বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর লাশ ঢাকার বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। গতকাল গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজার পর তাকে তাঁর স্ত্রী নিলুফার মঞ্জুরের পাশে দাফন করা হয়। উপস্থিত আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাক্সক্ষীরা দাফন কাজে অংশ নেন। মঞ্জুর এলাহীর ছেলে সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর নিজ হাতে বাবাকে কবরে শোয়ান। পরিবারের অন্য সদস্যরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে একে একে তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাক্সক্ষীরা কবরে মাটি দিয়ে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করেন। বাংলাদেশ সময় গত বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় সিঙ্গাপুরের গ্লেনিগেলস হাসপাতালে সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী (৮৩) শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর আফতাবনগরে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই ব্যবসায়ী ও সমাজসেবকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষ জানাজায় অংশ নেন। এর আগে সকালে গুলশানে তাঁর লাশ মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ে আনা হয়, যেখানে মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং অ্যাপেক্স গ্রুপের কর্মীরা শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, আমার বাবা এই দেশকে বেশি ভালোবাসতেন। তাঁর শেষ কথাগুলোর মধ্যে একটি ছিল- সবার আগে দেশ।
বাবা নিজেকে কখনো ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিতে চাননি। তিনি বলতেন, মানুষের জন্য কাজ করতে চাই, মানুষের সঙ্গে থাকতে চাই। আপনারা দোয়া করবেন, আমরা যেন ওনার সেই পথ অনুসরণ করতে পারি। আপনারা তাঁর জন্য দোয়া করবেন।
সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। বুধবার রাত ১০টা ২০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার লাশ ঢাকায় আনা হয়। সেখান থেকে লাশ তাঁর বাসভবনে নেওয়া হয়।