শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫

সাক্ষাৎকার

শিক্ষা না নিলে আওয়ামী লীগের চেয়েও শোচনীয় গ্লানি

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম
শফিকুল ইসলাম সোহাগ
প্রিন্ট ভার্সন
শিক্ষা না নিলে আওয়ামী লীগের চেয়েও শোচনীয় গ্লানি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই বলেছেন, আগামীতে যে দল রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবে তারা যদি অতীত থেকে শিক্ষা না নেয় তাহলে আওয়ামী লীগের চেয়েও শোচনীয় গ্লানি বহন করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তিনটি নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষকে যেভাবে ভোটের অধিকারবঞ্চিত করেছে তাতে অন্তত আগামী তিনটি জাতীয় নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারবে না। এ ছাড়া তারা যে অপকর্ম করেছে যেমন খুন, গুম, টাকা পাচার- এই বিচারগুলো নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা জাতীয় নির্বাচনে আসতে পারবে না। গত রবিবার ইসলামী আন্দোলনের পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনি প্রস্তুতি, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ সামগ্রিক বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : দেশ কেমন চলছে বলে আপনি মনে করেন।

পীর চরমোনাই : স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর বিশ্বের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে, আমরা কোনো দিক থেকেই ভালো করতে পারিনি। স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের যে চাওয়া ছিল, বাস্তবে আমরা তা পাইনি। এর কারণ হলো, যেসব দল রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে, তারা ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থ অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে দেশটা ওভাবে উন্নয়ন হয়নি। তবে ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুথানে ৫ আগস্ট দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা লাভের পর নতুনভাবে দেশকে সাজানোর সুযোগ হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সংস্কার কার্যক্রম কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন?

পীর চরমোনাই : কমিশনগুলো যেভাবে দ্রুত ও বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজগুলো করার কথা ছিল বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি না। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন, গত ৫৩ বছর যে পদ্ধতিতে ভোট হয়েছে সবগুলোই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। ফ্যাসিবাদের ছোবল, পেশিশক্তি ও কলোটাকার দৌরাত্ম্য এসব কারণে ভালো প্রতিনিধি সংসদে পাঠানো যায়নি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের তিনটি ভোট নির্বাচনের মধ্যেই পড়ে না। দিনের ভোট রাতে, আগেই ব্যালট বাক্স ভরে রেখেছে। পৃথিবীর ৯১টি দেশের মতো পিআর পদ্ধতিতে আমরা নির্বাচন চেয়েছি। পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে বর্তমান পদ্ধতির চেয়ে অনেক ভালো নির্বাচন হবে। প্রায় সব দলই দেশ পরিচালনায় দায়িত্ব পাবে। এ পদ্ধতি দেশ ও মানবতার কল্যাণের জন্য ভালো। বিএনপি ছাড়া প্রায় সব দল এতে মত দিয়েছে। হয়তো দলীয় ও ব্যক্তিস্বার্থে বিএনপি এই পদ্ধতি গ্রহণ করতে চায় না। আগামীতে এই পদ্ধতিতে ভোট হলে হয়তো বিএনপিই সরকার গঠন করবে। কিন্তু এটা তারা চায় না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামী নির্বাচন কবে হওয়া উচিত?

পীর চরমোনাই : বর্তমান সরকারের অনেক উপদেষ্টার যোগ্যতার বিষয়ে প্রশ্ন আসছে। অনেকের বয়সের ব্যাপারেও প্রশ্ন আসছে। সংস্কারের জন্য কিছু সময় লাগবে কিন্তু সময়টা অযৌক্তিক হতে পারে না। সময়টা হতে হবে যৌক্তিক। নিয়ম ছাড়া কিছু করলে মানুষ মেনে নেবে না। দায়িত্ব গ্রহণের এক-দেড় বছরের মধ্যেই নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হওয়া প্রয়োজন। প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন নিয়ে যে ঘোষণা দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করবেন বলে আশা করছি। এর ব্যতিক্রম করলে তারা ভুল করবে। উপদেষ্টা পরিষদে এমন কেউ কেউ আছেন যাঁদের ছাত্ররা পছন্দ করেন না, তাঁদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই লোকগুলোকে আমরা পরিবর্তনের দাবি করেছিলাম। সরকার এতে গুরুত্ব দেয়নি। সংবিধান পুরোপুরি পরিবর্তন না করে ফ্যাসিস্ট সরকার সাড়ে ১৫ বছরে দলীয় স্বার্থে সংবিধানে যা পরিবর্তন এনেছে, তা বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় বিষয় সংযোজন করে সংশোধন করা যেতে পারে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামী নির্বাচন নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রস্তুতি কত দূর?

পীর চরমোনই : আমরা নির্বাচনমুখী দল। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছি। আমরা পিআর পদ্ধতিতে বেশি জোর দিচ্ছি। এ প্রক্রিয়ায় ব্যক্তি নয় দলকে ভোট দেবে জনগণ। আগের পদ্ধতিতে ভোট করে কালোটাকা পেশিশক্তিওয়ালাদের ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছাত্ররা জীবন দেয়নি। আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রক্রিয়া শুরু হলে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে হাতপাখা প্রতীকে ভোট করব। জোট করার বিষয়ে সমমনা ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছি। আলোচনা অনেকটা এগিয়েছি। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। তারাও চাচ্ছে এমনটি। বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ছাত্রদের নতুন দল গঠনকে কীভাবে দেখেন। আলোচনা রয়েছে কিংস পার্টি গঠন না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন বিলম্বিত হবে। কি মনে করেন?

পীর চরমোনাই : রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে। মানুষ দেখবে কাদের মাধ্যমে দেশ ভালো চলবে। তাদের জনগণ ভোটের মাধ্যমে বেছে নেবে। তবে তারা দল গঠন না করা পর্যন্ত নির্বাচন বিলম্বিত হবে এমন কোনো কথা আমরা সরকারের পক্ষ থেকে পাইনি। এ কথার কোনো ভিত্তি নেই।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামীতে কেমন শাসক হওয়া উচিত?

পীর চরমোনাই : আওয়ামী লীগের শাসনামল ছিল ভারতের স্বার্থে। আওয়ামী লীগ ভারতকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অপশাসনে অতীষ্ঠ হয়ে ৯০ শতাংশ মানুষ ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুথানে অংশ নিয়েছে। এ থেকে যত রাজনৈতিক দল আছে সবার শিক্ষা নেওয়া উচিত। কারণ শিক্ষা না নিলে এর চেয়ে শোচনীয় গ্লানি বহন করতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত?

পীর চরমোনাই : সরকারের উচিত ছিল ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষের আয় কীভাবে বাড়বে সেদিকে নজর দেওয়া। সেদিকে গুরুত্ব না দিয়ে নতুন করে ভ্যাট বসিয়ে দিল। এটি দেশের মানুষের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। ভ্যাট বাড়বে, ভ্যাট দিতে হবে, সব ঠিক আছে। কিন্তু মানুষের আয়ের বিষয়টিও দেখতে হবে। দেশের ব্যবসা সেক্টরগুলো অগোছালো। এখানে সিন্ডিকেট সর্বত্র। এ বিষয়গুলো বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। যেভাবে গুরুত্ব আশা করেছিলাম সেভাবে পাইনি। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের ভালো সুসম্পর্ক রাখা উচিত। নইলে দেশ চলবে কীভাবে?

বাংলাদেশ প্রতিদিন : আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যেন অংশ নিতে না পারে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে। আপনি কি মনে করেন?

পীর চরমোনাই : আওয়ামী লীগ গত তিনটি নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষকে যেভাবে ভোটের অধিকারবঞ্চিত করেছে তাতে অন্তত আগামী তিনটি জাতীয় নির্বাচনে তারা যেন অংশ নিতে না পারে। এ ছাড়া তারা যে অপকর্ম করেছে যেমন খুন, গুম, টাকা পাচার এই বিচারগুলো নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা জাতীয় নির্বাচনে আসতে পারবে না। এটা দেশের জনগণ এবং ছাত্র-জনতারও দাবি। রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য। তাদের খুন-গুমের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজনীতিতে আসতে পারবে না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবি উঠেছে। আপনি কি মনে করেন?

পীর চরমোনাই : ভারতের সঙ্গে এ নিয়ে আমাদের চুক্তি রয়েছে। অপরাধীর বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। শেখ হাসিনা দেশে এত বড় অত্যাচার, অরাজকতা করল। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত তাঁকে ফিরিয়ে না দিলে আন্তর্জাতিক আইন বা তাদের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি তা লঙ্ঘন হবে। এটা হওয়া উচিত না।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সরকারের কাছে প্রত্যাশা কী?

পীর চরমোনাই : গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করার জন্য কল্যাণময় দেশ প্রতিষ্ঠার কাজগুলো সরকারের কাছে আশা করছি। বিতর্কিত কাজ যেন তারা না করে। বর্তমান সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হলে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ব্যাহত হবে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, মৌলিক চাহিদা যেন পূরণ করতে পারে, সে প্রত্যাশা ও দাবি জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ প্রতিদিন : সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

পীর চরমোনাই : বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং আপনাকেও ধন্যবাদ।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা