শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৪৯, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১৫:৫৪, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

নীতিমালা লঙ্ঘন করে লাইসেন্স, সামিট গ্রুপের দখলে ইন্টারনেট খাত

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
নীতিমালা লঙ্ঘন করে লাইসেন্স, সামিট গ্রুপের দখলে ইন্টারনেট খাত

আইসিটি ও টেলিকমিউনিকেশন খাতে এখনো একচ্ছত্র আধিপত্য সামিট গ্রুপের। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রত্যক্ষ সহায়তায় সামিট এ সুযোগ পায়। নীতিমালা লঙ্ঘন করে সামিটকে দেওয়া হয়েছিল ৬টি লাইসেন্স, যা ছিল বাজার প্রতিযোগিতার পরিপন্থী। ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের ৫০ শতাংশের বেশি এখন সামিটের দখলে। আমার দেশ-এর অনুসন্ধানে এ তথ্য জানা গেছে।

বিশ্লেষকরা জানান, সামিটকে একচ্ছত্র আইসিটি খাত-সংশ্লিষ্ট সুবিধা দেওয়ায় ইন্টারনেট খাত ভারতনির্ভর হয়ে পড়েছে। এতে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুর্নীতিবাজ ও অর্থপাচারকারী বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও অদৃশ্য কারণে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে সামিট গ্রুপ, যারা আওয়ামী শাসনামলের অন্যতম সুবিধাভোগী একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত।

২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ফের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে। নতুন সরকার গঠনের পর বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খানের ভাই, গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ফারুক খান। একই বছরের মধ্যে সামিট গ্রুপ সরকারের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় টেলিকম খাতে প্রবেশ করে এবং দেশের ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য বিটিআরসি থেকে এনটিটিএন (ন্যাশনাল টেলিকম ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক) লাইসেন্স পেয়ে যায়। এখান থেকেই শুরু হয় সামিটের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার যাত্রা।

প্রাথমিকভাবে এনটিটিএন লাইসেন্স নিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই সামিট একে একে আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল), আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) ও আইএসপি (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার) লাইসেন্স বাগিয়ে নেয়। নীতিমালা লঙ্ঘন করেই সরকার এই লাইসেন্সগুলো দেয়, যার ফলে সামিট কার্যত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট খাতের নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়।

এ অবস্থায় সামিট গ্রুপ দেশের টেলিকম খাতে বিপুল বিনিয়োগ করে এবং কয়েক বছরের মধ্যেই শত শত কোটি টাকা মুনাফা করতে থাকে। এই মুনাফার বড় অংশই ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষায় ব্যবহৃত হয়, যা পতিত হাসিনা সরকারকে আরো শক্তিশালী করতে সহায়তা করেছিল। সামিটের এই অনৈতিক উত্থান ও আধিপত্য কায়েমের মাধ্যমে দেশের ইন্টারনেট খাতকে ভারতনির্ভর করে ফেলা হয়, যা আজ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকিতে পরিণত হয়েছে।

২০১২ সালে সাবমেরিন ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে ভারত থেকে ব্যান্ডউইডথ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি। তবে বিটিআরসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আইটিসি গাইডলাইন অনুযায়ী ‘কমিশন সর্বাধিক তিনটি আন্তর্জাতিক টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) সিস্টেম ও সেবার লাইসেন্স প্রদান করবে, যা ২০১০ সালের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ নীতিমালার অধীনে এবং এই উদ্দেশ্যে প্রণীত নির্দেশিকার শর্তাবলি অনুসারে হবে। সরকার আন্তর্জাতিক টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) সিস্টেম ও সেবা লাইসেন্সের সংখ্যা হ্রাস করার অধিকার সংরক্ষণ করে।’

অথচ এই নির্দেশনা পুরোপুরি উপেক্ষা করে লাইসেন্সের সংখ্যা হ্রাস না করে বরং ২০১২ সালে ৬টি প্রতিষ্ঠানকে আইটিসি লাইসেন্স দেওয়া হয়, যার মধ্যে সামিট ছিল ৫ম। ৮১.৮৩ নম্বর পেয়ে পঞ্চম স্থানে থাকা সামিট এবং ৮০.১৯ নম্বর পেয়ে ষষ্ঠ স্থানে থাকা ফাইবার এট হোমকে লাইসেন্স দেওয়া হয় তখন। এ দুইটি লাইসেন্স ‘২০০৯ সালে এনটিটিএন ও ২০১২ সালে আইটিসি’ প্রাপ্তির মাধ্যমে সামিট গ্রুপ টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রণ একচেটিয়াভাবে শুরু করে।

ব্যান্ডউইডথ সরবরাহের আনুপাতিক নীতিমালাও লঙ্ঘন

বিটিআরসির আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) লাইসেন্সিং নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে, কোনো অপারেটর দেশের ৬০ শতাংশের বেশি ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ করতে পারবে না। তবে ভারত ও নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক গোষ্ঠীকে সুবিধা প্রদান করার জন্য ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকার ওই নীতিমালা শিথিল করে। ফলে ভারত থেকে অনির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যান্ডউইডথ আমদানির সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা দেশকে ভারতনির্ভর করে তুলেছে।

এই শিথিলতার মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠান বিএসসিপিএল (বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড)-এর সক্ষমতা ব্যবহারের সুযোগ বাদ দিয়ে সামিট ও অন্যান্য আইটিসি প্রতিষ্ঠান ভারতে আসা ব্যান্ডউইডথের ওপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে। ফলে অনেক আইআইজি প্রতিষ্ঠান ভারতের মাধ্যমে ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করছে, যা দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোকে একক দেশের ওপর নির্ভরশীল করে তোলে। বিটিআরসির একটি সূত্র জানিয়েছে, কিছু আইআইজি প্রতিষ্ঠান তাদের শতভাগ ব্যান্ডউইডথ ভারত হয়ে ব্যবহার করছে, যা বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

প্রতি বছরই বাড়ছে ভারত থেকে ব্যান্ডউইডথ আমদানি

২০২১ সালে সরকারি সক্ষমতার ৭০ শতাংশ ব্যান্ডউইডথ ব্যবহৃত হলেও ২০২৫ সালে এসে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। বিটিআরসির সূত্র অনুযায়ী, প্রতি বছর ভারত থেকে আমদানির পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে এবং বর্তমানে ভারত থেকেই আসছে দেশের বেশিরভাগ ব্যান্ডউইডথ। এদিকে, সরকারি ব্যান্ডউইথড অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে, যার ফলে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর ওপর বিদেশনির্ভরতা আরও গভীর হচ্ছে।

ভারতকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী ডিজিটাল ট্রানজিটের নীলনকশা

বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে ব্যান্ডউইডথ রপ্তানির নীলনকশা তৈরি করেছিল সামিট। এর আওতায় ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, মিজোরাম, মনিপুর, মেঘালয় ও নাগাল্যান্ড- এই রাজ্যগুলোতে ব্যান্ডউইডথ সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল। এমন উদ্যোগে সরাসরি লাভবান হতো ভারত ও সামিট; কিন্তু বাংলাদেশের টেলিকম খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই চুক্তি বাস্তবায়িত হতো, তাহলে বাংলাদেশের ডিজিটাল হাব হয়ে ওঠার সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতো। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং পলাতক শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় এই চুক্তি কার্যকরের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তবে হাসিনা সরকারের পতনের পর সম্প্রতি বিটিআরসি এই চুক্তিটি বাতিল করেছে। খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাতীয় স্বার্থবিরোধী এমন কার্যক্রমের জন্য সামিটের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, যা এখনো করা হয়নি।

সামিটের হাতে প্রাইভেট সাবমেরিনের লাইসেন্স

৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আওয়ামী-ঘনিষ্ঠ সামিট গ্রুপের ক্ষমতা খর্ব করার লক্ষ্যে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি বিটিআরসি। রাজনৈতিক বিবেচনায় সামিটের হাতে তুলে দেওয়া সাবমেরিন ক্যাবলের লাইসেন্স বাতিলের ব্যাপারে কোনো উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়নি এখন পর্যন্ত। বরং সামিট এখন চালকের আসনে বসতে যাচ্ছে। এই খাতের ৬টি লাইসেন্স আইটিসি, এনটিটিএন, আইআইজি, এনআইএক্স, সাবমেরিন এবং টাওয়ার শেয়ারিং হাতে পাওয়ার মাধ্যমে একাধিপত্য বিস্তার করেছে সামিট, যা আওয়ামী সরকারের পতনের পরও বহালতবিয়তে রয়েছে। এর ফলে গ্রাহক সামিটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়তে পারে, যা স্পষ্টভাবে বাজারে ব্যবসায়িক সাম্য প্রতিষ্ঠার নীতিবিরোধী।

ইন্টারনেট খাতে ৫০ শতাংশের বেশি সামিটের নিয়ন্ত্রণে

খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের ইন্টারনেট অবকাঠামো এত বেশি ভারতের ওপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠা একটি কৌশলগত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি বাংলাদেশের ডিজিটাল স্বাধীনতাকে গুরুতরভাবে হুমকির মুখে ফেলতে পারে, বিশেষ করে যদি দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপড়েন বা উত্তেজনা তৈরি হয়। যদি কোনো কৌশলগত কারণে ভারত আইটিসি সংযোগ সীমিত বা বন্ধ করে দেয়, তবে বাংলাদেশের ইন্টারনেট কার্যক্রম বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে, যা দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে চ্যালেঞ্জে ফেলবে।

মন্ত্রণালয়ের নথি থেকে জানা গেছে, সরকারের নিজস্ব সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে বাংলাদেশের ইন্টারনেটের প্রায় ৭০ শতাংশ সরবরাহ করা হচ্ছে ভারত থেকে, যার ৫০ শতাংশের বেশি সামিট গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে। ফলে দেশের ইন্টারনেট অবকাঠামো একক নির্ভরতার ঝুঁকিতে পড়েছে, যা সরাসরি ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, এই ক্রমবর্ধমান ভারতনির্ভরতা বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। দেশের প্রধান ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ প্রবাহ সামিটের মাধ্যমে ভারত হয়ে বাইরের দেশগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত থাকায় বাংলাদেশি তথ্যের ওপর ভারতের একক নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে স্পর্শকাতর জাতীয় তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি যেমন বেড়েছে, তেমনি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বও হুমকির মুখে পড়েছে। এমন বাস্তবতায় প্রশ্ন উঠছে- সামিট গ্রুপের এই একচ্ছত্র আধিপত্য কাদের স্বার্থে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কেন এখনো এই গুরুতর নিরাপত্তা ইস্যুতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না!

বাড়ছে রিজার্ভের ওপর চাপ

শুধু মূল্য কম অথবা ল্যাটেন্সির (কোনো সিস্টেমে তথ্য আদান-প্রদানের বিলম্ব বা দেরি) অজুহাত দেখিয়ে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান যেমন এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিও, টাটা কমিউনিকেশনের সঙ্গে যোগসাজশে ভারত থেকে আমদানি চালু রাখতে এবং তার জন্য পলিসি নির্ধারণে আগ্রহী সামিটসহ অন্যান্য আইটিসি প্রতিষ্ঠান। এতে আসলে লাভ হচ্ছে ভারত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর। স্বল্প বিনিয়োগে তারা শত শত কোটি টাকা লাভ করছে, কিন্তু এর ফলে বাংলাদেশকে বছরে ৪০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে রিজার্ভ থেকে।

সরকারি প্রতিষ্ঠান বিএসসিপিএলসির মোট সক্ষমতা ৭২০০ জিবিপিএস হলেও বর্তমানে মাত্র ৩০০০ জিবিপিএস ব্যবহার হচ্ছে; অর্থাৎ প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যান্ডউইডথ অব্যবহৃত রয়েছে। তাছাড়া ২০২৬ সালের মধ্যে সিমিউ-৬ চালু হলে এর সক্ষমতা বেড়ে ২০ হাজার জিবিপিএসে পৌঁছাবে। প্রয়োজনে নীতিমালা সংশোধন করে এই সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বের বড় বড় টেক জায়ান্ট যেমন ফেসবুক, গুগল, অ্যামাজনকে নীতিগত সুবিধা দেওয়া উচিত, যাতে তারা বাংলাদেশে ডেটা সেন্টার স্থাপন করতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশের ইন্টারনেটের একটি বড় অংশই ফেসবুক এবং গুগলের সার্ভার থেকে আসে, যেগুলো ভারতের চেন্নাই, কলকাতা শহরগুলোতে স্থাপিত রয়েছে। এর ফলে ভারত সরকার লাভবান হচ্ছে এবং বাংলাদেশ সরকার একদিকে রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা নষ্ট হচ্ছে।

সামিট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে সামিট টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ আল ইসলাম বলেন, ‘সামিট তার যোগ্যতা দিয়েই এসব লাইসেন্স পেয়েছে এবং বিটিআরসি একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই লাইসেন্স প্রদান করেছে।’ তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, এতে ভারতের ওপর এক ধরনের নির্ভরতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ব্যবসায়িক দিক থেকে চিন্তা করলে ভারতের পক্ষ থেকে ইন্টারনেন বিচ্ছিন্ন করার কথা নয়। 

তিনি আরও বলেন, ‘একই প্রতিষ্ঠানের ৬টি লাইসেন্স থাকলে এই খাতে ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সুযোগ রয়েছে; তবে সামিট এমন কিছু করছে না।’ রাজনৈতিকভাবে সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বাংলাদেশে এ ধরনের সুবিধা অনেকেই পেয়ে থাকে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারি কর্তৃপক্ষ যা বলছে

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পলিসি অ্যাডভাইজর ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হলো দেশের ইন্টারনেট অবকাঠামোকে একক নির্ভরতা থেকে মুক্ত করা। এজন্য বিএসসিপিএলসির সক্ষমতার কথা মাথায় রেখে বিকল্প সাবমেরিন ক্যাবল পথের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে এবং বিভিন্ন ইন্টারনেট পয়েন্টে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া সিঙ্গেল পয়েন্ট অব ফেইলিউর থেকে উত্তরণের জন্য বিটিআরসির পলিসি পরিবর্তন করা হতে পারে।’

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন বলেন, ‘আমাদের সক্ষমতা রয়েছে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইডথ সাপ্লাই দেওয়ার। ভারত থেকে না আনলে বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার কথা নয়। অন্যান্য দ্রব্য-পণ্যও তো আমদানি বন্ধ আছে, ব্যান্ডউইডথ কেন আমদানির করতে হবে? অব্যবহৃত ব্যান্ডউইডথ কম দামে বিএসসিপিএলসি বিক্রির চেষ্টা করছে।’

সূত্র- আমার দেশ।

এই বিভাগের আরও খবর
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার
ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার
টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু রবিবার
টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু রবিবার
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
"ব্যাংকিং সেক্টরের সংস্কার দরকার, যা বর্তমান সরকার এককভাবে করতে পারবে না"
"ব্যাংকিং সেক্টরের সংস্কার দরকার, যা বর্তমান সরকার এককভাবে করতে পারবে না"
ইতিহাসে প্রথমবার স্বর্ণের দাম ৩১০০ ডলার ছাড়ালো
ইতিহাসে প্রথমবার স্বর্ণের দাম ৩১০০ ডলার ছাড়ালো
বাংলাদেশ-পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার শেয়ারবাজারে পারস্পরিক সহযোগিতায় ত্রিপক্ষীয় চুক্তি
বাংলাদেশ-পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার শেয়ারবাজারে পারস্পরিক সহযোগিতায় ত্রিপক্ষীয় চুক্তি
এখনো ঈদ বোনাস পাননি ২৯৯ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা
এখনো ঈদ বোনাস পাননি ২৯৯ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা
নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় শিল্প খাতের বিনিয়োগকারীরা
নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় শিল্প খাতের বিনিয়োগকারীরা
সর্বশেষ খবর
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

৫২ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত
সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে
মার্চ মাসেও বৃষ্টির দেখা মেলেনি রংপুরে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা, অবিলম্বে শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি চীনের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিমসটেক মহাসচিবের সাক্ষাৎ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা