৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ইজতেমাকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের পারাপারের জন্য তুরাগ নদের ওপর সেনাবাহিনী পাঁচটি এবং বিআইডব্লিউটিএ একটি অস্থায়ী পন্টুন নির্মাণ করেছে। গতকাল সকালে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান ঘুরে দেখা গেছে, ইতোমধ্যে ইজতেমা ময়দানে প্যান্ডেলের কাজ, খুঁটিতে নম্বর প্লেট, খিত্তা নম্বর, জুড়নেওয়ালি জামাতের কামরা, তাশকিল কামরা, হালকা নম্বর বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। ময়দানের পশ্চিম পাশে তুরাগ নদের পূর্বপাড়ে নামাজের মিম্বর ও উত্তর-পশ্চিম কোণে বিদেশি মেহমানদের জন্য নির্ধারিত কামরার পাশে বয়ান মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ছামিয়ানা টানানো, বিদ্যুৎ ও মাইক সংযোগের জন্য তার টানানোসহ তাশকিল কামরা ও বধিরদের বয়ান শোনার জন্য পৃথক কামরা তৈরি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিদেশের মুসল্লিরা ময়দানে এসে তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান নিচ্ছেন।
শুরায়ি নেজামের আয়োজক কমিটি সূত্র জানায়, এবার শুরায়ি নেজামের অধীনে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে ইজতেমা। প্রথম ধাপ জানুয়ারি ৩১ ও ১, ২ ফেব্রুয়ারি। দ্বিতীয় ধাপ ৩, ৪, ৫ ফেব্রুয়ারি। পুরো বাংলাদেশকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে এবং কে কোন ধাপে অংশগ্রহণ করবে তা ইতোমধ্যে জেলা ওয়ালাদের মুরুব্বিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
শুরায়ি নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে শুরায়ি নেজামের অধীনে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ। ইতোমধ্যে পুরো ময়দান ও বয়ানের মঞ্চের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা আসতে শুরু করেছেন, বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে ময়দান কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। রবিবার সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শুরায়ি নেজামের ইজতেমার প্রথম ধাপ।
এর পর ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর থেকে শুরু হয়ে ৫ তারিখ শেষ হবে দ্বিতীয় ধাপ।