শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:২৪, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫

পেছন পানে ফিরে চাওয়া

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
পেছন পানে ফিরে চাওয়া

ইংরেজি প্রবচনে আছে ‘ওনলি দ্য ওয়েরার নোজ হয়ার দ্য স্যু পিন্স।’ সুকতলার পেরেক খোঁচা মেরে পায়ের কী দশা করে তা কেবল ত্রুটিযুক্ত পাদুকা ব্যবহারকারীই টের পায়। যেমন আমি পাচ্ছি গেল কয়েক দিন ধরে। স্মৃতি ঝাঁকাই আর ঝাঁকাই কিছুতেই মনে করতে পারছি না এক নাটকের নাম। অদ্ভুত পরিস্থিতি। নাট্যকারের নাম মনে আছে- কিরণ মৈত্র। তাঁর লেখা নাটকের একটা দৃশ্য নাড়ছে রুমাল পরানের গভীর ভিতরে। অথচ নাটকের নাম মনে পড়ছে না। কী যে অস্বস্তি!

নাটকে আছে- বারান্দায় বসে কথাবার্তা বলছে গৃহকর্তার ছোট ছেলে আর তার আট বছর বয়সি ভাইপো। ‘মা কি আর কোনো দিন সুস্থ হবে না কাকু?’ প্রশ্ন করে ভাইপো। কাকু বলে ‘হবে। সেজন্য ভালো ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করানো দরকার। তা তো করানো যাচ্ছে না।’ ভাইপো জানতে চায়, কেন করানো যাচ্ছে না। কাকু জানায়, টাকার অভাবে। ভাইপোর প্রশ্ন, টাকার অভাব কেন? কাকু বলে, আমরা গরিব তা-ই। ভাইপোর প্রশ্ন, আমরা গরিব কেন কাকু?

জবাবে কাকু জোরসে চড় মেরে ভাতিজাকে বলে, ‘ভাগ! ফাজিল ছেলে কোথাকার।’ চপেটাঘাত খেয়ে কাঁদতে লাগল ছেলেটি। আদরের নাতির কান্না। বারান্দায় ছুটে এসে গৃহকর্তা বলেন, ‘কী হয়েছে দাদু?’ নাতি বলে, ‘কাকু আমায় মেরেছে।’ গৃহকর্তা তার ছোট ছেলেকে বলেন, ‘কী রে! ওকে মারলি কেন?’ ছোট ছেলে বলে, মারব না তো কী করব? বলে কিনা আমরা গরিব কেন কাকু! গৃহকর্তা বলেন, ‘সে জন্য কচি খোকাটার গায়ে হাত তুলতে পারলি?’

‘হ্যাঁ, পারলাম।’ বলে ছোট ছেলে, ‘ওকে এখনই সামলানো চাই। আজ জানতে চেয়েছে আমরা গরিব কেন। তারপর একদিন বলে বসবে আমরা মানুষ কেন কাকু? তখন কী জবাব দেব?’

২. গরিবির তীব্রতায় কাতর মানুষ ধুঁকতে ধুঁকতে একসময় নিজের অস্তিত্বকে অর্থহীন জ্ঞান করে। নিজেকে নিজে শেষ করে দেয়। উল্টোটাও ঘটে। পরিস্থিতির বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে কেউ কেউ প্রাচুর্যের সিংহদুয়ারে পৌঁছে যায়। এ ধরনের বেশ কজনের ইতিহাস আমার জানা। অন্ধকার ডিঙিয়ে আলোর ভুবনে আসা সেই কৃতী পুরুষদের জানাই অভিবাদন। এদের মধ্যে অবশ্য কারও কারও আচরণ পীড়াদায়ক। আসলে পীড়াদায়ক না বলে, বলা উচিত আমোদজনক। কারণ এই কিসিমের মহাজনরা ভঙ্গি দেন, তারা সোনার চামচ মুখে নিয়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছেন। অপপন্থায় বিত্ত আহরণের লালসা তাদের কখনো ছিল না, এখনো নেই, আগামীতেও হবে না। কুপথে ধনার্জন করার যে অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে তোলা হয়েছে তা নীচপ্রবৃত্তির কতিপয় ব্যক্তির ঈর্ষাপ্রসূত কুৎসাচার। অভিশাপ দিয়ে তারা বলেন, যারা আমাদের হেয় করতে চায় তারা নিপাত যাক।

সত্যের একটা বিরাট সুবিধা : তাকে অভিশাপ দিয়ে কাবু করা যায় না। তাহলে অভিশাপ দেওয়া কেন? বলা যায়, দুর্বলচিত্তের সান্ত্বনার প্রয়োজন। বিত্ত থেকে উৎসারিত আভিজাত্যের চূড়ায় ঈর্ষাপ্রসূতআরোহণকারী যখন তার অন্ধকার বা সংগ্রামী অতীত (একদার নুন আনতে পান্তা ফুরানোর জীবন) উন্মোচন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তখন, নিঃস্ব রিক্তহীনবল মানুষের দুর্বলতা আর তার দুর্বলতা একাকার হয়ে যায়। সবলের হাতে পর্যুদস্ত দুর্বল অভিশাপ দেয়-‘আল্লাহ তোরে লুলা করে দিক।’ বিত্তে প্রবল চিত্তে দুর্বল অভিজাতজন তার লাগসই ভাষায় ‘তুই নিপাত যা’ বলে শাপবর্ষণ করেন।

এসব অভিজাতকে আমরা পরোয়া করি না; করুণা করি। আমরা স্মরণ করি জিরো থেকে হিরো হওয়া সেসব কীর্তিমানকে, যাঁরা তাঁদের দুঃখদিনের কাহিনি কাঁদতে কাঁদতে শোনান, শ্রোতাদেরও কাঁদান। হয়তো এঁদের মানস ধারণ করেই ‘যাবার বেলায় পথিক যখন পিছন ফিরে চায়/ফেলে আসা দিনকে ভেবে মন যে ভেঙে যায়’- এরকম হৃদয়স্পর্শী গান হেমন্ত মুখার্জি গেয়ে গেছেন। প্রসঙ্গক্রমে তিনজনের কথা নিবেদন করছি। এঁরা হলেন কুমিল্লার সন্তান হিশাম উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর জেলার ড. বশির আহমেদ খান ও আর্জেন্টিনার দিয়াগো ম্যারাডোনা।

৩. সংবাদ সাময়িকী ‘আজকের সূর্যোদয়’-এ ১৯৯৫ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত ৯ বছর ‘বালিশকথন’ শিরোনামে ব্যক্তিগত কলাম লিখেছিলাম। ২০০১ সালের এপ্রিলের সংখ্যায় ওই কলামে লিখেছিলাম আমার হারানো শৈশবের কিছু কথা, যেখানে বাবার মুখে শোনা আমার আম্রআসক্তির বিষয়টি এসেছিল।

ছয়-সাত বছর বয়সকালে মাঝরাতে ঘুম ভাঙলেই ‘আম দাও/আম খাব’ বলে ঘ্যানর ঘ্যানর করতাম। এতে বাবার ঘুমের ব্যাঘাত হতো। প্রতিকারার্থে তিনি খাটের নিচে টুকরি ভর্তি আম রেখে দিতেন। যখনই ‘আম দাও/আম খাব’ স্টাইলে নাকি কান্না জুড়ে দিতাম তখনই নিদ্রাকাতরবশত মুদিত চোখ বাবা মশারির ভিতর থেকে ডান হাত খাটের তলায় বাড়িয়ে দিতেন আর টুকরির আম নিয়ে বলতেন, ‘ধরো, খাও মনভরে খাও।’

সুদূর সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকৌশলী হিশাম উদ্দিন ওই লেখাটি পড়ে ‘সূর্যোদয়’ অফিসে ফোন করেন। তিনি আমার সঙ্গে আলাপ করতে চান। সূর্যোদয় অফিস জানায়, কলাম লেখক এখানে চাকরি করেন না। তাঁর কর্মস্থল তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত এক দৈনিক পত্রিকায়। তারা ফোন নম্বর দেয়। আমি তখন বার্তা সম্পাদক পদধারী। সময়মতো পত্রিকা ছাপানোর প্রক্রিয়ায় রাত ১২টার পর থেকে টেনশনে থাকি। মেজাজ খিটখিটে অবস্থা। রাত প্রায় দেড়টায় হিশাম উদ্দিনের ফোনকল।

‘ভাই, একটা রিকোয়েস্ট ছিল’ বলেন হিশাম উদ্দিন, ‘যদি আম আর আমার কাহিনিটি লিখতেন।’ তাঁকে জানাই, এখন ব্যস্ত আছি। যেকোনো সন্ধ্যায় ফোন করলে ভালো হয়। তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন এবং তিন কি চার দিন পর সন্ধ্যায় ফোন করে সব শোনালেন।

হিশাম উদ্দিনের বাবা ছিলেন সরকারি আপার ডিভিশন ক্লার্ক। তাঁরা দুই ভাই, দুই বোন। অনটনে জর্জর পরিবার। বেতনের সব টাকা মায়ের হাতে তুলে দিতেন বাবা। বড় মামা কিছু আর্থিক সহায়তা করতেন। দুই খাতের টাকা একত্র করার পরও তা হাজার হতো না। ওই টাকায় মা কেমন করে সন্তানদের লেখাপড়া আর খাওয়া-পরার খরচ মেটাতেন তা আজও (৪৫ বছর বয়সি) হিশামের কাছে বিরাট এক রহস্য।

পরিবারে সদস্য ছয়জন। আমের মৌসুমে বাবা প্রতি তিন দিন অন্তর ছয়টি আম কিনে আনতেন। সকাল ৯টায় সবাই একসঙ্গে আহার করতেন। ওই সময় দুধ দিয়ে খাওয়ার জন্য আম দেওয়া হতো। বাবা খেতেন না। বলতেন, ‘অফিসে নিয়ে যাব। দুপুর বেলায় খাব।’ এ পর্যন্ত বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন হিশাম। ফুঁপিয়ে কান্না; কথা বলতে পারছিলেন না। আমি তাঁকে শান্ত থাকতে বলি। তিনি বলেন, বাবা আমাদের জন্য কী কষ্টই না করেছেন, আমরা ভাইবোনরা তাঁর কোনো খেদমতই করতে পারলাম না।

ছাতা মাথায় অফিসে যেতেন বাবা। সঙ্গে থাকতেন হিশাম। পথিমধ্যে বড় ছেলে হিশামের স্কুল। ছেলেকে স্কুলের গেট পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে তিনি তাঁর পাঞ্জাবির পকেট থেকে আম বের করে বলতেন, ‘নে। দুপুরে খেয়ে নিস।’ আমের পাগল ছিলেন হিশাম। মামাবাড়িতে অনেক আম গাছ। সে বাড়িতে গেলে গাছের পর গাছে উঠে আম পাড়তেন আর খেতেন। নিজেদের বাড়িও নিয়ে আসতেন। আমপাগল ছেলের তুষ্টির জন্য নিজের ভাগের আমটি বাবা না খেয়ে চুপিসারে ছেলেকে খাওয়াতেন।

‘বাবার আত্মবঞ্চনা উপলব্ধি করতাম। তবু তাঁর ভাগের আমটি খাওয়ার লোভ সংবরণ করতে পারিনি।’ বলেন হিশাম উদ্দিন, ‘কখনো বলিনি, আজ তোমারটা তুমি খাও। আমাকে অন্য দিন দিও। এখন বাবাকে খাওয়ানোর জন্য রোজ দশ ডজন আম কেনার সামর্থ্য আমার আছে। কিন্তু বাবা তো নেই।’ হিশাম আবারও কাঁদতে থাকেন। কান্না যেন আর থামবেই না।

৪. বশির আহমদ খান কলেজে পড়াকালে আমাদের বাড়িতে লজিং থাকতেন। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের ছেলে বশিরের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার এক গ্রামে। আট বছর বয়সে তাঁর মা মারা যান; ১০ বছর বয়সে মারা গেলেন বাবা। চাচা নিসারউল্লাহ তাঁকে লালন করেছেন। গ্রাম্য বাজারের ছোট দোকানের ছোট্ট দোকানি নিসারের ছেলেমেয়ে তিনটি, ওদের খাবার জোটানোই মুশকিল, এরই মধ্যে তিনি ভাতিজা বশিরকে মানুষ করার দায়িত্ব নিলেন। এতে চাচি ভীষণ রুষ্ট। স্বামীর এতিম ভ্রাতুষ্পুত্রকে এই নারী ‘চাকর’ মর্যাদায় গ্রহণ করেন। রাজ্যের যত নিষ্ঠুরতা আছে সবই প্রয়োগ করেন ভাশুর-পোর ওপর।

বশির স্যার (যাঁকে আমি আর আমার ছোট ভাই আড়ালে ‘বাক’ বলতাম-বি ফর বশির, এ ফর আহমদ, কে ফর খান = সমান সমান ‘বাক’) খুবই নিয়মনিষ্ঠ যুবক। খুবই মেধাবী। এবং অতিশয় মিতবাক। তবে যখন দুঃখের কথা বলতেন, ছোটগল্প বলার ভঙ্গিতে বলতেন। একদিন বলেন, অঙ্ক আর ইংরেজির শিক্ষক ধীরেন সরকার স্কুল শেষে তাঁর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমায় এক ঘণ্টা পড়াতেন। নাশতা খেতে দিতেন। হিন্দুবাড়ির সন্দেশ হালুয়া ফুলকো লুচি যে কী সুস্বাদু! ধীরেন স্যারের সাহায্য বিনা ম্যাট্রিকে ভালো রেজাল্ট করতে পারতাম নারে।

আমাদের বাক স্যার পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতের শিক্ষক নিযুক্ত হন। সাত বছর পর দেশে এসে একটি আনন্দজনক ও একটি দুঃখজনক সংবাদ পান। আনন্দজনক সংবাদ, আমি ডিগ্রি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছি (তাঁর ধারণা ছিল, অঙ্কে সেরা গর্দভ আমি কোনো অবস্থাতেই এসএসসির চৌকাঠ ডিঙাতে পারব না।)

দুঃখজনক সংবাদ, বাক স্যারের চাচা মাত্র চার মাস আগে ইন্তেকাল করেছেন। চাচিও ভীষণ জরাগ্রস্ত। সংসারে অশান্তি হবে ভয়ে চাচির অজ্ঞাতসারে চাচা বহুদিন গোপনে বশিরকে হাতখরচ বাবদ টাকা দিয়েছেন। ঈদের সময় ‘বশুর মামারা পাঠিয়েছে’ বলে নিজের কেনা নতুন পোশাক ভাইপোকে দিয়েছেন। চাচার কোনো সেবা করতে পারলাম নারে বলে স্যার বিলাপ করতে থাকেন।

স্যার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁর চাচিকে চট্টগ্রাম নেবেন শুনে আমরা চমকে উঠি। উঠবই, কেননা প্রকৃত উচ্চশিক্ষা যে মানুষের আত্মাকে জগৎ-সংসারের সব রকম নীচতার কালিমা থেকে যোজন যোজন দূরে নিয়ে যায়, তা আমাদের অজানা। বললাম, আপনার সেই চাচি? তিনি বলেন, হ্যাঁ, সেই চাচি। বেসিক্যালি শি ইজ নট আ ব্যাড লেডি। স্বামীর ভাতিজার কারণে নিজ সন্তানদের খাওয়াপরার সমস্যা বেড়ে যাবে, এই নিরাপত্তাহীনতার বোধ তাঁকে দিয়ে নির্দয় কাজ করিয়ে নিয়েছে।

৫. ফুটবল তারকা দিয়াগো ম্যারাডোনাকে ১৯৮৯ সালে সংবর্ধিত করে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। ম্যারাডোনা সঙ্গে করে তাঁর স্কুলপড়ুয়া দুই মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে ম্যারাডোনা বলেন, ‘ফুটবল খেলে আমি বিস্তর আয় করেছি। আমার অর্থাভাব নেই। আজ এখানে আমায় সম্মানিত করতে আমার সামনে অনেক পণ্ডিত ব্যক্তি বসে আছেন। আমার তো কোনো পাণ্ডিত্য নেই। থাকবেই বা কেন! কৈশোরে লেখাপড়া শেখার বয়সটা তো আমার কেটে গেছে খাবারের জন্য কুকুরের সঙ্গে লড়াই করতে করতে...।’ কান্না চেপে রাখার চেষ্টায় ম্যারাডোনা আর বলতে পারছিলেন না। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সবাই দাঁড়িয়ে কান্না শুরু করলেন। ত্রিশ মিনিট ধরে নাকি এ অবস্থা চলেছিল।

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা