শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩৬, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫

দৃশ্যত উপকার, কার্যত অন্ধকার

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
দৃশ্যত উপকার, কার্যত অন্ধকার

জন্ম ও বেড়ে ওঠা আমার যে শহরে, সেখানে রাস্তার পাশে উত্তর-দক্ষিণে প্রায় আট শ ফুট দৈর্ঘ্য ও দেড় শ ফুট প্রস্থ এক জলাশয়ে ‘মিয়া মৎস্য খামার’। গণপূর্ত বিভাগের মালিকানাধীন জলাশয়। ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করা হচ্ছে মনে করেছিলাম। ভুল। সবই ভুল। রাজনীতিক মনশাদ উল্লাহ মিয়ার নেতৃত্বে এই খামারে মাছের চাষ চলছে। ইজারা নিতে হবে কেন? প্রাদেশিক গভর্নর আবদুল মোনায়েম খান, যাকে সম্বোধন করেন ‘ছোটভাই’ তার অভিধানে ইজারা নামে কোনো শব্দ নাই।

প্রচারবিদরা বলেছেন, চার মাস অন্তর খামারের মাছ বিক্রি করা হবে। খামারে বিনিয়োগকারীরা বছরে তিনবার লভ্যাংশ পাবেন। বিশেষজ্ঞদের দিয়ে হিসাব কষা হয়েছে; ‘পাঁচ শ টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতি চার মাসে মাছ বিক্রি থেকে আসবে তিন শ টাকা অর্থাৎ বছরে বারো শ টাকা।’ প্রচারেই প্রসার। দেড় হাজার মানুষ পাঁচ শ টাকা করে জমা দিয়ে মনশাদ উল্লাহ মিয়ার ভাষায় ‘খামারের মালিক’ হয়ে গেলেন। বিনিয়োগ করা টাকার পরিমাণ সাড়ে সাত লাখ।

450ইতোমধ্যে একটা কাণ্ড ঘটে যায়। কড়া মেজাজের এক ব্যক্তি গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী পদে বদলি হয়ে এলেন। অনুমতি না নিয়ে সরকারি পুকুরে মাছ চাষ করছে এমন হিম্মত কী করে হলো? গর্জে ওঠেন তিনি। হুকুম দিলেন, ‘অনধিকার চর্চার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নাও। ডাকো পুলিশ, ধরিয়ে দাও হার্মাদগুলোকে।’ হুকুম বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সেই ফলকটি চুরমার করে দেওয়া হলো, যেই ফলকে লেখা ‘মিয়া মৎস্য খামার’।

শাসকদলীয় রাজনীতিক মনশাদের অনুরাগীদের অন্যতম হেনজু মিয়া ছুটে গিয়েছিলেন খামারে। ফলক বিচূর্ণকরণে লিপ্ত গণপূর্ত কর্মীদের সঙ্গে হেনজু মিয়ার সংলাপ বিনিময়ভিত্তিক কেচ্ছাগুলোর মধ্যে কোনটা সহি আর কোনটা কল্পনাপ্রসূত তা নির্ণয়ের উপায় ছিল না। আমাদের মহল্লার সমাজসেবক রেজাউল করিমের মুখে ঘটনাটির একটি ভাষ্য পেয়েছি। হেনজুর বৈশিষ্ট্য বিষয়ে তিনি যেসব রসালো কথ বলেছিলেন তার সারসংক্ষেপ হচ্ছে ‘হাস্যমুখে দাস্যসুখে বিনিত জোড় কর/প্রভূপদে সোহাগ মদে দোদুল কলেবর।’

‘আস্পর্ধার একটা লিমিট থাকন দরকার।’ বলেন, হেনজু মিয়া, আমনে গো নতুন সাবরে ভূতে কামড়াইছে মনে অয়। মনশাদ মিয়া সাবের হাত কত লম্বা উনি যদি জানতেন তাইলে সাইনবোর্ড ভাঙন দূর কথা। সাইনবোর্ডের ছায়ার কাছেও আমনেগোরে আসতে কইতেন না। এখন যান, ফিররা যান। খামারের অফিসঘরে শাবল চালাইয়া নিজেগো জিন্দেগি বরবাদ কইরেন না।’ গণপূর্ত কর্মীরা বলে, ‘একজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সাব পাঁচ মিনিটের মধ্যে আইসা পড়তেছেন। উনার সামনে পড়লে আমনের জিন্দেগি ফর্দাফাই হয়ে যাবে।’ হেনজু রুষ্টকণ্ঠে বলেন, ‘মনশাদ মিয়ার হাত কত লম্বা ...।’ গণপূর্ত কর্মীদের সর্দার বলেন : এইটা তো দেখি পাগলের ওস্তাদ পাটনাই ছাগল! নিজেদের গর্দান যাওয়ার জোগাড়, তারপরও মিয়ার হাত মিয়ার হাত করতাছে।

মিয়াদের হাত লম্বা হওয়াই নিয়ম। সাহেবদের হাতও লম্বা। অনেক লম্বা সেই হাত লগির উচ্চতা ধারণ করে। ডগায় থাকে আঁকশি, যা দিয়ে টান মেরে বশীভূত করতে হয়। সেই আঁকশিতে নিজেকে সমর্পিত করেছিলেন সদ্য-প্রাক্তন নির্বাহী প্রকৌশলী (একজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার)। গভর্নরের ছোট ভাইতুল্য রাজনীতিকের আনুগত্য স্বীকার করেছিলেন তিনি। তাই বলতেন, মানুষের উপকারের জন্য মাছ খামার গড়েছেন মনশাদ। সবার উচিত এই লিডারের সঙ্গে সহযোগিতা করা। রেজাউল করিমের মতো দুষ্টজনরা এই প্রস্তাবের জবাবে বলেছে, এই উপকারের ভিতরে ঘাপটি মেরে আছে অন্ধকার।

সাড়ে সাত লাখ টাকা যারা বিনিয়োগ করেছে, তারা কতটুকু উপকার পেয়েছে, তা কয়েক দিনের মধ্যে সবাই জেনে গেল। কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা এক গল্পে আছে- অনটনগ্রস্ত পরিবারের কর্তা সারা দিন বাইরে কাটিয়ে ঘরে ফিরলে রোগে কাতর শয্যাশায়ী উদ্বিগ্ন স্ত্রী বলে, টাকা এনেছ টাকা? কর্তা বলল, না। আমি তোমার জন্য একবুক হতাশা এনেছি। মিয়া মৎস্য খামারের বিনিয়োগকারীরা পেয়েছে একবুক হতাশা।

বিনিয়োগকারীদের কয়েকজন প্রতারণার মামলা ঠুকেছিলেন মনশাদ উল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে। গ্রেপ্তারও হয়েছেন। হাত লম্বা হওয়ায় জামিনে মুক্তি পেয়ে যান তিনি। সরকারি সম্পত্তি জবরদখল করে মাছের খামার করার অভিযোগে মামলার আসামি হওয়ার পর তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী বাসেতকে কত ধানে কত চাল তা বুঝিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। হুমকিটা যে কথার কথা না, তা প্রমাণের জন্য রাজধানীতে গিয়ে অনেক খরচও করেন। ফলোদয় হলো না। কিন্তু কেন?

প্রশ্নের উত্তর সন্ধানে অনেক মেহনত করেন হেনজু মিয়া। সমাজসেবক রেজাউল জানান, লম্বা হাতবিশিষ্ট মনিবের সামনে মৌখিক প্রতিবেদন পেশকালে ইঞ্জিনিয়ার সাবেতকে স্ত্রীর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার পুত্র জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা (সুমুন্দির পুত সুমুন্দি) বলে উল্লেখ করেন হেনজু। বলেন, এই জাউরার হাত আমনের হাতের তুনো লম্বা। হ্যাতার খালতো বইনের জামাই মিনিস্টার। যে সেই মিনিস্টার না। ইম্পটেন মিনিস্টার। গভর্নর পেসিডেনরেও নাকি পাত্তা দেয় না।

‘কাজেই নিরাপত্তার স্বার্থে কত ধানে কত চাল বুঝিয়ে দেওয়ার প্রোগ্রাম বাতিল করা উত্তম’ বুদ্ধি দেন হেনজু, ‘নইলে ওরকম প্রোগ্রাম আঙ্গো বিরুদ্ধে শুরু কইরা দিতে পারে।’ খাঁটি কথা বলেছেন হেনজু। শক্তের ভক্ত নরমের যম- এই প্রবচন শুধু হেনজু মিয়া নন, আমরা যারা নিজেদের মধ্যবিত্ত পংক্তির ভদ্র সন্তান বলে জাহির করি, তাদেরও মান্য নীতি। দুর্বলের বিরুদ্ধে সিংহের মতো গর্জে ওঠা আর শক্তিমানের সমর্থনে নতজানু হওয়ার ঐতিহ্য বহন করছে আমাদের সমাজ। চণ্ডশক্তির অবর্তমানে তাকে শূলে চড়ানোর অঙ্গীকার করি আমরা। আবার চণ্ডশক্তির মুখোমুখি হলে তাকে করি কুর্নিশ।

উনিশ শ একাত্তরে গণবিরোধী ভূমিকা নিয়েছিলেন মনশাদ। মুক্তিবাহিনীকে ‘মুরগি বাহিনী’ বলে গালি দিতেন। বলতেন, পাকিস্তানের সোলজার হইল গিয়া ওয়ার্ল্ডের বেস্ট সোলজার। এই সোলজারের সঙ্গে ফাইট দেওয়া মুরগি বাহিনীর কাম না। ফাইট দিতে আইলে মুরগি মুসাল্লাম হইয়া যাবে য়্যা! নভেম্বরের শুরুতে মুক্তিবাহিনী শহরের পূর্ব প্রান্তের কাছাকাছি এসে অবস্থান নেয়। প্রতিটি রাতে ওরা ফাঁকা গুলির আওয়াজ করে। ভয়ে ক্যাম্প ফেলে চম্পট দেয় রাজাকাররা। রটনা আছে, তখন পাড়াতুতো ভাতিজা মবজলের পরামর্শে গা-ঢাকা দেন মনশাদ ও তার পারিষদরা।

জানা গেছে, মবজল যার প্রকৃত নাম মোফাজ্জল হোসেন ‘পরামর্শ’ দেয়নি, ভয় দেখিয়েছে। বলেছে, চাচা এলাহি কারবার দেখলাম। রেললাইনের পূর্ব দিকে হাই স্কুল দখল কইরা ক্যাম্প বানাইছে মুক্তিবাহিনী। কয়েক হাজার মুক্তি কিলবিল করতেছিল। আমারে দেইখা পাকিস্তানি স্পাই সন্দেহ করল। কাছে ডাইকা নিয়া জিগায়, বাড়ি কই? এলাকার নাম কইলে কয়, শুয়োরের বাচ্চা মনশাইদ্দারে চিন? কইলাম, চিনুম না কেন! আমগো বাড়ির তিন বাড়ি পরই হ্যাগো বাড়ি। মনশাদ বলেন, ‘খাইছস আমারে!’

মনশাদ দ্রুত এলাকা ছাড়েন। আমরা মবজলের কাছে জানতে চেয়েছি, উনি কোথায় গেলেন? সে বলে, শুনছি ওয়ার্ল্ডের বেস্ট সোলজাররা কুমিল্লায় পলানোর সময় হ্যাগো জিপে উঠবার চেষ্টা করতেছিলেন। একটা সোলজার লাত্থি মাইরা ফালাই দিছে। পাকা রাস্তায় চিৎ হইয়া পড়ছে। মাথায় চোট খাইছে। ব্যস্ ওফাত হইয়া গেল। ভালোই হইছে। মুক্তিরা পাইলে তো গুলিতে উনারে ফালাফালা কইরা দিত। কী কন্ দিত না?

পরের ধন আপন করে নেওয়ার সফল সাধক তো শুধু মনশাদ একা নন। তস্করবৃত্তির এই লোকরা নিপুণ হাতে ফাঁদ পাতে আর শিকার করে। তারা আলো দেখায়। আশার আলো। দ্রুত লাভবান হওয়ার জন্য উতলা মানুষ ভাবে, উপকৃত হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করব কেন? কিন্তু অচিরেই তারা উপলব্ধি করে, উপকারের ছদ্মবেশে জীবনটাকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করার আয়োজন ছিল ওটা।

এ বিষয়ে সুফি সাধক ইমাম গাজ্জালি বর্ণিত গল্পটি স্মরণীয়। ফজরের আজান শোনার পর নামাজ পড়তে মসজিদে রওনা দেন ধর্মভীরু এক ব্যক্তি।  অন্ধকার থাকায় তিনি দেখতে পাননি যে বৃষ্টিতে ভিজে গেছে পথ। পিছলিয়ে কাদায় পড়ে যান তিনি। পরনের কাপড় ময়লা হয়ে গেল। নতুন পোশাক পরতে বাড়ি ফিরে গেলেন। পরিষ্কার জামাকাপড় পরে ফের তিনি রওনা দেন মসজিদে। পথিমধ্যে আবার আছাড় খেয়ে পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। নতুন কাপড় পরে আবার মসজিদমুখো হলেন সেই মুসল্লি। মসজিদের অদূরে পৌঁছতেই আছাড় খাওয়ার উপক্রম। তিনি চিৎপাত হওয়ার আগেই একটা লোক তাকে ধরে ফেলে। সেই লোকের হাতে লন্ঠন। লোকটা বলে, চলুন। আলোর পথ দেখে দেখে হাঁটুন।

‘উপকার করলে বাবা। তোমায় ধন্যবাদ।’ বলেন মুসল্লি। লোকটি বলে, ‘আমি আপনার কোনো উপকার করিনি। করেছি নিজের উপকার।’ মুসল্লি বলেন, ‘তুমি কে গো বাবা।’ লোকটা বলে, আমি ইবলিস। আপনি প্রথমবার পড়ে যেতেই আল্লাহ আপনার জীবনের সব গুনাহ মাফ করে দেন। দ্বিতীয়বার পড়ে গেলে আপনার পড়শিদের সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়। তৃতীয়বার যদি পড়ে যেতেন তাহলে আল্লাহ আপনার মহল্লার সবার গুনাহ মাফ করে দিতেন। আমার চোখের সামনে এত লোকের উপকার! তা কি আমি হতে দিতে পারি?

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

এই মাত্র | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?
কবে মাঠে ফিরছেন বুমরাহ?

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি
ফের চেন্নাইয়ের অধিনায়কত্ব সামলাতে পারেন ধোনি

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল
সদরঘাটে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?
ঐশ্বরিয়া ছেলের বউ, নিজের মেয়ে নয়; কেন বলেছিলেন জয়া বচ্চন?

৫৬ মিনিট আগে | শোবিজ

কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের ঈদ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস
কোর্তোয়ার প্রত্যাবর্তনের আশায় রিয়াল, লুনিন নিয়ে শঙ্কা কাটলেও প্রস্তুত গন্সালেস

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬
গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৬

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টিকটককে আরো ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প
টিকটককে আরো ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রীষ্মকালে খাবার গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা
গ্রীষ্মকালে খাবার গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাথাব্যথার কারণ ও প্রতিকার
মাথাব্যথার কারণ ও প্রতিকার

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোর জোড়া গোল, আল-হিলালকে হারালো আল-নাসর
রোনালদোর জোড়া গোল, আল-হিলালকে হারালো আল-নাসর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাঁটুর চোটে ১৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে স্টোন
হাঁটুর চোটে ১৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে স্টোন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

পাপুয়া নিউ গিনিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
পাপুয়া নিউ গিনিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন রাখী
২২ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন রাখী

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে