ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। এই সময়ে কিছু পরিবহন যাত্রী হয়রানি, বাড়তি ভাড়া আদায়, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোসহ ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ে সড়কে নেমেছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চট্টগ্রাম নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফৌজদারহাট ও কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মইজ্জারটেক এলাকায় বিআরটিএ’র অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ৩৪টি মামলা এবং ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিন কাগজপত্র ঠিক না থাকায় একটি অ্যাম্বুলেন্স ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়ার নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়। এ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৯টি মামলা দেওয়া হয় এবং যানবাহনগুলোর বিরুদ্ধে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া দীর্ঘদিন কাগজপত্র হালনাগাদ না থাকায় একটি অ্যাম্বুলেন্স ডাম্পিং করা হয়েছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জারটেক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিকি মারমা। সেখানে অবৈধ ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে চলা ১৫টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয় এবং ২৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানের শেষে বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকারিয়া বলেন, "ঈদের লম্বা ছুটি কাটিয়ে সবাই নিজ-নিজ কর্মস্থলে ফিরছেন। এই সময় যাত্রীদের যেন কোনো ভোগান্তি পোহাতে না হয় এবং তারা নিরাপদে ফিরতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আমাদের অভিযান চলবে।"
এদিকে, লোহাগাড়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে আহতদের দেখতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছেন বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলম। সেখানে তিনি আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
বিডি প্রতিদিন/আশিক