ঈদে যাত্রী চাপে সুদিন ফিরেছে লঞ্চে। ঈদের আগে থেকে শুরু হওয়া বরিশাল-ঢাকা নৌপথে এই যাত্রীর চাপ আরও দুই দিন থাকবে বলে জানিয়েছেন বরিশাল নৌবন্দর কর্মকর্তা। লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গতকাল ও শুক্রবার প্রতিদিন বরিশাল থেকে ১১টি লঞ্চে ৩০ হাজারের বেশি যাত্রী ঢাকা গেছে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বরিশাল-ঢাকা রুটের বিলাসবহুল লঞ্চযাত্রী সংকটে পড়ে। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে প্রতিদিন দুই প্রান্ত থেকে ১২-১৪টি লঞ্চ চলাচল করত। সেখানে এখন দুটি করে চারটি লঞ্চ চলাচল করে। ঈদের আগে ও পরে যেখানে প্রতিদিন ২৩-২৫টি লঞ্চ চলাচল করত। এখন শুক্রবার সর্বোচ্চ ১১টি লঞ্চ চলাচল করেছে।
গতকাল সরেজমিনে বরিশাল নৌবন্দরে গিয়ে দেখা যায় ১০টি লঞ্চ ঘাটে রয়েছে। দুপুরের পর থেকে প্রত্যেকটি লঞ্চের ডেকে যাত্রী ওঠা শুরু করেছে। এমভি শুভরাজ লঞ্চের আনসার সদস্য মো. শাহীন বলেন, শুক্রবার ১১টি লঞ্চ যাত্রী নিয়ে ঢাকা গেছে। দীর্ঘদিন পর বরিশাল ঢাকা রুটের লঞ্চ তাদের চাহিদা অনুযায়ী যাত্রী পাচ্ছে। ঈদের তিন দিন পূর্বে ঢাকা থেকে এবং পরে শুক্রবার থেকে এ রুটের লঞ্চে যাত্রী চাপ বেশি। আগামী ৮ এপ্রিল পর্যন্ত এ চাপ থাকবে। এরপর থেকে আগের নিয়মে দুটি করে লঞ্চ চলাচল শুরু করা হবে। বরিশাল নৌবন্দর কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিম রেজা বলেন, শুক্রবার যাত্রী একটু বেশি ছিল। ওইদিন সরাসরি রুটের ১১টি ও ভায়া রুটের দুটি লঞ্চ যাত্রী নিয়ে ঢাকা গেছে। গতকাল সরাসরি রুটের ১০টি ও ভায়া রুটের দুটি লঞ্চ যাত্রী নিয়ে গেছে। যাত্রী চাপ থাকলেও কোনো সমস্যা হয়নি তাদের।
কোনো লঞ্চ ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিতে পারেনি। তারা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন।