শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ঢাকাই চলচ্চিত্রে নারী চরিত্র দুর্বল কেন

আলাউদ্দীন মাজিদ
প্রিন্ট ভার্সন
ঢাকাই চলচ্চিত্রে নারী চরিত্র দুর্বল কেন
তোর বাবার প্রতিশোধ নে বাবা কিংবা তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না সাগর টাইপের সংলাপ ছাড়া তেমন কোনো চরিত্র এদের হাতে পৌঁছায় না। স্বভাবতই চরিত্রের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে সিনেমার ওজন বাড়ানোর চেষ্টা থেকে নিজেদের বিরত রেখেছেন

ঢাকাই চলচ্চিত্রে নারী অভিনয় শিল্পীরা এখনো অবহেলিত রয়ে গেছেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারা শুধু নায়িকা হন নায়কের সঙ্গে প্রেম করতে, বন বাদাড়ে কোমর দুলিয়ে নাচতে আর গাইতে। এ ইন্ডাস্ট্রিতে বয়স হয়ে গেলে চরিত্রে প্রমোশন হয়, অভিজ্ঞতাতে নয়। নারীদের বেলায় সেটা অনেক বেশিই করুণ। এখানে অভিজ্ঞ হলে বেকার হতে হয়। আজকে যাদের ঘিরে ইন্ডাস্ট্রিতে কোটি কোটি টাকার লগ্নি, একটা সময় তারাই এখানে ঘুরে বেড়াবেন গুরুত্বের অভাবে। গ্ল্যামার আর যৌবনের জৌলুস হারালে এখানে ভাবি থেকে ক্রমান্বয়ে মা-দাদি হয়ে যেতে হয়। যেসব চরিত্র তাদের দিয়ে করানো হয় তার জন্য চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর অভিনয় করা ববিতা-কবরী লাগে না। রোজকার সম্মানিতে পাওয়া যায় এমন বয়স্ক শিল্পীকে দিয়েই সম্ভব, এফডিসি পাড়ায় যাদের এক্সট্রা বলা হয়। এটা অনুধাবন করতে পেরেই সিনিয়র অভিনেত্রীরা দূরে সরে আছেন চলচ্চিত্র থেকে। ভাবি, মা-দাদির চরিত্র দিয়েও যে সিনেমার প্রধান চরিত্র হওয়া যায় সেই ভাবনার ছায়া আমাদের সিনেমাতে বিরল। আম্মাজান ছবিটি নায়কপ্রধানই। মান্নার পাগলাটে অভিনয় ছবিটিকে অনন্যতা দিয়েছে। কিন্তু সেই ছবিতে প্রায় নির্বাক চরিত্রে অভিনয় করেও দেশের দর্শকদের কাছে আম্মাজান খ্যাতি পেয়েছিলেন নন্দিত অভিনেত্রী শবনম। এরপর কোথায় সেই চরিত্র, যেখানে অভিনয় কিংবা গল্পের গুরুত্বে নায়িকা না হয়েও নারী প্রাধান্য পেয়েছে? ষাটের দশকে আমাদের চলচ্চিত্রের গোড়াপত্তন থেকে শুরু করে এখনো এ দেশের চলচ্চিত্রের নারী চরিত্রের এটিই একমাত্র চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাঝেমধ্যে কবরী সারেং বৌ কিংবা ববিতা গোলাপী আর শাবানা বাংলার বধূ হয়ে এসেছেন কিন্তু সেখানেও একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতে পারেননি তারা। অথচ হলিউডের এলিজাবেথ টেলর, জেনিফার লোপেজ, সোফিয়া লরেন কিংবা বলিউডের সেই মাদার ইন্ডিয়া ছবির নার্গিস থেকে শুরু করে হালের গাঙ্গুবাই খ্যাত আলিয়া ভাটরা মূল চরিত্রে কাজ করে চলচ্চিত্রের মধ্যমণি হয়ে আছেন। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিক লিমন আহমেদ যথার্থই বলেছেন, তার কথায়, স্বাধীনতার পর থেকেই এ দেশের নারীদের উন্নতি হয়েছে সবখানে। তারা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছে, আকাশে বিমান নিয়ে উড়ে বেড়িয়েছে, পুলিশ-আর্মিতে ঢুকে জাতিকে সেবা করেছে, ব্যবসা-ব্যাংকে প্রবেশ করে করপোরেট দুনিয়ার নেতৃত্ব দিয়েছে। তবে হাল যুগেও বদলায়নি এদেশের চলচ্চিত্রে নারীর উপস্থাপন। এখনো নারী প্রেমিকাই; আজকাল আর আমজাদ হোসেনের মতো কোনো নির্মাতার ছবিতে গোলাপীর দেখা মেলে না, কোনো সুন্দরী প্রতিবাদী হয় না সমাজের লোলুপ-রিক্ত চিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে। এখন অগ্নি নাম নিয়ে চলে দর্শক মাতানোর গল্প, সমাজ বা চেতনাকে মাতাতে পারে না। এখন সব ছবিতেই নারী চরিত্রগুলো ফ্যাকাশে। নায়িকারা হাজির হচ্ছেন সিনেমার গ্ল্যামার আর কাটতি বাড়াতে। নায়কের কোমর ধরে নাচেন, হাঁটেন, ঘুরে বেড়ান, নাকি নাকি কান্না করেন। বাকি যা করার নায়করা একাই এক শ করছেন। আমাদের সিনেমায় নারী চরিত্রগুলো কতটা দরিদ্র সেটা অনুধাবন করা যায় ববিতা, কবরী, সুচন্দা, শবনম, শাবনাজ, শাবনূর, মৌসুমী, পূর্ণিমা, পপিদের অনিয়মিত হওয়া দেখলেই। তারা প্রত্যেকেই যার যার সময়ে সেরাদের তালিকায় রয়েছেন। মানুষকে নাড়া দেওয়া ও সমাজে প্রভাব ফেলার মতো চরিত্র পেলে তাঁরা বাজিমাত করবেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু তোর বাবার প্রতিশোধ নে বাবা কিংবা তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না সাগর টাইপের সংলাপ ছাড়া তেমন কোনো চরিত্র এদের হাতে পৌঁছায় না। স্বভাবতই চরিত্রের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে সিনেমার ওজন বাড়ানোর চেষ্টা থেকে নিজেদের বিরত রেখেছেন। হলিউডে ষাট বছর বয়সেও অভিনেত্রীরা সেরা অভিনেত্রী হয়ে অস্কার পাচ্ছেন। আর আমাদের দেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী ববিতা মনের মতো চ্যালেঞ্জিং চরিত্র না পেয়ে চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকছেন। পার্থক্যটা এখানেই। শাবনূর-মৌসুমীরা নায়িকা হওয়ার কোটা পার হওয়ার পরই গুরুত্ব হারিয়েছেন। কিন্তু মোল্লা বাড়ির বউ, খায়রুন সুন্দরী, চার সতীনের ঘর, নিরন্তর-এর সিনেমায় কী টিনএজ, জিরো ফিগার, সেক্সি লুক, ছোট কাপড়ের নাচে যোগ্যতা লেগেছিল? বা এ যোগ্যতাসম্পন্ন নায়িকারা কী পারছে মোল্লা বাড়ির বউ, খায়রুন সুন্দরী, চার সতীনের ঘর, নিরন্তর-এর মতো সিনেমা উপহার দিতে? তবে নারীদের নায়িকা ভাবার বাইরে গিয়ে অভিনেত্রী ভাবার চর্চাটা কেন ইন্ডাস্ট্রি করছে না, সেই প্র্রশ্নের উত্তর পাওয়া কঠিন। সর্বশেষে জনপ্রিয় কয়টি সিনেমার নাম- আয়নাবাজি, ঢাকা অ্যাটাক, শিকারী, নবাব, রাজনীতি, বসগিরি। ছবিগুলোতে মনে দাগ কেটেছে কোন সিনেমার কোন নারী চরিত্রটি? বুকে হাত দিয়ে এর সদুত্তর হয়তো নির্মাতারাও দিতে পারবেন না। নায়িকারা এসব ছবিতে এসেছেন নায়ককে বিকশিত করতে, গল্পকে উপভোগ্য করতেই। তবে ঢাকা অ্যাটাক ছবিতে মাহিয়া মাহিকে তৎপর সাংবাদিক হিসেবে আলাদা লেগেছে দর্শকদের। যদিও চরিত্রটির প্রয়োজনীয়তা ও এর বিকাশ নিয়ে আলাপ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। ধুমধাম ব্যবসা না করলেও তৌকীর আহমেদের হালদা ছবিতে তিশা, দিলারা জামান, রুনা খানের চরিত্রগুলো প্রমাণ দেয় চরিত্র নিয়ে ভাবলেই নারীদের গুরুত্ব বাড়ানো যায় সিনেমায়। সংগ্রামী জীবন তো কেবল পুরুষের নয়, পুরুষের জীবনের পেছনেও নারীর অনেক সংগ্রাম থাকে। সিনেমা সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম। সিনেমা সমাজ বদলায়। কিন্তু আমাদের প্রায় ষাট বছরের চলচ্চিত্রে সমাজে প্রভাব ফেলার মতো নারী চরিত্র খুব বেশি নেই। শুধু গ্ল্যামারটাই বেচে খাওয়া হয়েছে। সহজ ভাষায়, সিনেমা নামক পণ্যের আকর্ষণীয় মোড়ক হয়েছেন নারীরা।

এই বিভাগের আরও খবর
নতুন অধ্যায়ে নিদ্রা নেহা
নতুন অধ্যায়ে নিদ্রা নেহা
জনপ্রিয় বলিউড তারকা মনোজ কুমার নেই
জনপ্রিয় বলিউড তারকা মনোজ কুমার নেই
ভুয়া খবরে বিব্রত জ্যাকুলিন
ভুয়া খবরে বিব্রত জ্যাকুলিন
অঞ্জন দত্তের জীবনবোধ
অঞ্জন দত্তের জীবনবোধ
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা
উতলা রাশমিকা
উতলা রাশমিকা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
আমার দেশ, মাটি, চারপাশের জীবন অভিনয় এটাই আমি
আমার দেশ, মাটি, চারপাশের জীবন অভিনয় এটাই আমি
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা