শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:১১, মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ১৫:৪৩, মঙ্গলবার, ০৪ মার্চ, ২০২৫

ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাওয়া ২০ নদী ও খাল উদ্ধারের দাবি বগুড়াবাসীর

আবদুর রহমান টুলু, বগুড়া
অনলাইন ভার্সন
ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাওয়া ২০ নদী ও খাল উদ্ধারের দাবি বগুড়াবাসীর

প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের ৬৪টি জেলার নদী-খাল ও জলাশয় উদ্ধারে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রতিদিন এ হারিয়ে যাওয়া নদী ও খাল নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ায় নজরে আসে পানি উন্নয়ন বোর্ডের। ফলে নদী, খাল ও জলাশয় উদ্ধারে পরিকল্পনা কমিশন গঠন করা হয়েছে। 

এদিকে, বগুড়ার ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাওয়া ২০ নদী ও খাল উদ্ধারের দাবি তুলেছেন জেলাবাসী। নদী এবং খাল পুন:খননে পানির ধারণ ক্ষমতাসহ কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে মৎস্য চাষের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশীয় মাছের ব্যাপক প্রজনন বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। দেশের ৯৪৮টি নদী পুন:উদ্ধার হলে ফিরে পাবে তাদের যৌবন। জোয়ারে ভাসবে পাল তোলা নৌকা। পরিবেশ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ঘুরবে এ অঞ্চলের কৃষকদের ভাগ্যের চাকা। কৃজি কাজে সেচ সুবিধাসহ মাছ চাষেও ফিরবে গতি। 

জানা গেছে, দেশের ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরে ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পুন:খনন প্রকল্প ২য় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রায় ৩ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের ৪৩৯টি উপজেলায় এই খনন কাজ করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের জুলাই হতে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। এটি বাস্তবায়ন হলে দেশের ৯৪৮টি নদীর নাব্যতাসহ কৃষি কাজে গতি ফিরবে। প্রকল্পটির পুন:খনন কাজের মোট দৈর্ঘ্য ৬ হাজার ১৭৭ কিলোমিটার। এই প্রকল্পে বগুড়া জেলার ২০টি খাল ও নদী পুন:খনন করা হবে। ২০টি খাল ও নদীর মধ্যে রয়েছে-জেলার ধুনট উপজেলার চিকাবালা খাল, সারিয়াকান্দির দিবাহাড়ী খাল, বারমাসি খাল, গাবতলী উপজেলার গেন্দাখালী খালসহ, সারিয়াকান্দি উপজেলার সুখদহ নদী, শিবগঞ্জ উপজেলার গাংনাই নদী ও করতোয়া নদী। এসব নদী-খাল ও জলাশয়গুলো খননের মাধ্যমে পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বছরব্যাপী সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে। 

পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক নির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা। এই পরিকল্পনায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। এছাড়া ছোট নদী, খাল এবং জলাশয়গুলোর আনুমানিক ৭ লাখ ২০ হাজার হেক্টর নিষ্কাশন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হলে বন্যা ও জলাবদ্ধতা ঝুঁকি কমিয়ে আসবে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পুন:খননের মাধ্যমে ছোট নদী-৮৯টি, খাল-৮৩৩টি ও ২৬টি জলাশয় পুনরুজ্জীবিত হবে। নাব্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার ৪০০ কিলোমিটার নৌ চলাচলের সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত সম্ভব হবে। বগুড়া জেলাবাসী ২০টি নদী ও খাল পুন:খননের জন্য দাবি তুলেছেন। 

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, দেশের ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পুন:খনন প্রকল্প ২য় পর্যায়ের মধ্যে বগুড়ার ২০টি নদী ও খাল রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সারিয়াকান্দি উপজেলার সুখদহ নদী, শিবগঞ্জ উপজেলার গাংনাই নদী ও করতোয়া নদী। এই নদীগুলোতে এক সময় পাল তোলা নৌকা চলতো। এছাড়া নানা ধরনের কৃষি ফসল পরিবহন হতো নৌকা দিয়ে। বিভিন্ন হাটবাজারে নৌকা নিয়ে এই নদীপথেই চলাচল করতেন এলাকাবাসী। এখন দখল দূষণ আর তলদেশ ভরাটের কারণে নাব্যতা সংকটে এসব নদী। বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীগুলোর নাব্যতা ফেরাতে কাজ করে যাচ্ছে। পুন:খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আবারো হারানো যৌবন ফিরে পাবে নদীগুলো। 

অন্যদিকে, বগুড়ার ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাচ্ছে সুখদহ নদী। নদীটির তলদেশ ভরাট, দখল, দূষণ আর পানি প্রবাহ না থাকায় দিনে দিনে খালে পরিণত হয়েছে এই নদী। বর্ষাকালে পানি দেখা গেলেও সারা বছর আর পানি থাকে না। এক সময় জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলায় কৃষি কাজে লাগলেও এখন সেই নদীতে চর জেগেছে। সুখদহ নদীতে এখন আর মাছ দেখা যায় না। ময়লা আবর্জনা জমে দুগর্ন্ধ ছড়াচ্ছে। বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বালিয়াদিঘী ইউনিয়নস্থ বালিয়াদিঘী মৌজা থেকে সুখদহ নদীটি সৃষ্টি হয়ে উত্তর পূর্ব দিকে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে সারিয়াকান্দি উপজেলায় প্রবেশ করেছে। এরপর সর্পিল আকারের এই সুখদহ নদীটি কয়েক কিলোমিটার ঘুরে আবারো গাবতলী উপজেলার দুর্গাহাটা ইউনিয়ন হয়ে পুনরায় সারিয়াকান্দি থানার ফুলবাড়ি মৌজা হয়ে নারচী ইউনিয়নস্থ নারচী, পরবর্তীতে বাঙালী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। নদীটি প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ। উজান থেকে আসা পলিজমে এবং কোথাও বন্দর এলাকায় মাটি ভরাটকরণের ফলে হারিয়েছে এর নাব্যতা এবং গতিপথ। নদীটি পুন: খননের দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী। 

শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও শিল্পপতি অধ্যক্ষ মীর শাহে আলম জানান, গাংনাই নদী বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত। নদীটির উৎপত্তিস্থল জয়পুরহাট, গাইবান্ধা ও বগুড়া জেলার শেষ সীমানা পানিতলা নামক স্থান থেকে। নদীটির শিবগঞ্জের আলিয়ারহাট এলাকায় সুইচগেট থাকায় শুষ্ক সৌসুমে গেইটটি বন্ধ করে কৃষি কাজে পানি সেচ ব্যবস্থা করা হয়। এই নদী খনন ও নাব্যতা ফিরে আনতে পারলে কৃষি ও মৎস্য চাষে বিপ্লব ঘটবে। এটি শিবগঞ্জের শেষ সীমানা করতোয়া নদীতে এসে মিলিত হয়েছে। প্রায় ১৫ কিলোমিটার এই নদী পুন:খনন হলে ভরা মৌসুমে তার যৌবন ফিরে পাবে। এছাড়া জেলার প্রায় ২০টি নদী ও খাল উদ্ধারে পুন:খনন জরুরি।  

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হক বলেন, বগুড়ায় প্রথম পর্যায়ে প্রতি উপজেলায় একটি করে নদী খননের কাজ প্রায় শেষ। দ্বিতীয় পর্যায়ে বগুড়াসহ দেশের অন্যান্য নদীগুলো খননের জন্য প্রকল্প দেয়া আছে। প্রকল্পটি পাস হলে সুখদহ নদীসহ জেলার ২০টি ছোট নদী ও খাল পুন:খনন কাজ শুরু করা হবে। ফলে বগুড়ায় কৃষি জমিতে সেচসহ দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষে বিপ্লব আসবে।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত

এই বিভাগের আরও খবর
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকের অনন্য উদ্যোগ, ৫ মণ প্লাস্টিকবর্জ্য অপসারণ
টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকের অনন্য উদ্যোগ, ৫ মণ প্লাস্টিকবর্জ্য অপসারণ
বিচিত্র ফুল বোতল ব্রাশ
বিচিত্র ফুল বোতল ব্রাশ
পাতা ঝরা শেষ সজীব হয়ে উঠছে পত্রপল্লব
পাতা ঝরা শেষ সজীব হয়ে উঠছে পত্রপল্লব
নেত্রকোনার হাওরে হাঁস পালন, খরচ কম লাভ বেশি
নেত্রকোনার হাওরে হাঁস পালন, খরচ কম লাভ বেশি
বায়ুদূষণ: ১২ সীসা ব্যাটারি কারখানা বন্ধ করল পরিবেশ অধিদফতর
বায়ুদূষণ: ১২ সীসা ব্যাটারি কারখানা বন্ধ করল পরিবেশ অধিদফতর
সূর্যমুখী বাগান যেন বিনোদন কেন্দ্র
সূর্যমুখী বাগান যেন বিনোদন কেন্দ্র
কক্সবাজারে পটল চাষে সফলতা
কক্সবাজারে পটল চাষে সফলতা
নদীতে ঝিনুক কুড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ
নদীতে ঝিনুক কুড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ
পতিত জমিতে মিষ্টি কুমড়া
পতিত জমিতে মিষ্টি কুমড়া
কেইপিজেডে হাতির উপস্থিতি: দ্রুতই সমাধানের পথ খুঁজতে হবে
কেইপিজেডে হাতির উপস্থিতি: দ্রুতই সমাধানের পথ খুঁজতে হবে
সর্বশেষ খবর
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা