শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

দৈত্যের হীরের বাড়ি

বিচিত্র কুমার
প্রিন্ট ভার্সন
দৈত্যের হীরের বাড়ি

গভীর জঙ্গলে এক অদ্ভুত বাড়ি। এটি একেবারে আলাদা, এমনকি দূর থেকেও চোখে পড়ার মতো। বাড়িটির দেয়ালগুলো ছিল হীরে দিয়ে মোড়া, যেন সূর্যের আলো এসে পড়লেই পুরো পৃথিবী আলোয় ভরে যায়। ঝকঝক করা এই হীরে দিয়ে তৈরি বাড়ি দেখে প্রথমবার যে কেউ আসবে, তার মনে এক ধরনের অদ্ভুত ভয় এবং আগ্রহ সৃষ্টি হবেই। গ্রামের লোকজন মাঝেমধ্যেই সেই বাড়ি সম্পর্কে নানা ধরনের গল্প বলত। কেউ বলত, সেই বাড়িতে এক ভয়ংকর দৈত্য বাস করে, কেউ বলত, বাড়িটি অভিশপ্ত। তবে রাজু নামের ছোট্ট এক ছেলে এসব গল্পে বিশ্বাস করত না। তার মনে ছিল এক গভীর কৌতূহল এবং সাহস।

রাজু ছিল একেবারে সাহসী ছেলে, সবসময় নতুন কিছু আবিষ্কারের জন্য আগ্রহী। সে জানত, যেগুলো ভয়ংকর মনে হয়, সেগুলো হয়তো আসলে তেমন কিছু না। আর তার সবচেয়ে বড় বন্ধু মিতু ছিল বেশ ভীতু। সে একেবারেই রাজুর মতো সাহসী নয়। তবে রাজু যখনই তার কোনো নতুন অভিযান শুরু করত, মিতু কিছুটা ভয় ভেঙে তার সঙ্গে চলে আসত। এক দিন রাজু সিদ্ধান্ত নিল, হীরের বাড়ি দেখতে যাবে। মিতু তাকে অনেক বুঝিয়ে বলেছিল, রাজু, ওই বাড়িতে গিয়ে কী করবি? আমি তো একবারও যেতে চাই না! কিন্তু রাজু বলল, তুমি ভয় পেও না। আমরা সবাই একসঙ্গে যাব। দেখতে হবে, এটা আসলেই ভয়ংকর কিছু কি না।

পথে বেরিয়ে রাজু আর মিতু নানা ধরনের গল্প করতে করতে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে চলতে চলতে চলে আসে হীরের বাড়ির কাছে। বাড়ি যখন তাদের চোখের সামনে পড়ল, তখন মিতু একটু থেমে গেল। রাজু, এ তো একদম ভিন্ন কিছু! কী বিশাল, কী সুন্দর! মিতু হতবাক হয়ে বলল। রাজু একটু হাসল এবং বাড়ির দিকে এগিয়ে গেল। বাড়ির দেয়ালগুলো হীরে মোড়া, এমনকি দরজা পর্যন্ত সোনালি। রাজু ভাবল, এ বাড়ি কি সত্যিই হীরের? তার সব সন্দেহ আর কৌতূহল যেন বাড়ি দেখেই উধাও হয়ে গেল।

এটা কি আসলেই দৈত্যের বাড়ি? মিতু আবারও প্রশ্ন করল।

রাজু উত্তেজনায় বলল, আমরা যাচ্ছি দেখে আসব। যদি কেউ থাকে, তবে তাকে জিজ্ঞেস করব।

দরজার কাছে গিয়ে রাজু ধীরে ধীরে হাত রেখে দরজাটা ঠেলল। এক মুহূর্তে দরজা খুলে গেল, আর ভিতরে ঢুকল দুজন বন্ধু। ঢোকার পর দেখতে পেল, ভিতরে সব কিছু যেন স্বর্ণময়। মেঝে ছিল সোনা দিয়ে মোড়া, দেয়ালে ঝুলছে হীরে-মুক্তা। এমন একটা দৃশ্য যে কেউ প্রথমবার দেখবে, তার চোখ আর মুখ চমকে উঠবেই। তবে, একে অপরকে সাহস দিয়ে তারা এগিয়ে চলল।

হঠাৎ এক বিকট আওয়াজ শুনে তারা ভীত হয়ে গেল। একটি বড়ো পদক্ষেপের শব্দ আসছিল। রাজু বলল, এই তো, দেখতে হবে কে আসছে! কিছুক্ষণ পর এক বিশাল দৈত্য তাদের সামনে উপস্থিত হলো। দৈত্যটি এত বড় যে তার মাথা ছাদ স্পর্শ করছে। তার গায়ে সোনালি চেইন ঝুলছিল, চোখে গম্ভীর ভাব। মুখে কৃপণ হাসি, যেন কিছু ভাবছে।

তোমরা কে? এখানে কী করছ? দৈত্যটি রুক্ষ গলায় প্রশ্ন করল।

রাজু একটু সাহস নিয়ে বলল, আমরা এখানে হীরের বাড়ি দেখতে এসেছি। শুনেছি এখানে আপনি থাকেন। কিন্তু আমরা আপনাকে ভয় পাই না।

দৈত্যটি প্রথমে চুপ করে রইল। তারপর মৃদু হাসি হেসে বলল, ভয় পেও না। আমার নাম হীরাবান। এই বাড়ি আমি একা তৈরি করেছি। কিন্তু কোনো বন্ধু পাইনি, সবাই আমাকে ভয় পায়। তোমরা এখানে কেন এসেছো?

রাজু ও মিতু অবাক হয়ে একে অপরের দিকে তাকাল। রাজু বলল, তাহলে আপনি তো খুব একা হয়ে গেলেন। সবাই আপনাকে ভয় পায়?

হীরাবান মাটির দিকে তাকিয়ে একটু মন খারাপ করে বলল, হ্যাঁ, কারণ আমি এক বিশাল দৈত্য। আমার শক্তির জন্য সবাই আমাকে ভয় পায়। কিন্তু আমি তো কিছু খারাপ করি না। আমি চাই, আমার জীবনটা অর্থপূর্ণ হোক।

রাজু ভাবল, এটা তো খুব অদ্ভুত। এত বড় শক্তি আর সম্পদ থাকার পরও এত একা কেন?

রাজু আবার বলল, আপনি কি আমাদের মতো ছোটদের সাহায্য করতে চান? আপনি যদি এই হীরে দিয়ে স্কুল বানাতেন, তাহলে অনেক শিশুর উপকার হতো। আপনি তাদের বন্ধু হতে পারতেন।

হীরাবান প্রথমে একটু অবাক হয়ে ভাবল, তারপর বলল, তুমি ঠিক বলেছো, রাজু। আমি তো এতদিন ভাবিনি। তবে কীভাবে শুরু করব?

রাজু বলল, সব কিছু একে একে শুরু করা যায়। প্রথমে আপনি গ্রামের মানুষদের জানান, তারপর তারা সাহায্য করবে।

এরপর হীরাবান নিজের হীরে দিয়ে একটি বড় স্কুল তৈরি করল। গ্রামের ছেলেমেয়ে স্কুলে পড়তে আসল। গ্রামের লোকজন প্রথমে খুব অবাক হয়েছিল। কিন্তু যখন তারা দেখল, হীরাবান কোনো ক্ষতি করতে চায় না, তখন তারা তার প্রতি মনোভাব বদলে ফেলল। তার বিশাল বাড়ি, হীরের ঝলমলে দেয়ালগুলো, তার শক্তিশালী শরীরে এসব কিছুই আর ভয়ংকর মনে হচ্ছিল না।

রাজু এবং মিতু তাদের নতুন বন্ধু হীরাবানের সঙ্গে সময় কাটাতে লাগল। তাদের খুশি দেখে হীরাবানও একসময় ভাবতে শুরু করল, সত্যিই বন্ধুদের জন্য জীবনে কিছু করতে পারলে জীবন আরও সুন্দর।

গ্রামের বাচ্চারা এখন আর হীরাবানকে ভয় পেত না। তারা জানত, দৈত্যটা একেবারে ভালো। আর সে, যে এত বড় শক্তি নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিল, তার হাতে আরও অনেক কিছু করার ছিল। সে শুধু নিজের মনের দুঃখ দূর করতে চায়নি, বরং পৃথিবীকে সুন্দর ও ভালো করতে চেয়েছিল।

এক দিন, হীরাবান রাজুকে বলল, তুমি ঠিক বলেছিলে, রাজু। বন্ধুদের জন্য জীবনে কিছু করার মতো বড় কিছু আর নেই।

রাজু ও মিতু তার সঙ্গে খেলতে খেলতে হাসির সাথে বলল, আপনি তো আমাদের সবচাইতে ভালো বন্ধু, হীরাবান।

হীরাবান হাসল, এখন আমি বুঝতে পারি, শক্তির সঙ্গে ভালোবাসাও গুরুত্বপূর্ণ।

এভাবেই হীরের বাড়ি হয়ে উঠল শুধু একটি বাড়ি নয়, একটি সুখী স্কুল, যেখানে শিশুরা শিখে, হাসে এবং বেড়ে ওঠে। আর হীরাবান তার একাকিত্ব কাটিয়ে জীবনের প্রকৃত আনন্দ পেল।

এই বিভাগের আরও খবর
লিখতে পারো তুমিও
লিখতে পারো তুমিও
ভালো লাগে
ভালো লাগে
গোপাল ভাঁড়
গোপাল ভাঁড়
রুপালি পাখি
রুপালি পাখি
কানামাছি
কানামাছি
ভোঁদড় ছানা
ভোঁদড় ছানা
শিশুর হাসি
শিশুর হাসি
নয় মাসের লড়াই
নয় মাসের লড়াই
চিরঋণী
চিরঋণী
ফুল বাগিচায়
ফুল বাগিচায়
চৈত্র হাওয়ায়
চৈত্র হাওয়ায়
আঁকি বুকি
আঁকি বুকি
সর্বশেষ খবর
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত
বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী
বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী

২০ মিনিট আগে | বাণিজ্য

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক
গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির ডাক

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়
নদী শুধু কাঁদায় না, জেগে ওঠা চরে ফসল ফলিয়ে কৃষকদেরও বাঁচায়

৩০ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের
কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ
ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম ঈদ পুনর্মিলনী
বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম ঈদ পুনর্মিলনী

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

জাজিরার সেই ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
জাজিরার সেই ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘আলো আসবেই’ গ্রুপে নাম জড়ানোয় আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি আইরিনের
‘আলো আসবেই’ গ্রুপে নাম জড়ানোয় আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি আইরিনের

৪৯ মিনিট আগে | শোবিজ

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সাবেক এমপি লালু
বগুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সাবেক এমপি লালু

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে তুচ্ছ ঘটনায় হোটেল শ্রমিক নিহত, আটক ১
জয়পুরহাটে তুচ্ছ ঘটনায় হোটেল শ্রমিক নিহত, আটক ১

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক
বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শেরপুরে চোরাকারবারি 'ডন মাসুদ' গ্রেফতার
শেরপুরে চোরাকারবারি 'ডন মাসুদ' গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাঁচদিনের রিমান্ডে সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ
পাঁচদিনের রিমান্ডে সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পিরোজপুরে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত
পিরোজপুরে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যন্ত্রপাতি তৈরিতে ‘লোকজ পদার্থবিদ্যা’ ব্যবহার করে শিম্পাঞ্জিরা!
যন্ত্রপাতি তৈরিতে ‘লোকজ পদার্থবিদ্যা’ ব্যবহার করে শিম্পাঞ্জিরা!

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

কালীগঞ্জে মাদক সেবনের অভিযোগে কারাদণ্ড
কালীগঞ্জে মাদক সেবনের অভিযোগে কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নওগাঁর ঠাকুরমান্দা রঘুনাথ মন্দিরে রামভক্তদের মিলনমেলা
নওগাঁর ঠাকুরমান্দা রঘুনাথ মন্দিরে রামভক্তদের মিলনমেলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ : ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুই চিঠি যাবে যুক্তরাষ্ট্রে
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ : ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুই চিঠি যাবে যুক্তরাষ্ট্রে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধের দাবিতে ফেনীতে বিক্ষোভ
গাজায় গণহত্যা বন্ধের দাবিতে ফেনীতে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সত্য প্রকাশই হোক গণমাধ্যমের একমাত্র অঙ্গীকার: কাদের গনি চৌধুরী
সত্য প্রকাশই হোক গণমাধ্যমের একমাত্র অঙ্গীকার: কাদের গনি চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিরাজগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
সিরাজগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমিরাতে যুবদলের প্রতিনিধি সমাবেশ
আমিরাতে যুবদলের প্রতিনিধি সমাবেশ

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

নিখোঁজের ৩ দিন পর অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার
নিখোঁজের ৩ দিন পর অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাড়া নৈরাজ্য ঠেকাতে ফেনীতে প্রশাসনের অভিযান, জরিমানা ৪১ হাজার
ভাড়া নৈরাজ্য ঠেকাতে ফেনীতে প্রশাসনের অভিযান, জরিমানা ৪১ হাজার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিএসএলের ধারাভাষ্য প্যানেলে আতাহার আলী
পিএসএলের ধারাভাষ্য প্যানেলে আতাহার আলী

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান
দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে
ডলি সায়ন্তনীর এই জমানার মেয়ে

শোবিজ

সরকারি বই দিতে ঘুষ
সরকারি বই দিতে ঘুষ

পেছনের পৃষ্ঠা

হামজার অন্যরকম মাইলফলক
হামজার অন্যরকম মাইলফলক

মাঠে ময়দানে

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা