শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৬ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১০, সোমবার, ০৬ জানুয়ারি, ২০২৫

সমকালীন রাজনীতির মরণফাঁদ!

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
সমকালীন রাজনীতির মরণফাঁদ!

রাজনীতি এখন কার হাতে! একদল বলছে, জালেমদের হাতে। অন্য দলের অভিযোগ মোনাফেকের দল সবকিছু শেষ করে দিচ্ছে। এসব অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের পাশাপাশি ইদানীংকালে ক্ষুর পার্টি, রগকাটা দল, চাঁদাবাজ-দখলদার ইত্যাদি শব্দমালার সঙ্গে আন্ডাবাচ্চার দলের রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেকেই রাজনীতিকে নিচে নামাতে নামাতে অন্ধকারের গহিন অতলান্তের এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছেন যেখান থেকে আওয়ামী লীগের গত ১৫ বছরের শাসনের হিমালয়সম অভিযোগের খতিয়ান স্মরণ করা সত্যিই কষ্টকর বিষয়। উল্টো যেসব কথা শোনা যাচ্ছে তা হলো যেই লাউ, সেই কদু। আগেই ভালো ছিলাম, দেশটা কি তালেবান হয়ে যাচ্ছে ইত্যাদি-ইত্যাদি-আরও কত কী।

আজকের নিবন্ধে আমি সমসাময়িক অভিযোগ বা পাল্টা অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করব না। অর্থাৎ সাবেক জমানার চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট এখন কাদের দখলে! পরিবহন খাতে বছরে দেড় হাজার কোটি টাকার চাঁদাবাজি, ব্যাংক দখল, টিভি স্টেশন দখল, লুটপাট, গরু চুরি, ছাত্রলীগ, যুবলীগের সাম্রাজ্য দখল, মামলা-হামলা, ভিটেমাটি উচ্ছেদ নিয়ে কিছুই বলব না। অথবা বিশ বছর ধরে যারা গর্তে ছিল এবং প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার জন্য আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করত তারা- হঠাৎ আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ করার পর কীভাবে নাফরমানি-মোনাফেকি এবং খোদাদ্রোহীর মতো পাপাচারে লিপ্ত হয়ে পড়েছে তা নিয়েও কিছু বলব না। তার চেয়ে হাল আমলে যেসব শব্দ রাজনৈতিক দলগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে, সেগুলোর মধ্যে মোনাফেক ও জালেম নিয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা করে শিরোনাম প্রসঙ্গে চলে যাব।

আলোচনার শুরুতেই জালেম নিয়ে কিছু বলা যাক। জালেমির সঙ্গে জাহেল এবং জাহেলিয়াতের নিদারুণ একটি সম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ জাহেল না হলে জুলুম সম্ভব নয়। আবার জাহেলিয়াত না হলে জুলুম বা জাহেল অকার্যকর। জুলুম শব্দটি বাংলায় অতিপরিচিত শব্দ। কিন্তু জাহেল এবং জাহেলিয়াত আমাদের দেশের শব্দ নয়। এটি আরব দেশের শব্দ। আইয়ামে জাহেলিয়াত বলতে জাজিরাতুল আরবের নজদ হেজাজ, বিলাদ আশশাম, বালাদে রুম, ইয়েমেনের হাজরামৌত থেকে হাইলের বিস্তীর্ণ মরুময় অঞ্চলে যে অন্ধকারময় যুগ প্রায় একশত বছর ধরে মানুষের জীবন পশুর চেয়েও অনিরাপদ, ঘৃণিত, ঝুঁকিপূর্ণ, নির্মম-নিষ্ঠুর বিচারহীন এবং বিবেকহীন জাহান্নামে পরিণত করেছিল- সেই সময়টিকেই বোঝানো হয়।

আরবিতে আইয়াম শব্দের অর্থ যুগ বা সময় আর জাহেলিয়াতের অর্থ হলো অন্ধকারময় বা অন্ধকারাচ্ছন্ন। আল্লাহর রসুল (সা.)-এর নবুয়ত প্রাপ্তি কিংবা মদিনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ারপাল্টা অভিযোগ পূর্ববর্তী একশত বছরকে যেমন আইয়ামে জাহেলিয়াত বলা হয় তদ্রƒপ প্রায় সমসাময়িককালে বাংলাতেও আইয়ামে জাহেলিয়াত কাল ছিল ১০০ বছর ধরে। সম্রাট শশাংকের মৃত্যুর পর এই বাংলায় টানা ১০০ বছর ধরে যা চলছিল তা ইতিহাসে মাৎস্যন্যায় বলে কুখ্যাতি অর্জন করেছে। ইতিহাসের আইয়ামে জাহেলিয়াত বা মাৎস্যন্যায় যা-ই বলুন না কেন উভয় ক্ষেত্রে মানুষের মনমস্তিষ্ক সর্বদা ভয়, আতঙ্ক, সন্দেহ ও অবিশ্বাসে পূর্ণ থাকি। পছন্দ না হলে মেরে ফেলা, বড় বড় মানুষকে অপদস্থ করার জন্য বন্যপশু, প্রশিক্ষিত হিংস্র পশু অথবা ভাড়া করা পশু প্রবৃত্তির লোকজনকে লেলিয়ে দেওয়ার কাজ যখন ভালভাতের মতো হয়ে যায় তখন সেটাকে আইয়ামে জাহেলিয়াত বলা যায়।

জাহেলিয়াতের যুগেই জাহেলরা বাস করে। এরাই হিটলার এরাই আবু লাহাব কিংবা আবু জেহেল। বিচারবিবেচনাহীন মনমস্তিষ্ক, লোভলালসায় পূর্ণ চরিত্র-অভ্যাস, অত্যাচার খুনখারাবিতে সিদ্ধহস্ত অঙ্গপতঙ্গ, চুরি, ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, পাপাচার, ভ্রষ্টাচার, অন্যের লোভনীয় ধনসম্পদ, স্ত্রী-কন্যা, পদপদবি ছিনিয়ে নেওয়ার দুর্বার ক্ষমতাধর লোকজনকেই জালেম বলা হয়। আর জাহেল অর্থাৎ মূর্খ-বোধহীন-বিবেকহীন না হলে জালেম হওয়া যায় না। আর যুগটি যদি আইয়ামে জাহেলিয়াত না হয় তবে সেখানে জালেম পয়দা হয় না, জালেমের প্রজনন হয় না এবং জালেমরা টিকে থাকতে পারে না। সুতরাং যারা প্রতিপক্ষকে জালেম বলে গালি দিচ্ছেন তারা আসলে কী বোঝাতে চাচ্ছেন তা বোধ করি সম্মানিত পাঠক এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন।

হাল আমলে যারা জালেম বলে প্রতিপক্ষের রাজনীতির মতাদর্শের লোকজনকে গালি দিয়েছেন- সেই জবাবে কথিত জালেমরা পাল্টা গালি দিয়ে বলছেন ওরা মোনাফেক। এখন প্রশ্ন হলো, মোনাফেক কী এবং কারা। ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশ্লেষণ করলে আপনি কি জালেমদের নিকৃষ্ট লোক মনে করবেন নাকি মোনাফেকদের। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার উচিত মোনাফেক শব্দের প্রকৃত ব্যাখ্যা জেনে নেওয়া। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান অনুযায়ী মোনাফেক সম্পর্কে আমি যা বুঝি তা আপনাদের সদয় অবগতির জন্য নিম্নে পেশ করলাম।

মোনাফেকের কোনো বাংলা প্রতিশব্দ নেই। ইংরেজিতেও নেই বরং কোরআন নাজিল হওয়ার আগে শব্দটি আরব দেশে ছিল কি না, তা নিয়ে বহু বিতর্ক রয়েছে। মোনাফেকের দুটি নিকৃষ্ট উদাহরণ হলো আবদুল্লাহ বিন উবাই এবং ভণ্ড নবী মুসায়লামা তুল কাজ্জাব। ইসলামের ঘোরতর দুশমন যথা সায়বা-উতবা, আবু লাহাব, আবু জেহেলের মতো কাফিরকেও মোনাফেক বলে গালি দেওয়া হয়নি। আবার ইবলিশ শয়তান-দাজ্জাল-ইয়াজুজ, মাজুস অথবা আদিকালের ফেরাউন হামান-কারুন প্রমুখকেও মোনাফেক বলা হয়নি। সুতরাং মোনাফেক হলো এমন এক ভয়ংকর শব্দ যা কাফের মুসরিক-শয়তান-ভয়ংকর পশু-কীটপতঙ্ক কিংবা মরণঘাতী রোগবালাইয়ের অনুঘটক ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য নয়, তাহলে মোনাফেক কী?

মোনাফেক হলো এমন এক নিকৃষ্ট প্রাণী, যারা সুরতে মানুষ এবং নিজেদের প্রয়োজনে কিংবা স্বার্থসিদ্ধির জন্য তারা যে কোনো  সুরত ধরতে পারে। শয়তানও সুরত পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু শয়তানের সঙ্গে মোনাফেকের পার্থক্য হলো, শয়তান আল্লাহকে মান্য করে, ভয় করে এবং নিজের সীমা অতিক্রমের চেষ্টা করে না। শয়তান শুধু একবারই আল্লাহর অবাধ্য হয়েছিল এবং একবারই আল্লাহ কর্তৃক অভিশপ্ত হয়েছিল। অন্যদিকে মোনাফেক সুযোগ পেলেই আল্লাহর অবাধ্য হয়, প্রতিমুহূর্তে অকৃতজ্ঞের মতো চিন্তা করে এবং নিজেদের হালত পরিবর্তন করে। মোনাফেকরা নবী রসুল আল্লাহ খোদা-ফেরেশতা হাশর-নসর কিছুই বিশ্বাস করে না। কিন্তু প্রয়োজনের সময় এমন ভনিতা করে যে তাদের মতো পীর, আউলিয়া, দরবেশ, ফকির, সাধুসন্ন্যাসী দুনিয়াতে দ্বিতীয়টি নেই।

আজকের নিবন্ধে জালেম এবং মোনাফেক নিয়ে আর বিস্তারিত আলোচনা করব না। যারা এসব গালিগালাজ করছেন তারা ওসব কেন করছেন তা কেবল তারাই ভালো বলতে পারবেন। সুতরাং ওসব বিষয়ে সময় ব্যয় না করে আমরা এখন শিরোনাম প্রসঙ্গে আলোচনা শুরু করি। এ কথা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই যে বর্তমানে আমরা সবাই ইতিহাসের জটিলতম সময় পার করছি। বিশেষত যারা রাজনীতি করেন, তারা সবাই সময়ের মরণফাঁদের কবলে পড়েছেন। ফলে আজকের দিনে কেউ বুক ফুলিয়ে বলতে পারবেন না যে আমি ভালো আছি, নিরাপদ আছি এবং আজকের দিনটির পরিবর্তে আগামীকাল আরও ভালো যাবে। বরং প্রতিটি মানুষ যার যার অবস্থানে ততটা অসন্তুষ্ট এবং কাজকর্ম-কথাবার্তা এবং আচরণে এতটা অধৈর্যশীলতা-অস্থিরতা এবং চারিত্রিক দুর্বলতা প্রকাশ করে চলেছেন যা আমার জীবদ্দশায় ইতোপূর্বে দেখিনি।

বর্তমান সময়ের রাজনীতির যে মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে তা কেবল রাজনীতিবিদদের মরণঝুঁকি বাড়ায়নি বরং রাষ্ট্রীয় কর্মে নিযুক্ত সব গুরুত্বপূর্ণ আমলা-কামলা-বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক-সাধু-সজ্জন প্রমুখের জীবন ও জীবিকাকে মরণফাঁদের মধ্যে আটকে ফেলেছে। ফলে পুরো দেশ-কাল-মিত্র-উজির-নাজির-মন্ত্রী-কোতোয়ালকে হাতকড়া, ফাঁসির ফাঁদ, কবর বা শশ্মানের আতঙ্ক তাড়া করে ফিরছে আর এসব কিছু ঘটেছে রাজনীতির মোনাফেক এবং রাজনীতির জালেমদের কারণে।

মোনাফেক ও জালেমরা প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করার জন্য সর্বোচ্চ মারণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। গোলাবারুদ, লাঠি-গুলি, খন্তা-কোদাল-কুড়াল-চাপাতি-দা-বঁটি, ক্ষুর-কেঁচি, লগি-বৈঠা ইত্যাদি যখন যেভাবে প্রয়োজন এবং যেখানে প্রয়োজন তা ব্যবহার করেছে। তারা প্রতিপক্ষের চরিত্রহনন- মনোবল ভেঙে দেওয়া অথবা আর্থিক ভিত্তি ভেঙেচুরে চুরমার করে দেওয়ার জন্য কুকুরের চেয়ে নিকৃষ্ট, হায়েনার চেয়েও ভয়ংকর, শেয়ালের চেয়েও ধূর্ত, শুয়োরের চেয়েও পূতিদুর্গন্ধময় এবং জারজের চেয়েও ভয়ংকর মানসিক বৈকল্যে আক্রান্ত লোকজনকে অর্থ-পদপদবির বিনিময়ে লেলিয়ে দিয়েছে। তারা নিজেদের দল ভারী করার জন্য অর্থাৎ বেশি বেশি মোনাফেক তৈরির জন্য আল্লাহ এবং রসুল বিতর্কিত হন এবং আল্লাহর সৃষ্টিকুলের ভারসাম্য বিনষ্ট হয় তার জন্য সর্বোচ্চ অর্থ-শ্রম ও বুদ্ধি বিনিয়োগ করেছেন। অন্যদিকে জাহেলরা পুরো যুগকে আইয়ামে জাহেলিয়াত বানানোর জন্য জ্ঞানবিজ্ঞান,  সততা, ন্যায়নিষ্ঠতা মানবিক গুণাবলি ইত্যাদির কবর রচনা করে রাতকে বানিয়ে ফেলেছে হজরত ইউনূস (আ.)-কে গিলে ফেলা মাছের পেটের বীভৎস অন্ধকারের মতো। আর দিনকে বানিয়েছে কালবেশাখীর কবলে পড়া অমাবস্যার রজনীর মতো।

উল্লেখিত অবস্থার কারণে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অর্থনীতি, সমাজনীতি, পরিবার, ঘরসংসার, ব্যবসাবাণিজ্য, চিন্তাচেতনা, আহারবিহার, বিনোদন ইত্যাদি এসব কিছুই বিকৃত হয়ে পড়েছে এবং সর্বত্র প্রাকৃতিক আলো নিভে গেছে এবং মোনাফেকি ও জালেমের মশাল দিয়ে আগুনের হোলিখেলা শুরু হয়েছে। আর এই হোলিখেলার সবচেয়ে ভয়ংকর অধিক্ষেত্রটি যে রাজনীতি তা বোধ করি আমরা সবাই কমবেশি অনুধাবন করি।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

এই মাত্র | জাতীয়

৯ দিন ছুটি শেষ, অফিস খুলছে কাল
৯ দিন ছুটি শেষ, অফিস খুলছে কাল

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

৬ মিনিট আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

৮ মিনিট আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

১৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

৪৭ মিনিট আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস
কাল থেকে খুলছে সরকারি অফিস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু নিহত বা আহত হচ্ছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মায় ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’
‘আমাদের শক্তির ওপর জোর দেওয়াই আমার লক্ষ্য’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ
শুল্ক বৃদ্ধি ‘দুর্বল ও দরিদ্রদের ক্ষতি করে’: জাতিসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু দমনের প্রধান হাতিয়ার ‘ওলবাকিয়া’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা
ম্যান সিটি ছাড়ছেন ডি ব্রুইনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়
মাথায় গুলি নিয়ে চলে গেল জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হৃদয়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে