খেলাফত মজলিসের নেতারা বলেছেন, সংবিধান, নির্বাচন, পুলিশ ও দুদক সংস্কার কমিশন পৃথকভাবে যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে তার বেশকিছু সুপারিশ বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য। কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় আদর্শের বিপরীত এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করবে। গতকাল পল্টনে দলের নির্বাহী বৈঠকে তারা এ কথা বলেন। দলের আমির মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক আবদুল জলিল, আবদুল হাফিজ খসরু প্রমুখ।
বক্তারা আরও বলেন, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে ‘আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস’, ‘জনগণের অংশীদারি ও প্রতিনিধিত্ব এবং শোষণ-জুলুম ও বৈষম্যমুক্ত আদর্শ’ থাকতে হবে। রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ‘ইসলাম’ অক্ষুণ্ন রাখা এবং কোরআন ও সুন্নাহ বহির্ভূত কোনো আইন প্রণয়ন করা যাবে না তার নিশ্চয়তা থাকতে হবে। সরকারকে সংশ্লিষ্ট অংশীজন বিশেষ করে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়ে সংস্কার প্রস্তাবনাগুলো আরও যাচাই-বাছাই করতে হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিভেদ নয় ঐক্য, কল্যাণমূলক রাষ্ট্র এই প্রতিপাদ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পতিত স্বৈরাচার কর্তৃক দেশ ও দেশের মানুষকে বিভক্ত করার মিথ্যা বয়ানগুলো পরিহার করতে হবে।