শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৬ মার্চ, ২০২৫

অনন্তকালের মহানায়ক উত্তম কুমার

আলাউদ্দীন মাজিদ
প্রিন্ট ভার্সন
অনন্তকালের মহানায়ক উত্তম কুমার

শুধু পশ্চিমবঙ্গই নয়, গোটা বিশ্বের বাঙালির সামাজিক, সাংস্কৃতিক, এমনকি ব্যক্তি পরিসরেও এক চিরস্থায়ী মুদ্রা কীভাবে হয়ে উঠলেন উত্তম কুমার, সেই বৃত্তান্তে নিত্যনতুন আলো পড়ছে আজও। তাঁর মৃত্যুর ৪৪  বছর কেটে যাওয়ার পরেও যে আলো, উত্তম কুমারের হাসির মতোই একসঙ্গে সম্মোহক এবং নির্মল।

 

তখন নাম অরুণ কুমার, নায়ক হওয়ার বাসনায় প্রাণপণ লড়াই চলছে তাঁর। কিন্তু একের পর এক ফ্লপের পর প্রদীপ কুমারের ব্যস্ততার কারণে হাতের কাছে নায়ক না পেয়ে ১৯৫০ সালে মর্যাদা ছবিতে কাজ দিতে রাজি হলেন পরিচালক সরোজ মুখোপাধ্যায়। কিন্তু অদ্ভুত এক শর্তে। ওই অপয়া স্ক্রিন নামটি বদলাতে হবে। নতুন নাম হবে অরূপ কুমার। অরুণ নামে কী আসে যায় বলে ঝাঁপিয়ে পড়লেন সেটে। কিন্তু ছবির আবারও সুপার ফ্লপ হওয়া আটকাতে পারলেন না অরূপ কুমারও। ফ্লপ মাস্টার জেনারেল তকমা তখনই তৈরি হলো স্টুডিওতে। তবে এর মধ্যেও সামান্য রুপালি রেখা ছিল বলেই মর্যাদা ফ্লপের পরেও আরও দুই বছর স্টুডিওপাড়ায় টানতে পেরেছিলেন উত্তম। সাউথ সিঁথি আর বরানগরের ক্রসিংয়ের কাছে ছিল তখনকার ডাকসাইটে এম পি স্টুডিও। পাহাড়ী সান্যাল এবং আরও কিছু ব্যক্তির সুপারিশে সেখানে মাসিক ৪০০ টাকা বেতনে স্টাফ আর্টিস্টের চাকরি পেয়ে ডুবন্ত সংসারে হাল ধরেছিলেন সেদিন অরুণ। সেখানে তখন সহযাত্রী ছবির কাজও শুরু হবে নতুন পরিচালক গোষ্ঠী অগ্রদূত-এর পরিচালনায়। কামনায় (১৯৪৯) তাঁর নাম ছিল উত্তম চ্যাটার্জি। সব ফেলে নতুন নাম নিলেন অরুণ। উত্তম কুমার। দীর্ঘদিন খরার পর অলক্ষ্যে নিয়তি নির্ঘাত মুচকি হেসেছিল সেদিন। তবে চলল না সহযাত্রী এবং ওই ১৯৫১ সালে তৈরি আরেকটি ছবি সঞ্জীবনীও। দ্বিতীয় এ ছবিটিতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন সন্ধ্যারাণী। ছবি আবারও ফ্লপ। আনন্দবাজারে একটি লাইন অবশ্য লেখা হয়েছিল সমালোচনায়, উত্তম কুমার স্থানে স্থানে অভিনয় ক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন। প্রবল ব্যর্থতার মধ্যে এ স্বীকৃতি তাঁকে সামান্য হলেও অক্সিজেন দিয়েছিল। এরপর ১৯৫২ সালেই রিলিজ  হলো বসু পরিবার। যার ওপর বাকি জীবনের শেষ দাওটা লাগিয়ে বাড়িতে বলেই দিয়েছিলেন উত্তম- আর নয়, এ ছবিও ব্যর্থ হলে ফিরে যাবেন কেরানিজীবনে। মেনে নেবেন, অভিনয়ে সামাজিক, সাংস্কৃতিকএসেছিলেন নেহায়েতই অল্প বয়সের আবেগ উন্মাদনায়। মেনে নেবেন কোনো প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা ছাড়া সমুদ্রে জাহাজ চালাতে নেমে পড়া ঘাট হয়েছে তাঁর। অবশেষে ভাগ্যদেবী উত্তমের প্রতি বুঝি সুপ্রসন্ন হলেন। উনিশ শ বাহান্ন সালে বসু পরিবার, তিপ্পান্নতে সাড়ে চুয়াত্তর রিলিজের পর কী ঘটেছিল তা আজ ইতিহাস। বাংলা সিনেমা শুধু নয়, সমগ্র বঙ্গ জাতির অবশ্য পাঠ্য সিলেবাসের মধ্যে তা ঢুকে গেছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গই নয়, গোটা বিশ্বের বাঙালির সামাজিক, সাংস্কৃতিক, এমনকি ব্যক্তিপরিসরেও এক চিরস্থায়ী মুদ্রা কীভাবে হয়ে উঠলেন উত্তম কুমার, সেই বৃত্তান্তে নিত্যনতুন আলো পড়ছে আজও। তাঁর মৃত্যুর ৪৪ বছর কেটে যাওয়ার পরেও যে আলো উত্তম কুমারের হাসির মতোই একসঙ্গে সম্মোহক এবং নির্মল।

মহানায়ক উত্তম কুমারের সঙ্গে অনেক নায়িকা অভিনয় করেছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন শকুন্তলা বড়ুয়া। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আমার চলচ্চিত্রজীবনের প্রথম নায়ক উত্তম কুমার। প্রচুর নায়কের সঙ্গে কাজ করেছি আমি এত বছরের অভিনয়জীবনে, কিন্তু দ্বিতীয় কাউকে বলতে পারব না যিনি উত্তম কুমারের ধারেকাছে এসেছেন। ওঁর গাম্ভীর্য, হাঁটাচলা, কথা বলা মাপে মাপে। এখনকার হিরোরা তো সবাই চিৎকার করে কথা বলেন। আজকাল গাড়ি থেকে নেমেই আকাশের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে হাই বলে একটা লাফ দেয়। যাতে মিডিয়া দেখতে পায় এই তো। উত্তম কুমার ছিলেন হিমালয়। উনি সবসময় গাড়ি থেকে নেমে মাথা নিচু করে তাকিয়ে হেঁটে যেতেন। কারণ উনি তো ছিলেন ওপরের মানুষ। ওঁকে সবাই মাথা উঁচু করে দেখত। এ কারণেই উত্তম কুমারের বিকল্প আজও এলো না, আসবেও না। আমার চোখে উনি একটা আইডিয়াল মানুষ। আমি যখন এসেছিলাম ইন্ডাস্ট্রিতে আরও অনেক বেশি সুন্দরী ছিলাম। কই উত্তম কুমার তো আমার থেকে কোনো সুযোগ নেননি। নেভার। বরং আগলে রেখেছেন। প্রথম দিন এনটি ওয়ানে কাজ করছি। আমার রুমের বিপরীতে উত্তম কুমারের মেকআপ রুম। আমি শুনতে পারছি উত্তম কুমার ফোন করে বেণুদিকে (সুপ্রিয়া দেবী) বলছেন- বেণু, আমার লাঞ্চে যখন খাবার আসবে তার সঙ্গে যেন শকুন্তলারও খাবার আসে। এটা কোনো হিরো আজ পর্যন্ত বলেছেন বা করেছেন? আমি তখন নতুন একটি মেয়ে। কেউ আমায় জানে না, কেউ আমায় চেনে না। আমি তো দেখিনি কোনো নবাগত নায়িকাকে কোনো সুপার স্টার হিরো এ সম্মান দিচ্ছেন। উত্তম কুমার এ জন্যই আলাদা। মানে ভাবা যায় না ওঁনার মনটা কত বড় ছিল। আরও বলব, আমাকে যেভাবে উনি অভিনয়ে হেল্প করেছেন, ওই অন্ধ মেয়ের রোলে প্রথম দিন প্রথম শটে। পৃথিবীর কেউ দেখতে পেল না, আমার কানের কাছে পায়চারি করতে করতে উনি বলে দিলেন তুমি ডান পা দিয়ে এগোবে আর আড়াই পা গিয়ে তুমি আমার বাঁ কানের দিকে তাকিয়ে চায়ের কাপটা নিয়ে বলবে দাদা চা। ফার্স্ট শট একবারে ওকে। সবাই ভাবল নতুন মেয়ে, ফার্স্ট শট ওকে হয়ে গেল, বাব্বা। কিন্তু কেউ জানল না, ওকে হওয়ার টিপসটা দাদা দিয়ে দিয়েছিলেন। পরে আমি দাদাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম এটা আমায় বললেন কেন? দাদা বললেন মুচকি হেসে (কখনো হে হে করে হাসতেন না) তুমি আড়াই পা এগিয়ে আমার বাঁ কানের দিকে তাকালে আলোটা তোমার মুখে পড়বে।

দাদা আজ চলে গেছেন ৪৫ বছর। আজও তিনি অমলিন, অনন্তকালের মহানায়ক আর মানুষ উত্তম কুমার।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা
উতলা রাশমিকা
উতলা রাশমিকা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
আমার দেশ, মাটি, চারপাশের জীবন অভিনয় এটাই আমি
আমার দেশ, মাটি, চারপাশের জীবন অভিনয় এটাই আমি
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
দামি কাপড়ের প্রতি আগ্রহ নেই রুনা লায়লার
দামি কাপড়ের প্রতি আগ্রহ নেই রুনা লায়লার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সোনাক্ষী জাহিরের ঈদ
সোনাক্ষী জাহিরের ঈদ
শাহরুখের ঈদ বার্তা
শাহরুখের ঈদ বার্তা
সিকান্দারে ম্লান সালমান
সিকান্দারে ম্লান সালমান
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
ফারিয়ার ভয়
ফারিয়ার ভয়
সর্বশেষ খবর
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৪৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা