শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

হৃদয়ে মাটি ও মানুষ

শাইখ সিরাজ
প্রিন্ট ভার্সন
হৃদয়ে মাটি ও মানুষ

চ্যানেল আই প্রতিষ্ঠার পর ২০০৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি চ্যানেল আইয়ে যাত্রা শুরু করে ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘মাটি ও মানুষ’-এ কাজ করেছিলাম কৃষককে ফসল বৈচিত্র্যে আগ্রহী করে তুলতে। ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ শুরুর আগেই আমাদের দীর্ঘদিনের গবেষণা ছিল কৃষকের পরিবর্তিত অবস্থা নিয়ে। আমরা দেখেছি কৃষক মাঠে ফসল উৎপাদনে অগ্রসর হচ্ছেন। কিন্তু আমরা দেখলাম কৃষক পিছিয়ে আছেন বাজার ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে। ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’-এর মূল লক্ষ্যই ছিল কৃষককে দেশবিদেশের আধুনিক কৃষির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।

এই তো সেদিনের কথা। আমি যেন মাঠের সে ডাক শুনতে পাই। হাড় জিরজিরে কৃষকের নীরব উচ্চারণ যেন আমার কান পড়তে পারে। মাঠে মাঠে ফসলহীনতা, মাঠে মাঠে কৃষকের লোকসানের গল্প। এই তো কয়েক দশক আগে। সংকটের ধরনটি ছিল অন্যরকম। সার, কীটনাশক, ঋণ আর বীজের সংকট নিয়ে পথ হাঁটেন কৃষক। এর বাইরেও কৃষকের বাতির গোড়ায় জমে থাকে অন্ধকার। খেতের ফসল খেতেই হাসে, ব্যবসায়ীর হাতে পড়লে তা হয়ে ওঠে উৎপাদকের বঞ্চনার গল্প। এ আখ্যান বহুকালের। তারপরও যেন সবার অজানা। কারও মুখ থেকে কথাগুলো এভাবে আসেনি। গত শতকের আশি-নব্বই দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাটি ও মানুষে হাকিম আলীর মৎস্যখামার, মিসেস জামানের মুরগির খামার কিংবা বাড়ির ছাদে কাজি পেয়ারার মতো অসংখ্য ছোট ছোট সাফল্যের গল্প আমার মতো করে দেখিয়েছিলাম, তা একসময় কৃষক খামারির খুব চেনা গল্পে পরিণত হয়। কৃষকের হাতে কিছু কৃষি কৌশল আসে, আসে না বাজার। নতুন অভিযাত্রার শুরুটি ছিল এখানেই।

কৃষকের বাজারের বঞ্চনা এক সুদীর্ঘ ও দুর্ভেদ্য এক সংকট। শুধু এই বঞ্চনার নিরসনের পথ খুঁজতেই আমরা হেঁটেছি বহু পথ। পৃথিবীর দেশে দেশে। জাপানের ‘জেএ’ জাপান অ্যাগ্রিকালচার অ্যাসোসিয়েশনের সুষম বাজার কাঠামো থেকে শুরু করে চীন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের বাজারগুলোতে।

কৃষিপণ্যই কি কৃষকের গলার কাঁটা? এ-ও কি সম্ভব? কেন আমাদের কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি হবে না, কোথায় বাধা? সেই যে ২০০৪ সালে আমাদের অভিযান শুরু হলো কৃষিপণ্য রপ্তানির সংকট অনুসন্ধানের পথ খুঁজে, সে অভিযান দুই দশক পরেও অব্যাহত আছে। আমরা এই হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠান নিয়েই পৃথিবীর দেশে দেশে নীতিনির্ধারকের দরজায় কড়া নেড়েছি আমাদের সংকট দূর করতে। বারবার গিয়েছি ইংল্যান্ডের হোলসেল মার্কেটগুলোতে, কথা বলেছি ডেফরা, Department for Environment Food and Fural Affiers-এর সঙ্গে । 

চট্টগ্রামে নাহার অ্যাগ্রোর আধুনিক খামারে উদ্যোক্তা রাকিবুর রহমান টুটুলের সঙ্গে কথা বলছেন লেখক

চট্টগ্রামে নাহার অ্যাগ্রোর আধুনিক খামারে উদ্যোক্তা রাকিবুর রহমান টুটুলের সঙ্গে কথা বলছেন লেখক 

কখনো আমাদের নীতিনির্ধারকের ঘুম ভেঙেছে কখনো ভাঙেনি। বাজার সফলতা আসেনি।

সবাই যখন মনোযোগ রেখেছি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর দিকে তখন দেখেছি বাজার সিন্ডিকেটের হোতারা বসবাস করছে সমাজের সবচেয়ে উঁচু স্তরে। সেখানে একজন কৃষকের হাত কখনো পৌঁছতে পারে না। চেষ্টা করেছি কৃষকের কণ্ঠকে উচ্চকিত করতে। কৃষক নিজের কথা নিজে বলতে শিখুক। কৃষকের নিজস্ব দর্শ্বন পৌঁছে যাক নীতিনির্ধারকের সর্বোচ্চ স্তরে।

আমাদের দুই দশকের কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট কার্যক্রমে আমরা চৌষট্টি জেলার কণ্ঠস্বরে এমন বজ্রকঠিন সত্য খুঁজে পেয়েছি, যা আমাদের বারবার মনে করিয়ে দিয়েছে আমাদের সব সম্ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু ওই মাটিঘেঁষা মানুষগুলো। সমাজের উঁচুতলায় যারা রাষ্ট্রক্ষমতা, করপোরেট পুঁজি আর মানুষকে জিম্মি করার কারবারে সিদ্ধহস্ত তারা আর যা-ই হোক, দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখছে না। বরং তারা নিজের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে গিয়ে শুধু খাল কেটে কুমির আনছে।

 

যখন বেকারত্ব আমাদের প্রধান সমস্যা তখন বারবার মনে হলো, আমাদের শিক্ষিত নাগরিক সমাজকে উন্নাসিকতা থেকে ফেরাতে হবে মাটির দিকে। হাত দিতে হবে নতুন প্রজন্মের গোড়ায়। ২০১০ সালে বিশ^বিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাঠের কৃষির সঙ্গে সংযোগ ঘটানোর অভিযান ‘ফিরে চল মাটির টানে’ শুরু হলো। একই সঙ্গে মাঠে গেল স্কুলের কোমলমতি শিশুরা। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে মাটি ও ফসলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার বহু কর্মসূচি আছে। বাংলাদেশে ছিল না। আমাদের শিশুরা চিনতে শুরু করল মাটি ও ফসলের শক্তি।

একসময় বীজ, সার, কীটনাশকের সংকটে ভুগতেন কৃষক। সেই সময় পেরিয়ে এসে কৃষক নতুন উদ্যোগে মনোনিবেশ করতে শুরু করলেন। ফিরে চল মাটির টানের ঢেউ ছড়িয়ে গেল সবখানে। কক্সবাজারের রহিমউল্লাহ বিদেশ থেকে ফিরে কুলবাগান করে যে নতুন গল্পের জন্ম দিল, এই গল্প ছড়িয়ে গেল বাংলাদেশে। ফরিদপুরের কুল মফিজ থেকে শুরু করে একে একে কয়েক হাজার কৃষি উদ্যোক্তা। শরীয়তপুরের হযরত, চাঁপাইনবাবগঞ্জের রফিকুল, মতিউর, কিংবা আকবর, মাগুরার নাসির, সাভারের রাজিয়া সুলতানা, কুব্বাত হোসেন অভি, বান্দরবানের কামাল আহমেদের মতো উদ্যোক্তারা কৃষি সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠলেন। এরই সঙ্গে বাংলাদেশের মাটিতে কুল, কমলা, আম, মাল্টা, পেয়ারার সঙ্গে বিদেশি সবজির চাষের এক বিপ্লব সৃষ্টি হলো।

এই বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত হলো করপোরেট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে বড় বড় কৃষি ইন্ডাস্ট্রি। এই শিল্পে প্রাণিসম্পদ, দুগ্ধ ও মাংস উৎপাদন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সহায়তায় মৎস্য উৎপাদনের আরেক নতুন বিপ্লবের জন্ম হয়েছে।

ফিরে আসি আবার ২০০৪ সালে, যখন হৃদয়ে মাটি ও মানুষ শুরু হয়। একদিন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ গিয়ে ফুল চাষের অসাধারণ সাফল্যচিত্র দেখি। এরও আগে যশোরের ঝিকরগাছার গদখালী-পানিসারার দারিদ্র্যপীড়িত জনপদে ফুল চাষের নেতৃত্ব দেন শের আলী সর্দার ও আবদুুর রহিমের মতো উদ্যোক্তারা। সেই জনপদ এখন কৃষি সাফল্য, ফুলের সৌরভ আর দেশি পর্যটন শিল্পের এক অনন্য ক্ষেত্র।

২০০৪ সালে যখন হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানের সূচনা সংগীত তৈরি হয়, তখনই মনে হয়েছিল কথাটি। আমাদের দেশের কৃষককে একটু খেই ধরিয়ে দিলেই তারা অসাধ্যকে সাধন করতে পারেন। সভ্যতাই আমাদের অহংকার। আমাদের সভ্যতার মূল বাহক কৃষি। কৃষিই আমাদের খাদ্যের উৎস কিংবা জীবনের প্রতিটি ছন্দের প্রধানতম শর্ত। সভ্যতার সূচনা শেষে পরিসমাপ্তি সামগ্রিকভাবে কৃষি উৎপাদনেরই গল্প। যখন দেখেছি, পৃথিবীতে পরিবেশ বিপর্যয়ের সুর বাজছে আর বাংলাদেশ সে বিপর্যয়ের চূড়ান্ত জায়গাতে, তখন খুব মনে হয়েছে নগর জীবনের সব সমৃদ্ধি ধুলামলিন হয়ে যাবে, যদি না আমরা এখানে অক্সিজেনের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে পারি। এর সঙ্গে নাগরিকদের কৃষির সঙ্গে বন্ধন গড়ে তোলার কাজটিও জরুরি। আজ শহরে শহরে ছাদে ছাদে সবুজের একটি স্তর গড়ে উঠেছে। যেন ঊর্ধ্বাকাশে সবুজের একটি আচ্ছাদন। এই আচ্ছাদনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হাজার হাজার নগর কৃষক। তারা হৃদয়ে মাটি ও মানুষের ছাদকৃষি প্রচারণারই প্রধান বাহক।

তারাই সম্প্রসারক। আমরা শুধু তাদের উজ্জীবিত রাখি। উৎসাহের দরজায় কড়া নাড়ি। বাংলাদেশের দিগন্ত পেরিয়ে এই নাগরিক কৃষক এখন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বে। পৃথিবীর দেশে দেশে গ্রীষ্ম মৌসুমে ঢেউ উঠছে প্রবাসে বাঙালির আঙিনা কৃষির। গড়ে উছেছে নাগরিক কৃষির এক মহাস্রোত। হৃদয়ে মাটি ও মানুষ ২০০৪ থেকে ২০২২ সাল, একটি সক্রিয় অভিযানের গল্প। যে গল্পের সঙ্গে আমি আমার জীবনের সিংহভাগজুড়ে রোপণ করেছি এই বাংলার কৃষিজীবীর ভালো থাকার শুভকামনা। কৃষিকে দেশের সব কিছুর ওপরে রাখার বাসনা। পৃথিবীর দেশে দেশে আজকের কৃষির সব আধুনিক উৎকর্ষ ও প্রযুক্তির ভিতর দিয়ে আজকের দিনের যোগসূত্র গড়তে গিয়ে স্বপ্ন দেখি, কৃষিই আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে, কৃষিই আমাদের টিকিয়ে রাখবে। পৃথিবীর সব কৃষকের প্রতি ভালোবাসা।

♦ লেখক : মিডিয়াব্যক্তিত্ব

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
বলিভিয়ায় স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ৫
বলিভিয়ায় স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ৫

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান

৮ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা