শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বখতিয়ার খলজির পথে বারবার হেঁটেছে বাংলাদেশ

মো. আবুসালেহ সেকেন্দার
প্রিন্ট ভার্সন
বখতিয়ার খলজির পথে বারবার হেঁটেছে বাংলাদেশ

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি একইভাবে না ঘটলেও তার অন্তর্নিহিত কারণ ও শিক্ষা একই থাকে। তাই ইতিহাস বারবার ফিরে ফিরে আসে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির কথা সবার আগে সামনে আসবে। শেখ মুজিব থেকে শেখ হাসিনা- ইতিহাস যেন একই পথে হেঁটেছে। শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতাপূর্ব জনপ্রিয়তার পারদ স্বাধীন বাংলাদেশে নড়বড়ে হয়ে যায়।  তিনি তাঁর শাসনামলের শেষ দিকে অনেকটা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। কেন, কার বা কাদের কারণে তিনি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন, সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নিয়েছেন বলে মনে হয়নি। তাদের অনেকের কার্যক্রম দেখে বখতিয়ার খলজির পথে বারবার হেঁটেছে বাংলাদেশ মনে হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পুনরায় সরকার গঠনের পূর্ব পর্যন্ত দিনগুলোর চিত্রও তারা ১৯৯৬ সালে এবং ২০০৮ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করার পর বেমালুম ভুলে যায়। ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সময়ে তাদের শাসনকালের ইতিহাস ঘাঁটলে সেই কথার সত্যতা পাওয়া যাবে। যার পরিণতিতে ২০০১ সালে তাদের আবারও ক্ষমতা হারাতে হয়।

সৃষ্টিকর্তা আবারও আওয়ামী লীগের প্রতি মুখ তুলে চেয়েছিলেন ২০০৮ সালে। সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বসে। কিন্তু সেই ক্ষমতা গ্রহণের পর তারা গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়। সীমিত পরিসরের গণতান্ত্রিক ধারায় আওয়ামী লীগের গাড়ি আটকে যায়। সেই আটকানোর পরিণতি কতটা ভয়াবহ পতন ডেকে আনতে পারে, তা সারা বিশে^র মানুষ দেখেছে গত বছরের জুলাই-আগস্টে। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সাজানো বাগান তছনছ হয়ে গেছে। তারা  ছিটকে পড়ে ক্ষমতার বাইরে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আজ গণহত্যায় বিচারের মুখোমুখি। অতি আত্মবিশ^াস ও আত্মন্ডঅহংকার আওয়ামী লীগের এই পরিণতির জন্য দায়ী।

শুধু আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে এই কথা প্রযোজ্য নয়। বাংলাদেশের অপরাপর রাজনৈতিক দলের খানা তল্লাশি করলেও একই পরিণতির শিক্ষা পাওয়া যায়। ক্ষমতার বাইরে থাকলে তাদের অনেকের এক রূপ, আর ক্ষমতায় গেলে তাদের অনেকের ভিন্ন রূপ চোখে পড়ে। ক্ষমতা যেন তাদের অন্ধ করে দেয়। তখন অনেকেই ধরাকে সরা জ্ঞান করেন না। ফলে তার পরিণতিতে পতন ঘটে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের অনেকেই ক্ষমতার পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তাদের অতীতকে ভুলে যান। তাদের বয়ান তারা পাল্টে ফেলেন।

যদিও তারা মুহাম্মদ বখতিয়ার আল খলজি থেকে শিক্ষা নিতে পারতেন। ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজি বাংলার তৎকালীন শাসক রাজা লক্ষ্মণ সেনের শাসিত নদীয়ায় বিজয়ী বেশে প্রবেশ করেন। এর মাত্র দুই বছর পর অর্থাৎ ১২০৬ সালে তাঁকে ইতিহাস সেরা পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হয়। ১২০৪ সালে নদীয়া বিজয়ের কারণে বখতিয়ার খলজির সঙ্গে থাকা সৈন্যরা ও তাঁর পরিবারের চোখে তিনি নায়ক ছিলেন। কিন্তু মাত্র দুই বছরের মধ্যে তাঁর তিব্বত অভিযান ব্যর্থ হলে তিনি তাঁদের কাছে খলনায়কে পরিণত হন। ঐতিহাসিক মিনহাজ উদ্দিন সিরাজ তাঁর ‘তবকাত নাসিরি’ গ্রন্থে লিখেছেন : তিব্বত অভিযান থেকে পরাজিত হয়ে দেওকোটে ফেরত আসার পর বখতিয়ার খলজি অত্যধিক মানসিক যন্ত্রণায় রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। তিব্বত অভিযানে নিহত সৈন্যদের স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে দেখা হলে তিনি লজ্জায় ঘোড়ায় চড়া থেকে বিরত থাকতেন।

মিনহাজের উপর্যুক্ত দাবি থেকে মনে হতে পারে যে বখতিয়ার খলজি তিব্বত অভিযানে নিহত সৈন্যদের স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি সম্মানার্থে ঘোড়ায় চড়তেন না। কিন্তু প্রকৃত কারণ ছিল ভিন্ন। তাঁর পক্ষে প্রকৃতপক্ষে ঘোড়ায় চড়া সম্ভব হতো না। মিনহাজের লেখা থেকেই তা স্পষ্ট হয়। মিনহাজের মতে, যখনই বখতিয়ার খলজি ঘোড়ায় চড়তেন তখনই তিব্বত অভিযানে নিহত সৈন্যদের স্ত্রী-সন্তানরা ঘর ও রাস্তায় থাকা সব লোক যাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেন। বখতিয়ার খলজিকে অভিশাপ দিতেন এবং গালিগালাজ করতেন। বাধ্য হয়ে তিনি ঘোড়ায় চড়তে পারতেন না। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে যায় যে একসময় তিনি ঘর থেকেই আর বের হতেন না।

১২০৪ সালে যে বখতিয়ার খলজি নায়ক বেশে নদীয়া প্রবেশ করেন সেই বখতিয়ার খলজির অমন পরিণতির কারণ ছিল নদীয়া বিজয় তাঁকে উচ্চাভিলাষী করে তুলেছিল। পরাক্রমশীল লক্ষ্মণ সেনের বিরুদ্ধে মাত্র ১৭-১৮ জন সৈন্য নিয়ে বিশাল জয় পাওয়ায় তিনি আত্ম-অহংকার আত্মগরিমায় ভুগছিলেন। অতি আত্মবিশ^াসে তিনি তিব্বত অভিযানে যান এবং ওই অভিযানে তাঁর পুরো সেনাবাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়। শতাধিক সৈন্য নিয়ে তিনি দেওকোটে ফিরে আসেন।

তিব্বতে অভিযানের আগে যে ধরনের গোয়েন্দা তথ্য দরকার ছিল তা বখতিয়ার খলজির কাছে ছিল না। তাঁর তিব্বত অভিযানের পুরো সামরিক রণনীতি ও রণকৌশল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে তিনি তিব্বত সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না। ফলে প্রকৃতি ও জনপ্রতিরোধে পড়ে তাঁর পরাজয় ঘটে। আর তাঁর চূড়ান্ত পরাজয় কামরূপে নিশ্চিত হয়। তাঁর দুইজন আমিরের অন্তঃকলহের কারণে তিব্বতের পর কামরূপেও তাঁর পরাজয় ঘটে।

মিনহাজের বিবরণ থেকে জানা যায়, বখতিয়ার খলজি তিব্বত অভিযান থেকে ফেরত আসার পথ শত্রুমুক্ত রাখতে কৌশলগত সামরিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিল হাকো সেতু পাহারায় দুজন আমিরকে প্রচুর সৈন্যসহ নিযুক্ত করেন। ওই আমিরের মধ্যে একজন ছিলেন তুর্কি দাস। অন্যজন ছিলেন খলজি আমির। বখতিয়ার খলজি তিব্বতের দিকে অগ্রসর হওয়ার পর ওই তুর্কি ও খলজি আমির নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। ওই বিবাদ এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায়, শেষ পর্যন্ত তা সামরিক সংঘাতে গড়ায়। ওই সংঘাতের ফলে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সিল হাকো সেতু ও সেতুসংলগ্ন রাস্তার পাহারা ছেড়ে চলে যান। ওই সুযোগে কামরূপের রাজা পৃথু সেতুটি ধ্বংস করে দেন। ফলে তিব্বত অভিযান থেকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসার পথে খলজির পক্ষে নির্বিঘ্নে দেওকোটে ফেরত আসা সম্ভব হয়নি। তিনি কামরূপের রাজা কর্তৃক আক্রান্ত হন। ওই আক্রমণের ফলে তাঁর পুরো সেনাবাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়। কামরূপের রাজা পৃথুর হঠাৎ আক্রমণে শতাধিক সৈন্যসহ বখতিয়ার খলজি প্রাণরক্ষা করতে সক্ষম হন। ১০ হাজার সৈন্য নিয়ে তিনি তিব্বত অভিযানে যান। কিন্তু দেওকোটে ফিরে আসেন শতাধিক সৈন্যসহ। বাকিরা তিব্বত ও কামরূপে প্রাণ হারান।

১২০৪ সালের নদীয় বিজয়ের নায়ক বখতিয়ার খলজি মাত্র দুই বছরের মধ্যে ১২০৬ সালে খলনায়কে পরিণত হন। তাঁর ওই নায়ক থেকে খলনায়কে পরিণত হওয়ার ঘটনার মধ্যে রাজনীতিবিদদের জন্য ঐতিহাসিক শিক্ষা রয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের ঘটনার পরম্পরা বলে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা কখনো বখতিয়ার খলজির খলনায়কে পরিণত হওয়ার ঘটনা থেকে শিক্ষা নেননি। তাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইতিহাসের শিক্ষার বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।  একদা যিনি নায়ক হিসেবে জনতা কর্তৃক নন্দিত হয়েছেন, পরবর্তীকালে তিনিই আবার জনতার কাছে খলনায়কে পরিণত হয়ে নিন্দিত হয়েছেন। অপ্রিয় হলেও বাংলাদেশের ইতিহাস ঘাঁটলে উপর্যুক্ত কথার সত্যতা যেন বারবার যুগে যুগে ফিরে ফিরে এসেছে।

♦ লেখক : সহকারী অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা