শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ২৩:৪৪, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

তোড়ায় ভরা ঘোড়ার ডিম

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
তোড়ায় ভরা ঘোড়ার ডিম

কাজ চালানোর স্বার্থে কিছু বিদেশি শব্দ বা বাক্য শিখে রাখাটা ভালো। সব সময় সেটা ভালো ফল দেবে, এমন আশা পোষণ ঠিক নয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাজ চালানোর ওই বিদ্যাটা মাথায় রক্ত উঠিয়ে দেয়। আমার প্রয়াত ননী মামার রক্ত এতটাই উঠেছিল যে তিনি ‘ইতালীয়মাত্রই বেজন্মা’ ধরনের চরম ভয়ংকর-অসভ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছে যান। মায়ের এই চাচাতো ভাইটিকে রাব্বুল আলামিন চমৎকার একটা গুণ দিয়েছিলেন। যখনই টের পেতেন যে তাঁর কোনো আচরণ ভুল বা অন্যায়, তখনই ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পাঠ করে নিজেকে নিজে চপেটাঘাত করতেন।

তোড়ায় ভরা ঘোড়ার ডিম ইতালির সব নাগরিকের জন্মের বৈধতাবিষয়ক যে অশিষ্ট ধারণা তিনি উচ্চৈঃস্বরে ঘোষণা করেছিলেন তার নেপথ্যে ছিল তাঁর সুগভীর ভালোবাসা। পাকিস্তানকে তিনি জানের জান প্রাণের প্রাণ নয়নের তারা গণ্য করতেন। ইতালীয় এক পর্যটক, নাম ব্রডোলো, সেই প্রিয়তম পাকিস্তানকে তামাম দুনিয়ার সামনে অবজ্ঞাপূর্বক নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। লোকটা কাজ চালানোর মতো বাংলা শিখে নিয়ে পাকিস্তানের পূর্বাংশ (যাকে বলা হতো পূর্ব পাকিস্তান) সফর করে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ইত্যাদি শহর পর্যটনের সময় সে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আশপাশে সাঁটানো ফলকের লেখাগুলো পড়েছে। সেই অভিজ্ঞতায় পুষ্ট পর্যটক ব্রডোলো স্বদেশে ফিরে ভ্রমণ কাহিনি রচনা করে।

নিবন্ধের এক জায়গায় আছে-পূর্ব পাকিস্তানিরা অতিথিপরায়ণ। ওরা বিদেশিদের অসুবিধামুক্ত রাখতে সদা তৎপর। মজাদার সব খাবার খাওয়ায়। ঘুমানোর জন্য যত্ন করে বিছানায় মশারি টানিয়ে দেয়। রাত্রিযাপন করতে দেয় বিনামূল্যে। রাজশাহী নামের শহরে আমি একদিন টানা চার ঘণ্টা ছুটোছুটি করেছি অটোরিকশায়। চালক অর্ধেক ভাড়া নিয়েছে। আমি পুরোটা দিতে জোরাজুরি করলে সে বলে, ‘তুমি আমাদের মেহমান। পুরো ভাড়া নিলে আল্লাহ নারাজ হবেন।’

ব্রডোলো জানায়, এ রকম সৌজন্যবোধ বাঙালি-অধ্যুষিত সব শহরে দেখেছে। চা খেলে দোকানি দাম নেয়নি। হোটেলে ভরপেট বিরিয়ানি খেয়েছে, দাম রেখেছে অর্ধেক। এরপর দই খাইয়েছে ফ্রি। পাকিস্তানের মানুষ, পাহাড়-নদী-ফসলের খেত মুগ্ধকর। দেখলে নয়ন জুড়ায়। পীড়াদায়ক শুধু একটি বিষয়। ব্রডোলো লিখেছে, ‘পাকিস্তানিরা উন্মুক্ত স্থানে প্রসব করতে অভ্যস্ত। জঘন্য কাজটি বন্ধ করতে পাকিস্তান সরকার যে সচেষ্ট তা পরিষ্কার। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ফলকে লেখা নোটিসে হুঁশিয়ারি দেখেছি তাতে বলা আছে, এখানে প্রসব করবে না। করলে শাস্তিভোগ করতে হবে।’

অল্প বিদ্যা ভয়ংকর। ব্রডোলো বাংলা ভাষার যা আয়ত্ত করেছে তা তো অত্যল্প বিদ্যা। তাই ফলকে লেখা সাবধান বাণীর উল্টো অর্থ করেছে। অর্থকরণটা খুবই আপত্তিকর। তাই নাগালে পেলে ননী মামা যে ওর হাত কেটে পায়ে এবং পা কেটে হাতে ফিট করে দিতেন তাতে কোনো সন্দেহ করা অনুচিত। সাবধান বাণীতে বলা ছিল, ‘এখানে কেউ প্রস্রাব করিবেন না। করিলে আইনত দণ্ড ভোগ করিতে হইবে।’ পঠনকালে ব্রডোলোর দৃষ্টিভ্রম ঘটে। ফলত সে ‘প্রস্রাব’কে ‘প্রসব’ মনে করেছে।

বাবা বললেন, ‘কাজটা ঠিক করলেন না ননী। একজন ইতালীয় দোষ করেছে বলে তুমি সব ইতালীয়র জন্ম কলঙ্কিত-এ রকম ফতোয়া দিয়ে বসেছ। তোমার মতো সাচ্চা আশিক-ই-পাকিস্তান এমন বেইনসাফি করবে কল্পনা করতেও কষ্ট হয়।’ ননী মামা বলেন, ‘স্যরি দুলাভাই।’ এরপর নিজের দুই গালে হালকা চপেটাঘাত করে আওয়াজ দেন, ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’।

অনুতাপ প্রকাশের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে তিনি তাঁর ভগ্নিপতির সঙ্গে ইউরোপীয় সভ্যতার ভণ্ডামির ওপর এক বিতর্কে অবতীর্ণ হলেন। ননী মামার মতে, ভণ্ড গবেষক ব্রডোলো পাকিস্তানি নারীসমাজ সম্বন্ধে যে জঘন্য মানসিকতা দেখিয়েছে ওটাই প্রকৃত ইউরোপীয় মানস। শিক্ষা, জ্ঞান, সংস্কৃতি, তপস্যা, ভদ্রতার ক্ষেত্রে ইউরোপকে সাত আসমান সমান উঁচু মনে করে পাকিস্তান। কিন্তু ওরা... ওরা....।

উত্তেজনায় তাঁর কণ্ঠস্বর রুদ্ধ। বাবা জানতে চান, ওরা কী? ননী মামা বলেন, ‘ওরা তোড়ায় ভরা ঘোড়ার ডিম।’

ঘোড়ার ডিম তো জানি, কাল্পনিক বস্তু। ওটা তোড়ায় ভরার উপায়? ননী মামার কাছে একদিন জানতে গেলে তিনি বলেন, ঘোড়ার ডিম ব্যাপারটাও বুঝিস না। এই বিদ্যা নিয়ে ইন্টারমিডিয়েটে পড়ছিস আর রাস্তায় রাস্তায় মিছিলে মিছিলে ‘জাগো জাগো বাঙালি জাগো’ স্লোগান দিচ্ছিস! লজ্জা করে না? গাধার গাধা কোথাকার!

ঘোড়ার ডিম ইজ ইকুয়াল টু ভুয়া। ঘোড়ার ডিম মানে অস্তিত্বরহিত। ঘোড়ার ডিম মিন্স্ বোগাস ম্যাটার। ঘোড়ার ডিম তাহাই, যা হাকে সভ্যজনরা চরম অপদার্থ বলিয়া গণ্য করিয়া থাকেন।-এসব তথ্য না জানাটা লজ্জাজনক কাজ কেন, ননী মামা তা খোলাসা করেননি। তবে সেদিন তিনি তাৎপর্যময় একটা খবর দিয়েছিলেন, ‘জগৎ সংসারের এখানে-ওখানে ঘোড়ার ডিম পাড়া চলছেই। দেখার জন্য নজর ধারালো করা চাই।’

ননী মামা দুনিয়া ত্যাগ করেছেন ত্রিশ বছর হলো। ধারণা করি, শ্রবণ ধারালো করার ওপরও জোর দেওয়া যে আবশ্যক, সেটা বলতে তিনি ভুলে গিয়েছিলেন। মনোজ মনোহর শ্রেষ্ঠর শ্রবণ ধারালো না থাকায় তিনি ধাঁধায় পড়ে গিয়েছিলেন। ঘটনাটি ঘটে তিনি ময়মনসিংহে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে। কৃষিতে উচ্চতর ডিগ্রি হাসিলের পর মনোজ শ্রেষ্ঠ তাঁর স্বদেশ নেপালে ফিরে গেছেন এরশাদীয় জমানায়। নেপালি এক পত্রিকায় তাঁর ময়মনসিংহ জীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি লিখেছেন-ছাত্রবাসে আমার কক্ষসঙ্গী মোতালিব শরীফকে বললাম, রেলস্টেশনে দেখলাম ফেরিঅলারা হাঁক দিয়ে ঘোড়ার ডিম বিক্রি করছে। মোতালিব বলে, ‘বলছিস কী?’ আমি বলি নিজ কানে শুনেছি, ওরা বগিতে বগিতে গিয়ে বলছে ‘ঘোড়ার ডিম লাগবে? ঘোড়ার ডিম?’

মোতালিব হো হো করে হাসতে থাকে। হাসতে হাসতে তার দম বন্ধ হওয়ার জোগাড়। সে বলে, ‘ওরে গর্দভ। ওরা ওখানে গরম ডিম বিক্রি করছিল। সেদ্ধ করা ডিম। ফেরিঅলারা ওদের স্টাইলে উচ্চারণ করে ‘গ্রাম ডিম গ্রা...ম ডি....ম।’

কৃষিবিদ মনোজ মনোহর শ্রেষ্ঠ লিখেছেন, তাহলে নিজ কানে শুনে বিশ্বাস করবে-গুরুজনের এই উপদেশ কতটুকু নির্ভরযোগ্য। চাঁদনী রাতে পথে পড়ে থাকা দড়িকে সাপ ভেবে মানুষ ভয়ার্ত হয়, তখন নিজ চোখকে আমরা কোন যুক্তিতে ভরসা করি?

‘নিজের চোখে দেখেছি, নিজ কানে শুনেছি’ ঘোষণাপূর্বক কেউ যখন কোনো ঘটনার বিবরণ দেয় তখন তাকে মিথ্যুক মনে করা যায়? সব সময় যায় না। ‘১৯৭১ সালে আমার নিজ শহরে পাকিস্তানি মিলিটারির দখলদারি শুরু হলে খানপুর গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিলাম। বিখ্যাত ফুটবলার (পরে রেফারি) সাইফুল্লাহ, আমাদের প্রিয় বাচ্চু ভাইয়ের শ্বশুরবাড়িতে থাকি। তাঁর স্ত্রী ‘টুনি ভাবি’ আদরযতেœর কোনো সীমা রাখেননি। ভুঁইয়া বাড়ির অতিথি আমি, এলাকার মানুষ সে জন্য খুব সমীহ করে। বাচ্চু ভাইয়ের শ্যালক সালাহউদ্দিন এক সন্ধ্যায় আমাকে স্থানীয় বাজারে নিয়ে গেলেন। আমরা একটা চা-দোকানে ঢুকলাম। হাটবার ছিল, তাই দোকানে ক্রেতা যেন গিজ গিজ করছে।

অধিকাংশ ক্রেতার কণ্ঠে আফসোস ধ্বনি-‘হায়রে! অদুদ কমেন্টার। (কমান্ডার আবদুল ওয়াদুদ গ্রামাঞ্চলে সদ্য গড়ে ওঠা মুক্তিসেনা দলের অধিনায়ক) ক্যামনে এমন ভুল কইল্লেন! কার বুদ্ধিতে হ্যাতেন বেগমগঞ্জ চৌরাস্তায় মেলেটারি ক্যাম্পের সামনে গেলেন।’ একজন বলেন, ‘হোরন কাগা (ফোরকান কাকা), অদুদ সাবরে মাইরা ফালাইছে কে দেখছে?’ হোরন জানান, তিনি নিজ চোখে দেখেছেন মিলিটারি ক্যাম্পের সামনে বালুর স্তূপে পড়ে রয়েছে গুলিতে ঝাঁজরা হওয়া কমেন্টার অদুদের নি®প্রাণ দেহ। শ্রোতারা সমস্বরে বলেন, শহীদি দরজা পাইবেন কমেন্টার। ইয়া গফুরুর রাহিম তুমি উনারে কবুল কর। বেহেশত নসিব কর।

আবদুল ওয়াদুদ কমান্ডার আমার বাল্যসখা তাজুল ইসলাম শান্নুর মামা। ভদ্রলোক সব সময় ফুটানি করতেন। তাসের আড্ডায় ছিলেন পারঙ্গম। চমৎকার বাঁশি বাজাতেন। সুঠামদেহী। সাঁতরে ৫০০ ফুট দীর্ঘ পুকুরের এপাড়-ওপাড় করতেন দম বন্ধ করে। বিলাসী জীবনে অভ্যস্ত ওয়াদুদ এপ্রিলের গোড়ার দিকে গা-ঢাকা দেন। তিনি ‘কমেন্টার’ হয়েছেন, এই সংবাদে জেলা শহরটির পূর্ব দিক এলাকা বিস্ময়মাখা গৌরবে উল্লসিত। তাঁর মৃত্যুসংবাদ বহুজনের সঙ্গে আমাকেও গভীর বেদনায় জর্জরিত করে। ভুঁইয়া বাড়ির সুস্বাদু খাবারগুলো গলা দিয়ে নামতে চায় না।

দিন কয়েক পরে ফের ওই বাজারে যাই। সেদিনও ছিল হাটবার। চা-দোকানে লোক গিজগিজ করছে। সালাহউদ্দিন বলেন, ‘চলেন তালতো ভাই, পিছনে গিয়া বসি। ওই দিকে মানুষ কম।’ গেলাম পেছনের কামরায়। দেখি টেবিলে টেবিলে বড় বড় সাইজের কুপিবাতি জ্বলছে। আমরা চায়ের অর্ডার দিলাম। পেয়ালায় দুতিন চুমুক দিয়েছি, এমন সময় টেবিলে রাখা কুপিবাতিটা তুলে ঠোঁটে রাখা সিগারেট ধরাতে থাকেন দাড়িগোঁফঅলা একজন। তাঁর সঙ্গে চোখাচোখি হতেই চমকে উঠি। তিনি সহাস্যে বললেন ‘অ! আমার মরণের খবর তাইলে তুমিও পাইছ, না?’

ফিসফিস করে সালাহউদ্দিনকে জানাই, ‘ইনিই ওয়াদুদ কমান্ডার।’ কমান্ডারকে জানাই, ‘এ হচ্ছে টুনি ভাবির ছোট ভাই।’ কমান্ডার তাঁর ঠোঁটের ওপর তর্জনী চেপে ধরলেন। বুঝলাম, এখানে উল্লাস করা বারণ। নিঃশব্দে আমরা তিনজন বেরিয়ে এলাম চা-দোকান থেকে। কমান্ডারকে নিয়ে যাচ্ছি ভুঁইয়া বাড়িতে।

পথিমধ্যে তিনি জানতে চান, তাঁকে জীবন্ত দেখে আমার কী অনুভূতি। জবাবে কী বলেছি, তা আজ আর হুবহু মনে পড়ে না। কমান্ডার ওয়াদুদ প্রশ্নটা এখন যদি করতেন তাহলে বলতাম, ‘হোরণ কাগা তোড়ায় ভরা ঘোড়ার ডিম উপহার দিয়েছেন। সে জন্য তাকে অভিবাদন।’

ননী মামা ‘তোড়ায় ভরা ঘোড়ার ডিম’ বাক্যটি কোথায় পেয়েছিলেন বলেননি। বহু বছর পর জানলাম, ওই কথাগুলো সুকুমার রায়ের সর্বশেষ বই ‘আবোল তাবোল’-এর এক কবিতার অংশ : ‘আদিমকালের চাঁদিম হিম/তোড়ায় ভরা ঘোড়ার ডিম/ঘনিয়ে এলো ঘুমের ঘোর/গানের পালা সাঙ্গ মোর।।’ বইটি প্রকাশিত হয় কবির মৃত্যুর (১০ সেপ্টেম্বর ১৯২৩) ৯ দিন পর। মাত্র ৩৬ বছর বেঁচেছিলেন তিনি। লক্ষণীয় পঙ্ক্তি-‘ঘনিয়ে এলো ঘুমের ঘোর।’ কেন এমন লিখলেন? মৃত্যু অত্যাসন্ন, কবি কি তা জানতেন?

♦ লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত, অভিযুক্তকে পিটিয়ে হত্যা
ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত, অভিযুক্তকে পিটিয়ে হত্যা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নেপালে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প
নেপালে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত

১৩ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক একটি ‘জাতীয় সংকট’ : জাপানি প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের শুল্ক একটি ‘জাতীয় সংকট’ : জাপানি প্রধানমন্ত্রী

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক

৪৩ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বলিভিয়ায় স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ৫
বলিভিয়ায় স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ৫

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান

৫৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা