শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

গল্প

মধ্যরাতের মাতাল কুকুরেরা

আরিফুল হাসান
প্রিন্ট ভার্সন
মধ্যরাতের মাতাল কুকুরেরা

রাত যখন নষ্ট টাইমের ল্যাপটপে সম্ভবত পৌনে ১২টা, তখন হঠাৎ কুকুরগুলো ডেকে ওঠে। এরকম প্রায়ই ডাকে। ওরা রাতের পাহারাদার। এলাকায় চোর ডাকাত এলে, অচেনা কেউ এলে ওরা ঝাঁক বেঁধে ডেকে ওঠে। আবার নিজেদের মধ্যে যে ঝগড়াঝাঁটি হয় না, ওরকমও নয়। হয়। হয় বলেই ওরা কুকুর। আর মানুষ?

তাহলে নিভু নিভু আলোতে অন্ধকারে গলিতে অচেনা কে এলো? কুকুরগুলো এমন করে ডাকছে কেন? এখন অবশ্য তেমন ডাকের প্রকোপ নেই। তবু দুয়েকটা ডাক যে শোনা যাচ্ছে না, তা নয়। থেকে থেকে কোনোটা ঘেউউ করে ওঠে, কোনোটা কাতর আর্তনাদের মতো মৃদু চিৎকারে, আবার কাউকে ঘেউ ঘেউ রবে খেঁকিয়ে উঠতে শোনা যাচ্ছে। তাহলে রাতগুলো নীরব নয়।

এরকম এক রাতে এই কিছু দিন আগে আজমল ঘুমায়। ঘুমের ভিতর স্বপ্ন দেখে এক।

শোনা যায়, যুদ্ধ নাকি লেগে যেতে পারে দেশে। কিন্তু কুকুরগুলো এত নিশ্চুপ কেন? নাকি আজমলের বুকের ভিতরের হৃৎপিণ্ড দেখে তারা যে ভয় পেয়েছিল সে ভয় আজও তাড়া করছে তাদের। নাকি তাদের ডাকের আবারও সময় হয়ে ওঠেনি। নাকি অত রাত হয়নি যে তারা ডাকবে। নাকি এতই বেশি রাত যে তারাও প্রহরীপনা ছেড়ে ঘুমাতে গেছে ক্লান্ত হয়ে। এখন রাত ঘড়িতে কয়টা বাজে? আজমলের ঘড়িতে সেদিন কটা বেজেছিল। রাত হয়ে যাচ্ছিল নাকি সন্ধ্যা। হয়তো সন্ধ্যার শুরু তখন। সময়টা জিজ্ঞেস করিনি। একজন আমাকে দেখাতে চেয়েছিল...

২.

আজ কুকুরগুলো ডাকছে না কেন? নদী ও পাহাড়গুলো বদলে গেছে। বদলে গেছে মানুষ। শহরের মানুষ বদলেছে আরও আগে। গ্রামের মানুষ শহরে এসে পড়েছে আর শহরের মানুষ পালাচ্ছে গ্রামে। অবশ্য গ্রামেও আজকাল কুকুরের উৎপাত যে বাড়েনি এমন খবর শোনা যায় না। আজমলের স্বপ্নের ভিতর একদল কুকুর ছিল। তারা কামড়িয়ে কামড়িয়ে মারছিল আজমলকে। ছিঁড়ে ফেলছিল নখর দিয়ে তার বুক। পাঁজরের হাড়গুলো কামড়ে ভেঙে ফেলছিল আর হৃৎপিণ্ডটা বের করে এনেছিল। হঠাৎ কুকুরগুলো পিছিয়ে যায়। পিছিয়ে অনেক দূরে যায়। যেন যায়। যেন আজমল হৃৎপিণ্ড নয়, বুকের ভিতর ধারণ করেছিল একটা গ্রেনেড।

আজকাল কুকুরগুলো ডাকে না। মাঝেমধ্যে গুলির শব্দ হয়। আকাশ থেকে তীব্র বেগে আসে হেলিকপ্টারের শব্দ। এসব স্বাভাবিকতা নয়। শোনা যায়, রাত নাকি চুরি করে নিয়ে নেবে অন্ধকারের কোনো অপশক্তি। শোনা যায়, যুদ্ধ নাকি লেগে যেতে পারে দেশে। কিন্তু কুকুরগুলো এত নিশ্চুপ কেন? নাকি আজমলের বুকের ভিতরের হৃৎপিণ্ড দেখে তারা যে ভয় পেয়েছিল সে ভয় আজও তাড়া করছে তাদের। নাকি তাদের ডাকের আবারও সময় হয়ে ওঠেনি। নাকি অত রাত হয়নি যে তারা ডাকবে। নাকি এতই বেশি রাত যে তারাও প্রহরীপনা ছেড়ে ঘুমাতে গেছে ক্লান্ত হয়ে। এখন রাত ঘড়িতে কয়টা বাজে? আজমলের ঘড়িতে সেদিন কটা বেজেছিল। রাত হয়ে যাচ্ছিল নাকি সন্ধ্যা। হয়তো সন্ধ্যার শুরু তখন। সময়টা জিজ্ঞেস করিনি। একজন আমাকে দেখাতে চেয়েছিল। দেখার ইচ্ছে হয়নি। এত নৃশংসতা হয়তো সহ্য করতে পারতাম না। সে বলেছিল, আমি বারান্দা দিয়ে ভিডিও করলাম। কুকুরগুলো... বলেই সে হু হু করে কেঁদে উঠল। আমি তার চোখের পানির মূল্য দিতে যাইনি। এ জগতে কে-ই কার চোখের পানির মূল্য দিতে জানে? বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো সেদিন তাণ্ডবটা শুরু হয়-সে বলেছিল।

আমি বললাম, ওসব থাক না। এখন আর বলে লাভ কী? ভালোবাসার মধ্যে যদি খাদ থাকে, তবে তা এক দিন আসলকেই গ্রাস করে ফেলে তা আর জানার অজানা কী? ...অভিমান করার সময় এখন না- সে বলেছিল, বাঙালি জাতি অনুতপ্ত হতে সময় নেয় না। এখন সব কিছু দেখছে জানছে। জেগে উঠতে বেশি দিন লাগবে না। এখনো হতবাক অবস্থা কাটেনি। এক-দুজন যে প্রকাশ্যে নির্যাতনের মুখে সত্যটা উচ্চারণ করছে না তা তো নয়, আওয়াজ উঠছে। এক-দুই-চার করেই বিশ্ব। আমি তারপরও ভিডিওটা দেখতে রাজি হইনি।

৩.

আজ যখন কুকুরগুলো এখনো ডেকে উঠছে না কেন এ নিয়ে ভাবছি, তখন একটা কুকুর কুইওইই করে উঠল। যেন সে বোঝাতে চায়- আমি না, আমরা পশুরা না। আজমলের হৎপিণ্ডটা খুলে বের করতে চেয়েছিল তোমাদের মতো মানুষ। হ্যাঁ একদল মানুষ।

আবার শূন্যতার ভিতর মিলিয়ে যাচ্ছে সবকিছু। সবকিছু কেমন অসার, নিষ্প্রাণ এবং ঘ্রাণশূন্য। এই কিছুদিন আগে ডাকাতি চলছিল। গণডাকাতি। আর এখন ত্রাসের সঙ্গে পেরে উঠছে না প্রশাসন। জনগণও যেন জিম্মি হয়ে আছে। এই রাতটা, এই লাখো কোটি তারা, এই আসমান, এই মানচিত্রের মাটি-মাতৃভূমি-মানুষ- সব সব সব...।

এভাবে বন্দি হতে থাকলে, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা না থাকলে... সে সেদিন বলেছিল, না থাকলে মূল্যবোধ আর দেশপ্রেম, তাহলে আজমলের হৃৎপিণ্ড তো গ্রেনেড হতে বাধ্য হবেই। সে সে দিন বলেছিল, দেখছিলাম কুকুরগুলো কীভাবে তাড়া করে তাকে নিয়ে এসেছিল খাস খানকায় যাওয়ার গলিটার দিক থেকে। সে বলছিল, যেন কুকুরগুলো যুদ্ধ করছিল একটি সভ্যতার বিরুদ্ধে। সে আরও বলছিল, কুকুরগুলো তর্জন-গর্জন করছিল এতই, আশপাশের দোকান খোলার তো প্রশ্নই আসে না, আবাসিক ভবনগুলোর দরজাও ছিল লাগানো। জানালাও সিটকিনি আঁটা, পর্দা টানানো। সব ঘরে লাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আরও শক্ত কিছুর আড়াল খুঁজছে অধিবাসীরা, কেউ কেউ মেঝেতে শুয়ে পড়েছে। গুলি লাগার ভয়ে। ...স্নাইপার তাক করা ছিল, অধিকাংশ ভবনে না, তবে বেশ কিছু নিশ্চয়। তিনটা বাচ্চা মারা গেল কৌতূহল ধরে রাখতে না পেরে দৌড়ে বারান্দায় বা জানালায় চলে গেছে বলে। ...আমি মরিনি। জানের বাজি রেখে অবশ্য ভিডিওটা করেছি। আমার একটা সুবিধে ছিল, আমার বারান্দা লাগোয়া ডানপাশের ভবনটি আমার চাচার, আর সামনের ভবনের লোকজন-ডাবল তালা লাগিয়ে সকালেই পালিয়েছে প্রাণ নিয়ে। গেটের তালাগুলো কেউ ভাঙার চেষ্টা করেছে বোধ হয়, পারেনি নিশ্চিত ছিলাম। আর আমার বাঁ-পাশে সিঁড়িপথের প্যাঁচানো বাড়িয়ে রাখা গার্ড। মোটামুটি চারদিক থেকেই কাভার পাচ্ছিলাম। তখনো আকাশে হেলিকপ্টার উড়ছিল। কিন্তু গুলি করেনি আমাদের এদিকে। ওদের কাছে শক্তিশালী টেলিস্কোপ আছে নিশ্চয়। না হলে এমন ঘাপটি মেরে বসে থেকে ভিডিও করছি অনন্তকাল ধরে...হ্যাঁ, অনন্তকালই তো। দুই মিনিট কি চার মিনিটের ভিডিও বোধ হয়। কিন্তু সেখানে সত্যি আমার দুই যুগের সঙ্গে আরও এক যুগের জীবনে এমন স্থবির সময় পাইনি। যেন পাথরের একেকটা পর্বতমালা একেকটা ন্যানো সেকেন্ড। কুকুরগুলো তাড়া করে আনলো আজমলকে।

৪.

দ্য লর্ড ব্রোমাজিপাম আর টাকা দিয়ে কিনে ডিও নেশার শেষ রাতটাকে চার ভাগে ভাগ করে এক ভাগ আজলায় তুলে ফেলে দেয়। রাতটা আর তিন ভাগ থাকে। কেউ একজন রাতটা থেকে চুরি করে উদ্বাস্তু কুকুরগুলোকে, রাতটা আরেক ভাগ কমে। তারপর আজমলের মৃত্যুর জন্য কমে আরও এক ভাগ। শেষ ভাগটা সিগারেটের ধোঁয়ায় ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে উঠলে দেখি, আমি নিজেই কুকুর হয়ে গেছি, একটা নয়, দুটো নয়, পৃথিবীর সব এক হয়ে প্রভাবিত করেছে আমাকে। আমি রাতের পরে রাত ভাঙছি। সাঁতরে পার হচ্ছি অন্ধকার। আর অন্ধকারের ভিতর সারি সারি দাঁড়িয়ে যেতে দেখছি আজমলদের। তারাও রাত ভাঙবে শপথ নিয়েছে। শপথের পক্ষে শহীদ হয়েছে। আর আমি ভুলে গেছি সেটি সত্যি সত্যিই একাধিক রাতের সমান একটি রাত ছিল কি না, যখন আজমলকে তুলে আনা হলো মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে, অথবা আধমরা করে। অথবা শুধু লাশটিই নিয়ে আসা হয়েছে উল্লাস করার জন্য...আমি জানি না। আর জানি না সত্যিই এর মধ্যে এতগুলো রাত পার হয়ে গেছে কি না, কারণ আজমলদের মতো এ রকম ভূমিপুত্রকে প্রতিদিনই খুবলে খাচ্ছে কুকুরগুলো, কুকুরগুলো তীব্রভাবে চিৎকার করে বলছে, না না মানুষ।

এই বিভাগের আরও খবর
উৎপল
উৎপল
নারিন্দার মেয়ে
নারিন্দার মেয়ে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
গহিন কাব্য
গহিন কাব্য
অর্থময় সিসিফাস
অর্থময় সিসিফাস
ইরাবতী
ইরাবতী
নির্জন নদী
নির্জন নদী
প্রমার মুখ
প্রমার মুখ
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা