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম আছে ৫০ নম্বরে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কর্মক্ষেত্রের মূল জায়গা মানবকল্যাণ। মানবকল্যাণের সব শাখাতেই তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি একদিকে যেমন নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারীর অধিকারের লড়াইয়ে অগ্রযোদ্ধা, অন্যদিকে তারুণ্যের জন্য পৃথিবী বিনির্মাণে তিনিই বিশ্বের প্রধান কণ্ঠস্বর। তিনি নারী জাগরণের জন্য কাজ করছেন বিশ্বজুড়ে। তিনি তারুণ্যের জয়গাথা গেয়েছেন, তারুণ্যের নেতৃত্বের কথা বলেছেন। বাংলাদেশে যার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন। তিনি তারুণ্যের শক্তিতে বিশ্বাস করেন। তরুণরাই যে বিশ্ব বদলে দিতে পারে এ ভাবনায় তিনি জাগরিত। সে ভাবনার কারণে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ক্রীড়া এবং সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছেন। আর এ কারণে তিনি স্বীকৃতিও পেয়েছেন। ক্রীড়াজগতে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতির জন্য ২০২৩ সালে ওয়ার্ল্ড ফুটবল সামিটের (ডব্লিউএফএস) আজীবন সম্মাননা পুরস্কার পান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ওই বছর ১১ ডিসেম্বর সৌদি আরবের জেদ্দায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। তারুণ্যের জয়গানের জন্যই তিনি বিশ্ব ক্রীড়ার ক্ষেত্রগুলোয় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখেন। আর বিশ্ব তাঁর প্রজ্ঞা, জ্ঞান গ্রহণ করে তাঁর অভিজ্ঞতায় সিক্ত হয়ে আলোকিত হয়, বিকশিত হয়। ২০২১ সালে অলিম্পিকে তিনি অলিম্পিক লরেল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। শিক্ষা, সংস্কৃতি, উন্নয়ন ও শান্তিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য অলিম্পিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। জাপানের রাজধানী টোকিওতে অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০২১ সালের ৯ নভেম্বর জাতিসংঘ ফাউন্ডেশনের চ্যাম্পিয়ন অব গ্লোবাল চেঞ্জ পুরস্কার পেয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নিউইয়র্কে আয়োজিত উই দ্য পিপলস অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়। আর গর্বের বিষয় হলো যৌথভাবে এ পুরস্কার পেয়েছেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. এনগোজি ওকনজো-ইওয়েইলা। বিশ্বব্যাপী ক্ষুদ্রঋণ এবং নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য ২০১৯ সালে তিনি পান গ্লোবাল উইমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড। তবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গৌরবময় যে সম্মান বয়ে নিয়ে এসেছেন সেটি ২০০৯ সালে। প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম-এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশকে অনন্য মর্যাদা এনে দিয়েছেন। আমাদের নিশ্চয়ই মনে থাকার কথা, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়েছিল তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের স্বাধীনতা মেনে নিতে চায়নি। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের পরও হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। আর সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তিনি সর্বোচ্চ সম্মান পান। এটি বাংলাদেশের জন্য একটা বিরাট অর্জন। প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডমের মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে পরিচিত করেন। এর ফলে বাংলাদেশ সম্মানিত হয়। দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রামরত একটি দেশের একজন ব্যক্তিত্বের এ বিশাল অর্জন আসলে বাংলাদেশকেই সম্মানিত করেছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর কর্মজীবনের শুরু থেকেই উদ্ভাবনী প্রাণশক্তিতে ভরপুর। সাধারণ মানুষের চিন্তার পরিধি যেখানে শেষ, সেখানেই যেন ড. ইউনূসের ভাবনা শুরু। আর এ কারণেই সারা বিশ্ব তাঁর অবদানকে একের পর এক স্বীকৃতি দিয়েছে। এসব স্বীকৃতি তাঁকে আরও প্রাণশক্তি দিয়েছে, দিয়েছে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উৎসাহ। ড. মুহাম্মদ ইউনূস যত আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও স্বীকৃতি পেয়েছেন পৃথিবীর খুব কম মানুষই এত সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। ১৯৮৯ সালে দারিদ্র্যবিমোচন এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তিনি পান আগা খান অ্যাওয়ার্ড। ১৯৯৩ সালে তিনি কেয়ার পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৯৪ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি পান বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার। যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে দেয় পিফার শান্তি পুরস্কার। ১৯৯৫ সালে সুইজারল্যান্ড তাঁকে ম্যাক্স সছমিধেইনি ফাউন্ডেশন ফ্রিডম পুরস্কার প্রদান করে। আর ১৯৯৬ সালে তিনি পান আন্তর্জাতিক সাইমন বলিভার পুরস্কার। একই বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যানডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিশিষ্ট আলামনাই হিসেবে তাঁকে পুরস্কার দেয়। ১৯৯৭ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড সম্মেলন, জুরিখে সম্মানিত হন। একই বছরে পান আন্তর্জাতিক অ্যাকটিভিটিস্ট পুরস্কার। তাঁর গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ ধারণার জন্য তিনি ১৯৯৭ সালে জার্মানির প্লানেটরি কনশিয়াশনেস বিজনেস ইনোভেশন পুরস্কার পান। নরওয়ে তাঁকে হেলপ ফর সেলফ হেলপ পুরস্কারে ভূষিত করে একই বছরে। ইতালি থেকে তিনি পান শান্তি মানব (ম্যান ফর পিস অ্যাওয়ার্ড) আর যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে দেয় বিশ্ব ফোরাম পুরস্কার।

জ্ঞান, গবেষণার ব্যবহারিক প্রয়োগ ঘটিয়ে বিশ্বকে বদলে দেওয়া মানুষেরা হন ক্ষণজন্মা। বিশ্ব ইতিহাসে এ ধরনের মানুষের সংখ্যা হাতেগোনা। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তেমনি এক ব্যক্তি। এটা বাংলাদেশের বিরল সৌভাগ্য যে, আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের নেতা তিনি। তাঁর হাতেই বাংলাদেশ বিশ্বে জায়গা করে নেবে নতুন পরিচয়ে।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা