নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চরশামুকখোলা গ্রামে সৎ দাদির হাতে চার বছরের শিশু শাহাদাত খুন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিশু শাহাদাতকে খুনের পর মরদেহ মাটি চাপা দেয়া হয়।
পুলিশ খবর পেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। একই দিন বিকেলে শিশুটি নিখোঁজ হয়।
শাহাদাত চর-শামুকখোলা গ্রামের ইব্রাহিম মোল্যার বর্তমান স্ত্রীর আগের ঘরের সন্তান। ইব্রাহিমের প্রথম স্ত্রী চলে যাওয়ার পর তিনি শাহাদাতসহ তার মাকে বিয়ে করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিশুর দাদি রাবেয়া বেগমকে (৬০) পুলিশ আটক করেছে।
পুলিশ জানায়, বুধবার (১২ মার্চ) সকালে শাহাদাতের দাদি রাবেয়া বেগমের ২০ হাজার টাকা হারানো নিয়ে তার মায়ের সঙ্গে ঝগড়া হয় এবং শাহাদাতকে বকাঝকা করা হয়। পরে বিকেলে শাহাদাত বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান না পেয়ে গ্রামের মসজিদে শাহাদাত হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়। মাইকে ঘোষণা শুনে ওই গ্রামের এক ব্যক্তি জানান, বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে শাহাদাত ও তার দাদিকে তিনি দেখেছেন। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা পুকুর পাড়ে গিয়ে মাটির নিচে পুতে রাখা শাহাদাতের মরদেহ উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের একটি দল মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দাদি রাবেয়া বেগমকে আটক করে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, শিশু শাহাদাতের ময়নাতদন্ত নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের দাদি রাবেয়া বেগমকে আটক করা হয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ