শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫

জিয়া যেভাবে রাষ্ট্রনায়ক

রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
জিয়া যেভাবে রাষ্ট্রনায়ক

জিয়াউর রহমান তাঁর পিতা-মাতা এবং অন্য সব পূর্বপুরুষের সঙ্গে সম্পর্কিত জেনেটিক কারণেই দৃঢ় আত্মবিশ্বাস, খাঁটি দেশপ্রেম ও আত্মমর্যাদাবোধ আর তাঁর নিজ দেশবাসীর জন্য সর্বদা ন্যায়বিচার কায়েমের এবং আপন মাতৃভূমির হিমালয়সম সমৃদ্ধ প্রত্যাশী এক ব্যক্তিত্ব হয়ে গড়ে উঠছিলেন। তাঁর বড় পুঁজি ছিল অপরিসীম শ্রমদানের ক্ষমতা আর দেশ ও দেশবাসীকে ভালোবাসার অপরিমেয় ইচ্ছাশক্তি।

তাঁর ঘরোয়া নাম কমল, মানে পদ্ম ফুল, তাঁর জীবনটাও ছিল ফুলের মতো পবিত্র। সৎ সাহসের প্রতীক আর জীবনভর নির্লোভ এক কর্মবীর থাকার অঙ্গীকারের বিরল ব্যক্তিত্ব বলা যায় জিয়াকে। নিপীড়িত খেটে খাওয়া মানুষের তথা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের জীবনসংগ্রামের এবং সার্বিক শোষণমুক্তির পথপ্রদর্শক ছিলেন তিনি।

আজ (১৯ জানুয়ারি) মহান নেতা জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মদিন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনীতির স্থপতি জিয়াউর রহমান দুনিয়ার বুকে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রথম কারিগর ছিলেন, তাই তিনি জাতীয় নেতা ও সফল রাষ্ট্রনায়ক। সাধারণ এক দেশপ্রেমিক নাগরিকের অবস্থান থেকে অনন্য মেধা ও পরিশ্রম বিনিয়োগে তিনি মুসলিম বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের লড়াইয়ে নিজেকে ক্রমশ সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছেন।

বগুড়ায় পূর্বপুরুষদের বাড়ি হলেও জিয়াউর রহমান, যাঁর জন্ম ১৯৩৬ সালে, রসায়নবিদ পিতার কর্মস্থলের সূত্রেই প্রথমে কলকাতা ও পরে করাচি নগরীতে উন্নতমানের স্কুলে শিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছিলেন চল্লিশ ও পঞ্চাশের দশকে। করাচির মাধ্যমিক স্কুলে মেধার বিবেচনায় ও বিদ্যাচর্চায় সুনাম অর্জন করেন তাঁর শিক্ষকদের প্রিয় ছাত্র হিসেবে। ১৯৫৩ সালে তিনি করাচির বিখ্যাত ডি জে সায়েন্স কলেজে বিজ্ঞান শাখায় উচ্চমাধ্যমিক ক্লাসে অধ্যয়নের সময়েই পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর কাকুল মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার-ক্যাডেট (কমিশন্ড অফিসারের প্রশিক্ষণকালীন প্রাথমিক ধাপ) হিসেবে যোগ দেন।

এই সময়টাতে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেখতে নিয়মিত সেখানে যেতেন। এসব কিছু জিয়াউর রহমানের পরবর্তী-জীবনে অসামান্য দেশপ্রেমিক নাগরিক রূপে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। খুবই যৌক্তিক সেই সময়টাতেই তাঁর ভিতরে পূর্ব বাংলার বাঙালিদের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি নয়া-উপনিবেশবাদী শাসক-শোষক গোষ্ঠীর নিপীড়নের প্রতি সামরিক অফিসার জিয়ার প্রতিবাদী-চেতনা গড়ে উঠতে থাকে।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলায় হক-ভাসানী-সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট বিপুলভাবে বিজয়ী হলে পশ্চিম পাকিস্তানের (তৎকালীন) অ্যাবোটাবাদের সেনা-ছাউনির একাডেমি ক্যাফেটেরিয়ায় জিয়া অন্য সব বাঙালি ক্যাডেটদের নিয়ে নির্বাচনি বিজয় উৎসব করেছিলেন। তাঁর নিজের লেখার ভাষায়- এ ছিল আমাদের বাংলা ভাষার জয়, এ ছিল আমাদের অধিকারের জয়, এ ছিল আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার জয়, এ ছিল আমাদের জনগণের, আমাদের দেশের এক বিরাট সাফল্য।

জিয়া যেভাবে রাষ্ট্রনায়কজিয়া পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে যখন তরুণ-যুবা অফিসার (লেফটেন্যান্ট, ক্যাপ্টেন বা মেজর), যখন তিনি প্রশিক্ষক ছিলেন তিনি পূর্ব বাংলার বাঙালি ক্যাডেট-অফিসারদের, প্রায়ই বলতেন- আমরা কোনো অংশেই পশ্চিম পাকিস্তানি ক্যাডেটদের চেয়ে অনগ্রসর নই, প্রকৃতপক্ষে আমরা তাদের চেয়েও ভালো করতে পারি, আমাদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে, পাকিস্তানিরা (তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানিরা) কখনো আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য এগিয়ে আসবে না। বাঙালি ক্যাডেটদের জন্য জিয়ার সেসব কথা ছিল অনেক বড় প্রেরণার উৎস।

ইতিহাসে অল্প কয়েকজন সামরিক অফিসার দেশের জন্য দু-দুটো যুদ্ধে অংশগ্রহণের ও পরে জেনারেল পদে উন্নীত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন- তাঁদের একজন জিয়াউর রহমান। ১৯৬৫ সালে জিয়াউর রহমান পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধে এবং ১৯৭১ সালে মাতৃভূমি বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে (মুক্তিযুদ্ধে) অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশাল ভূমিকা পালন করেন- যা বাঙালি সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখার মতো বিষয়।

একাত্তরের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাক-দখলদার সেনারা যখন মুক্তিকামী নিরীহ বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করে চরম নৃশংসতা ও বর্বরতার শক্তি দিয়ে, চট্টগ্রামে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মেজর জিয়াউর রহমান তখন একমুহূর্ত দেরি না করে তাঁর সঙ্গী বাঙালি অফিসার ও সেনা-জওয়ানদের নিয়ে বিদ্রোহ করেন এবং হানাদার পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ শুরু করে দেন। সারা দেশের সংগ্রামী মানুষের দিশাহারা দশার মধ্যে প্রায় ৩০০ বাঙালি সেনা ও অফিসার নিয়ে প্রতিরোধযুদ্ধে প্রবল সক্রিয়তার মধ্যে মেজর জিয়া ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে সেখানকার বেলাল মোহাম্মদসহ অন্যান্য লড়াকু বেতার কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণাটি দেন।

সৈয়দ নজরুল-তাজউদ্দীনের অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের অধীনে মেজর জিয়া প্রথমে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও পরে লে. কর্নেল জিয়া ব্রিগেড কমান্ডার (জেড ফোর্স) হয়ে স্বাধীনতাযুদ্ধের অন্যতম সেরা বীর কমান্ডাররূপে পরিগণিত হন। পরবর্তীকালে স্বাধীন বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর পর্যায়ক্রমিক বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পরে সেনাপ্রধান হন। এবং তারও পরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রক্ষমতায় অভিষেক ঘটে। এবং একপর্যায়ে ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট হন, আরও পরে সরাসরি জনভোটে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব লাভ করেন। জিয়া ১৯ দফা কর্মসূচি দিয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনীতির উদ্বোধন ঘটান এবং তার মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৯ সালে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে সামরিক শাসন প্রত্যাহার করে পরিপূর্ণ গণতন্ত্র কায়েম করেন।

জিয়াউর রহমান স্বেচ্ছাশ্রমে খালকাটা কর্মসূচি চালু করে সেচব্যবস্থা ও নৌপথের উন্নয়নে অসামান্য উদ্যোগ নেন, আলস্যপ্রিয় মানুষকে কর্ম-উদ্দীপনায় উদ্বুদ্ধ করেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া চীন ও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ়তর অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন- তাঁর মেধা ও বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে। তিনি ওআইসি শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখেন, সারা দুনিয়ায় কূটনৈতিক অবস্থান শক্তিময় করেন। জিয়ার বিশেষ উদ্যোগেই দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের শিল্প-কারখানা গড়ার ক্ষেত্রে দ্রুত অগ্রগতি হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন সম্পদশালী রাষ্ট্রে বাংলাদেশের মানবসম্পদ রপ্তানির ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হয়। জিয়া রাষ্ট্রনায়ক হতে পেরেছিলেন, তাই তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় সার্ক প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধ বন্ধে বিশাল কূটনৈতিক উদ্যোগে এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাই তো প্রেসিডেন্ট জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে হাজার হাজার বছর ধরে অমর নায়ক হয়ে থাকবেন।

লেখক : বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা