শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

ভারতীয় ভিসা এবং ধান খেত দিয়ে সীমান্ত পার

শিমুল মাহমুদ
প্রিন্ট ভার্সন
ভারতীয় ভিসা এবং ধান খেত দিয়ে সীমান্ত পার

কেন এই পাসপোর্ট পাসপোর্ট, কাঁটাতার কাঁটাতার খেলা/পৃথিবী আমার আমি হেঁটে যাব। কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ কোন বর্ডারে আটকে গিয়ে এই কবিতা লিখেছিলেন জানা নেই। তবে বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে একবারই আমাকে সীমান্তে আটকে যেতে হয়েছিল। একমাত্র সন্তান পঞ্চম শ্রেণির শিশুপুত্র মুশফিক মাহমুদকে দার্জিলিংয়ে পড়তে পাঠিয়ে বুকের ভিতর হাহাকার চলছিল। তখন ভারতের ভিসা পাওয়া ছিল বেশ কঠিন। বর্ডারের লোকজন বলেছিল, ভিসা না পাইলে শুধু পাসপোর্ট নিয়ে চইলা আসবেন। পার করে দেব। খরচ একটু বেশি হবে। এক ঈদে তো ভিসা ছাড়াই দার্জিলিং রওনা দিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত অবশ্য যাওয়া হয়নি।

২০১৮ সালের আগস্টে ভুটান যাওয়ার পথে ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা বর্ডারে গিয়ে পাওয়া গেল মনোজ কুমার কানুকে। তিনি শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীদের পাসপোর্ট পরিষেবার কাজ করেন অনেক বছর ধরে। ইদানীং একটি মানি এক্সচেঞ্জের এজেন্সিও দিয়েছেন। ২০১৩ সালের নভেম্বরে এক শীতের রাতে বর্ডার পার করে দিয়েছিলেন ধান খেত দিয়ে। সেই দিনের ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে জড়িয়ে ধরলাম। একসঙ্গে ছবিও তুললাম। সন্তানকে দার্জিলিংয়ের স্কুলে পড়তে পাঠানোর কারণে বছরে কয়েকবার সেখানে যেতে হতো। সেদিন বর্ডার ক্লোজ করার এক ঘণ্টা পর মনোজের সহায়তায় দেশে ফিরতে পেরেছিলাম। মনোজ বললেন, ভুলেই গেছিলাম, আসলেই সেটি ছিল বড় ঘটনা।

২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর। ছেলেকে স্কুলে রেখে ফিরে আসব। ফেরার সময় মনে হলো, হাতে অনেক সময়। ভাবলাম, একটু রয়েসয়ে যাই। দুপুরের বেশ আগেই দার্জিলিং থেকে জিপে উঠলাম। শিলিগুড়ি পৌঁছার সাত-আট কিলোমিটার আগে জিপের চাকা পাংচার হয়ে গেল। সেটি ঠিক করে আবার জিপ চালু হতে এক ঘণ্টা লেগে যায়। শিলিগুড়িতে জিপ থেকে নেমে ভাবলাম, এই পথে কখনো বাসে চড়া হয়নি। বাসে করে ফিরব চ্যাংড়াবান্ধা। চারপাশ দেখতে দেখতে যাওয়া যাবে। সে রকম ভাবনা থেকেই বাসে উঠলাম।

চলছি তো চলছি। সময় যেন আর ফুরায় না। বর্ডার ক্লোজ হয়ে যায় সন্ধ্যা ৬টায়। শীতের বিকাল। সাড়ে ৫টার দিকেই অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। এ সময় যাত্রীও কমে আসে। ৪টার পর থেকে আমার টেনশন বাড়তে থাকে। বাসের সহযাত্রীদের জিজ্ঞেস করি, ভাই, ময়নাগুড়ি কত দূর? এদিকে মনোজকেও ফোন দিচ্ছি বারবার। তাকে আশ্বস্ত করছি, আমি আসছি। বর্ডার পেরোতেই হবে। যখন বাস থেকে নামি তখন সন্ধ্যা সোয়া ৬টা। তীরে এসে তরি ডুবল মনে ভারতীয় ভিসা এবং ধান খেত দিয়ে সীমান্ত পারহলো। সেদিনের জন্য বাংলাদেশে ঢোকার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছি। কিন্তু থাকব কোথায়? মনোজ ফোনে বললেন, দাদা, আমি ইমিগ্রেশনের স্যারদের বসিয়ে রেখেছি। আসেন, দেখি কিছু করা যায় কিনা। মন আমার বুড়িমারীর ওপারে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে পড়ে আছে। আমি ভারতের চ্যাংড়াবান্ধায়। ঠিক সাড়ে ৬টায় চেকপোস্টে পৌঁছলাম। মনোজ বললেন, দ্রুত পাসপোর্ট দেন। তিনি পাসপোর্টসহ আমাকে নিয়ে ইমিগ্রেশনের রুমে গেলেন। ইমিগ্রেশন অফিসার পাসপোর্টে সিল মারবেন। হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন। সিল হাতে নিয়েই বললেন, আমি সিল দিয়ে দিলে কিন্তু আপনাকে ওপাড়ে চলে যেতেই হবে। এপাড়ে আপনি অবৈধ হয়ে যাবেন। আমার মনে তখন ভয় ধরে গেল। পাসপোর্টে ডিপারচার সিল মারলে আমি এপাড়ে কোথাও থাকতে পারব না। শুনেছি, বর্ডারে সরকারের অনেক এজেন্সি কাজ করে। এক গ্রুপের সঙ্গে অন্য গ্রুপের সাধারণত সদ্ভাব থাকে না। সুযোগ পেলেই একে অন্যকে ফাঁসাতে চায়। সিল দিয়ে অবৈধ হয়ে গেলে ধরা পড়ে জেলেও যেতে হতে পারে। ইমিগ্রেশন অফিসার বললেন, আমরা ছেড়ে দেব। বিএসএফ (বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স) ছাড়বে কি না, জেনে আসুন। ততক্ষণে পৌনে ৭টা বেজে গেছে। বিএসএফ তাদের ডিউটি ক্লোজ করে পথে ব্যারিকেড দিয়ে চলে গেছে। মনোজ আমাকে অদূরে বিএসএফ কমান্ডারের কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি দেরি হওয়ার কারণ জানতে চাইলেন। পেশা জানতে চাইলেন। বললাম, সাংবাদিক। পুত্রকে দার্জিলিং রেখে আসতে গিয়েছিলাম। তিনি স্কুলের নাম জানতে চাইলেন। সব শুনে তার যেন দয়া হলো। হিন্দিতে মনোজকে বললেন, ইমিগ্রেশনের লোকজন আছে? হ্যাঁ-সূচক জবাব পেয়ে বললেন, রাস্তায় তো ব্যারিকেড। ইমিগ্রেশন ছাড়লে ধান খেত দিয়ে পার করে দাও। বিএসএফ কমান্ডারের সম্মতি পেয়ে দৌড়ে ইমিগ্রেশনে গেলাম। তারা সিল মেরে দিল। অবশ্য কাস্টমসের লোকজন সন্ধ্যা ৬টার পরপরই চলে গেছেন। মনোজ বললেন, দাদা, ধান খেত দিয়ে পার হয়ে চলে যান। রাস্তা দেখিয়ে দিলেন। উত্তেজনায় আমার কথা বেরোচ্ছে না। মনোজকে টাকা দিতে চাইলাম। মনে হলো, তিনি যা চাইবেন তাই দেব। মনোজ বললেন, টাকা লাগবে না দাদা। আপনাকে পাঠাতে পারছি, এতেই খুশি।

কুয়াশা ভেজা ধান খেত পেরিয়ে যখন এপাড়ে আসব, হঠাৎ মনে পড়ল, ধান খেত দিয়ে রাতের বেলা সীমান্ত পার হচ্ছি, যদি বিএসএফ গুলি করে দেয়। এ ভাবনাতেই যেন শিরদাঁড়া বেয়ে ঘাম ঝরে গেল। শীতের রাতেও অজানা ভয়ে আমি ঘামতে শুরু করলাম। দ্রুত পায়ে ধান খেত পেরিয়ে এপাড়ে এলাম। তখন ৭টা পেরিয়ে গেছে। সূর্য ডোবার পর প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা। বুকভরে নিঃশ্বাস নিলাম, বাংলাদেশের মুক্ত বাতাসে। এপাড়ে বুড়িমারীতে ঢাকায় ফেরার শেষ বাসটিও যেন শুধু আমার জন্য অপেক্ষা করছিল। এই অভিজ্ঞতা গত এক দশকেও স্মৃতিতে অমøান। বাকি জীবনেও ভোলার নয়। যে ছেলেকে দার্জিলিংয়ের স্কুলে রেখে আসতে গিয়ে এত বিপত্তি, সে এখন জার্মানির এক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।

২. বলা হয়ে থাকে, ভারত ঘুরে দেখলে সারা বিশ্ব দেখা হয়ে যায়। ভারত ছিল আমাদের বাড়ির কাছের বিদেশ। আমাদের বিদেশযাত্রার প্রথম পছন্দ। ছিল বলছি এই কারণে যে সেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা চলছে এখন। আস্থার সংকটে দুই দেশের সম্পর্ক এখন তলানিতে। ঢাকা থেকে ভারতীয় ভিসা দেওয়া প্রায় বন্ধ। এতে ভারতেরই বেশি ক্ষতি মনে করা হচ্ছে। তাদের পর্যটন ও চিকিৎসা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কলকাতার শত শত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি ক্রেতার অভাবে ধুঁকছে। দিল্লি, কলকাতা, মুম্বাই, চেন্নাই, ভেলরের হাসপাতালগুলো বাংলাদেশের রোগী পাচ্ছে না। তবে বাংলাদেশের লোকজন তো বসে নেই। তারা ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর যাচ্ছে বেড়াতে, ডাক্তার দেখাতে। চিকিৎসা নিতে। খরচ একটু বেড়ে গেলেও ভারতমুখিতা বন্ধ হয়েছে। পর্যটন ভিসা বন্ধ হলেও দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য তো বন্ধ নেই। ভারত থেকে নিত্যপণ্য আসছে বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে। বাংলাদেশ থেকেও যাচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য। বাংলাদেশের জন্য ভারত এবং ভারতের জন্য বাংলাদেশ অনেক বড় বাজার। কিন্তু বাংলাদেশ সারা বিশ্বে অসংখ্য পণ্য রপ্তানি করলেও ভারতের বাজারে সুবিধা পায়নি অশুল্ক বাধার কারণে। ফলে বাংলাদেশ থেকে ভারত যে সুবিধা পাচ্ছে সে তুলনায় বাংলাদেশের প্রাপ্ত সুবিধা অনুল্লেখ্য। শেখ হাসিনার সরকারের শেষ ১০ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ছিল সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ। এই সময়ে ভারত তাদের স্বার্থের অনুকূলে অনেক সুবিধা নিয়ে গেছে।

ছোট প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আচরণ কখনোই ইতিবাচক ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের সহায়তাকারী হিসেবে ভারত বাংলাদেশের আনুগত্য প্রত্যাশা করে। কিন্তু একতরফা সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের প্রতি তাদের সীমাহীন বৈরিতার প্রকাশ। বারবার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সীমান্তে কখনো প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করবে না ভারত। কিন্তু তারা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না। সীমান্তের বিভিন্ন অংশে প্রতি বছর অসংখ্য বাংলাদেশি খুন হন ভারতীয় রাষ্ট্রীয় বাহিনীর গুলিতে। বাংলাদেশে ভারতবিদ্বেষী মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ তাদের আচরণ। সর্বশেষ নিজেদের ৯৫ জেলেকে মুক্ত করতে তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অনেক ভিতরে ঢুকে আমাদের ৭৮ জেলেকে ধরে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে বন্দি ছিলেন আরও ১২ জেলে। সম্প্রতি ভারতের ৯৫ জেলের বিনিময়ে বাংলাদেশের ৯০ জেলেকে মুক্তি দেয় ভারত।

একটা সময় ছিল ভারতের গরু ছাড়া কোরবানি হতো না বাংলাদেশে। সেই নির্ভরতা কাটিয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ১৮ কোটি মানুষের এই দেশ চাইলে অনেক কিছুই করতে পারে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক অনেক সূচকে বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে এগিয়ে আছে। ভারতকে তার কট্টর হিন্দুত্ববাদ, চরম সাম্প্রদায়িকতা, সামাজিক বৈষম্য ও জাতপাত ভেদাভেদ নিয়ে এগোতে হয়। বাংলাদেশের সে রকম কোনো সমস্যা নেই। এ দেশে সব ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়ের মানুষ মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করে। আমাদের নেতৃত্ব যদি ঠিক হয়, তাহলে পরবর্তী ২০ বছরে ভারতকে অনেক পেছনে ফেলে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। তখন হয়তো সীমান্তের চিত্রটা আরও ভিন্নতর হবে। সীমান্তে হয়তো আমাদেরই কাঁটাতারের বেষ্টনী দিয়ে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। বাংলাদেশ তো আর ভুটান, মালদ্বীপ নয়। নেপালও নয়। রক্ত দিয়ে মাতৃভাষা অর্জনের দেশ বাংলাদেশ। যুদ্ধ করে হানাদার হটিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখার চিন্তা করাই বোকামি। প্রিয় প্রতিবেশী ভারতকে সেই বাস্তবতা বুঝতে হবে।

লেখক : সাংবাদিক

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা