প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘সিপিডির বক্তব্যের সঙ্গে আমরা একমত নই। বাংলাদেশের অর্থনীতি যথেষ্ট সক্ষম এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের জন্য। ভবিষ্যতে এটা আমাদের জন্য আরও ভালো হবে। আমাদের যারা ম্যানুফেকচারিং কোম্পানি আছে, আমাদের সার্ভিস সেক্টর আছে, সব সেক্টরের জন্য এটা ভালো বার্তা বয়ে নিয়ে আসবে।’
রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আজ রবিবার এক ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সরকার মনে করে বাংলাদেশে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন হলে আরও বেনিফিটেড হবে। সেখানে যে সমস্ত চ্যালেঞ্জ আসতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি, সেই চ্যালেঞ্জকে ওভারকাম করার জন্য যা যা করার দরকার অন্তর্বতীকালীন সরকার তাই তাই করছে এবং করবে। নিশ্চিত থাকেন এটা বাংলাদেশের জন্য ভালো সংবাদ বয়ে নিয়ে আসবে।’
প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরসূচি তুলে ধরে শফিকুল আলম বলেন, এই সফরের সময় চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বেইজিংয়ে ২৮ মার্চ অধ্যাপক ইউনূসের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে। সেখানে দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় সকল বিষয় নিয়ে আলাপ হবে।
তিনি বলেন, ‘অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি হবে তার প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর’।
প্রেস সচিব বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশকে একটা বৈশ্বিক ম্যানুফেকচারিং হাব (উৎপাদন কেন্দ্র) হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। সে লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার সফরে চীনের কারখানাসমূহকে কীভাবে বাংলাদেশে স্থানান্তর করা যায়, সে বিষয়টি আলোচনায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।
শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ম্যানুফেকচারিং হাব হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হবে। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্কটা নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান অধ্যাপক ইউনূস।
শফিকুল আলম জানান, বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেছেন যে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশের সরকার প্রধানের জন্য এই সফরটি হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এবং সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।
বিডি প্রতিদিন/আরাফাত