শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৯:১১, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

মাদারীপুরের মর্মবেদনা

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
মাদারীপুরের মর্মবেদনা

দেশপ্রেমিক নাগরিকেরা আবেগের বশে দেশকে মায়ের মর্যাদা দেয়। তখন দেশের নাম হয়ে যায় মাতৃভূমি, যার ইংরেজি রূপ মাদারল্যান্ড। বাংলাদেশ নামের আমাদের এ মাদারল্যান্ডে গত সপ্তাহে বারবার উচ্চারিত হয়েছে দক্ষিণের জেলা মাদারীপুরের নাম। তবে দুঃখের বিষয় এ নাম কোনো সুখবর বা কারও কোনো ইতিবাচক অর্জনের জন্য নয় বরং উচ্চারিত হয়েছে মর্মান্তিক, কলঙ্কজনক ও নেতিবাচক কিছু মর্মকথা নিয়ে।

৩০ জানুয়ারি ২০২৫ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র-২০২২ প্রকাশিত হয়, যেখানে দেখা যায় দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে মাদারীপুরে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি। এ জেলার প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৫৪ দশমিক ৫ জন অর্থাৎ ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। এ জেলার ডাসা উপজেলার অবস্থা সবচেয়ে করুণ, যেখানে ৬৩ দশমিক ২১ শতাংশ মানুষ অর্থাৎ প্রতি তিনজনের মধ্যে প্রায় একজনই দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।

২ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের মূল খবরে দেখা যায়, সম্ভবত ২৫ জানুয়ারি লিবিয়া থেকে নৌযানে করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ৫৬ জন আরোহী। এরপর ২৮ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ২৩টি মৃতদেহ লিবিয়ার সৈকতে ভেসে আসার পরিপ্রেক্ষিতে ওই নৌযানটি ডুবে যাওয়ার এবং অধিকাংশের করুণ মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। লিবিয়ার দূতাবাসসূত্র মৃত ২৩ জনের দেহের সঙ্গে কোনো পাসপোর্ট বা পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো ডকুমেন্ট না থাকায় অবয়ব (চেহারা) দেখে তাদের বাংলাদেশি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছে।

বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন পোর্টালের অনুসন্ধানে দেখা যায়, এ নৌকাডুবির ঘটনার পর থেকে দেশের দরিদ্রতম জেলা মাদারীপুরের অনেক বাড়িতেই চলছে শোকের মাতম। যারা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন তাদের অনেকেই নৌকায় ওঠার আগে শেষবারের মতো টেলিফোনে কথা বলেছিলেন আপনজনদের সঙ্গে। এরপর থেকেই সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

এমন করুণ মৃত্যু আমাদের অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে। উন্নয়নের জোয়ার, ঘরে ঘরে চাকরি, দারিদ্র্যবিষয়ক নিম্নমুখী সূচক, ১০০টি শিল্পাঞ্চলে ব্যাপক চাকরির সুযোগ, পদ্মা সেতুর ম্যাজিকে দক্ষিণাঞ্চলের ব্যবসাবাণিজ্য ও শিল্পকারখানার বাম্পার ইত্যাদিই ছিল বিগত বছরগুলোতে দিনে-রাতে হাজারবার শোনা শব্দ, বাক্য, সুর, এমনকি ওয়াজ মাহফিলের হেদায়েতের বাণী। এর বিপরীতে মাদারীপুর জেলার সিংহভাগ মানুষের গরিব থাকা ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ২০ থেকে ৩০ বছরের যুবকদের স্বাচ্ছন্দ্যের আশায় নৌকায় সাগর পাড়ি দেওয়ার আপ্রাণ প্রচেষ্টা এ উন্নয়নগুলোকে অসার গণ্য করে। দেশে যদি উন্নয়নের এত জোয়ার সত্যি হতো তবে ইউরোপ থেকে ঝুঁকি নিয়ে মানুষ বাংলাদেশে আসত। বাস্তবে ঘটছে উল্টো ঘটনা।

বরিশাল, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও শরীয়তপুর জেলা চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে মাদারীপুর জেলাকে। তাই অন্য চারটি জেলার মতো মাদারীপুরেও ছিল আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ দখলে। মাদারীপুরের মোট তিনটি নির্বাচনি এলাকার মধ্যে মাদারীপুর-১ আসনে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ৩৩ বছর সংসদ সদস্য ছিলেন আওয়ামী লীগের নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন। এর আগে এখানে সংসদ সদস্য ছিলেন তারই বাবা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী।

মাদারীপুরের মর্মবেদনাএই ইলিয়াস আহমেদের মা চৌধুরী ফাতেমা বেগম ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমানের বড় বোন। ফলে শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে (ভাতিজা) হিসেবে লিটন ছিলেন শেখ হাসিনার কাছের মানুষ এবং মহান সংসদের দীর্ঘদিনের চিফ হুইপ। এত সুযোগ থাকার পরও ৩৩ বছরে তিনি এলাকার মানুষকে কেন সবচেয়ে দরিদ্র বানিয়ে ছাড়লেন তার জবাব খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে যা পাওয়া যাবে তা হলো, তার ৩৩ বছর এবং তার আগে তার বাবা ও দাদার আমলে হওয়া এলাকার উন্নতির ফিরিস্তি। তবে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর জানা যায়, লিটনের সাজানো প্রকল্পের প্রস্তাব পরিবর্তন করে চর এলাকার খাসজমি ব্যক্তিমালিকানাধীন দেখিয়ে ৯০০ কোটি টাকায় ক্রয় করে তৎকালীন সরকার। (সূত্র : ডেইলি খবর ২৪ জানুয়ারি ২০২৫)। এখন সেই চর পদ্মায় বিলীন হয়েছে এবং চরের জমি বিক্রি করা সাজানো ভূমিমালিকরা লাপাত্তা। আর দুদক লিটনকে জিজ্ঞাসা করছে ৯০০ কোটি টাকা হিসাবের ব্যাপারে। শুধু এ ৯০০ কোটি টাকাই যদি মাদারীপুরের সাধারণ মানুষ পেত তবে দারিদ্র্যের হার ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে একটু হলেও কমত।

১৯৯১ থেকে ২০১৪- এই ৩৩ বছর মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন শাজাহান খান। তার বড় পরিচয় তিনি ছিলেন পরিবহন খাতের সম্রাট শাজাহান। পরিবহন শ্রমিক নামে খানসেনারা সড়কে যা চাইতেন তাই হতো। এ খাতে চাঁদার বিশাল সংগ্রহ নিয়ন্ত্রণ করতেন শাজাহান খান। চাঁদার এ টাকা কোথায় যায়, এমন প্রশ্ন যাদের মনে ছিল তাদের প্রশ্নের উত্তর জানিয়ে দৈনিক কালবেলা ২ ফেব্রুয়ারি লিখেছে যে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শাজাহান, তার স্ত্রী রোকেয়া ও ছেলে আসিবুরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। আর মেয়ে ঐশীকে দিয়েছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস। দুদকের দাবি, শাজাহান খান ১১ কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ৫৫৫ টাকা, স্ত্রী রোকেয়া ৪ কোটি ৪৭ লাখ ১৯ হাজার ৮৪৬ টাকা, ছেলে আসিবুর ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকা ও মেয়ে ঐশী ১ কেটি ৭১ লাখ ১৮ হাজার ৯২ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত থেকে অর্জন করেছেন। আর শাজাহানের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সন্দেহজনকভাবে লেনদেন হয়েছে ৮৬ কোটি ৬৯ লাখ ৩২ হাজার ৭৬৯ টাকা। সব মিলিয়ে দেখা যায়, দেশের সবচেয়ে গরিব জেলার একটি নির্বাচনি এলাকার সংসদ সদস্যের পরিবারের চারজনের প্রকাশিত বা সূত্র মূলে খুঁজে পাওয়া সন্দেহজনক সম্পদের মূল্য ১১৪ কোটি টাকার বেশি।

গরিব জেলা মাদারীপুরের সংসদীয় আসন-৩-এ সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ও প্রুভেন অনেস্ট ম্যান খ্যাত সৈয়দ আবুল হোসেন তিনবার, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম একবার এবং শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. আবদুস সোবহান গোলাপ একবার নির্বাচিত হন। এর মধ্যে সৈয়দ আবুল হোসেন পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় দুর্নীতির প্রশ্ন ওঠায় দায়িত্ব থেকে আদেশক্রমে অব্যাহতি নেন। আজ তিনি আর আমাদের মাঝে নেই।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও তার স্ত্রীর কেবল নগদ টাকাই ১০ বছরে বেড়েছে ১৬ থেকে ১৭ গুণ। বাহাউদ্দিন নাছিমের টাকা ৪৪ লাখ ৪৫ হাজার থেকে বেড়ে হয় ৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে তার স্ত্রীর টাকা ১৮ লাখ ৯৬ হাজার থেকে বেড়ে হয় ৩ কোটি ৪ লাখ। গরিব জেলার এ আসনের অপর সংসদ সদস্য আবদুস সোবহান মিয়ার অন্তত ৯টি বাড়ি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। দেশেও নানা নামে অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়েছিল তার পরিবার, যা তদন্ত করছে দুদক।

দুর্নীতির কশাঘাতে একটি জনপদের মানুষের কী হাল হতে পারে, তার নজির হয়ে থাকবে মাদারীপুর। ৩৩ বছর এ এলাকা একটি দলের এবং প্রায় ক্ষেত্রে একই সংসদ সদস্যের ছায়াতলে থেকে একটা বড় সময় দেশশাসনের দায়িত্বে থাকা দলের আশীর্বাদপুষ্ট হয়েও দেশের সবচেয়ে দরিদ্র জেলা হওয়ার কোনো কারণ থাকতে পারে না। যদি এ এলাকাটি খরাপীড়িত, লবণাক্ত বা অনাবাদি জনপদ হতো বা যুদ্ধে জর্জরিত থাকত তাহলে হয়তো এমনটা মানা যেত। একটি সম্ভাবনাময় জেলার এমন করুণ দৃশ্য ক্ষমার অযোগ্য।

মাদারীপুরের ঘরে ঘরে যখন শোকের মাতম তখনো অজ্ঞাত স্থান থেকে আসা অপ্রত্যাশিত ভাষণ শুনতে হয় মাদারীপুরবাসীকে। এর আগে তাদের এলাকার সংসদ সদস্য বাহাউদ্দিন নাছিম একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকার ও ভেরিফায়েড ফেসবুকে জানিয়েছিলেন, প্রকৃতপক্ষেই আমরা যদি ভুল বা অন্যায় করে থাকি তবে সেই অন্যায়ের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে আমাদের কোনো আপত্তি অথবা আমরা ক্ষমা চাইব না- এ ধরনের গোঁড়ামি আমাদের ভিতরে কাজ করে না।

এখানে লক্ষণীয় সবচেয়ে দরিদ্র জেলার এই সংসদ সদস্য এখনো যদি ভুল করে থাকি-জাতীয় ভুলের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছেন না। নিজ জেলাকে সবচেয়ে গরিব দেখে তিনি হয়তো ভাবছেন :

হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান।

তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রিস্টের সম্মান

কণ্টক-মুকুট শোভা। -দিয়াছ, তাপস,

অসঙ্কোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস;

উদ্ধত উলঙ্গ দৃষ্টি, বাণী ক্ষুরধার,

বীণা মোর শাপে তব হল তরবার!

তবে এ কথাও সত্য, এ মাদারীপুরেরই কৃতী সন্তান ফরায়েজি আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ মুহাম্মাদ মহসিন উদ্দিন দুদু মিয়া, প্রথম শহীদ মিনারের রূপকার ও ভাষাসৈনিক ডাক্তার গোলাম মাওলা, বাংলা ভাষার অহংকার কবি, সাহিত্যিক ও উপন্যাস রচয়িতা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (ভারত), বিজ্ঞানলেখক ও বর্তমান বিশ্বের সুপরিচিত পদার্থবিজ্ঞানী স্বপন কুমার গায়েন (আমেরিকা) এবং জগৎখ্যাত প্রকৌশলী এফ আর খান (আমেরিকা) প্রমুখ। মাদারীপুরের ভবিষ্যৎ নেতারা জেলাটিকে মাদারল্যান্ড ভেবে শাজাহান খানের বদলে এফ আর খান, লিটনের বদলে স্বপন, বাহাউদ্দিনের বদলে মহসিন উদ্দিনের জন্ম ও বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দেবেন- এটাই প্রত্যাশা। আবদুস সোবহান গোলাপ নয়, সত্যিকারের গোলাপ ফুটুক মাদারল্যান্ড মাদারীপুরের ঘরে ঘরে।

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা