শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ভয় থেকে মুক্তি কবে ও কোন পথে

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
ভয় থেকে মুক্তি কবে ও কোন পথে

চারপাশে ঘৃণা ও বিদ্বেষের চাষবাস হচ্ছে অবাধে। গ্রাম ও শহরে সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত, কখন কোন কথা বলে বিপদে পড়তে হয়, তার কোনো ঠিক নেই। মানুষের সমাজে ঘৃণা-বিদ্বেষ নতুন নয়। ইতিহাসের ভাঁজে ভাঁজে এই বিষ ছিল। একশ্রেণির মানুষ শাস্ত্রের নামে, রাজনীতির নামে, ধর্মের নামে বিষবাষ্প অন্তরে বহন করেছে এবং বিষিয়েছে বাতাস। সবলের ওপর দুর্বলের জুলুম, কালোর ওপর সাদার শ্রেষ্ঠত্ব, ব্রাহ্মণ্যবাদ, নারী ও শিশুপীড়ন- এগুলো তো ছিলই কাল ও কালান্তরে। আবার এই মানুষই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং জয়যুক্ত হয়েছিল কিছুকালের জন্য হলেও। আবার পরিস্থিতি যেই কে সেই হয়ে গেছে।

ভয় থেকে মুক্তি কবে ও কোন পথেআইয়ামে জাহেলিয়ার যুগাবসানে আল্লাহর রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.) সত্যের বাণী নিয়ে আসেন। তিনি ত্যাগ, ক্ষমা ও ঔদার্যের পথে মানুষকে আহ্বান করেন শান্তির ধর্ম ইসলামের ছায়াতলে। বিদায় হজের ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন, সাদাকালোর কোনো প্রভেদ নেই। পবিত্র কোরআনেও সমাজে অশান্তি সৃষ্টি না করতে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একাধিক আয়াতে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু মহানবী (সা.)-এর উম্মত হওয়া সত্ত্বেও আমাদের মধ্যে, আমাদের সমাজে আমরা এমন অনেকে আছি, যারা মুখে যে জীবনবিধানের কথা বলি, কার্যক্ষেত্রে করি তার উল্টো। ধর্মের কথা বলে অধর্ম করি, গণতন্ত্রের কথা বলে অগণতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করি, বাক ও ব্যক্তির স্বাধীনতার কথা বলে দুটোই হরণ করি। নিজের ভিতরে লুকিয়ে থাকা দুর্মতির কাছে সুমতিকে সমর্পণ করে দিই অবলীলায়।

জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের মনে যে আশা জেগেছিল গত ছয় মাসে তার অনেকটাই যে মলিন হয়ে এসেছে, তা অস্বীকার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশের বিরাজমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। জুলাই ও আগস্টের দেয়াললিখনগুলো পাঠ করলেও সেই সময়ের জনপ্রত্যাশার ধরনটা বেশ বুঝতে পারা যায়। একটি দেয়াললিখন দেখলাম, কাঁচা হাতে ছেলেরা লিখেছেন, ‘ভালো মানুষ, ভালো দেশ, স্বর্গভূমি বাংলাদেশ’। তার পাশেই লেখা রয়েছে, ‘আসুন নিজেদের সংস্কার করি’। দেয়ালে দেয়ালে যে ছেলেমেয়েরা এসব বাণী লিখে রেখেছেন, তাদের বেশির ভাগই এখন আর রাজপথে নেই, ওরা মবেও নেই। তারা সরল বিশ্বাসে উত্তাল দিনগুলোতে ভয়কে জয় করে এসব সুবচন দেয়ালে উৎকীর্ণ করেছিলেন।

জানি না, সরকারিভাবে দেয়ালচিত্রের যে অ্যালবাম বানানো হয়েছে, সেখানে এই স্বপ্নগুলোও ছাপা হয়েছে কিনা। হয়ে থাকলে বর্তমান ও অনাগত দিনের নীতিনির্ধারকদের এগুলো বারবার পাঠ করা উচিত। দুনিয়া কাঁপানো জুলাই সংগ্রামের দিনগুলোতে দেয়ালে দেয়ালে অত্যাচারী শাসক ও তার সহযোগীদের বহু বিচিত্র কার্টুন আঁকা হয়েছে, সুন্দর সুন্দর ক্যাপশন লেখা হয়েছে। ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য সেগুলোর গুরুত্ব অনস্বীকার্য। কিন্তু বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্তভাবে যে আশার বচন আঁকা হয়েছিল প্রাচীরগাত্রে সেগুলো নিজেদের মনের দেয়ালে অমোচনীয় কালি দিয়ে লিখে রাখা দরকার।

ভালো মানুষের সমাজকে আমাদের বানিয়ে দেবে, আমরা নিজেরা যদি তা না বানাই! গত সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দেশের বরেন্য শিল্পী ইমিরেটাস অধ্যাপক রফিকুন নবীকে চারুকলায় অনুষ্ঠানের মঞ্চে উঠতে দেওয়া হয়নি। লজ্জিত, অপমাণিত শিল্পী অনুষ্ঠানস্থলে না গিয়ে ফিরে এসেছেন। রনবী নামে সমধিক পরিচিত এই শিল্পীকে মঞ্চে তুলতে নিষেধ করে নাকি বার্তা পাঠিয়েছিলেন ঢাকা বিশবিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য।

তিনি ছিলেন ওই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। কিন্তু এই বর্ষীয়ান ও স্বনামধন্য শিল্পীকে ডেকে নিয়ে অসম্মান করা হলো কেন? আর সহ-উপাচার্য নিজেও তো একজন শিক্ষক, তিনি আরেকজন সিনিয়র শিক্ষককে অসম্মান করলেন কেমন করে? রফিকুন নবীর সঙ্গে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের পুত্র প্রকৌশলী ময়নুল আবেদীনও ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেননি। যত দূর জানি, শিল্পী রফিকুন নবী চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রথম ব্যাচের কৃতী শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজের প্রতিষ্ঠানেই তাঁকে অসম্মানিত হতে হলো। এর পেছনে স্পষ্টতই রয়েছে আল মাহমুদের ভাষায় বিশবিদ্যালয়ের কোনো না কোনো ‘প-িত’ শ্রেণি। আজ কী হচ্ছে শিক্ষাঙ্গনের সদরে ও অন্দরে? রাজনীতির নামে, অপছন্দের সংস্কৃতি রুখে দেওয়ার বাহানায় কী চলছে শহর ও গ্রাম জনপদে। বিবিসির খবর; লালন উৎসব হতে দেওয়া হয়নি, নাট্য সপ্তাহ পালন করতে দেওয়া হয়নি, বসন্ত উৎসব হতে দেওয়া হয়নি, ঘুড়ি উৎসবেও বাধা এসেছে। এমনকি একটি গ্রামে হিজড়া-হকারদের প্রবেশ ও বাদ্যযন্ত্র বাজানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। অমর একুশের বইমেলাও রেহাই পায়নি মবোক্র্যাসির কবল থেকে।

৫ আগস্টের অব্যবহিত পরের দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে ছেলেমেয়েরা যখন শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের কারও কারও গলায় জুতার মালা পরিয়ে দিতে শুরু করল, যখন বাড়িঘর পোড়ানো শুরু হলো, যখন ক্যাম্পাসে মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণকে চোর সাজিয়ে মেরে তক্তা বানিয়ে হত্যা করা হলো, আমরা তখন সোহাগ করে এসবের নাম দিলাম, মব জাস্টিস। মব অর্থই যেখানে উচ্ছৃঙ্খল জনতা, সেখানে জাস্টিস আসে কেমন করে! এখন বলা হচ্ছে ‘মব করা’ আর এই কলামে বলা হলো, মবোক্র্যাসি। ডেমোক্র্যাসিকে আঁতে মেরে দেওয়ার জন্য মবোক্র্যাসির মতো অব্যর্থ বিষের বড়ি আর হয় না। এর পেছনে খারাপ লোক ও বাজে পলিটিক্সের হাত থাকা বিচিত্র নয়।

এদিকে দেশের বিভিন্ন জায়গায়; মাঠপর্যায়ের প্রশাসন ও মাঠের রাজনীতি মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। একটি উপজেলার খবর : ইউএনওর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মানববন্ধন করেছেন। এর আগে স্থানীয় রাজনীতির একাংশ থেকে উপজেলা ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ; ইউএনও দুর্নীতিবাজ। নেতাদের তিনি অ্যাভয়েড করেন। পক্ষান্তরে ইউএনওর বক্তব্য; সিস্টেম করে বিনা টেন্ডারে বালুমহাল দেননি বলে ঘেরাওয়ের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরস্পরবিরোধী এই অভিযোগের দুটোই হয়তো সত্য অথবা অর্ধসত্য কিংবা সত্য নয়। তবে শেষের সত্য হলো, ওই ইউএনও বদলি হয়ে গেছেন। এ রকম আরও দুটো খবরের শিরোনাম পাঠ করা যাক। ১. অবশেষে কুষ্টিয়ার সেই ইউএও বদলি, ২. মোংলার ইউএনও বদলি। বদলিযোগ্য চাকরি; বদলি হতেই পারেন। কিন্তু এই বদলিগুলো হয়েছে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে বিরোধের জেরে। খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

এই সংবাদ সন্দেশগুলো ক্যাম্পাসের হালফিল গরম নিঃশ্বাসে এরই মধ্যে বাসি হয়ে গেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত খবরের শিরোনাম, ‘দফায় দফায় সংঘর্ষ’। একদিকে ছাত্রদল। আরেকদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ছাত্রশিবিরও আছে। কুয়েটে পার্শ্ববর্তী গ্রাম থেকে জনসাধারণও নাকি ক্যাম্পাস সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সশস্ত্র মহড়াও দৃশ্যের বাইরে ছিল না। পরিস্থিতিদৃষ্টে আল মাহমুদের সেই কবিতার কয়েকটি লাইন পড়তে বড় ইচ্ছা হচ্ছে। তাহলে পড়া যাক; এরশাদ আমলে ক্যাম্পাস যখন রক্তাক্ত প্রান্তরে পরিণত হয়েছিল, যখন ছাত্ররাজনীতির নামে বিশবিদ্যালয়ে রক্তের হোলিখেলা চলছিল, তখন কবি মোনাজাত করেন,

‘তবু হে পরোয়ারদিগার

জানতে সাধ জাগে,

ঢাকা বিশবিদ্যালয় কি ডাকাতদের গ্রাম?’

এই কবিতা প্রকাশিত হলে সুশীলদের অনেকেই কবির নিন্দা করেছিলেন। কবিকে প্রতিক্রিয়াশীল আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। কারণ উচিত কথা সবার পেটে হজম হয় না।

বিরাজমান ক্যাম্পাস পরিস্থিতিতে উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের ফেসবুক পেজে আরাফাতুল ইসলাম নামের একজনের একটা স্ট্যাটাস পড়লাম। স্ট্যাটাসের অংশবিশেষ; ‘বর্তমানে পুলিশ প্রশাসন বিভক্ত। কোনো রাজনৈতিক দলের একক দৌরাত্ম্য নেই আপাতত, ডেডিকেটেড মারমুখী কর্মীর সংখ্যা কাছাকাছি পরিমাণের, সব মিলিয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির যদি মুখোমুখি হয়, নিশ্চিতভাবে বলা যায় কোনো পক্ষই সহজে পেছাবে না। উভয়ই নিজের অস্তিত্বের জ্ঞান করে মারামারি করবে। হয়তো ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে স্মরণকালের সর্বোচ্চ হতাহত ও লাশ দেখতে হবে এবার।’

যা হোক; এখন ছাত্ররা যে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছেন, তার থিম সেøাগান হচ্ছে, ‘ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।’ জনান্তিকে প্রশ্ন; ছাত্ররাজনীতির বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যারা ক্যাম্পাসে সংঘাতে জড়ালেন, তারাও রাজনীতি করছেন না কি? নাকি এই পাল্টাপাল্টি মিছিল-সেøাগান ও সংঘাতের অর্ধেকটা রাজনৈতিক আর অর্ধেকটা অরাজনৈতিক? ইন্টারেস্টিং!

জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যেসব সরল কিশোর-কিশোরী, তরুণ ও তরুণী বুকভরা আশা নিয়ে দেয়ালে লিখেছিলেন, ভালো মানুষ, ভালো দেশ, স্বর্গভূমি বাংলাদেশ, তারা আজ কী ভাবছেন? যখন ময়দানে পুলিশ ছিল না, তখন যে ছেলেমেয়েরা রাজপথে ট্রাফিকের ভূমিকায় নেমে গিয়েছিলেন, তাদের মনের অবস্থার কিছুটা প্রতিফলন রয়েছে উপরিল্লিখিত ফেসবুক বয়ানের মধ্যে।

অন্তর্বর্তী সরকার, বিভিন্ন সংস্কার কমিটির সদস্য, রাজনৈতিক দলগুলোর বড় একটা অংশ সংস্কারের ওপর সবিশেষ গুরুত্বারোপ করে চলেছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন ধর্মনিরপেক্ষতার বদলে বহুত্ববাদ যুক্ত করার সুপারিশ করেছে। কার্যত বহু মত, বহু পথের সম্মিলন ছাড়া গণতন্ত্র অচল। কিন্তু শহর, গ্রাম ও ক্যাম্পাসে এখন যা চলছে, তার কোনোটার মধ্যে কি বহুত্ববাদী নীতির লেশমাত্র আছে? আজ সাধারণ মানুষ কথা বলতে ভয় পাচ্ছে, কোনো কোনো নাম উচ্চারণ করতে ভীতসন্ত্রস্তবোধ করেন। এমন তো হওয়ার কথা ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি. রুজভেল্টের ফোর ফ্রিডম তত্ত্বের কথা মনে পড়ে। তিনি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য যে চারটি মৌলিক অধিকারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন তার অন্যতম হলো, ভয় থেকে মুক্তি। ভয়ের সমাজে গণতন্ত্র বাঁচতে পারে না।

ভয় থেকে মুক্তি আমাদের মিলবে কবে, কোন শর্তে, কোন পথে?

♦ লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক 

e-mail: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা