আদালত থেকে বাড়ি ফেরার পথে শারীরিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন গৃহবধূ লাকী বেগম। এ ঘটনায় থানায় এজাহার দিলেও মামলা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে গৃহবধূ ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সোমবার (জানুয়ারি) দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব ঘটনার বর্ণনা দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন শহরের দক্ষিণ বানিয়ারজান এলাকার আমজাদ হোসেনের স্ত্রী লাকী বেগম।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে জানান, পুত্রবধূ ফাতেমাতুজ জোহরার অপহরণ মামলায় ছেলে ফয়সাল লেলিন জেলে রয়েছেন। গত ১২ জানুয়ারি রবিবার তিনি ছেলের জামিনের জন্য গাইবান্ধা কোর্টে যান। জামিন না হলে কোর্ট থেকে ফেরার পথে মূল গেটের কাছে এলে ছেলের শ্বশুর আশরাফুল আলম বাদশা এবং সুজন মিয়ার নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী দল তার ও সঙ্গীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে তার শ্লীলতাহানি ঘটিয়ে ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে নগদ টাকা, ২টি মোবাইল ফোন ও স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বড় বোন রিতা বেগম ও নাতি শাকিল শেখকেও মারপিট করা হয়। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু এজাহারটি মামলা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে অভিযুক্ত আসামিদের উপর্যুপরি হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে গৃহবধূর পরিবার। এ বিষয়ে থানায় মামলা গ্রহণসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন গৃহবধূ।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মা আনোয়ারা বেগম, বড় বোন রিতা বেগম, নাতি শাকিল শেখ ও ভাতিজা মুনতাসির জিম।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর ইসলাম তালুকদার বলেন, এঘটনায় অভিযোগ পেয়ে তদন্তের জন্য একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে আইনী প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।
বিডি প্রতিদিন/হিমেল