অভিনেতা ইমতিয়াজ বর্ষণ। একের পর এক ভিন্নধর্মী চরিত্রের মাধ্যমে পর্দায় তাঁর উপস্থিতি যেন মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে। অভিনেতা পরিচয়ের বাইরে চমৎকার গানও করেন বর্ষণ। তাঁর সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলেছেন- পান্থ আফজাল
নতুন বছর শুরু হলো। প্রত্যাশা কী?
ভালো কিছুর প্রত্যাশাই থাকবে। সবাই ভালো থাকুক, মানুষ ভালো থাকুক। এইতো।
নতুন নাটক, ওয়েব বা সিনেমা শুরু করেছেন?
বেশ কিছু কাজ করছি। কিছুর কথা চলছে। সামনে হয়তো হবে। এর মধ্যে আমার অভিনীত ‘কেয়ার অব বনলতা সেন’ আসবে, যেটি আতিফ আসলাম বাবু পরিচালনা করেছেন। বঙ্গতে যাচ্ছে মুহাম্মদ মিফতাহ আনানের ‘তারাবাতি’। খুবই সুন্দর একটা কাজ। সিনেমা হবে, ওয়েবেও কাজ হবে।
আর নিজের গান?
কিছু গান করেছি। প্রস্তুত আছে কিছু। শুধু সময়ের অপেক্ষা ছাড়ার জন্য। আর আমাদের ব্যান্ডের গান রেডি হচ্ছে।
অভিনয়ে আপনার আইডল কে?
শুধু একজনের কথা বলা যাবে না। অনেক আছে। আমাদের দেশে আইডল হওয়ার মতো অনেক অভিনেতা ছিলেন। এখনো আছেন। আমার মোশাররফ ভাইয়ের অভিনয়, চঞ্চল ভাই, নিশো ভাই আর অপূর্ব ভাইয়ের অভিনয় ভালো লাগে। প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গায় খুবই শক্তিশালী। তার আগে আমাদের হুমায়ুন ফরীদি, আফজাল হোসেনের অভিনয় খুবই ভালো লাগে। দেশের বাইরে যদি বলেন তাহলে ইরফান খান, নাসিরুদ্দিন শাহের অভিনয়ের ভক্ত আমি। আর হলিউডের রবার্ট ডি নিরো আমার ফেবারিট অ্যাক্টর।
শুটিংয়ের জন্য তো বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়, বিষয়টি কেমন উপভোগ করেন?
আমি চট্টগ্রামের ছেলে। সেখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা আমার। দলবেঁধে বন্ধুদের সঙ্গে পাহাড় ও সমুদ্রে ঘুরতে খুব পছন্দ করি। তবে শুটিংয়ের জন্য যেসব জায়গায় যাই, তা আসলে কাজের প্রয়োজনে। কাজ ভালোভাবে করতে পারলে সবকিছুই আনন্দ লাগে। কষ্টটাও উপভোগ্য হয়।
অভিনয়ের শুরুটা তো মঞ্চ দিয়ে...
হ্যাঁ, মঞ্চ দিয়েই শুরু। মঞ্চ অভিনেতা ও সহকারী পরিচালক থেকে আমার পথচলা। আর সিনেমায় আসার স্বপ্ন বুনেছি সেখান থেকেই। শিখেছিও অনেক।
ওয়েব ও ফিল্মগুলোতে আপনি নানা চরিত্রে ভেঙেছেন নিজেকে, অভিনেতা হিসেবে নিজেকে মূল্যায়ন কীভাবে করেন?
আমি আসলে এক ঘরানায় আটকে থাকতে চাই না। সে চেষ্টাই করছি। দর্শক আমার সব চরিত্রকে গ্রহণ এবং প্রশংসাও করছেন। আমি খুশি।
এখনো অবিবাহিত। বিয়ের বাদ্য কবে বাজবে?
দেখা যাক সামনে কী হয়। এখনো তো অনেক দিন পড়ে আছে।