পুরোপুরি না হলেও তামিম ইকবাল এখন অনেকটাই সুস্থ। স্বাভাবিক নিয়মে হাঁটা চলাফেরা করছেন। খাওয়াদাওয়াও করছেন। এসব দেখে এভারকেয়ার হাসপাতালের ডাক্তারদের মনে হয়েছে বাসায় যেতে পারেন তামিম। গতকাল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে ছাড়পত্র দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তামিম বাসায় ফিরেছেন। বাসায় ফিরলেও লম্বা সময় বিশ্রামে থাকতে হবে। ডাক্তারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে হবে তামিমের। অবশ্য আজ আবারও হাসপাতালে যেতে হবে কিছু পরীক্ষা ও দাঁতের চিকিৎসার জন্য।
বিকেএসপিতে গত সোমবার বিকেএসপিতে মোহামেডান-শাইনপুকুর ক্রিকেট ম্যাচের দিন ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক করেছিল তামিমের। এরপর বিকেএসপির কাছে কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় দ্রুতলয়ে এবং এনজিওগ্রাম করা হয়। এনজিওগ্রামের পর দেখা যায় তার হার্টের একটি ধমনিতে শতভাগ ব্লক। তখনই একটি রিং পরানো হয়। সেখান থেকে দুই দিন আগে স্থানান্তর করা হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। গতকাল সেখান থেকে বাসায় ফেরেন দেশসেরা ওপেনার ও টাইগার সাবেক অধিনায়ক। সোমবার তার হার্টে রিং পরানো হয়। মঙ্গলবার সকালে তামিমকে দেখতে যান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবু জাফর ও হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদ। এভারকেয়ার স্থানান্তরণের পর দেখতে যান ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহামুদ সজীব ভূঁইয়া। কেপিজে হাসপাতালে তামিমকে দেখার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবু জাফর জানিয়েছিলেন, স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে অন্তত তিন মাস সময় লাগবে তামিমের। অস্ত্রোপচারের ধকল কাটিয়ে শরীর একটু থিতু হওয়ায় বাসায় স্বাভাবিক কাজকর্ম ও হাঁটাচলা করতে পারবেন তিনি। তামিমের হার্ট অ্যাটাকের খবরে দেশ ও বিদেশের ক্রিকেটাররা প্রার্থনা করেছেন। শাইনপুকুরের বিপক্ষে ম্যাচ শেষ করে দেখতে যান মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম। এ ছাড়া ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকরাও তাকে দেখতে গিয়েছিলেন।